• ই-পেপার

ট্রিলিয়নেয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক, আসছে স্পেসএক্স আইপিও

ব্যবহারকারীদের অজান্তেই ফোনে ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তি,বিতর্কে মেটা

অনলাইন ডেস্ক
ব্যবহারকারীদের অজান্তেই ফোনে ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তি,বিতর্কে মেটা
ছবিঃ রয়টার্স

প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মেটাকে ঘিরে নতুন করে গোপনীয়তা ও ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। প্রযুক্তিবিষয়ক ম্যাগাজিন ওয়্যার্ড-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, মেটা আমাদের স্মার্টফোনে থাকা "মেটা এআই" অ্যাপের ভেতরে গোপনে মানুষের মুখ চেনার ( ফেসিয়াল রিকগনিশন ) কোড ঢুকিয়ে দিয়েছে ।

এ কোম্পানিটির তৈরি রে-ব্যান ও ওকলি স্মার্ট চশমার মাধ্যমে রাস্তাঘাটে চলাফেরা করা যেকোনো মানুষকে সরাসরি চেনার জন্যই এই গোপন প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। যদিও মেটা দাবি করেছে, এই ফিচারটি সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য এখনও চালু করা হয়নি


সাইবার নিরাপত্তা গবেষক ও সফটওয়্যার বিশ্লেষকদের পরীক্ষায় দেখা যায়, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে একাধিক অ্যাপ আপডেটের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের ফোনে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ এআই মডেল যুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি মানুষের মুখ শনাক্ত করতে পারে, দ্বিতীয়টি ছবির ভেতর থেকে মুখ আলাদা করে ক্রপ করতে পারে এবং তৃতীয়টি সেই মুখকে একটি বিশেষ ডিজিটাল বায়োমেট্রিক পরিচয়ে রূপান্তর করতে সক্ষম।

গবেষকদের দাবি, এই প্রযুক্তি এখন প্রায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত অবস্থায় রয়েছে। মেটা অভ্যন্তরীণভাবে প্রকল্পটির নাম দিয়েছিল “নেমট্যাগ”। তবে সাম্প্রতিক এক আপডেটে এর নাম পরিবর্তন করে “কানেকশনস” রাখা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।

এ বিষয়ে মেটার মুখপাত্র রায়ান ড্যানিয়েলস বলেন, কোম্পানি কেবল এ ধরনের প্রযুক্তির সম্ভাব্য ব্যবহার ও কার্যকারিতা নিয়ে গবেষণা করছে। এখনো সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য কোনো ফেসিয়াল রিকগনিশন ফিচার চালু করা হয়নি এবং কোনো কেন্দ্রীয় ফেস ডেটাবেস তৈরির সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়নি।

তবে এই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নন গোপনীয়তা অধিকার নিয়ে কাজ করা বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, যদি প্রযুক্তিটি শুধুই পরীক্ষামূলক পর্যায়ে থাকে, তাহলে কয়েক মাস আগেই কেন এর প্রয়োজনীয় কোড ব্যবহারকারীদের ফোনে পাঠানো হলো—এ প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর দেয়নি মেটা।

আরো বিতর্ক তৈরি হয়েছে কারণ চলতি বছরের এপ্রিল মাসেও মেটার কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা প্রকাশ্যে বলেছিলেন, স্মার্ট চশমায় ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তি ব্যবহারের নৈতিক ও সামাজিক দিক নিয়ে তারা এখনো চিন্তাভাবনা করছেন। অথচ নতুন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, তারও কয়েক মাস আগে এই প্রযুক্তির মূল উপাদান ব্যবহারকারীদের ডিভাইসে পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল।

প্রাইভেসি বিশেষজ্ঞদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি ট্যাগ করার প্রযুক্তির তুলনায় স্মার্ট চশমাভিত্তিক রিয়েল-টাইম ফেসিয়াল রিকগনিশন অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ এর মাধ্যমে রাস্তায় চলাফেরা করা কোনো অপরিচিত ব্যক্তির পরিচয় মুহূর্তেই শনাক্ত করা সম্ভব হতে পারে। এতে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এই উদ্বেগ থেকেই যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক নাগরিক অধিকার সংগঠন আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন (এসিএলইউ) এবং ডিজিটাল অধিকার সংগঠন ফাইট ফর দ্যা ফিউচার সহ ৭০টির বেশি মানবাধিকার সংগঠন দীর্ঘদিন ধরে মেটাকে স্মার্ট চশমায় ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তি ব্যবহার না করার আহ্বান জানিয়ে আসছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বিষয়টি আরো গুরুত্বপূর্ণ কারণ ২০২১ সালে তীব্র সমালোচনার মুখে মেটা ফেসবুকের স্বয়ংক্রিয় ফেস-ট্যাগিং প্রযুক্তি বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছিল। সে সময় কোম্পানিটি ব্যবহারকারীদের এক বিলিয়নের বেশি ফেসপ্রিন্ট বা বায়োমেট্রিক তথ্য মুছে ফেলার কথাও জানিয়েছিল।

শুধু তাই নয়,এর আগে বায়োমেট্রিক তথ্য ব্যবহারের অভিযোগে অতীতে মেটাকে যুক্তরাষ্ট্রে বড় অঙ্কের আইনি জরিমানাও গুনতে হয়েছে। ইলিনয় অঙ্গরাজ্যে গোপনীয়তা আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় কোম্পানিটি ৬৫০ মিলিয়ন ডলার জরিমানা দেয়। পরে ২০২৪ সালে টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের সঙ্গে সমঝোতায় আরও ১.৪ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করতে হয়।

নতুন এই তথ্য প্রকাশের পর প্রযুক্তি বিশ্বে প্রশ্ন উঠেছে—মেটা কি ভবিষ্যতে তাদের স্মার্ট চশমা ও এআই সেবায় ব্যাপকভাবে ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তি চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে? যদিও কোম্পানিটি এখনই এমন কোনো পরিকল্পনার কথা স্বীকার করেনি, তবু ব্যবহারকারীদের গোপনীয়তা নিয়ে উদ্বেগ আবারও সামনে চলে এসেছে।

তথ্যসূত্র: ওয়্যার্ড, এনগ্যাজেটদ্য নিউইয়র্ক টাইমস

ভুয়া এআই অ্যাপে তথ্য চুরির ফাঁদ, সতর্কতা ক্যাসপারস্কির

অনলাইন ডেস্ক
ভুয়া এআই অ্যাপে তথ্য চুরির ফাঁদ, সতর্কতা ক্যাসপারস্কির
প্রতীকী ছবি

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির জনপ্রিয়তা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নতুন ধরনের সাইবার হুমকিও দ্রুত বাড়ছে। বিশ্বখ্যাত সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ক্যাসপারস্কি জানিয়েছে, ২০২৬ সালের শুরু থেকে এ পর্যন্ত এআই সফটওয়্যারের ছদ্মবেশে পরিচালিত ৯২ হাজারের বেশি সাইবার হামলা শনাক্ত করা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির গবেষকদের মতে, হ্যাকাররা এখন চ্যাটজিপিটি, ক্লডসহ জনপ্রিয় এআই সেবার নকল ওয়েবসাইট ও অ্যাপ তৈরি করে ব্যবহারকারীদের ফাঁদে ফেলছে। এসব ভুয়া সফটওয়্যার ডাউনলোড করার পর ব্যবহারকারীদের অজান্তেই ডিভাইসে ম্যালওয়্যার, স্পাইওয়্যার বা ব্যাংকিং ট্রোজান প্রবেশ করছে।

ক্যাসপারস্কির তথ্য অনুযায়ী, এ বছর ১৫ হাজারের বেশি ম্যালওয়্যার নমুনা শনাক্ত করা হয়েছে, যেগুলো বিভিন্ন এআই টুলের ছদ্মবেশে ছড়ানো হচ্ছিল। এসব ক্ষতিকর সফটওয়্যার ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য চুরি, ব্যাংকিং তথ্য সংগ্রহ এবং ডিভাইসের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার মতো কাজ করতে সক্ষম।

সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির গবেষকরা ‘সিলভার ফক্স’ নামে পরিচিত একটি সাইবার অপরাধী চক্রের কার্যক্রমও শনাক্ত করেছেন। তারা উইন্ডোজ, ম্যাকওএস ও লিনাক্স ব্যবহারকারীদের লক্ষ্য করে ক্লড এআইয়ের ভুয়া সংস্করণ ছড়িয়ে ম্যালওয়্যার সংক্রমণের চেষ্টা চালাচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অফিসের অনুমোদন ছাড়া বিভিন্ন এআই টুল ব্যবহার করার প্রবণতাও ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। ‘শ্যাডো এআই’ নামে পরিচিত এই প্রবণতায় কর্মীরা অনেক সময় অজান্তেই প্রতিষ্ঠানের গোপন তথ্য অনিরাপদ প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করে ফেলেন, যা হ্যাকারদের হাতে চলে যেতে পারে।

নিরাপদ থাকতে যা করবেন

এআই সেবা ব্যবহারের আগে ওয়েবসাইটের ঠিকানা ভালোভাবে যাচাই করুন।
শুধুমাত্র অফিশিয়াল ওয়েবসাইট বা অ্যাপ স্টোর থেকে সফটওয়্যার ডাউনলোড করুন।
অচেনা এআই অ্যাপ বা বট ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।
প্রাতিষ্ঠানিক তথ্য শুধুমাত্র অনুমোদিত এআই টুলে ব্যবহার করুন।
ফোন ও কম্পিউটারে নিয়মিত আপডেটেড অ্যান্টিভাইরাস বা নিরাপত্তা সফটওয়্যার ব্যবহার করুন।

সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, এআই যত বেশি মানুষের দৈনন্দিন কাজে যুক্ত হচ্ছে, ততই ভুয়া বা নকল এআই সেবার মাধ্যমে প্রতারণা ও তথ্য চুরির ঝুঁকি বাড়ছে। তাই নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের পাশাপাশি সচেতন থাকাও এখন সমান গুরুত্বপূর্ণ।

ছবি থেকে ভিডিও বানাবে জেমিনি, এলো নতুন এআই ফিচার

অনলাইন ডেস্ক
ছবি থেকে ভিডিও বানাবে জেমিনি, এলো নতুন এআই ফিচার
প্রতীকী ছবি

গুগল তাদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম জেমিনিতে নতুন ভিডিও তৈরির ও সম্পাদনার সুবিধা যুক্ত করেছে। নতুন এই ফিচারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা শুধু লিখিত নির্দেশনা (প্রম্পট) দিয়েই ভিডিও তৈরি বা সম্পাদনা করতে পারবেন।

গুগলের নতুন ‘জেমিনি অমনি’ মডেলের মাধ্যমে টেক্সট, ছবি, অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করে সহজেই নতুন কনটেন্ট তৈরি করা যাবে। আগে জেমিনিতে ছবি তৈরি বা সম্পাদনা করা গেলেও ভিডিও তৈরির জন্য আলাদা অ্যাপের প্রয়োজন হতো। এখন সেই কাজও করা যাবে সরাসরি জেমিনির মধ্যেই।

কী করা যাবে?

ব্যবহারকারী চাইলে শুধু একটি বর্ণনা লিখেই ভিডিও তৈরি করতে পারবেন। যেমন, ‘মহাকাশে ভাসছে একটি বিড়াল’—এ ধরনের নির্দেশনা দিলে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই ভিডিও তৈরি করে দেবে জেমিনি।

এ ছাড়া কোনো ভিডিও আপলোড করে সেটির ব্যাকগ্রাউন্ড পরিবর্তন, নতুন কোনো বস্তু যোগ করা বা বিভিন্ন অংশ সম্পাদনা করার নির্দেশও দেওয়া যাবে চ্যাটের মাধ্যমেই।

কিভাবে ব্যবহার করবেন?

১. প্রথমে জেমিনিতে ভিডিও আপলোড করতে হবে।
২. এরপর কী পরিবর্তন চান তা লিখে জানাতে হবে।
৩. কিছুক্ষণের মধ্যেই জেমিনি সম্পাদিত ভিডিওর প্রিভিউ দেখাবে। পছন্দ হলে সেটি ডাউনলোড করা যাবে।

এই সুবিধা স্মার্টফোনের জেমিনি অ্যাপ এবং ওয়েব সংস্করণ—উভয় জায়গা থেকেই ব্যবহার করা যাবে।

বাস্তবসম্মত ভিডিও

গুগল জানিয়েছে, জেমিনি অমনি আলো, ছায়া ও বাস্তব জগতের বিভিন্ন গতিবিধি ভালোভাবে অনুকরণ করতে পারে। ফলে এআই দিয়ে তৈরি ভিডিওগুলো অনেক বেশি স্বাভাবিক ও বাস্তব মনে হবে।

থাকবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা

এআই ভিডিওর অপব্যবহার ঠেকাতে প্রতিটি ভিডিওতে ‘সিন্থ আইডি’ (SynthID) নামের একটি অদৃশ্য ডিজিটাল ওয়াটারমার্ক যুক্ত থাকবে। এর মাধ্যমে সহজেই বোঝা যাবে ভিডিওটি এআই দিয়ে তৈরি করা হয়েছে কি না। 

প্রাথমিকভাবে গুগলের  এআই প্রিমিয়াম গ্রাহক এবং নির্দিষ্ট ওয়ার্ক স্পেস ব্যবহারকারীরা এই ফিচার ব্যবহার করতে পারবেন। প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, নতুন এই সুবিধা ভিডিও কনটেন্ট তৈরি ও সম্পাদনার পদ্ধতিতে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।

গ্রামীণফোনের সিএসটিও হিসেবে নিয়োগ পেলেন আন্দ্রেয়াস হগবার্গ

নিজস্ব প্রতিবেদক
গ্রামীণফোনের সিএসটিও হিসেবে নিয়োগ পেলেন আন্দ্রেয়াস হগবার্গ
আন্দ্রেয়াস হগবার্গ। ছবি : সংগৃহীত

দেশের শীর্ষস্থানীয় টেলিযোগাযোগ ও ডিজিটাল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোনের চিফ স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন অফিসার (সিএসটিও) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন আন্দ্রেয়াস হগবার্গ। গত ১ জুন থেকে তার এই নিয়োগ কার্যকর হয়েছে।

গ্রামীণফোনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নতুন দায়িত্বে আন্দ্রেয়াস কম্পানির কৌশলগত রূপান্তর কার্যক্রমের নেতৃত্ব দেবেন এবং প্রতিষ্ঠানের পাঁচ বছর মেয়াদি ব্যবসায়িক কৌশল বাস্তবায়নের তত্ত্বাবধান করবেন। উদ্ভাবন পরিচালনা, কৌশলগত অগ্রাধিকার নির্ধারণ, পরিচালন দক্ষতা বৃদ্ধি এবং টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করাই হবে তাঁর প্রধান লক্ষ্য।

প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এআই ও আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর এই সময়ে গ্রামীণফোনকে আরো শক্তিশালী ডিজিটাল প্রযুক্তি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন তিনি। পাশাপাশি কম্পানির প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধি, নতুন সেবা উদ্ভাবন এবং গ্রাহকদের জন্য আরো উন্নত ডিজিটাল অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করার উদ্যোগেও নেতৃত্ব দেবেন।

টেলিনর গ্রুপে ফিন্যান্স, প্রযুক্তি ও শেয়ার্ড সার্ভিসেস খাতে নরডিক অঞ্চল, দক্ষিণ এশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াজুড়ে আন্দ্রেয়াসের ২১ বছরেরও বেশি আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা রয়েছে। সর্বশেষ ২০২৩ সালের জুন থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি টেলিনর পাকিস্তানের চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার (সিএফও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি টেলিনর প্রকিউরমেন্ট কম্পানির বোর্ড সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

এর আগে গ্রামীণফোন, টেলিনর পাকিস্তান এবং টেলিনর মায়ানমারে বিভিন্ন নেতৃত্বস্থানীয় পদে কাজ করেছেন আন্দ্রেয়াস। এ ছাড়া ভাইস প্রেসিডেন্ট অব টেকনোলজি অ্যান্ড সার্ভিসেস হিসেবে বৈশ্বিক বিনিয়োগ অগ্রাধিকার সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ পরিচালনার অভিজ্ঞতাও রয়েছে তার।

প্রতিষ্ঠানের লিডারশিপ টিমে আন্দ্রেয়াসকে স্বাগত জানিয়ে গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান বলেন, বাংলাদেশের টেলিকম বাজার একই সঙ্গে জটিল ও সম্ভাবনাময়। ডেটা, ডিজিটাল সেবা, আইওটি, ক্লাউড ও নিরাপত্তা সেবার চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। একই সঙ্গে এআই প্রযুক্তি পুরো শিল্পখাতকে নতুনভাবে রূপান্তর করছে। এমন সময়ে কৌশলগত রূপান্তর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, আন্দ্রেয়াসের দূরদর্শী নেতৃত্ব গ্রামীণফোনকে এই পরিবর্তনের সঙ্গে দ্রুত খাপ খাইয়ে নিতে এবং প্রতিযোগিতামূলক বাজারে নেতৃত্ব আরো শক্তিশালী করতে সহায়তা করবে।”

নতুন দায়িত্ব নিয়ে আন্দ্রেয়াস হগবার্গ বলেন, “গ্রামীণফোন টিমে যোগ দিতে পেরে আমি আনন্দিত। বাংলাদেশের গতিশীল ডিজিটাল বাজারে গ্রামীণফোনের শক্ত ভিত্তি ও নেতৃত্বের অবস্থান রয়েছে। আমার লক্ষ্য হবে কার্যকর কৌশল বাস্তবায়নের মাধ্যমে গ্রাহকদের ডিজিটাল অভিজ্ঞতা আরো সমৃদ্ধ করা এবং দীর্ঘমেয়াদি টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা।”

উল্লেখ্য,আন্দ্রেয়াস নরওয়েজিয়ান স্কুল অব ইকোনমিকস থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেছেন। এ ছাড়া আইএমডি, ইনসিয়াড এবং স্টকহোম স্কুল অব ইকোনমিকস থেকে এক্সিকিউটিভ এডুকেশন প্রোগ্রাম সম্পন্ন করেছেন।