• ই-পেপার

সবুজে সুন্দর আগামী স্লোগানে নারায়ণগঞ্জে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের চারাগাছ বিতরণ

খুলনায় বসুন্ধরা শুভসংঘের বৃক্ষরোপণ উৎসব

খুলনা অফিস
খুলনায় বসুন্ধরা শুভসংঘের বৃক্ষরোপণ উৎসব
পাইকগাছায় তিন শতাধিক ফলদ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ করেছে বসুন্ধরা শুভসংঘ। ছবি : কালের কণ্ঠ

পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় জেলার পাইকগাছায় তিন শতাধিক ফলদ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ করেছে বসুন্ধরা শুভসংঘ। একইসঙ্গে বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরে আয়োজন করা হয় এক বর্ণাঢ্য বৃক্ষরোপণ উৎসবের।

রবিবার (৫ জুলাই) পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি ইউনিয়নের পিটিডি একাডেমি প্রাঙ্গণে বসুন্ধরা শুভসংঘ খুলনা জেলা শাখার উদ্যোগে এবং বসুন্ধরা টিস্যুর সৌজন্যে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

“সবুজে সুন্দর আগামী” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল শিশু-কিশোরদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত করা। অনুষ্ঠানে পিটিডি একাডেমির শতাধিক শিক্ষার্থীর হাতে তিনটি করে ফলদ ও বনজ গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়। মোট তিন শতাধিক চারা বিতরণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের গাছ লাগানো ও পরিচর্যার দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

এ সময় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ করা যায়। স্থানীয় নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষও কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। পিটিডি একাডেমির অধ্যক্ষ শিমুল বিল্লাল বাপ্পির সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত বৃক্ষরোপণ উৎসবে সভাপতিত্ব করেন বসুন্ধরা শুভসংঘ খুলনা জেলা শাখার সভাপতি বিপুল রায় চৌধুরী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির নেতা শাহাদাত হোসেন ডাবলু। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কপিলমুনি সিটি প্রেস ক্লাবের সভাপতি এ কে এম আজাদ, প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহমান, জামায়াত নেতা রুহুল কুদ্দুস, সাংবাদিক পলাশ কর্মকার, রফিকুল ইসলাম খান ও আসাদুজ্জামান।

আলোচনাসভায় বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বিশ্বব্যাপী পরিবেশগত সংকট ক্রমেই গভীর হচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণ এবং সবুজায়নের কোনো বিকল্প নেই। তারা বলেন, আজকের শিশুরাই আগামী দিনের পৃথিবীর কর্ণধার। তাদের হাতে গাছের চারা তুলে দিয়ে প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ সৃষ্টি করা গেলে ভবিষ্যতে একটি সবুজ, সুন্দর ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

তারা আরো বলেন, বসুন্ধরা শুভসংঘের মতো সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের এমন উদ্যোগ শুধু পরিবেশ রক্ষায় নয়, নতুন প্রজন্মকে মানবিক ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানেবসুন্ধরা শুভসংঘের স্বেচ্ছাসেবকবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সমাজসেবক, গণমাধ্যমকর্মী এবং সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

কুলাউড়ায় বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের উদ্যোগে গাছের চারা বিতরণ

কুলাউড়া (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি
কুলাউড়ায় বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের উদ্যোগে গাছের চারা বিতরণ
সংগৃহীত ছবি

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার ঐতিহ্যবাহী নবীন চন্দ্র সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের দেড় শতাধিক শিক্ষার্থীর মধ্যে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃক্ষপ্রেম জাগিয়ে তোলার বার্তা দেওয়া হয়।

রবিবার (৫ জুলাই) দুপুরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে পেয়ারা, কাঁঠাল, হরতকি, বয়রা, ডালিম, অর্জুন, জারুল, বাক্স বাদাম, কালোজাম, চিকরাশি, মেহগনিসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়। চারা পেয়ে শিক্ষার্থীরা আনন্দ প্রকাশ করে এবং সেগুলো যথাযথভাবে রোপণ ও পরিচর্যার অঙ্গীকার করে বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘকে ধন্যবাদ জানায়।

বৃক্ষরোপন ও চারা বিতরণ প্রোগ্রামে উপস্থিত ছিলেন নবীন চন্দ্র সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আমির হোসেন, সিনিয়র শিক্ষক মো. সেলিম আহমদ, জাফর সাদেক ও সোহেল আহমদ, উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল বারী সোহেল এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও শুভসংঘের সদস্য মহি উদ্দিন রিপন, কালের কণ্ঠ প্রতিনিধি মাহফুজ শাকিল, শুভসংঘের সাধারণ সম্পাদক বশির আল ফেরদাউস। 

এ ছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন শুভসংঘের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইব্রাহীম আলী, ময়জুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক সাদিয়া জাহান, অর্থ সম্পাদক মিফতা আহমদ রাফি, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক সানজিদা নাহার শোভা, আপ্যায়নবিষয়ক সম্পাদক কেফায়েত হোসেন সোলেমানসহ শুভসংঘের অন্যান্য সদস্যরা। 

নবীন চন্দ্র সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আমির হোসেন  বলেন, ‘বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘের এ ধরনের উদ্যোগ সমাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান সময়ে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। দেশব্যাপী বসুন্ধরা শুভসংঘ যে বৃক্ষরোপণ আন্দোলন গড়ে তুলেছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয় ও অনুকরণীয়। আমাদের বিদ্যালয়কে এই কর্মসূচির জন্য নির্বাচিত করায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। শিক্ষার্থীসহ সমাজের সকল মানুষকে নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশে গাছ লাগিয়ে পরিবেশ রক্ষার আন্দোলনে শামিল হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’

উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল বারী সোহেল বলেন, ‘সামাজিক, মানবিক ও সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বসুন্ধরা শুভসংঘ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছে। পরিবেশ রক্ষায় গাছের চারা বিতরণের মতো সময়োপযোগী উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার।’

বসুন্ধরা শুভসংঘ কুলাউড়া উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক বশির আল ফেরদাউস বলেন, ‘বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো পরিবেশ রক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং আগামী প্রজন্মের মধ্যে গাছের প্রতি ভালোবাসা সৃষ্টি করা। এর আগেও কুলাউড়ায় একাধিক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও মানুষের কল্যাণে সৃজনশীল ও মানবিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকবে।’

বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের উদ্যোগে পটিয়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের উদ্যোগে পটিয়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ
ছবি: কালের কণ্ঠ

পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের যৌথ উদ্যোগে রবিবার (৫ জুলাই) চট্টগ্রামের পটিয়া চক্রশালা কৃষি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটিয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবদুল হাকিম রানা ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সদস্য হাজী মো. নজরুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চক্রশালা কৃষি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন, সহকারী প্রধান শিক্ষক সমর কান্তি বিশ্বাস, বসুন্ধরা শুভসংঘ বৃহত্তর চট্টগ্রাম শাখার সভাপতি এস. এম. এ. জুয়েল এবং পটিয়া শাখার নেতৃবৃন্দ মো. পারভেজ, মো. তানবির, মো. রাইয়ান, মো. মাইমুন, মো. সোলাইমানসহ শুভসংঘের স্বেচ্ছাসেবী ও সদস্যরা।

আবদুল হাকিম রানা বলেন, আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়বে। তাই ছোটবেলা থেকেই তাদের মধ্যে পরিবেশের প্রতি দায়িত্ববোধ সৃষ্টি করতে হবে। প্রতিটি শিক্ষার্থী যদি অন্তত একটি করে গাছ রোপণ ও পরিচর্যা করে, তাহলে দেশ আরও সবুজ ও বাসযোগ্য হয়ে উঠবে।

বিশেষ অতিথি হাজী মো. নজরুল ইসলাম বলেন, সরকারের পাশাপাশি সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোরও পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘ নিয়মিত যেভাবে পরিবেশ, শিক্ষা ও মানবিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। শিক্ষার্থীদের বৃক্ষরোপণে সম্পৃক্ত করার এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।

প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন বলেন, পাঠ্যবইয়ের শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও পরিবেশ সচেতনতার শিক্ষাও দিতে হবে। বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘের এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশবান্ধব মানসিকতা গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।

বসুন্ধরা শুভসংঘ বৃহত্তর চট্টগ্রাম শাখার সভাপতি এস. এম. এ. জুয়েল বলেন, বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘ যৌথভাবে পরিবেশ সংরক্ষণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও মানবিক নানা কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। আমরা চাই, প্রতিটি শিক্ষার্থী শুধু একটি গাছ গ্রহণ করেই থেমে থাকবে না, বরং সেটির যথাযথ পরিচর্যা করে অন্যদেরও বৃক্ষরোপণে উদ্বুদ্ধ করবে।

অনুষ্ঠান শেষে আয়োজকরা জানান, পরিবেশ রক্ষা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘ ভবিষ্যতেও দেশব্যাপী এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি অব্যাহত রাখবে।

নেত্রকোনায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই প্রশিক্ষণকেন্দ্র উদ্বোধন

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
নেত্রকোনায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই প্রশিক্ষণকেন্দ্র উদ্বোধন
ছবি: কালের কণ্ঠ

নেত্রকোনা পৌর শহরের কুরপাড় এলাকায় বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে তিন মাসব্যাপী সেলাই প্রশিক্ষণকেন্দ্রের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। নারীর ক্ষমতায়ন ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে আয়োজিত এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে ২০ জন বিধবা, অসচ্ছল ও দরিদ্র নারী এবং শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছেন।

শনিবার (৪ জুলাই) কুরপাড় মাস্টারবাড়ি এলাকায় প্রশিক্ষণার্থী ও বসুন্ধরা শুভসংঘের সদস্যদের অংশগ্রহণে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। 

অনুষ্ঠানে বসুন্ধরা শুভসংঘ নেত্রকোনা শাখার সভাপতি আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম টনির সঞ্চালনায় প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটিতে দক্ষ প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মদিনা আক্তার। আগামী তিন মাস অংশগ্রহণকারীদের হাতে-কলমে সেলাই প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে, যাতে তারা দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠতে পারেন।

প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া এক বিধবা নারী জানান, স্বামী মারা যাওয়ার পর সন্তানদের নিয়ে তাকে অনেক কষ্টে জীবনযাপন করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, এই প্রশিক্ষণ শেষে যদি একটি সেলাই মেশিন পাই, তাহলে কাজ করে সংসারের খরচ চালাতে পারব এবং মেয়ের লেখাপড়ার খরচ বহন করতে পারব। বসুন্ধরা শুভসংঘ আমাকে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখিয়েছে।

বক্তারা বলেন, বসুন্ধরা শুভসংঘ দীর্ঘদিন ধরে অসচ্ছল নারীদের স্বাবলম্বী করে তোলা, নতুন উদ্যোক্তা তৈরি এবং দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সহায়তায় কাজ করে যাচ্ছে। সেলাই প্রশিক্ষণ ও পরবর্তীতে সেলাই মেশিন প্রদান কার্যক্রম নারীদের অর্থনৈতিকভাবে সক্ষম করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তারা আরো বলেন, সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং মানবকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় বসুন্ধরা শুভসংঘ সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী, বসুন্ধরা শুভসংঘের নেতা ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তারা এ উদ্যোগকে অসচ্ছল নারীদের আত্মকর্মসংস্থান ও স্বাবলম্বী হওয়ার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন।