• ই-পেপার

মরক্কোর গোলমেশিনকে বিশ্বকাপের মাঝেই দলে টানল বায়ার্ন

৩ মিনিটের ব্যবধানে ২ গোল শোধ করে ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে নিল বেলজিয়াম

ক্রীড়া ডেস্ক
৩ মিনিটের ব্যবধানে ২ গোল শোধ করে ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে নিল বেলজিয়াম

সিয়াটলে শেষ ৩২-এর ম্যাচে মাঠে নাটকীয়তা দেখাল বেলজিয়াম ও সেনেগাল। দুই গোলে পিছিয়ে পড়ে ম্যাচের অন্তিম মুহূর্তে তা শোধ করে সাদিও মানেদের স্তব্ধ করে দিয়েছে লুকাকুরা।

প্রথমার্ধের ২৫ মিনিটে হাবিব দিয়ারার গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় সেনেগাল। বিরতির পর ইসমাইলা সারের গোলে লিড ডাবল করে মানের দল।

ম্যাচ একপ্রকার যখন নিশ্চিত, শুধু জয় উদযাপনই বাকি সেনেগালের এমন সময় ৮৬ মিনিটে ১ গোল শোধ করেন রোমেলু লুকাকু। এর তিন মিনিটের মাথায় ইউরি টিলেমান্সের গোলে অবিশ্বাস্যভাবে ২-২ গোলে সমতা ফেরায় বেলজিয়াম।

এতে নির্ধারিত সময় শেষে ম্যাচ সমতায় থাকায় অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে গড়িয়েছে খেলা।

বেলজিয়ামের বিপক্ষে এগিয়ে থেকে বিরতিতে সেনেগাল

ক্রীড়া ডেস্ক
বেলজিয়ামের বিপক্ষে এগিয়ে থেকে বিরতিতে সেনেগাল
ছবি : রয়টার্স

সিয়াটলে শেষ ৩২-এর ম্যাচে মাঠে নেমেছে বেলজিয়াম-সেনেগাল। প্রথমার্ধের ২৫ মিনিটে হাবিব দিয়ারার গোলে এগিয়ে যায় সেনেগাল।

বাঁ দিক থেকে সাদিও মানের বাড়ানো দুর্দান্ত এক বাঁকানো ক্রস থেকে ইসমাইলা সারের নেওয়া হেড বেলজিয়ামের গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়াকে পরাস্ত করলেও তা ফিরে আসে পোস্টে লেগে।

তবে ফিরে আসা বলে সহজেই জালে পাঠিয়ে দেন হাবিব দিয়ারা। এই গোলের লিড নিয়েই বিরতিতে গেছে সেনেগাল। 

৬০ বছরের ‘অভিশাপ’ থেকে ইংল্যান্ডের মুক্তি

ক্রীড়া ডেস্ক
৬০ বছরের ‘অভিশাপ’ থেকে ইংল্যান্ডের মুক্তি

১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে প্রথমে পিছিয়ে পড়েও জার্মানির বিপক্ষে জিতেছিল ইংল্যান্ড। এরপর দীর্ঘ ৬০ বছর প্রথমে পিছিয়ে পড়ে কোন ম্যাচে জয় পায়নি থ্রি লায়নরা। অবশেষে দেশকে সে অভিশাপ থেকে মুক্তি দিলেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন।

ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ম্যাচের সপ্তম মিনিটে পিছিয়ে পড়ার পর কোন ভাবেই ম্যাচে ফিরতে পারছিল না ইংল্যান্ড। অবশেষে ম্যাচের শেষ দিকে ৭৫ ও ৮৬ মিনিটে কেইনের দুর্দান্ত দুই গোলে জয় নিজেদের করে নেয় থমাস টুখেলের দল।

ম্যাচের নায়ক বনে যাওয়ার পাশাপাশি কেইন ভেঙেছেন সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার পেলের রেকর্ডও। চলতি আসরেই পাঁচ গোল করে বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ভাঙার পাশাপাশি মোট ১৩ গোল নিয়ে পেছনে ফেলেছেন পেলেকেও।

এরই সঙ্গে দলকে শেষ ষোলোয় নিয়ে গেলেন কেইন। সেখানে কোয়ার্টারে ওঠার লড়াইয়ে তাদের প্রতিপক্ষ বিশ্বকাপের স্বাগতিক দেশ মেক্সিকো। 

পেলের রেকর্ড ভেঙে ইংল্যান্ডকে জয় এনে দিলেন কেইন

ক্রীড়া ডেস্ক
পেলের রেকর্ড ভেঙে ইংল্যান্ডকে জয় এনে দিলেন কেইন
রয়টার্সের ছবি

ম্যাচের লম্বা সময় এগিয়ে ছিল ডিআর কঙ্গো। তাদের সপ্তম মিনিটে করা গোল শোধ দিতে মরিয়া ইংল্যান্ডের ত্রাণকর্তা হয়ে এগিয়ে এলেন হ্যারি কেইন। ম্যাচের শেষ দিকে ১১ মিনিটের ব্যাবধানে দুই গোল করে দলকে ২-১ গোলের জয় এনে দেন তিনি। 

ম্যাচের শুরুতেই ইংল্যান্ড শিবিরে আঘাত হানে ডিআর কঙ্গো। মাত্র সাত মিনিটের মাথায় ব্রিটিশদের স্তব্ধ করা এক গোলে লিড এনে দেন ব্রায়ান সিপেঙ্গা। গোল হজম করে এলোমেলো খেলতে থাকে ইংল্যান্ড।

প্রথমার্ধের পানি বিরতির পর ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করলেও কিন্তু ডিআর কঙ্গোর গোলকিপার লিওনেল এমপাসির বাধায় আর গোল পাওয়া হয়নি কেইনদের।

মাঝে ৪২ মিনিটে বক্সের ভেতরে ব্যাবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিলেন কঙ্গোর উইসা। অ্যারন ওয়ান-বিসাকার বাড়ানো বলে তার নেওয়া শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে।

এর দুই মিনিটের মাথায় কঙ্গোর ডি বক্সে কঙ্গোর গোলকিপার লিওনেল এমপাসির বাধায় পড়ে যান কেইন। জোড়াল পেনাল্টির আবেদন করলেও উল্টো রেফারি বাঁশি বাজান কেইনের বিরুদ্ধেই। সিমুলেশনের অভিযোগে কঙ্গোর পক্ষেই ফাউল দেওয়া হয়।

এরপর বিরতির আগে যোগ করা সময়ে আবারো ত্রাতা হয়ে আসেন গোলকিপার এমপাসি। জুড বেলিংহামের হেডে বল জাচ্ছিল জালের দিকে। প্রায় নিশ্চিত সে গোল দুর্দান্ত ক্ষিপ্রতায় ঠেকিয়ে দেন কঙ্গোর গোলরক্ষক।

বিরতির পর আরো আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে ইংল্যান্ড। ম্যাচ বাঁচাতে একের পর এক আক্রমণেও যখন কোন কূলকিনারা পাচ্ছিল না টুখেলের দল তখনই এগিয়ে আসেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন।

ম্যাচের ৭৫ ও ৮৬ মিনিটের মাথায় গোল করে অনাকাঙ্ক্ষিত এক ইতিহাস বদলান তিনি। ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে প্রথমে পিছিয়ে পড়েও জার্মানির বিপক্ষে জিতেছিল ইংল্যান্ড। এরপর দীর্ঘ ৬০ বছর পর পিছিয়ে পড়ে কোন ম্যাচ জিতল থ্রি লায়নরা।

এতে ম্যাচের নায়ক বনে যাওয়ার পাশাপাশি ভেঙেছেন সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার পেলের রেকর্ডও। চলতি আসরেই পাঁচ গোল করে বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ভাঙার পাশাপাশি মোট ১৩ গোল নিয়ে পেছনে ফেলেছেন পেলেকেও।

এই রেকর্ডের সঙ্গে দলকে শেষ ষোলোয় নিয়ে গেলেন কেইন। সেখানে কোয়ার্টারে ওঠার লড়াইয়ে তাদের প্রতিপক্ষ বিশ্বকাপের স্বাগতিক দেশ মেক্সিকো।