• ই-পেপার

রেকর্ড কিপার নিয়োগ পরীক্ষায় অসদুপায়, ৩ জনের দণ্ড

বাজেট প্রতিক্রিয়া

বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি

সিপিডি

অনলাইন ডেস্ক
বেসরকারি খাতে আস্থা ফেরানো জরুরি

উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জ্বালানিসংকট, দুর্বল বিনিয়োগ ও ব্যাংক খাতের চাপের মধ্যে প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের লক্ষ্য অর্জন করতে হলে বেসরকারি খাতে আস্থা ফিরিয়ে আনা জরুরি বলে মনে করছে গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। গতকাল রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে ‘জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭ : সিপিডির পর্যালোচনা’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান।

ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, ব্যক্তি খাতে বিনিয়োগ এখনো নিম্নমুখী ধারায় রয়েছে। এমন বাস্তবতায় ব্যক্তি খাতের এক ধরনের অনীহা ও আস্থার অভাব রয়েছে, লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে হলে তা ফিরিয়ে আনতে হবে।

তিনি বলেন, নতুন বাজেটে ব্যক্তি খাতে ঋণ প্রবাহের প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে ৯ দশমিক ৪ শতাংশ। কিন্তু চলতি অর্থবছরের এপ্রিল পর্যন্ত এ হার ছিল মাত্র ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ। এই ব্যবধানই বিনিয়োগ পরিস্থিতির দুর্বলতা তুলে ধরে।

সিপিডি বলছে, গত প্রায় চার বছর ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতি অর্থনীতির ওপর বড় চাপ তৈরি করেছে। এমন পরিস্থিতিতে মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হলেও তা অর্জনে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ প্রয়োজন।

এ প্রসঙ্গে ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, সেটা অর্জন করতে হলে অনেক ভালো ভালো পদক্ষেপ নিতে হবে। বাস্তবসম্মত মুদ্রানীতি অবলম্বন করতে হবে। সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি আরো কিছুদিন চালিয়ে নিতে হবে।

তিনি আরো বলেন, খাদ্য সরবরাহ ঠিক রাখতে হবে। চালে সরবরাহজনিত সমস্যা আছে। সেখানে নজর দিতে হবে। জ্বালানি সংকটের সমাধান প্রয়োজন।

সিপিডির বিশ্লেষণে উঠে আসে, সামষ্টিক অর্থনীতির প্রায় সব সূচকই এখন চাপে রয়েছে। যদিও রেমিট্যান্স ও রিজার্ভ কিছুটা বেড়েছে, তবুও সামগ্রিক পরিস্থিতি এখনো দুর্বল।

ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, সামষ্টিক অর্থনীতি দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে জিডিপির প্রাক্কলন করা হয় ৬.৫ শতাংশ। কিন্তু চলতি অর্থবছরে এখন পর্যন্ত সরকারি হিসাবেই ৪ শতাংশের বেশি। এটা কীভাবে হবে তাও বিবেচনায় নিতে হবে।

বাজেট বাস্তবায়ন নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, চলতি অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়ন সক্ষমতা দেখলে বোঝা যায় আগামী বাজেট বাস্তবায়নের বড় আকাক্সক্ষা তৈরি হয়েছে। এত বড় বাজেটের বড় আকাক্সক্ষাটাই বড় চ্যালেঞ্জ।

সিপিডির বিশ্লেষণে উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা ও প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ার প্রবণতাও তুলে ধরা হয়। অনেক প্রকল্প নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ হচ্ছে না, ফলে ব্যয় বাড়ছে এবং কার্যকারিতা কমছে। একই সঙ্গে অনেক প্রকল্পে বরাদ্দ থাকলেও বাস্তবায়ন সক্ষমতা দুর্বল থাকায় কাক্সিক্ষত ফল পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানানো হয়। ব্যাংক খাত থেকে সরকারের ঋণ গ্রহণ বাড়ার ঝুঁকির কথাও তুলে ধরেছে সিপিডি। এতে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ কমে গিয়ে বিনিয়োগ আরও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়াতে উন্নয়ন ব্যয় গুরুত্বপূর্ণ হলেও রাজস্ব আদায় বাড়ানোর কৌশল স্পষ্ট করতে হবে। পাশাপাশি বিদেশি ঋণ ব্যবহারে স্বচ্ছতা ও সুশাসন নিশ্চিত না হলে ভবিষ্যতে ঋণের চাপ আরও বাড়বে। সিপিডির মতে, প্রস্তাবিত বাজেট মানব উন্নয়ন, বেসরকারি খাতনির্ভর প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক সুরক্ষার কথা বললেও, এসব লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য সবচেয়ে জরুরি হলো অর্থনীতিতে আস্থা ফিরিয়ে আনা- বিশেষ করে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

জুনের প্রথম ১০ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১২০৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার

অনলাইন ডেস্ক
জুনের প্রথম ১০ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১২০৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার

জুনের প্রথম ১০ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১২০৩.১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। গত বছরের জুনের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৯৫৬.১৯ মিলিয়ন ডলার।

সেই হিসাবে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় রেমিট্যান্স প্রবাহে বার্ষিক প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২৫.৮৩ শতাংশ। এটি দেশের প্রচলিত আর্থিক ব্যবস্থার প্রতি প্রবাসীদের আস্থার প্রতিফলন।

১০ জুন একদিনে দেশে ১০ কোটি ৪৮ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। এটি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ধারাবাহিক গতি বজায় থাকার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

ব্যাংকিং খাতের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রেমিট্যান্স প্রবাহের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা বৈদেশিক মুদ্রাবাজারের ওপর চাপ কমাতে এবং দেশের বাহ্যিক খাতকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

তারা জানান, রেমিট্যান্সদাতাদের জন্য নগদ প্রণোদনা, সহজ ব্যাংকিং সেবা এবং অবৈধ অর্থপাচার বা হুন্ডি চ্যানেলের বিরুদ্ধে কঠোর নজরদারিসহ বিভিন্ন নীতিগত সহায়তা এই আশাব্যঞ্জক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রেখেছে।

এদিকে চলতি অর্থবছরে ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে গত ১০ জুন পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ৩৩.৯৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। 

আগের অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ২৮.৪৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। অর্থাৎ, এই সময়ে রেমিট্যান্সে ১৯.৩১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

দুপুরের মধ্যে ১১ জেলায় হতে পারে ঝড়

অনলাইন ডেস্ক
দুপুরের মধ্যে ১১ জেলায় হতে পারে ঝড়

দেশের ১১ জেলায় দুপুরের মধ্যে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। 

শনিবার ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

এতে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পূর্ব/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
 

এআই মামলার নামে প্রতারণায় বিদেশি চক্র

বিআরটিএর হ্যাক হওয়া তথ্যই চক্রের হাতিয়ার পাঁচ দেশের চক্র শনাক্ত, দেশীয় তিন এজেন্ট গ্রেপ্তার ক্রিপ্টোকারেন্সিতে পাচার হচ্ছে প্রতারণার টাকা

অনলাইন ডেস্ক
এআই মামলার নামে প্রতারণায় বিদেশি চক্র

রাজধানীর সড়কে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) ক্যামেরার নজরদারিকে পুঁজি করে প্রতারণার ফাঁদ পেতেছে বেশ কয়েকটি চক্র। এই প্রতারক চক্রটি যারা আইন ভঙ্গ করেননি তাদের মোবাইল ফোনে মামলার ভুয়া মেসেজ পাঠিয়ে থাকে। ইতিমধ্যে অনেকেই প্রতারকদের ফাঁদে পা দিয়ে এটিএম কার্ডের তথ্য দিয়ে লাখ টাকাও খুঁইয়েছেন। ক্রমেই বাড়তে থাকা এসব ঘটনার পর নড়েচড়ে বসে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ। অবশেষে এই প্রতারক চক্রের সন্ধান পেয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। চক্রের সদস্যরা বিদেশে বসেই ৩ লেয়ারে প্রতারণা করে যাচ্ছে। টাকা হাতিয়ে নিতে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে দেশীয় এজেন্ট। পরে সেগুলো বিদেশে পাচার হয়ে যাচ্ছে ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে।

গোয়েন্দা সূত্র বলছে, এখন পর্যন্ত মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, চীন, কম্বোডিয়া ও হংকংয়ের প্রতারক চক্রের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। এই প্রতারণার পেছনে আরো অনেক চক্র জড়িত। পর্যায়ক্রমে তাদের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে মূল প্রতারকদের এজেন্ট হিসেবে যারা টাকা আত্মসাৎ ও পাচারে জড়িত তাদের বেশ কয়েকজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। চীন থেকে সক্রিয় একটি চক্রের ৩ বাংলাদেশি এজেন্টকে গত বুধবার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন- এটিএম কার্ডের তথ্য নিয়ে বিকাশে এড মানি করার মূল দেশীয় এজেন্ট ইফতেখার হাসান রায়হান এবং তার দুই সহযোগী মো. জাহিদুল ইসলাম ও রিপন।

টেলিগ্রাম অ্যাপসে পেমেন্ট ম্যানেজমেন্টের কাজের খোঁজে বিজ্ঞাপন দিলে রায়হানকে খুঁজে নেয় ওই চীনা প্রতারক। আর অপর দুজনকে রায়হান যুক্ত করে।

ডিবি সূত্র আরো জানায়, ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডের তথ্য থেকে বিকাশে এড মানি করে একটি চক্রের সদস্য টাকা আরেক চক্রের কাছে সরবরাহ করে। ওই চক্রের সদস্যরা টাকা পাচার করে। এই এড মানি ও পাচার চক্র কেউ কাউকেই চেনে না। এই দুই লেয়ারের এজেন্ট ঠিক করে বিদেশে থাকা মূল চক্র। আর এড মানি চক্র বিকাশ নম্বর ভাড়া করতে মূল এজেন্টের পরামর্শে যোগ দেয় সহযোগী এজেন্ট।

বিদেশ থেকে যেভাবে প্রতারণার ফাঁদ : ডিবি বলছে, নির্বাচন কমিশন (ইসি) ও বিআরটিএ-এর সার্ভার হ্যাক হয়ে তথ্য পাচার হয়ে গেছে আগেই। ডার্ক ওয়েবে সেসব তথ্য প্যাকেজ হিসেবে বিক্রিও হয়েছে। তখন বিভিন্ন দেশের প্রতারকরা ওই তথ্য কিনে নেয়। সেই তথ্যই এখন প্রতারণার হাতিয়ার হয়ে উঠেছে।

এআই মামলার প্রতারণার ক্ষেত্রে, শুরুতে বিআরটিএ-এর ওয়েবসাইট ক্লোন করে একই রকম একটি ওয়েবসাইট বানানো হয়। মামলার মেসেজ পাঠানো ব্যক্তি যখন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করেন, সেখানে পেমেন্ট অপশনে, নাম, ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডের নম্বর, কার্ডের ভ্যালিডিটি ও সিভিভি (৩ অঙ্কের নিরাপত্তা কোড) নম্বর দিতে বলা হয়। মূলতো ফিশিং ওই ওয়েবসাইটে গেলেই ফাঁদে পা দেওয়া ব্যক্তির মোবাইলের কন্ট্রোল চলে যায় প্রতারকের হাতে। কার্ডের তথ্য দেওয়ার পর প্রতারক মোবাইলে আসা ওটিপি নম্বরও দেখতে পারেন। তখন ওই কার্ডের তথ্য ও ওটিপি তাৎক্ষণিক পাঠিয়ে দেন বিকাশে এড মানি করতে বাংলাদেশে ভাড়া করা এজেন্টের কাছে। মুহূর্তের মধ্যে অ্যাকাউন্ট থেকে যত পরিমাণ সম্ভব টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়। এরপর আরেক চক্র ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে টাকা বিদেশে নেওয়া হয়।

লাখ টাকাও খুঁইয়েছেন অনেকে : গত ২৫ মে জিয়ারত ইসলাম নামে এক ডাক্তারের মোবাইল ফোনে বিআরটিএ কর্তৃপক্ষের মেসেজ আসে ওভার স্পিডের কারণে তার গাড়ির বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। সড়ক ট্রাফিক আইনের ১৪ ও ২৩ ধারার সবশেষ সংশোধনী অনুযায়ী জরিমানা ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পরিশোধ না করা হলে এবং কোনো আপিল দায়ের করা না হলে, তা বকেয়া হিসেবে গণ্য হবে এবং এর ফলে প্রতিদিন ৫-১০% হারে বিলম্ব ফি যুক্ত করা হবে। বকেয়া ৩০ দিনের বেশি হলে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে জরিমানা, বিলম্ব ফি ও মামলা পরিচালনা খরচসহ মামলা স্থানীয় আদালতে দাখিল করা হবে।

এই আইন লঙ্ঘনের রেকর্ডের কারণে বার্ষিক পরিদর্শন, মালিকানা হস্তান্তর ও নিবন্ধন বাতিল করা যাবে। মেসেজটিতেই তাকে বিআরটিএর অফিশিয়াল ওয়েবসাইটের আদলে বানানো ওয়েবসাইটের লিংক দেওয়া হয়। ওই ওয়েবসাইটে ঢুকে ক্রেডিট কার্ডের তথ্য দিলে মুহূর্তের মধ্যে তার অ্যাকাউন্ট থেকে দুই বাংলাদেশি নম্বরে ১ লাখ টাকা ট্রান্সফার করে নেওয়া হয়। শুধু জিয়ারত ইসলামই নয়- সড়কে এআই মামলা শুরুর পর এমন প্রতারণার ফাঁদে পড়েছেন অনেকেই।

ডিবির সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড সাপোর্ট সেন্টারের (দক্ষিণ) সহকারী কমিশনার (এসি) খান মাহমুদুল হাসান বলেন, প্রতারকরা নতুন কোনো ডিজিটাল সেবা দেখলে সেটিকে পুঁজি করে প্রতারণার ফাঁদ পাতছে। এটি থেকে বাঁচতে সচেতনতার বিকল্প নেই।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন