• ই-পেপার

দুদকের কমিশনার নিয়োগে বাছাই কমিটি গঠন

যৌথ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা কমিটি গঠনে সম্মত বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া

অনলাইন ডেস্ক
যৌথ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা কমিটি গঠনে সম্মত বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া
সংগৃহীত ছবি

প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতা আরো জোরদার করতে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া। এ লক্ষ্যে দুই দেশ দ্বিপক্ষীয় যৌথ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা কমিটি (জেসিডিসি) গঠন করবে।

সোমবার (২২ জুন) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফর উপলক্ষে দুই দেশের যৌথ বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

একই দিন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠক শেষে দুই দেশ ৩৩ দফা যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করে।

যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিয়মিত উচ্চ পর্যায়ের সামরিক সফর, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং শুভেচ্ছামূলক নৌবন্দর পরিদর্শনের মাধ্যমে গড়ে ওঠা দীর্ঘদিনের প্রতিরক্ষা সহযোগিতার প্রশংসা করেছেন।

উভয় নেতা সামরিক বিজ্ঞান, প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং প্রতিরক্ষা শিল্প অংশীদারি কৌশলগত সহযোগিতা সম্প্রসারণের জন্য বিদ্যমান প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতা স্মারকটি পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর করার বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছেন।

তারা একটি কাঠামোগত প্রতিরক্ষা রোডম্যাপ প্রণয়নের লক্ষ্যে দ্বিপক্ষীয় যৌথ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা কমিটি (জেসিডিসি) গঠনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

এ ছাড়া উভয় পক্ষ নিজ নিজ জাতীয় প্রতিরক্ষা কলেজ ও কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজে পারস্পরিক আসন বরাদ্দসহ বিভিন্ন কোর্স ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তারা যৌথ সামরিক মহড়া, পূর্ব-নিয়োজিত প্রশিক্ষণ এবং বিশেষজ্ঞ জ্ঞান ও দক্ষতা বিনিময়ের মাধ্যমে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে সহযোগিতা জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

যৌথ বিবৃতিতে আরো বলা হয়, সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস চরমপন্থার সব রূপ মোকাবেলায় গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, সক্ষমতা বৃদ্ধি উদ্যোগ এবং প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরো শক্তিশালী করা হবে।

বিমানবন্দরের জন্য বিসিএমএস তৈরিতে আগ্রহ ইতালির

অনলাইন ডেস্ক
বিমানবন্দরের জন্য বিসিএমএস তৈরিতে আগ্রহ ইতালির

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো। এ সময় ঢাকা-রোম রুটে বিমানের ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করা হয়। আজ সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে এ সাক্ষাৎ করেন তিনি।

এ সময় বিমানমন্ত্রী দেশের প্রবাসীদের সুবিধার্থে ঢাকা-রোম রুটে বিমানের ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। রাষ্ট্রদূত এ ব্যাপারে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। 

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়। রাষ্ট্রদূত ইতালির অর্থনীতিতে প্রায় আড়াই লাখ বাংলাদেশি কর্মীর অবদানের জন্য বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানান।

রাষ্ট্রদূত, ইতালীয় ‘দ্য এজ কোম্পানি’র বাংলাদেশের বিমানবন্দরের জন্য ‘বার্ড কন্ট্রোল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ (বিসিএমএস) তৈরির আগ্রহের কথা ব্যক্ত করেন। এ ছাড়া বাংলাদেশি টেকনিশিয়ানদের উন্নত প্রশিক্ষণের স্বার্থে ‘ফ্লাইঅন অ্যারো কম্পানি’র একটি প্রশিক্ষণ একাডেমি প্রতিষ্ঠার আগ্রহের বিষয়েও বিস্তারিত জানান।

মন্ত্রী, দেশের বিমান খাতের উন্নয়নে ইতালির সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি বিমানবন্দর সম্প্রসারণে সরকারি-বেসরকারি অংশীদাররি (পিপিপি) মডেলে বিদেশি বিনিয়োগের ব্যাপারেও উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়।

এর আগে মন্ত্রী ‘স্যাটস কম্পানি’র প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাতে প্রতিনিধিরা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের ভূমি সেবা (গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং) কার্যক্রমে তাদের আগ্রহের কথা প্রকাশ করেন।

মন্ত্রী যথাযথ প্রক্রিয়ায় প্রস্তাব আহ্বান করেন এবং বিবেচনার আশ্বাস দেন।
 

সংসদ ভবনের বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে জানিয়ে নোটিশ

অনলাইন ডেস্ক
সংসদ ভবনের বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে জানিয়ে নোটিশ
সংগৃহীত ছবি

জাতীয় সংসদ ভবনের বিভিন্ন স্তরে ফাটল দেখা দিয়েছে এবং বৃষ্টির পানি চুইয়ে পড়ার মতো অবকাঠামোগত ত্রুটি তৈরি হয়েছে। দেশের এই সর্বোচ্চ আইন প্রণয়ন কেন্দ্রের নিরাপত্তা ও মর্যাদা অক্ষুন্ন রাখতে স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সংসদে একটি নোটিশ দেওয়া হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য রাশেদুল ইসলাম রাশেদ সংসদের বৈঠকে এই নোটিশটি উত্থাপন করেন।

সোমবার (২২ জুন) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের ১২তম দিনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে নোটিশটি উপস্থাপন করেন রাশেদুল ইসলাম রাশেদ।

সংসদ সদস্য রাশেদুল ইসলাম রাশেদ তার নোটিশে ভবনের বর্তমান নাজুক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে দ্রুত সংস্কারের দাবি জানান। স্পিকার এই নোটিশটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ও দ্রুত ব্যবস্থা নিতে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহেরকে অনুরোধ জানান। তবে নোটিশটি সংসদ সচিবালয় সংক্রান্ত হওয়ায় বিধি অনুযায়ী সেটি আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করা হয়নি। 

এদিকে দিনের কার্যসূচির শুরুতে জামায়াতের অপর সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান একটি নোটিশের মাধ্যমে সংসদ সদস্যদের পরিচিতির বিষয়ে আরেকটি দাবি তোলেন। তিনি বলেন, সংসদের চার মাস পার হতে চললেও এখনো অনেক সংসদ সদস্যের সঙ্গে সবার পরিচয় ঘটেনি। টেলিভিশন স্ক্রিনে সংসদীয় কার্যক্রম সম্প্রচারের সময় শুধু চেহারা দেখা যায় এবং বক্তব্য শোনা যায়, কিন্তু সংশ্লিষ্ট সদস্যের নাম বা নির্বাচনী এলাকা জানা যায় না। স্ক্রিনে নাম ও এলাকার নাম ভেসে উঠলে সবার জন্য পরিচিত হওয়া সহজ হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

স্পিকার মুজিবুর রহমানের এই দাবিকে অত্যন্ত যুক্তিযুক্ত আখ্যা দিয়ে সংসদ সচিবালয়কে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন। এখন থেকে সংসদ সদস্যরা যখন বক্তব্য দেবেন, তখন টেলিভিশন স্ক্রিনে তাদের নাম ও নির্বাচনী এলাকা দেখানোর ব্যবস্থা করা হবে। তবে এই বিষয়টি বিশেষ অধিকারের আওতাভুক্ত না হওয়ায় এই নোটিশটিও আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করা হয়নি।

মসজিদে রাজনীতি বন্ধ করতে হবে : রেজা আহাম্মেদ

অনলাইন ডেস্ক
মসজিদে রাজনীতি বন্ধ করতে হবে : রেজা আহাম্মেদ
সংগৃহীত ছবি

দেশে মসজিদ-মাদরাসায় সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও মিটিং বন্ধে আইন পাস করার দাবি তুলেছেন কুষ্টিয়া-১ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য রেজা আহাম্মেদ। তিনি বলেন, ‘মসজিদ আল্লাহর ঘর, সেখানে মানুষ নামাজ ও কোরআন শরিফ পড়বে। কিন্তু একটি রাজনৈতিক দল মসজিদে গিয়ে রাজনীতি করছে। তাই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ, আইন পাস করে মসজিদ-মাদরাসায় রাজনৈতিক মিটিং নিষিদ্ধ করা হোক।’

সোমবার (২২ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১২তম দিনে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এই দাবি জানান। বিকেল ৩টায় স্পিকার হাফিজ আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে সংসদের এই অধিবেশন শুরু হয়। 

রেজা আহাম্মেদ বলেন, ‘আমি একটি রাজনৈতিক কথা বলতে চাই। আমার দেশে মসজিদের রাজনীতি বন্ধ করতে হবে। মসজিদ আল্লাহর ঘর, মসজিদে মানুষ নামাজ পড়বে, মসজিদে কোরআন শরিফ পড়বে। কিন্তু একটি রাজনৈতিক দল মসজিদে গিয়ে রাজনীতি করে। আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অনুরোধ করব আইন পাস করার জন্য, যাতে কোনো মসজিদ-মাদরাসায় রাজনৈতিক মিটিং করা না যায়।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা যেমন প্রকাশ্যে ফুটবল মাঠে, হাই স্কুলে কিংবা কোনো হলরুমে বিএনপি বা অন্য রাজনৈতিক দলগুলো কর্মিসভা ও জনসভা করে মিটিং করি, তাদেরকেও সেই ব্যবস্থা করতে হবে। তারা মসজিদে মিটিং করতে পারবে না। আমার এই বক্তব্যের সঙ্গে সবাই একমত কি-না, তা আমি জানি না।’