• ই-পেপার

দেশে ব্যাংক হিসাব ১৯ কোটি ৩২ লাখের বেশি : অর্থমন্ত্রী

গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সংবাদমাধ্যম কাজ করতে পারে : স্পিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সংবাদমাধ্যম কাজ করতে পারে : স্পিকার

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম) এমপি বলেছেন, ‘বাংলাদেশ পার্লামেন্ট জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন প্রতিবছর ফল উৎসব আয়োজন করে, যা একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। এই ধরনের ফল উৎসব যেন সাধারণ মানুষ উপভোগ করতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যমের পক্ষপাতহীন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ মহিমান্বিত হবে।’

আজ জাতীয় সংসদের সাংবাদিক লাউঞ্জে বাংলাদেশ পার্লামেন্ট জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত ‘ফল উৎসব-২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বিপিজেএর সভাপতি হারুন জামিল, সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী খান লিথো। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এমপি এবং চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম এমপি।

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বর্তমান সংসদ অনেক প্রাণবন্ত। সত্যিকার অর্থে নির্বাচিত একটি জনপ্রতিনিধিত্বমূলক পার্লামেন্ট, যা একটি সুষ্ঠু ও আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘জনগণ দীর্ঘদিন যাবৎ এ ধরনের কাঙ্ক্ষিত সংসদ কামনা করে আসছে।’

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এমপি বলেন, ‘এ ধরনের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সাংবাদিকদের সঙ্গে একটা মেলবন্ধন তৈরি হয়। সংসদকে কেন্দ্র করে গণতন্ত্রকে প্রকৃত প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে জনকল্যাণে সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যম কাজ করতে পারে।’

তিনি চমৎকার পরিসরে এ ধরনের উৎসব আয়োজন করায় আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান।

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম এমপি বলেছেন, ফল উৎসব আয়োজনের মাধ্যমে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও সুসম্পর্ক আরো দৃঢ় হবে। সাংবাদিকরা তাঁদের পেশাগত দায়িত্বের মাধ্যমে জাতীয় সংসদের কার্যক্রম ও জনগণের প্রত্যাশার মধ্যে আরো কার্যকর সেতুবন্ধ তৈরি করবেন মর্মে আমি প্রত্যাশা করি। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের গঠনমূলক ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, সংসদকে জনগণের আরো কাছাকাছি নিয়ে যেতে সাংবাদিকদের সব প্রয়োজনীয় উদ্যোগে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

স্পিকার এ সময় পার্লামেন্ট জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন কর্তৃক চমৎকার এ ফল উৎসব আয়োজন করায় আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান।

অনুষ্ঠানে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, সরকারদলীয় হুইপ জি কে গউছ, মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, আখতারুজ্জামান মিয়া, এ বি এম আশরাফ উদ্দিন (নিজান), সংসদ সদস্য, জাতীয় সংসদের সচিব ব‌্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া, বিপিজেএর জ‌্যেষ্ঠ সদস‌্য ও সরকারের প্রধান তথ‌্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ, সিনিয়র সাংবাদিক এম আব্দুল্লাহ, মোস্তফা কামাল মজুমদার, বাছির জামাল, আশিষ সৈকত, জাহেদ চৌধুরী, কামরান রেজা চৌধুরী, রিয়াজ আহমেদ, ইলিয়াস হোসেন, নিখিল ভদ্র প্রমুখ অংশগ্রহণ করেন।

এ ছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন বিপিজেএর সহ-সভাপতি ফয়েজ উল্লাহ ভূঁইয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, অর্থ সম্পাদক মো. শাহজাহান মোল্লা, দপ্তর সম্পাদক নাজমুল ইসলাম, কার্যনির্বাহী সদস‌্য মশিউর রহমান, মনিরুল ইসলামসহ অনেকেই।

পে স্কেলের রূপরেখা চূড়ান্ত, আজকের সভায় এলো যেসব সিদ্ধান্ত

অনলাইন ডেস্ক
পে স্কেলের রূপরেখা চূড়ান্ত, আজকের সভায় এলো যেসব সিদ্ধান্ত

জনপ্রশাসন সংক্রান্ত পে কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনা করে নবম পে স্কেলের নীতিগত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়েছে। আজ বুধবার পে স্কেল বাস্তবায়নের রূপরেখা ও বাস্তবায়নে সচিব কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।

সভা সূত্রে জানা গেছে, সভায় পে কমিশনের জনপ্রশাসন সংক্রান্ত সুপারিশ চূড়ান্ত হলেও বিচার বিভাগ ও সশস্ত্র বাহিনীর সুপারিশ নিয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা যায়নি। এই দুই সংস্থার ব্যাপারে বিস্তর আলোচনা হয়েছে।

তবে কত শতাংশ বেতন বৃদ্ধি পাবে, কয় ধাপে বাড়বে—এ বিষয়গুলো গণমাধ্যমে কথা বলতে রাজি হননি সভায় উপস্থিত কোনো সদস্য। এদিকে এলপিআর ভোগরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নবম পে স্কেলের আওতায় আসবেন বলে জানিয়েছেন একটি সূত্র।

নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। আগামী ১ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে তা কার্যকর করা হবে। জুলাই থেকে ধাপে ধাপে পে স্কেল বাস্তবায়ন হবে। তবে বর্ধিত বেতনের অর্থ হাতে পেতে অক্টোবর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে বলে সূত্র জানিয়েছে।

নবম জাতীয় পে স্কেল নিয়ে সচিব কমিটির ডাকা গুরুত্বপূর্ণ সভা শেষ হয়েছে। সভায় তবে বেসিকের কত শতাংশ বেতন বৃদ্ধি পাচ্ছে, সেটি তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।

বুধবার (২৪ জুন) অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সচিব কমিটির সভায় পে কমিশনের জনপ্রশাসন সংক্রান্ত সুপারিশ চূড়ান্ত হলেও বিচার বিভাগ ও সশস্ত্র বাহিনীর সুপারিশ নিয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা যায়নি। তবে এই দুই সংস্থার ব্যাপারে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। শিগগিরই  বিচার বিভাগ ও সশস্ত্র বাহিনীর প্রস্তাবনাও চূড়ান্ত করা হবে। এ জন্য আরো একটি সভা হতে পারে।

নবম জাতীয় পে স্কেলে সরকারি চাকরিজীবীদের বেসিকের কত শতাংশ আগামী অর্থবছর থেকে বৃদ্ধি পাবে, সেটি জানা না গেলেও তিনটি বিকল্প ধরে কাজ করছে সরকার বলে জানা গেছে। সচিব কমিটির প্রথম প্রস্তাবনা অনুযায়ী প্রথম ধাপে মূল বেতনের ৫০ শতাংশ বৃদ্ধির কথা রয়েছে। বিকল্প হিসেবে ১ম থেকে ৯ম গ্রেডের ক্ষেত্রে ৪০ শতাংশ এবং ১০ম-২০তম গ্রেডের ক্ষেত্রে ৬০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধি করা হতে পারে। আরেকটি বিকল্প হিসেবে নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের বেসিক শতভাগ বৃদ্ধির চিন্তাভাবনাও রয়েছে।

সংসদে অর্থমন্ত্রী

আগামী মাস থেকে ভ্যাটের আওতায় আসবে মুদি দোকানসহ ১৬ ধরনের ব্যবসা

অনলাইন ডেস্ক
আগামী মাস থেকে ভ্যাটের আওতায় আসবে মুদি দোকানসহ ১৬ ধরনের ব্যবসা
জাতীয় সংসদে কথা বলছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, প্রস্তাবিত বাজেট পাস হলে আগামী মাস থেকে মূল্য সংযোজন করের (ভ্যাট) আওতায় আসবে মুদি দোকান, বিউটি পার্লারসহ ১৬ ধরনের ব্যবসা।

আজ বুধবার সংসদে প্রশ্নোত্তরে তিনি এই তথ্য  জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়।

সংরক্ষিত নারী আসনের বিএনপি দলীয় এমপি সেলিনা সুলতানার প্রশ্ন ছিল, বিগত অর্থবছরে ভ্যাট থেকে সরকারের রাজস্ব আয় কত ছিল? নতুন কোনো প্রতিষ্ঠান বা উৎসকে ভ্যাটের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে কিনা? থাকলে সম্ভাব্য প্রতিষ্ঠান বা উৎসের তালিকা কী? 

জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ভ্যাট বাবদ সরকারের আয় ছিল ১ লাখ ৪১ হাজার হাজার ৫৮৬ কোটি টাকা।

মন্ত্রী বলেন, ‘আগামী অর্থবছরে ১৬ ধরনের ব্যবসায়িক খাতকে ভ্যাটের সুর্নিদিষ্ট করের আওতায় আনার পরিকল্পনা আছে সরকারের।’

সেগুলো হলো- ১. মুদি দোকান; ২. তৈরি পোশাক বা কাপড়ের দোকান; ৩. কনফেকশনারি; ৪. কসমেটিক্সের দোকান; ৫. প্লাস্টিকের সিরামিকের গৃহস্থালি পণ্য ও জুতার দোকান; ৬. হার্ডওয়্যার পণ্যের বিক্রেতা; ৭. ডেকোরেটরস; ৮ মোবাইল ফোন, এসি, ফ্রিজ, ওভেন ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক্স পণ্যের বিক্রেতা; ৯. পেইন্ট ও হার্ডওয়‍্যার এবং সেনিটারি ও ফিটিংস; ১০. টাইলসের দোকান; ১১. ঢেউটিনের দোকান; ১২. রড ও সিমেন্ট; ১৩. ফার্নিচারের দোকান;  ১৪. বিউটি পার্লার; ১৫. মিষ্টান্ন ভাণ্ডার এবং ১৬. রেস্টুরেন্ট।

কোরআনের আয়াতের ব্যাখ্যা নিয়ে সংসদে মুখোমুখি সরকার ও বিরোধী দল

নিজস্ব প্রতিবেদক
কোরআনের আয়াতের ব্যাখ্যা নিয়ে সংসদে মুখোমুখি সরকার ও বিরোধী দল

জাতীয় সংসদে বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় পবিত্র কোরআনের একটি আয়াত উদ্ধৃতি ও তার ব্যাখ্যা নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য রেখেছেন সরকার ও বিরোধী দলের সদস্যদের মধ্যে তুমুল বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

সরকারি দলের সংসদ সদস্য আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজুল্লাহর বক্তব্যের সমালোচনা করে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান মোমেন ‘কোরআনের আয়াতের ভুল ব্যাখ্যা ও ঠাট্টা-বিদ্রুপের’ অভিযোগ তুললে এ বিতর্কের সূত্রপাত হয়। পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, চিফ হুইপসহ দুই দলের সদস্যদের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে বিতর্ক শেষ হয়।

আজ বুধবার স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে এ ঘটনা ঘটে।

আলোচনায় অংশ নিয়ে বিএনপির সংসদ সদস্য আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজুল্লাহ বলেন, সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে অস্বীকার করে যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে, তাদের পরিণতি শুভ হবে না। বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি পবিত্র কোরআনের একটি আয়াত উদ্ধৃত করেন।

তার বক্তব্য শেষ হওয়ার পর পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে জামায়াতের নাজিবুর রহমান মোমেন বলেন, কোরআনের আয়াত উদ্ধৃত করে যেভাবে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং তা ঠাট্টা-বিদ্রুপের শামিল।

তিনি দাবি করেন, আয়াতটির রাজনৈতিক প্রয়োগ ও ব্যাখ্যা সঠিক হয়নি। কোরআনের আয়াত নিয়ে ভুল ব্যাখ্যা বা অবমাননা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বিষয়টি পরীক্ষা করে দেখার জন্য স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।

এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজুল্লাহ একজন অভিজ্ঞ সংসদ সদস্য। তিনি কোরআন-হাদিস নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করেছেন বলে তার মনে হয় না। তবে বিষয়টি পরীক্ষা করে দেখা হবে। কোনো ভুল ব্যাখ্যা পাওয়া গেলে তা সংসদীয় কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, একজন সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে কোরআনের ভুল ব্যাখ্যার অভিযোগ তোলার ফলে মানুষের কাছে ভুল বার্তা যেতে পারে। মাহফুজুল্লাহ একজন মাদরাসা শিক্ষিত ব্যক্তি। সৎ উদ্দেশ্যেই তিনি বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি বলতে চেয়েছেন, আল্লাহর নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করলে তা বৃদ্ধি পায়, আর অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলে শাস্তির মুখোমুখি হতে হয়। এটিকে রাজনৈতিকভাবে ভিন্ন অর্থে ব্যাখ্যা করা ঠিক নয়।

তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের বিরোধিতা করে বিরোধী দলের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান বলেন, আলোচিত আয়াতের নাজিল হওয়ার প্রেক্ষাপট উপেক্ষা করে বিষয়টিকে দলীয় দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। বাজেটের প্রশংসা না করলে আল্লাহর আজাব নেমে আসবে, এমন ইঙ্গিত দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে, যা গ্রহণযোগ্য নয়। ধর্মীয় বিষয়কে রাজনৈতিক বিতর্কে টেনে আনা উচিত নয়। বিষয়টি আলেমদের মাধ্যমে যাচাই করা যেতে পারে।

এরপর সরকার ও বিরোধী দলের সদস্যরা মাইক ছাড়াই কথা বলা শুরু করেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সদস্যদের শান্ত থাকার আহ্বান জানান স্পিকার। তিনি বলেন, বাংলাদেশ মুসলিম প্রধান দেশ। কোরআন-হাদিসের ভুল ব্যাখ্যা এখানে গ্রহণযোগ্য নয়। তবে অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক সৃষ্টি না করে বিষয়টি যথাযথভাবে পরীক্ষা করা হবে।

পরে সরকারি দলের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন আলোচনায় অংশ নিয়ে আলেম-ওলামাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, সবাইকে সহিহ ও সঠিক ব্যাখ্যার ওপর আমল করতে হবে।

সবশেষে চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিতর্কের অবসান টানার চেষ্টা করে বলেন, সংসদের সব সদস্যই আল্লাহ ও রাসুলের প্রতি বিশ্বাসী। অভিযুক্ত সদস্য নিজেও একজন আলেম। তাই কোনো ব্যঙ্গ বা পরিহাসের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেননি তিনি। তিনি আন্তরিকভাবেই কথাগুলো বলেছেন। বিষয়টিকে অযথা বিতর্কিত না করে সংসদের মর্যাদা রক্ষা করার জন্য সকলের প্রকি আহ্বান জানান তিনি।