• ই-পেপার

সরকারি চাকরিজীবীদের সুবিধা বাড়ছে, পাবেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরাও

আপনারা ৭১ সালে কোথায় ছিলেন, বিরোধী দলকে জয়নুল আবদিন

অনলাইন ডেস্ক
আপনারা ৭১ সালে কোথায় ছিলেন, বিরোধী দলকে জয়নুল আবদিন
সংগৃহীত ছবি

বিরোধী দলের সমালোচনার জবাবে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক বলেছেন, তর্ক উত্থাপন করে সংসদকে উত্তপ্ত করতে চাই না। শুধু একটা কথা বলতে চাই, নিজের কথা নিজেরাই বিচার করেন, আপনারা ৭১ সালে কোথায় ছিলেন? স্বাধীনতার একদিন আগে কারা হত্যাকাণ্ড সংগঠিত করেছে? কারা বুদ্ধিশূন্য করতে চেয়েছিল বাংলাদেশকে? এই বিষয়টা একটু নজরে নিয়ে আসেন। একইসঙ্গে জয়নুল আবদীন ফারুক মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বাড়ানোর দাবিও জানান বাজেট আলোচনায়।

শনিবার (২৭ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৬তম দিন সকালে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট আলোচনায় বিরোধী দলের নেতাদের সমালোচনার জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, আমাদের বিরোধী দল সমালোচনা করে, অবশ্যই সে সমালোচনার উত্তর আমরা দেব। আজ সব ক্ষেত্রে আপনারা সমালোচনা শুরু করেছেন, এই সমালোচনাগুলো– জাতি গঠনে আপনারা আমাদের সহযোগিতা করেন। আমরা আপনাদের সহযোগিতা করব, এই পারে আপনারা একদিন আসবেন, ওই পারেও আমরা আরেকদিন যাব, এটাই গণতন্ত্রের নিয়ম। কিন্তু গণতান্ত্রিকভাবে সমালোচনা যদি করেন, আজ একটু আগে আমার ভাই জামায়াতে ইসলামীর শাহজাহান চৌধুরী সাহেব, উনার সঙ্গে আমার এই সংসদে আসার সৌভাগ্য হয়েছে। উনিও কয়েকবার এই পার্লামেন্টে এই বাজেট উত্থাপিত দেখেছেন, উত্থাপন করা দেখেছেন, শুনেছেন। উনি একটু আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলেছেন ইসলাম নিয়ে। ইসলাম নিয়ে কথা বলার তো দরকার নেই। তর্ক উত্থাপন করে সংসদকে উত্তপ্ত করতে চাই না। শুধু একটা বলতে চাই, নিজের কথা নিজেরাই বিচার করেন, আপনারা ৭১ সালে কোথায় ছিলেন? নিজেরাই বিচার করেন, আমাদের বলার দরকার নেই।

জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, আপনি একটু তাকান মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী গোরস্থানের দিকে। স্বাধীনতার একদিন আগে কারা হত্যাকাণ্ড সংগঠিত করেছে? কারা বুদ্ধিশূন্য করতে চেয়েছিল বাংলাদেশকে? এই বিষয়টা একটু নজরে নিয়ে আসেন। আপনারা একটু দেখেন, আমরা যখন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়ার কণ্ঠে রেডিওতে যুদ্ধের আহ্বান শুনেছি, ঘোষণা শুনেছি, তখন দৌড়োচ্ছিলাম। এই দলের সদস্যও ছিলাম না, আমরা সেদিন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বেরিয়ে স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি।

জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, আজ আপনাদের দলেও অনেক মুক্তিযোদ্ধা আছে। কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা বক্তব্য দিয়েছেন। সেখানে তো আপনি মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বাড়াবার জন্য কথাটা বলেননি। জুলাই বিপ্লবে যারা শহীদ হয়েছে, যারা আহত হয়েছে, তাদের অবশ্যই আমরা স্মরণ করবে। কিন্তু ৭১-কে ভোলা যাবে না। ৭১-এর স্বাধীনতা যুদ্ধে যারা যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করে.. আজকে অর্থমন্ত্রী যে বাজেট দিয়েছেন, স্বাধীনতা পাওয়ার কারণে। সেই স্বাধীনতা যোদ্ধাদের প্রতি আমি অর্থমন্ত্রী, আপনার কাছে বিনীত অনুরোধ করব, অন্তত মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতাটা বাড়িয়ে দেন। যাতে বাংলাদেশে একটা স্বর্ণাক্ষরে আপনার নামটা লেখা থাকে।

বিরোধী দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, আসুন বাংলাদেশের যে ইতিহাস, সেই ইতিহাস আলোচনা করে এই সংসদকে আগে বলেছি উত্তপ্ত করা যাবে না। তাই আমি অনুরোধ জানাব আসুন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যে আদর্শ নিয়ে দেশ গড়ার সুযোগ করে দিয়ে গেছেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে এই সংসদে আসার সৌভাগ্য হয়েছে। সে দেশনেত্রীর কাছে অনেক কথাই শিখেছি। যেদিন এই চেয়ার থেকে আমার খালেদা জিয়াবিরোধী দলের নেতা হিসেবে এখানে উপস্থিত ছিলেন, এই নেত্রী স্লিপ দিয়ে সংসদ সদস্যদের বলে দিত এটা বলো? আজ সাড়ে চার মাসে একটা প্রমাণ দিতে পারবেন আজকের সংসদের নেতা কোনো এমপিকে আমাদের দলীয় স্লিপ দিয়ে বলেছে এটা বলো? তাহলে এটাই প্রমাণ হয়, বাংলাদেশে গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন করেছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। সেই গণতন্ত্রকে নস্যাৎ করে দিয়েছে এই পাশে বসা যারা ১৬ বছর দেশ শাসন করেছেন, নিষ্পেষিত করেছে, যারা আত্মাহুতি দিয়েছে, যারা এই ১৭ বছরে গুম হয়েছে। আজকে এই সংসদে বসা উনি বলেছেন যে, আমার স্বামীকে (ইললিয়া আলী) ফেরত দেন। তাই আজকে আমি আমার বক্তব্য শেষ করতে চাই এই বলে, আসুন সবাই মিলে দেশ গড়ি। বাংলাদেশ সবার আগে।

বিয়ের অতিথি ১০০ ছাড়ালে জনপ্রতি ১০০০ টাকা ট্যাক্স বসানোর দাবি এমপির

অনলাইন ডেস্ক
বিয়ের অতিথি ১০০ ছাড়ালে জনপ্রতি ১০০০ টাকা ট্যাক্স বসানোর দাবি এমপির
সংগৃহীত ছবি

বিয়েতে ‘আনন্দ-ফুর্তির’ নামে অতিরিক্ত খরচ করা হয় বলে দাবি করেছেন সংসদ সদস্য লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. শাহাদাত হোসেন সেলিম। বিয়েতে অতিথি ১০০ জনের বেশি হলে প্রতি জনে ১০০০ টাকা ট্যাক্স নির্ধারণের প্রস্তাব দেন তিনি।

সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেনের এমন প্রস্তাব দেওয়া বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, গতকাল শুক্রবার রাজধানীতে এক আলোচনাসভায় অংশ নিয়ে এই বক্তব্য দেন।

ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে, বিয়েশাদিতে আমরা দেখেছি কি পরিমাণ অপচয় হয়। এটা একেবারে কল্পনার বাইরে।’

এ সময় তিনি বিয়ের অনুষ্ঠানে ‘অশ্লীল প্রদর্শনী’ হয় বলে মন্তব্য করেন। গায়ে হলুদে নৃত্যের জন্য এক মাস পর্যন্ত ট্রেনিং দেওয়া হয় দাবি করে এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘এইসব অনুষ্ঠানে ব্যাপকভাবে অর্থ ব্যয় করা হয়। বিয়ের অনুষ্ঠানে নাচ-গানে হাজার হাজার মানুষ এসে সেখানে অংশগ্রহণ করে। যা খায়-দায় তার অর্ধেকের বেশি অপচয় হয়। এই অপচয়টাকে বন্ধ করতে হবে।’

বিগত সময়ে অতিথি নিয়ন্ত্রণ আইন ছিল বলে জানান সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন। তিনি জানান, সেই আইনে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলেই সেখানে একটা ট্যাক্স ধরা হতো।

এই সংসদ সদস্য বলেন,  ‘আমরা প্রস্তাব করছি, ১০০ জনের অতিথির বাইরে প্রতি অতিথির জন্য ১০০০ টাকা করে ট্যাক্স নির্ধারণ করতে হবে। যদি অপচয়টা বন্ধ করা হয় তাহলে একদিনে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম ১০ শতাংশ কমে আসবে।’

এর আগে গত ২২ জুন জাতীয় সংসদে একই দাবি তোলেন সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম। সংসদে তিনি আহ্বান জানান, বিয়ে ও গায়েহলুদের অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জাঁকজমক ও অপচয় বন্ধে অতীতে যে অতিথি নিয়ন্ত্রণ আইন ছিল, সেটি কার্যকর করার।

স্বাধীন ফরেন পলিসিতে হস্তক্ষেপ কখনো মেনে নেব না : বিরোধীদলীয় নেতা

অনলাইন ডেস্ক
স্বাধীন ফরেন পলিসিতে হস্তক্ষেপ কখনো মেনে নেব না : বিরোধীদলীয় নেতা
জামায়াত আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। ছবি : সংগৃহীত

পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা উল্লেখ করে জামায়াত আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমাদের সম্পর্ক হবে পারস্পরিক সম্মান ও সমতার ভিত্তিতে। বাংলাদেশের স্বাধীন ফরেন পলিসিতে (পররাষ্ট্রনীতি) কেউ হস্তক্ষেপ করুক, এটা আমরা কখনো মেনে নেব না। সবার আগে দেশের স্বার্থ।’

তিনি বলেন, ‘কোনো চুক্তিই হোক বা যা-ই হোক, তা হবে পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে। আমরা কাউকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে চাই না, আবার নিজেরাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে চাই না। এই ভারসাম্য রক্ষা করেই আগামীর পলিসি যেন পরিচালিত হয়।’

শনিবার (২৭ জুন ) জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বিদেশ সফরের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের উত্থাপিত ধন্যবাদ প্রস্তাবটিকে সমর্থন জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘এই দেশ আমাদের সবার। আমরা সত্যিকার অর্থেই একটি স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি দেখতে চাই এবং তা বাস্তবায়ন করতে চাই। এ ক্ষেত্রে বিরোধী দল হিসেবে আমাদের যেটুকু করণীয়, সরকারকে আশ্বস্ত করছি যে আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করব।’

স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির স্বার্থে বিদেশের সঙ্গে সম্পাদিত সব মৌলিক চুক্তি সংসদে নিয়ে আসার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সংসদকে বাইপাস (পাশ কাটিয়ে) করে যেন কিছুই না হয়, সব কিছু হোক সংসদের ভেতরে। এই সংসদ যেন সব কর্মকাণ্ডের মূল কেন্দ্রবিন্দু হয়। চুক্তিগুলো সংসদে এলে জনপ্রতিনিধিরা তা জানতে পারবেন এবং এর মাধ্যমে সরকার ও জনগণের মধ্যে আস্থার সেতুবন্ধ তৈরি হবে।’

প্রধানমন্ত্রীর সফর করা উভয় দেশকেই বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বন্ধু হিসেবে উল্লেখ করেন বিরোধীদলীয় নেতা। দেশের বাণিজ্য ঘাটতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ একটি আমদানিনির্ভর দেশ। আমাদের রপ্তানির চেয়ে আমদানি অনেক বেশি। আমাদের রপ্তানির মূল দুটি জায়গা— তৈরি পোশাক (আরএমজি) ও জনশক্তি। একে বহুমুখী (ডাইভার্সিফাই) করার যথেষ্ট সুযোগ আমাদের রয়েছে। এর জন্য স্বল্প, মধ্য এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা দরকার। আশা করি, প্রধানমন্ত্রী তার সফরে এই বিষয়গুলো মাথায় রেখেই দুটি দেশের সঙ্গে আলোচনা করেছেন।’

রাজনীতিতে নতুন সংস্কৃতির প্রত্যাশা ব্যক্ত করে জামায়াত আমির বলেন, ‘এখানে সরকারি দল সব ক্রেডিট (কৃতিত্ব) নেবে আর বিরোধী দল সব কিছুতে শুধু বিরোধিতাই করবে—ব্যক্তিগত ও দলগতভাবে আমরা এই কালচার সমর্থন করি না। সরকারি দলকেও বিরোধী দলকে সম্মান করতে হবে। আর বিরোধী দলেরও দায়িত্ব থাকবে দেশ গঠনে তার জায়গা থেকে যথাযথ ভূমিকা রাখা।’

প্রধানমন্ত্রী

মালয়েশিয়া ও চীন সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলেছি

বাসস
মালয়েশিয়া ও চীন সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলেছি
ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষ আমাদের দায়িত্ব দিয়েছে তাদের স্বার্থ দেখার। মালয়েশিয়া ও চীন সফরে আমি দেশের ও দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলেছি এবং সেই স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছি।

তিনি বলেন, এখানে আমাদের ব্যক্তিগত কোনো বিষয় নেই। এ সফরে যদি ভালো কিছু অর্জিত হয়ে থাকে, তবে সেটি বাংলাদেশের অর্জন। এটি দেশের মানুষের অর্জন।

আজ শনিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন (বাজেট অধিবেশন)-এর ১৬তম কার্যদিবসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফরের অভূতপূর্ব সাফল্যের জন্য উত্থাপিত ধন্যবাদ জ্ঞাপন প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হলে সংসদ নেতা এসব কথা বলেন।

বেলা ১১টায় শুরু হওয়া সংসদের বৈঠকে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম সভাপতিত্ব করেন। গত ২১ থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়া ও চীনে তাঁর প্রথম সরকারি ছয় দিনের সফর সফলভাবে শেষ করেন।

জাতীয় সংসদের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর সফল রাষ্ট্রীয় সফরের জন্য তাঁকে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানানো হয়। জবাবে প্রধানমন্ত্রী সংসদ সদস্যদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।

তিনি বলেন, ‘যে কারণে সংসদের পক্ষ থেকে আমাকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে, সে জন্য আমি সকল সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আমাদের দলের অবস্থান থেকে আমরা একটি স্লোগান ব্যবহার করি সেটি হলো, ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট বা বাংলাদেশ প্রথম।’

প্রধানমন্ত্রী সংসদের সব সদস্যকে, বিশেষ করে বিরোধীদলীয় নেতাকে ধন্যবাদ জানান।

তিনি বলেন, ‘বিরোধীদলীয় নেতাকেও ধন্যবাদ জানাই। তিনিও দেশের মানুষের পক্ষে কাজ করার জন্য উৎসাহ দিয়েছেন।’

এর আগে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ধন্যবাদ জ্ঞাপন প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন। পরে প্রস্তাবটি সংসদে বিস্তারিত আলোচনার পর কণ্ঠভোটে গৃহীত হয়।

প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা সফরটিকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক কূটনীতির ক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করেন।

আলোচনায় অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান প্রধানমন্ত্রীর ২১ থেকে ২৬ জুনের দুই দেশ সফরের কৌশলগত গুরুত্ব তুলে ধরেন।

প্রস্তাবটি কণ্ঠভোটে দেওয়ার আগে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেন, ‘আলোচনাগুলো স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দেয় যে প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।’