• ই-পেপার

জেনে নিন ফ্যাটি লিভার দূর করার ৩ কার্যকরী উপায়

ওজন কমাতে রাতে খেতে পারেন ৩ খাবার

অনলাইন ডেস্ক
ওজন কমাতে রাতে খেতে পারেন ৩ খাবার
সংগৃহীত ছবি

ওজন কমানোর জার্নিতে অনেকেই যে ভুলটি সবচেয়ে বেশি করেন, তা হলো রাতের খাবার বা ডিনার পুরোপুরি বাদ দেওয়া। ভাবেন, না খেয়ে থাকলেই বুঝি দ্রুত মেদ ঝরবে! চিকিৎসাবিজ্ঞান কিন্তু বলছে ভিন্ন কথা। রাতের খাবার একদম বন্ধ করে দিলে শরীরের মেটাবলিজম বা বিপাক প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়, যা ওজন কমানোর প্রক্রিয়াকে আরও কঠিন করে তোলে। আসল রহস্য লুকিয়ে আছে না খেয়ে থাকায় নয়, বরং সঠিক খাবার বেছে নেওয়ায়। রাতে এমন কিছু খাবার খাওয়া উচিত যা একদিকে ক্যালোরিতে কম, অন্যদিকে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখতে সাহায্য করবে।

চলুন জেনে নেওয়া যাক, রাতের খাবারের তালিকায় কোন তিনটি খাবার রাখলে ক্ষুধার কষ্ট ছাড়াই ওজন কমানো সম্ভব—

  • দই

দই প্রোটিনসমৃদ্ধ এবং হজমে সহায়ক। বিশেষ করে চিনি ছাড়া টক দই রাতে খেলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকে এবং অপ্রয়োজনীয় ক্ষুধা কমে। এতে থাকা প্রোবায়োটিক অন্ত্রের স্বাস্থ্যও ভালো রাখে।

  • সেদ্ধ ডিম

ডিম উচ্চমানের প্রোটিনের উৎস। রাতে একটি বা দুটি সেদ্ধ ডিম খেলে সহজেই ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। এটি শরীরের পেশি গঠনে সাহায্য করে এবং অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণের প্রবণতা কমায়।

  • সবজি স্যুপ

কম ক্যালোরি ও বেশি পুষ্টিগুণের কারণে সবজি স্যুপ ওজন কমানোর জন্য দারুণ একটি খাবার। গাজর, লাউ, ব্রকলি, টমেটো বা অন্যান্য সবজি দিয়ে তৈরি স্যুপ শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে এবং পেট ভরিয়ে দেয়।

পরামর্শ-

  • রাতে অতিরিক্ত ভাজাপোড়া ও মিষ্টিজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন।
  • ঘুমানোর অন্তত ২ থেকে ৩ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার খেয়ে নিন।
  • পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
  • নিয়মিত ব্যায়াম ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখুন।

পিরিয়ডের সময় কী খাবেন, কী খাবেন না?

জীবনযাপন ডেস্ক
পিরিয়ডের সময় কী খাবেন, কী খাবেন না?
ছবি : কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

পিরিয়ড বা মাসিক নারীর জীবনের একটি স্বাভাবিক জৈবিক প্রক্রিয়া। তবে এ সময় অনেকেই পেট ব্যথা, পিঠব্যথা, ক্লান্তি, মেজাজের পরিবর্তন, মাথা ব্যথা কিংবা ফোলাভাবের মতো সমস্যার মুখোমুখি হন। বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক খাদ্যাভ্যাস এসব অস্বস্তি কিছুটা কমাতে সাহায্য করতে পারে। তাই পিরিয়ডের সময় শরীরের চাহিদা অনুযায়ী খাবার বেছে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

পিরিয়ডের সময় যেসব খাবার খাওয়া উপকারী

১. আয়রনসমৃদ্ধ খাবার

মাসিকের সময় রক্তক্ষরণের কারণে শরীরে আয়রনের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। তাই পালং শাক, লাল শাক, কলিজা, ডাল, ছোলা ও অন্যান্য আয়রনসমৃদ্ধ খাবার খাদ্যতালিকায় রাখা ভালো।

২. ফলমূল
কলা, কমলা, পেয়ারা, আপেল ও মৌসুমি ফল শরীরকে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজ সরবরাহ করে। বিশেষ করে কলায় থাকা পটাশিয়াম পেশির খিঁচুনি কমাতে সহায়তা করতে পারে।

৩. পানি ও তরল খাবার
অনেকেই পিরিয়ডের সময় শরীরে পানি জমে যাওয়ার ভয়ে কম পানি পান করেন। অথচ পর্যাপ্ত পানি পান করলে ফোলাভাব ও মাথাব্যথা কমতে পারে। পাশাপাশি ডাবের পানি, লেবুর শরবত বা উষ্ণ ভেষজ চাও উপকারী হতে পারে।

৪. দই ও দুগ্ধজাত খাবার
দইয়ে থাকা ক্যালসিয়াম ও প্রোবায়োটিক উপাদান হজমে সহায়তা করে এবং কিছু ক্ষেত্রে পিরিয়ডজনিত অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করতে পারে।

৫. বাদাম ও বীজজাতীয় খাবার
কাজুবাদাম, কাঠবাদাম, চিনাবাদাম, তিল বা সূর্যমুখীর বীজে ম্যাগনেসিয়ামসহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান থাকে, যা শরীরকে শক্তি জোগাতে সাহায্য করে।

৬. আদা ও গরম চা
অনেকের ক্ষেত্রে আদা চা বা উষ্ণ পানীয় পেটের অস্বস্তি ও বমিভাব কমাতে সহায়ক হতে পারে।

ল্লল্ল
পিরিয়ডের এ সময় অনেকের পেটে ব্যাথা, মাথা ব্যথা, বমি বমি ভাব, ক্লান্তি, মেজাজ পরিবর্তন, ডায়রিয়া ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়।

যেসব খাবার কম খাওয়াই ভালো

১. অতিরিক্ত লবণযুক্ত খাবার
চিপস, প্রক্রিয়াজাত খাবার বা অতিরিক্ত লবণযুক্ত খাবার শরীরে পানি জমিয়ে ফোলাভাব বাড়াতে পারে।

২. অতিরিক্ত চিনি
চকলেট, কেক বা কোমল পানীয় সাময়িকভাবে ভালো লাগলেও পরে ক্লান্তি ও মেজাজের ওঠানামা বাড়াতে পারে। তবে অল্প পরিমাণ ডার্ক চকলেট খাওয়া যেতে পারে।

৩. ভাজাপোড়া ও ফাস্ট ফুড
অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার হজমে সমস্যা তৈরি করতে পারে এবং শরীরকে আরও ভারী অনুভব করাতে পারে।

৪. অতিরিক্ত ক্যাফেইন
চা বা কফি অনেকের ক্ষেত্রে মাথাব্যথা, অস্থিরতা কিংবা স্তনে অস্বস্তি বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই পরিমিত পরিমাণে পান করাই ভালো।

জীবনযাপনেও প্রয়োজন সচেতনতা
শুধু খাবার নয়, পর্যাপ্ত ঘুম, হালকা ব্যায়াম, নিয়মিত হাঁটা এবং মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টাও পিরিয়ডের সময় স্বস্তি পেতে সাহায্য করে। শরীরের সংকেতকে গুরুত্ব দেওয়া এবং প্রয়োজন অনুযায়ী বিশ্রাম নেওয়াও জরুরি।

ল্লল

মনে রাখুন
প্রত্যেকের শরীর আলাদা। যে খাবার একজনের জন্য উপকারী, অন্যজনের ক্ষেত্রে তার প্রভাব ভিন্ন হতে পারে। পিরিয়ডের সময় অতিরিক্ত ব্যথা, অনিয়মিত রক্তক্ষরণ বা অস্বাভাবিক কোনো সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

এক কথায়, পিরিয়ডের সময় সুষম খাদ্য, পর্যাপ্ত পানি এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন শরীরকে স্বস্তি দিতে ও দৈনন্দিন কাজকর্ম স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ব্যবহৃত তেল ফেলে দিচ্ছেন? জেনে নিন একে কাজে লাগানোর দারুণ কিছু কৌশল

অনলাইন ডেস্ক
ব্যবহৃত তেল ফেলে দিচ্ছেন? জেনে নিন একে কাজে লাগানোর দারুণ কিছু কৌশল
ছবি : কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

বাড়িতে রান্নার সময় অনেকেই একই তেল বারবার ব্যবহার করেন। কোনো কিছু ভাজাভুজি করার পর সেই তেল আবার অন্য রান্নায় ব্যবহার করা হয়। কিন্তু পুষ্টিবিদ ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বারবার গরম করা তেল শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। উচ্চ তাপমাত্রায় বারবার গরম করলে ক্ষতিকারক ট্রান্স ফ্যাট তৈরি হয়, তেলের গুণগত মান নষ্ট হয় এবং এতে এমন কিছু ক্ষতিকর উপাদান তৈরি হতে পারে, যা দীর্ঘ মেয়াদে স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

তাই একবার রান্নায় ব্যবহার করা তেল আবার খাবার তৈরিতে ব্যবহার না করাই ভালো। তবে এর অর্থ এই নয় যে অবশিষ্ট তেল ফেলে দিতে হবে। সঠিকভাবে সংরক্ষণ করলে সেই তেল ঘরের বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা সম্ভব।

তবে ব্যবহৃত তেল কাজে লাগানোর আগে তার অবস্থা পরীক্ষা করে নেওয়া জরুরি। যদি তেল থেকে পোড়া গন্ধ বের হয়, রং অতিরিক্ত কালচে হয়ে যায় বা ধোঁয়া ওঠার লক্ষণ দেখা যায়, তাহলে সেটি আর ব্যবহার করা উচিত নয়। আর যদি তেল ভালো অবস্থায় থাকে, তাহলে ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে খাবারের ছোট কণা আলাদা করে একটি পরিষ্কার বোতলে সংরক্ষণ করা যেতে পারে।

কাঠের আসবাবে উজ্জ্বলতা ফেরাতে

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কাঠের টেবিল, চেয়ার বা শোকেসের ঔজ্জ্বল্য কমে যেতে পারে। এমন ক্ষেত্রে সামান্য ব্যবহৃত তেল কার্যকর হতে পারে। একটি নরম কাপড়ে অল্প তেল নিয়ে আসবাবের গায়ে আলতোভাবে মুছে দিলে অনেক সময় কাঠের মলিন ভাব কমে যায় এবং কিছুটা উজ্জ্বলতা ফিরে আসে।

জং ধরা ধাতব জিনিস নমনীয় করতে

বাড়ির তালা, কাঁচি, দরজার কবজা, গেট বা অন্য লোহার জিনিসে মরিচা ধরলে সেগুলো ব্যবহার করতে সমস্যা হয়। এ ক্ষেত্রে অল্প পরিমাণ তেল ব্যবহার করা যেতে পারে। জং ধরা অংশে তেল লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিলে জিনিসটি তুলনামূলক সহজে নড়াচড়া করতে পারে। পাশাপাশি তেল একটি পাতলা আবরণ তৈরি করে, যা আর্দ্রতার প্রভাব কমাতে সাহায্য করে এবং ভবিষ্যতে মরিচা পড়ার ঝুঁকিও কিছুটা কমায়।

বোতল বা জারের স্টিকার তুলতে

অনেক সময় কাচের বোতল, প্লাস্টিকের জার বা অন্য পাত্রের গায়ে লাগানো স্টিকার সহজে ওঠে না। স্টিকার তুলে ফেললেও আঠা বা কাগজের কিছু অংশ লেগে থাকে। এই সমস্যা সমাধানেও ব্যবহার করা তেল কাজে আসতে পারে। স্টিকার বা আঠাযুক্ত অংশে সামান্য তেল লাগিয়ে কয়েক মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। এরপর নরম কাপড় বা টিস্যু দিয়ে মুছে ফেললে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে কাগজ ও আঠার অবশিষ্টাংশ সহজেই উঠে আসে।

গরমে ঘাম-শ্বাসকষ্ট মানেই কি হিট স্ট্রোক?

অনলাইন ডেস্ক
গরমে ঘাম-শ্বাসকষ্ট মানেই কি হিট স্ট্রোক?
ছবি : কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

গরমের তীব্রতা যত বাড়ছে, ততই বাড়ছে হিট স্ট্রোক ও হার্ট সংক্রান্ত জটিলতার ঝুঁকি। কিন্তু সব সময় দরদর করে ঘাম হওয়া বা শ্বাসকষ্ট হলেই যে হিট স্ট্রোক হচ্ছে, তা না-ও হতে পারে—এমনটাই সতর্ক করছেন চিকিৎসকরা। বিশেষ করে হৃদ্‌রোগীদের ক্ষেত্রে গরমের এই সময়টা আরো বেশি ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীর দ্রুত পানি হারাতে শুরু করে। ফলে শরীরে পানিশূন্যতা তৈরি হয়। এই অবস্থায় শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে হৃদ্‌যন্ত্রকে অতিরিক্ত কাজ করতে হয়। রক্তনালি প্রসারিত হয়ে তাপ বের করে দিতে চেষ্টা করে, আর হার্টকে আরো দ্রুত রক্ত পাম্প করতে হয়। এর ফলে হৃদ্‌যন্ত্রের ওপর চাপ বেড়ে যায়। একই সঙ্গে ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে পানি ও লবণ বের হয়ে গেলে রক্তচাপ ওঠানামা করতে পারে, যা অনেক সময় হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

চিকিৎসকদের মতে, গরমে শুধু দিনে নয়, রাতে পর্যন্ত হিট স্ট্রোকের আশঙ্কা থাকে। যাদের পানি কম খাওয়ার অভ্যাস আছে, যাদের শরীর দুর্বল বা আগে থেকেই হৃদ্‌রোগ আছে, তাদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি আরো বেশি।

এই সময় কিছু লক্ষণ দেখা দিলে অবহেলা করা বিপজ্জনক হতে পারে বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা। যেমন— 

শরীর থেকে অতিরিক্ত ঘাম বের হওয়া এবং সঙ্গে তীব্র শ্বাসকষ্ট হওয়া অনেক সময় শুধু হিট স্ট্রোক নয়, হৃদ্‌যন্ত্রের সমস্যারও ইঙ্গিত হতে পারে। রোগীর মনে হতে পারে দম বন্ধ হয়ে আসছে।

পানিশূন্যতার কারণে রক্তচাপ কমে বা বেড়ে যেতে পারে। এতে মাথা ঘোরা, মাথা ব্যথা, এমনকি জ্ঞান হারানোর ঘটনাও ঘটতে পারে। মস্তিষ্কে ঠিকভাবে রক্ত না পৌঁছালে পরিস্থিতি আরো বিপজ্জনক হয়।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হলো বুক ধড়ফড় করা বা অস্বাভাবিক দ্রুত হার্টবিট। এটি হার্টের ওপর অতিরিক্ত চাপের সংকেত হিসেবে ধরা হয়।

এ ছাড়া প্রচণ্ড ক্লান্তি, হাত-পা অবশ হয়ে যাওয়া বা পেশিতে টান ধরা হৃদ্‌রোগের সতর্ক সংকেত হতে পারে। অনেক সময় এই অবস্থা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে এবং রোগী দুর্বল হয়ে পড়েন।

সবচেয়ে বিপজ্জনক লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে বুকের মাঝখানে হঠাৎ তীব্র ব্যথা, বমি বমি ভাব বা বুক-গলা জ্বালাপোড়া। এগুলো হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাব্য লক্ষণ হতে পারে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকেরা।

এর পাশাপাশি যদি কেউ অসংলগ্ন কথা বলেন, দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসে বা আচরণে অস্বাভাবিকতা দেখা যায়, তাহলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

চিকিৎসকরা বলছেন, হিট স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ অনেক সময় একে অপরের সঙ্গে মিল থাকতে পারে, তবে কিছু পার্থক্য রয়েছে। হিট স্ট্রোকে শরীরের তাপমাত্রা অনেক বেড়ে যায়, প্রায় ১০৩–১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে এবং ঘাম কমে বা বন্ধ হয়ে যায়। অন্যদিকে হার্ট অ্যাটাকে সাধারণত প্রচণ্ড ঘাম হয় এবং বুকের ওপর চাপ বা ভারী কিছু চেপে বসার মতো ব্যথা অনুভূত হয়, যা হাত, ঘাড়, চোয়াল বা পিঠ পর্যন্ত ছড়িয়ে যেতে পারে।

গরমের সময় হৃদ্‌রোগীদের জন্য বিশেষ সতর্কতা জরুরি বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। দিনের সবচেয়ে গরম সময়, অর্থাৎ সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

পর্যাপ্ত পানি খেতে বলা হলেও, যারা আগে থেকেই হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত, তাদের ক্ষেত্রে পানির পরিমাণ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্ধারণ করা উচিত। হালকা রঙের ও ঢিলেঢালা সুতির পোশাক পরা, রোদে ছাতা বা টুপি ব্যবহার করা এবং ভারী কাজ এড়িয়ে চলার পরামর্শও দেওয়া হচ্ছে।

যদি হঠাৎ বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়, তাহলে রোগীকে দ্রুত ঠান্ডা জায়গায় নিয়ে গিয়ে শরীর শীতল করার চেষ্টা করতে হবে। জামা ঢিলা করে দেওয়া, ভেজা কাপড় দিয়ে শরীর মুছে দেওয়া যেতে পারে। তবে ৩০ মিনিটের মধ্যে অবস্থার উন্নতি না হলে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।