• ই-পেপার

সব বিভাগে বজ্রবৃষ্টি, কোথাও ভারি বর্ষণের শঙ্কা

নৌবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় ‘বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস-২০২৬’ উদযাপিত

অনলাইন ডেস্ক
নৌবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় ‘বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস-২০২৬’ উদযাপিত

বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যদিয়ে উদযাপিত হয়েছে ‘বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস-২০২৬’। আজ সোমবার দিবসটি উপলক্ষে ‘বাংলাদেশ নৌবাহিনী জাহাজ-বানৌজা ঢাকা’র মাল্টিপারপাস হলে এক সেমিনারের আয়োজন করা হয়। 

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ‘আয়োজিত সেমিনারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, এমপি প্রধান অতিথি এবং নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। 

এছাড়াও সেমিনারে সমুদ্র বিষয়ক বিভিন্ন সংস্থার সদস্যবৃন্দ, উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাগণ, হাইড্রোগ্রাফি ও ওশানোগ্রাফি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং গবেষণা সংস্থার ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।

‘সামুদ্রিক তথ্য আদান-প্রদানের ধারণায় আমূল পরিবর্তন’ এ প্রতিপাদ্য বিষয়ে এ বছর ‘বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস-২০২৬’ পালিত হচ্ছে। প্রতিপাদ্য বিষয়টির মাধ্যমে সমুদ্র সংক্রান্ত তথ্যের আধুনিক, সমন্বিত ও কার্যকর ব্যবস্থাপনায় হাইড্রোগ্রাফির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। সমুদ্রে দেশি-বিদেশি জাহাজসমূহের নিরাপদ চলাচল, সামুদ্রিক সম্পদের টেকসই ব্যবহার, ব্লু ইকোনোমির বিকাশ এবং সমুদ্রভিত্তিক পরিকল্পনা প্রণয়নে হাইড্রোগ্রাফিক তথ্য-উপাত্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 

আয়োজিত সেমিনারে বক্তারা সমুদ্র সম্পর্কিত তথ্যের যথাযথ ব্যবস্থাপনা ও কার্যকর আদান-প্রদানের মাধ্যমে সমুদ্রসম্পদের নিরাপদ, টেকসই ও সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়াও সামুদ্রিক গবেষণা, পরিবেশ সংরক্ষণ, উপকূলীয় উন্নয়ন, মেরিন ডাটা ব্যবস্থাপনা এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর হাইড্রোগ্রাফিক কার্যক্রম সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। 

হাইড্রোগ্রাফিক তথ্য-উপাত্ত সামুদ্রিক পরিবেশ সংরক্ষণ, সম্পদ ব্যবস্থাপনা, মৎস্য ও খনিজ সম্পদ আহরণ, উপকূলীয় ভূমি ব্যবস্থাপনা, সমুদ্রসীমা নির্ধারণ এবং সামুদ্রিক গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। আধুনিক প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশসহ অন্যান্য উপকূলীয় রাষ্ট্রসমূহ সমুদ্র অঞ্চলকে আরও নিরাপদ, টেকসই ও উৎপাদনশীল হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হবে। 

বাংলাদেশ ২০০১ সালে আন্তর্জাতিক হাইড্রোগ্রাফিক সংস্থার (আইএইচও) এর ৭০তম দেশ হিসেবে সদস্যপদ লাভ করে। বাংলাদেশ নৌবাহিনী ১৯৮৩ সাল হতে দেশের সমুদ্র অঞ্চল ও সমুদ্রবন্দর সংলগ্ন নদীপথে হাইড্রোগ্রাফিক জরিপ পরিচালনা ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন নটিক্যাল চার্ট প্রকাশের দায়িত্ব পালন করে আসছে। কাগজে মুদ্রণের পাশাপাশি এসব চার্ট বর্তমানে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতেও প্রকাশিত হচ্ছে, যা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক জাহাজসমূহের নিরাপদ চলাচলে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করছে। বাংলাদেশ ২০২৫-২০২৭ মেয়াদে নর্থ ইন্ডিয়ান ওশান হাইড্রোগ্রাফিক কমিশন (এনআইওএইচসি)-এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে। গত মে ২০২৬ মাসে কমিশনটির ২৫তম সম্মেলন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় চট্টগ্রামে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

উল্লেখ্য, যুক্তরাজ্য হতে অত্যাধুনিক সমুদ্র জরিপ ও গবেষণা জাহাজ ‘এইচএমএস এন্টারপ্রাইজ’ বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে সংযোজনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে, যা দেশের হাইড্রোগ্রাফিক জরিপ, সমুদ্র গবেষণা ও সামুদ্রিক তথ্য সংগ্রহ সক্ষমতাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।’
 

দুদকের কমিশনার নিয়োগে বাছাই কমিটি গঠন

অনলাইন ডেস্ক
দুদকের কমিশনার নিয়োগে বাছাই কমিটি গঠন

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ দিতে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারক বিচারপতি মো. রেজাউল হককে সভাপতি করে পাঁচ সদস্যের সমন্বয়ে বাছাই কমিটি গঠন করেছে সরকার। 

সোমবার (২২ জুন) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

বাছাই কমিটির সদস্যরা হলেন- হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক বিচারপতি রাজিক আল জলিল, মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাছাই কমিটি দুর্নীতি দমন কমিশন আইন-২০২৪ এর ধারা ৭ এর উপধারা ৪ এর বিধান অনুযায়ী দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনারের প্রতিটি শূন্য পদের বিপরীতে দুইজন ব্যক্তির নামের তালিকা প্রণয়ন করে ধাারা ৬-এর অধীন নিয়োগ প্রদানের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠাবেন।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বাছাই কমিটির কার্য-সম্পাদনে প্রয়োজনীয় সাচিবিক সহায়তা দেবে।

গত ৩ মার্চ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন এবং দুই কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদ একযোগে পদত্যাগপত্র জমা দেন।

মালয়েশিয়া সফর শেষে চীনের পথে প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
মালয়েশিয়া সফর শেষে চীনের পথে প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সংক্ষিপ্ত সফর শেষে মালয়েশিয়া ছেড়ে চীনের উদ্দেশে রওনা করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটিই তার প্রথম সফর।

সোমবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের উদ্দেশ্যে মালয়েশিয়া ত্যাগ করছেন। 

এর আগে রবিবার রাতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি রেগুলার ফ্লাইটে সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানসহ মালয়েশিয়া পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মালয়েশিয়া প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক এবং রাজার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন জানান, মালয়েশিয়ার এই সফল সফর বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্কের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। মালয়েশিয়ার কর্মসূচি শেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার প্রতিনিধি দল সরাসরি চীনের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আওয়ামী লীগের অপতৎপরতা ঠেকাতেই সেনা মোতায়েন

অনলাইন ডেস্ক
আওয়ামী লীগের অপতৎপরতা ঠেকাতেই সেনা মোতায়েন
সালাহউদ্দিন আহমদ।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে তৎপরতা রুখতেই ছয় জেলায় সেনা মোতায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসব জেলায় সেনা মোতায়ন হচ্ছে বলে জানান তিনি।

সচিবালয়ে আজ সোমবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অফিস কক্ষের সামনে এসব কথা বলেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আগের তুলনায় বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো আছে। সভা-সমাবেশ করা বিরোধী দলের গণতান্ত্রিক অধিকার, এতে গণতন্ত্র বিকশিত হচ্ছে।

৬ জেলায় সেনা মোতায়েনের বিষয়ে তিনি বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ মাফিয়া আওয়ামী লীগ বিভিন্ন জেলায় অপতৎপরতা চালাতে পারে। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শক্তি বাাড়াতে হয়। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আওয়ামী লীগের অপতৎপরতা রুখতেই সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।

তবে দেশে আইনশৃঙ্খলার অবনতি হয়নি বলে দাবি করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তার দাবি, বিগত যেকোনো সময়ের তুলনায় বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো আছে।

এদিকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কেন্দ্র করে সেনা মোতায়েনের জন্য সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারকে চিঠি দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

চিঠিতে বলা হয়, কার্যক্রম নিষিদ্ধ বিভিন্ন সংগঠন দেশের বিভিন্ন স্থানে বেআইনি মিছিল, শোডাউন ও অন্যান্য কর্মসূচি করছে। এর মাধ্যমে নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। এতে দেশের বিভিন্ন জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটার পাশাপাশি জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

চিঠিতে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও গাজীপুর মহানগর, নারায়ণগঞ্জ, গোপালগঞ্জ ও ফরিদপুর জেলায় শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জনগণের জানমালের সুরক্ষায় ৯ দিনের জন্য প্রয়োজনীয়সংখ্যক সেনা মোতায়েনের জন্য অনুরোধ করা হয়।

২২ থেকে ৩০ জুন ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ হিসেবে সেনাসদস্যরা কাজ করবেন বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।