মালয়েশিয়ায় আটকে থাকা ২ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশিকে মুক্ত করতে দেশটির সরকারের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা করা হবে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রবিবার (২১ জুন) কুয়ালালামপুরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা জানান।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মালয়েশিয়ায় অদক্ষ শ্রমিক আসা বন্ধ করতে দেশের টেকনিক্যাল প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরো কার্যকর করা হচ্ছে। এ ছাড়া আগামী এক বছরে মধ্যপ্রাচ্যগামীদের বেসিক আরবি ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য স্কুলে ইংরেজিসহ পাঁচটি ভাষা ও স্পোর্টস, সিলেবাসে বাধ্যতামূলক করা হবে।
তারেক রহমান বলেন, অন্যদের প্রজন্মের দিকে না তাকিয়ে নিজেদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে যোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে। সন্তানদের ৫টি ভাষা শেখানো হবে, তার মধ্যে ইংরেজিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। শুধু গল্প নয়, সময় লাগলেও সব পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার।
তিনি বলেন, আইনের মধ্যে থেকে প্রবাসীদের জন্য যত সুবিধা আদায় করা যায় সবকিছু করা হবে। হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই। বাংলাদেশের সামনে অপার সম্ভাবনা রয়েছে, এজন্য পরিশ্রমের পাশাপাশি ধৈর্য ধরতে হবে। আমার পরিবারের সঙ্গে যা হয়েছে এজন্য কোনো প্রতিশোধ নিতে চাই না। ধৈর্য ধারণ করে ধীরে ধীরে এগোতে হবে।
সবশেষ দাবি থেকে বেরিয়ে কর্তব্যের জায়গা থেকে দেশ নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
মতবিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী সরকারের মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।
এর আগে, রবিবার বাংলাদেশ সময় বিকেল পৌনে ৩টায় মালয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা হন তারেক রহমান। মালয়েশিয়ার স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৩৫ মিনিটে দেশটির রাজধানী কুয়ালালামপুরে পৌঁছান তারেক রহমান।
সোমবার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক এবং বেশ কয়েকটি সৌজন্য সাক্ষাতের পর চীনের উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী।




