• ই-পেপার

বিশ্বকাপ উন্মাদনায় মেক্সিকো, জার্সি পরে ভাইরাল পোষা হাঁস!

অঘটনের শিকার তুরস্ক, ঐতিহাসিক জয় অস্ট্রেলিয়ার

ক্রীড়া ডেস্ক
অঘটনের শিকার তুরস্ক, ঐতিহাসিক জয় অস্ট্রেলিয়ার
ছবি : রয়টার্স

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শুরুতে পিছিয়ে পড়ে সম্ভাব্য সব কিছুই করল তুরস্ক। জালে জড়াতে পারল না শুধু বলটাই। উল্টো দ্বিতীয়ার্ধে ক্যাঙ্গারুদের পাল্টা আক্রমণে গোল হজম করে বসে আর্দা-ইলদিজরা। এতে ২-০ গোলে হেরে এবারের বিশ্বকাপের প্রথম বড় অঘটনের শিকার হলো তুর্কি।

২৭ মিনিটে নেস্তরি ইরানকুন্ডার গোলে প্রথমে এগিয়ে যায় অজিরা। বিরতির পর গোলপোস্ট থেকে প্রায় ২০ গজ দূরে বল পান কনর মেটকাফ। ম্যাচের ৭৫ মিনিটে সেখান থেকে দারুণ এক শটে বল জালে জড়ান তিনি। 

বিস্তারিত আসছে…

ব্রাজিলের খেলায় হতাশ সমর্থকরা, আর্জেন্টিনার কাছ থেকে অনুপ্রেরণা খুঁজছেন

ক্রীড়া ডেস্ক
ব্রাজিলের খেলায় হতাশ সমর্থকরা, আর্জেন্টিনার কাছ থেকে অনুপ্রেরণা খুঁজছেন
ছবি : রয়টার্স

মরক্কোর বিপক্ষে ড্র দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে ব্রাজিল। তবে ১-১ গোলের এই ফলের চেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে দলের হতাশাজনক পারফরম্যান্স। সমর্থকদের মতে, ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের দুর্দান্ত এক গোল না হলে ম্যাচ থেকেই খালি হাতে ফিরতে হতো পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।

নতুন কোচ কার্লো আনচেলত্তির অধীনে নতুন যুগের সূচনা করতে নামা ব্রাজিলের কাছে প্রত্যাশা ছিল অনেক। কিন্তু মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচে সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন দেখা যায়নি। শুরু থেকেই ছন্দহীন ফুটবল খেলেছে সেলেসাওরা। সহজ পাসেও ভুল করেছেন খেলোয়াড়রা, মাঝমাঠে ছিল সৃষ্টিশীলতার অভাব।

মরক্কো প্রথমে এগিয়ে যাওয়ার পর চাপে পড়ে ব্রাজিল। এমন পরিস্থিতিতে দলের ত্রাতা হয়ে আবির্ভূত হন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ব্রুনো গিমারেসের পাস থেকে বল পেয়ে বক্সের ভেতর থেকে দুর্দান্ত শটে জাল খুঁজে নেন তিনি। তার সেই গোলেই হার এড়ায় ব্রাজিল।

ম্যাচ শেষে ব্রাজিলের সমর্থকদের অনেকেই দলের পারফরম্যান্সে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তাদের মতে, ব্রাজিলের ঐতিহ্যবাহী নৈপুণ্য ও আক্রমণাত্মক ফুটবলের দেখা মেলেনি এই ম্যাচে। অনেকেই মনে করেন, ভিনিসিয়ুসের ব্যক্তিগত নৈপুণ্যই দলের একমাত্র উজ্জ্বল দিক ছিল।

তবে হতাশার মাঝেও আশার জায়গা দেখছেন সমর্থকরা। তাদের বিশ্বাস, প্রথম ম্যাচে প্রত্যাশা পূরণ না করলেও ব্রাজিল ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম। তারা উদাহরণ হিসেবে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন ২০২২ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচে সৌদি আরবের কাছে হারের পরও শেষ পর্যন্ত শিরোপা জয়ের গল্প।

ম্যাচ শেষে কোচ কার্লো আনচেলত্তিও স্বীকার করেছেন যে তার দল প্রত্যাশামতো খেলতে পারেনি। তিনি বলেন, দলকে আরো ভারসাম্যপূর্ণ ও আক্রমণাত্মক হতে হবে। একই সঙ্গে সমালোচনা গ্রহণ করে ভুল শুধরে নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন ইতালিয়ান এই কোচ।

বিশ্বকাপের দীর্ঘ পথচলার শুরুতেই হোঁচট খেলেও ব্রাজিলের সামনে এখনো সুযোগ রয়েছে নিজেদের প্রমাণ করার। তবে পরের ম্যাচগুলোতে পারফরম্যান্সের উন্নতি না হলে সমর্থকেরা আরো হতাশ হতে পারেন।

ছবির গল্পে ব্রাজিল-মরক্কো ম্যাচ

ক্রীড়া ডেস্ক
ছবির গল্পে ব্রাজিল-মরক্কো ম্যাচ
ছবি : রয়টার্স

আফ্রিকান চ্যাম্পিয়ন মরক্কোর বিপক্ষে আজ হারের শঙ্কা কিছুক্ষণের জন্য হলেও ভর করেছিল সেলেসাওদের মনে। তবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ড্র করে মাঠ ছাড়ে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। 

.

.

.

.

.

.

.

.

.

.

.

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

নেইমারেই ভরসা খুঁজছে ব্রাজিল

ক্রীড়া ডেস্ক
নেইমারেই ভরসা খুঁজছে ব্রাজিল
নেইমার জুনিয়র

ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দলে নেইমারের থাকা নিয়ে অনেক প্রশ্ন ছিল। চোটে জর্জরিত ৩৪ বছর বয়সী এই তারকার ফর্ম ও ফিটনেস নিয়ে সংশয়ও কম ছিল না। তবু ব্রাজিল সমর্থকদের বড় একটি অংশের কাছে নেইমারের উপস্থিতি মানে শুধু একটি ফুটবলীয় সিদ্ধান্ত নয়, বরং ২৪ বছরের বিশ্বকাপ খরার বিপরীতে এক আশার প্রতীক।

মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলের উদ্বোধনী ম্যাচে কাফ ইনজুরির কারণে মাঠে নামতে পারেননি ব্রাজিল দলের এই প্রাণভোমরা। বেঞ্চে বসেই দলের খেলা দেখতে হয়েছে তাকে। তবু ম্যাচের অন্যতম আকর্ষণ ছিলেন এই তারকা ফুটবলার।

স্টেডিয়ামে উপস্থিত ব্রাজিলিয়ান সমর্থকদের অনেকেই নেইমারের জার্সি গায়ে এসেছিলেন। তাদের মতে, ব্রাজিল দলে নেইমারের মতো একজন তারকার উপস্থিতি প্রয়োজন, যিনি ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন। অনেকের চোখে নেইমার এখনো দলের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণার নাম।

মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচের শুরুতে বেশ চাপে ছিল ব্রাজিল। মাঝমাঠে আধিপত্য হারিয়ে বারবার সমস্যায় পড়তে হয় সেলেসাওদের। এমনকি প্রথমার্ধে গোলও হজম করে তারা। পরে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের গোলে সমতায় ফেরে ব্রাজিল এবং শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি ১-১ ড্র হয়।

ম্যাচজুড়ে ব্রাজিলের আক্রমণে সৃজনশীলতার ঘাটতি স্পষ্ট ছিল। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র কিছু মুহূর্তে জাদুকরী ফুটবলের ঝলক দেখালেও তার পাশে পর্যাপ্ত সহায়তার অভাব চোখে পড়েছে। আর সেখানেই বারবার সামনে এসেছে নেইমারের নাম।

ব্রাজিলের ইতিহাসে পেলে, রোনালদো, রোনালদিনহো কিংবা কাকার মতো কিংবদন্তিদের উত্তরসূরি হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে বিবেচিত হয়ে আসছেন নেইমার। কিন্তু বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন এখনো অপূর্ণ। তাই অনেক সমর্থকের বিশ্বাস, এই বিশ্বকাপেই হয়তো তার অসমাপ্ত গল্পের শেষ অধ্যায় লেখা হতে পারে।

মরক্কোর বিপক্ষে মাঠে নামতে না পারলেও ম্যাচ শেষে নেইমারকে ঘিরে ছিল ভক্ত ও খেলোয়াড়দের ব্যাপক আগ্রহ। ব্রাজিল ও মরক্কো উভয় দলের খেলোয়াড়রাই তার সঙ্গে দেখা করতে এগিয়ে আসেন।

২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের শিরোপা-স্বপ্ন এখনো অটুট। আর সেই স্বপ্নপূরণে চোট কাটিয়ে নেইমারের মাঠে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছে ব্রাজিল সমর্থকেরা।