• ই-পেপার

সুইফটের বিয়ে ঘিরে কঠোর গোপনীয়তা, ছাপাননি বিয়ের কার্ডও!

কিংবদন্তি নির্মাতার প্রয়াণে শোকস্তব্ধ বিজয়-তৃষা

বিনোদন ডেস্ক
কিংবদন্তি নির্মাতার প্রয়াণে শোকস্তব্ধ বিজয়-তৃষা
সংগৃহীত ছবি

তামিল চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি নির্মাতা, চিত্রনাট্যকার ও অভিনেতা কে ভাগ্যরাজের আকস্মিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে দক্ষিণী চলচ্চিত্রাঙ্গনে। শনিবার চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো হাসপাতালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। 

তবে এই মৃত্যু সবচেয়ে বেশি নাড়া দিয়েছে অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণানকে। কারণ, মৃত্যুর মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগেও পরিচালককে সুস্থ-স্বাভাবিক অবস্থায় দেখেছিলেন তিনি।

গোয়ায় অভিনেত্রী ও রাজনীতিক খুশবু সুন্দরের মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কে ভাগ্যরাজ ও তৃষা কৃষ্ণান। সেখানেই শেষবারের মতো একসঙ্গে সময় কাটান তারা। পরিচালকের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে একটি ছবি শেয়ার করেন তৃষা।

আবেগঘন সেই পোস্টে তিনি লেখেন, ‘শান্তিতে ঘুমোন প্রিয় ভাগ্যরাজ স্যার। এটা বিশ্বাস করা সত্যিই কঠিন যে গতকালই আমরা একসঙ্গে বসে খাবার খাচ্ছিলাম, আর আজ আমাকে এই হৃদয়বিদারক খবরটি শুনতে হলো! পূর্ণিমা ম্যাম, শান্তনু, আমলু এবং কিকি— এই কঠিন সময়ে আমার ভালোবাসা রইল তোমাদের জন্য।’

গোয়ার সেই বিয়ের অনুষ্ঠান থেকেই ভাগ্যরাজের শেষ দিকের একটি ভিডিওও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে তাকে হাসিমুখে তেলুগু সুপারস্টার চিরঞ্জীবীর সঙ্গে করমর্দন ও আড্ডা দিতে দেখা যায়। অনুষ্ঠানে তৃষা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তামান্না ভাটিয়া, আরতি রভিসহ দক্ষিণী চলচ্চিত্রের আরো অনেক তারকা।

ভাগ্যরাজের মৃত্যু তামিল চলচ্চিত্রাঙ্গনের জন্য আরো বেদনাদায়ক হয়ে উঠেছে আরেকটি কারণে। মাত্র ১৭ দিন আগে প্রয়াত হয়েছেন তার গুরু, প্রখ্যাত নির্মাতা ভারতীরাজা। অল্প সময়ের ব্যবধানে গুরু ও শিষ্যের বিদায়ে তামিল সিনেমার একটি গৌরবময় অধ্যায়ের অবসান দেখছেন অনেকে।

এদিকে কে ভাগ্যরাজের প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয়। তামিল চলচ্চিত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ পরিচালকের শেষকৃত্য রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন করার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

এক্সে দেওয়া শোকবার্তায় মুখ্যমন্ত্রী বিজয় লেখেন, ‘তামিল সিনেমার প্রখ্যাত পরিচালক, অভিনেতা, চিত্রনাট্যকার, সংলাপ লেখক এবং সংগীত পরিচালক থিরু কে ভাগ্যরাজের প্রয়াণের খবর শুনে আমি গভীরভাবে স্তম্ভিত ও মর্মাহত। তিনি তাঁর বহুমুখী প্রতিভা দিয়ে সিনেমায় অমিলন ছাপ রেখে গেছেন। তাঁর প্রয়াণ তামিল চলচ্চিত্র জগতের অপূরণীয় ক্ষতি।’

গ্যালাক্সি ছাড়ছেন সালমান?

বিনোদন ডেস্ক
গ্যালাক্সি ছাড়ছেন সালমান?
সংগৃহীত ছবি

প্রায় পাঁচ দশক ধরে মুম্বাইয়ের গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টই বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের পরিচিত ঠিকানা। ঈদ, জন্মদিন কিংবা বিশেষ দিনগুলোতে এই বাড়ির ব্যালকনি থেকেই ভক্তদের শুভেচ্ছা জানান তিনি। তবে এবার সেই ঠিকানা বদলের জল্পনা জোরালো হয়েছে।

সম্প্রতি বান্দ্রার চিম্বাই এলাকায় নতুন একটি ছয়তলা আবাসিক ভবন নির্মাণের সরকারি অনুমোদন পেয়েছে সালমান খানের পরিবারের একটি প্রকল্প। এরপর থেকেই প্রশ্ন উঠেছে, গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্ট ছেড়ে কি নতুন বাড়িতে উঠতে যাচ্ছেন এই অভিনেতা? যদিও এ বিষয়ে এখনো সালমান খান বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য আসেনি।

জানা গেছে, মহারাষ্ট্র কোস্টাল জোন ম্যানেজমেন্ট অথরিটি গত ১৬ জুন প্রকল্পটির অনুমোদন দিয়েছে। নতুন ভবনটি নির্মিত হবে গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে অল্প দূরত্বে অবস্থিত বান্দ্রার চিম্বাই এলাকায়।

ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, যে জমিতে ভবনটি নির্মাণ হবে, সেটি সালমানের মা সালমা খানের নামে নিবন্ধিত। সেখানে আগে ১৯৫৬ সালেরও আগে নির্মিত একটি দোতলা বাড়ি ছিল। ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় সেটি ভেঙে ফেলা হয়।

অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী, নতুন ভবনে থাকবে একটি গ্রাউন্ড ফ্লোর, স্টিল্ট পার্কিং এবং তার ওপরে ছয়টি আবাসিক তলা। ভবনটির মোট নির্মিত এলাকা হবে প্রায় ১ হাজার ১৪ বর্গমিটার। নির্মাণকাজের দায়িত্বে রয়েছে স্যাচ ডেভেলপার্স।

এর আগে ২০২৫ সালের অক্টোবরে বৃহন্মুম্বাই পৌরসভা থেকে প্রাথমিক ছাড়পত্র পেয়েছিল প্রকল্পটি। সর্বশেষ এমসিজেডএমএ-এর অনুমোদন মেলায় নির্মাণকাজ শুরুর পথ আরো সুগম হয়েছে।

প্রকল্পটির জন্য পরিবেশগত কিছু শর্তও আরোপ করেছে কর্তৃপক্ষ। অনুমোদন অনুযায়ী, নির্মাণকাজে কোনো বিদ্যমান গাছ কাটা যাবে না। বরং প্রকল্প এলাকাজুড়ে স্থানীয় প্রজাতির নতুন গাছ লাগাতে হবে। উপকূলীয় অঞ্চলে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখার বিষয়টিকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

নতুন বাড়ির অনুমোদনের পর থেকেই গুঞ্জন ছড়িয়েছে, এবার হয়তো গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টের দীর্ঘ অধ্যায়ের ইতি টানবেন সালমান। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।

১৯৭৪ সাল থেকে গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টেই বসবাস করছেন সালমান খান। বছরের পর বছর ভক্তদের কাছে এটি তার পরিচয়ের অংশ হয়ে উঠেছে। ফলে নতুন বাড়িতে ওঠার সিদ্ধান্ত নিলে সেটি হবে তার জীবনের একটি বড় পরিবর্তন।

অন্যদিকে, নতুন বাড়িটি মূল সড়ক থেকে কিছুটা ভেতরে হওয়ায় সেখানে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা—দুই দিক থেকেই বেশি সুবিধা পাওয়া যাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিশেষ করে গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টের বাইরে গুলি চালানোর ঘটনার পর সালমান খানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়। ওই ঘটনায় বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সদস্যদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠে। বর্তমানে এই অভিনেতা ওয়াই প্লাস (Y+) নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় রয়েছেন।

নোরা ফাতেহির সঙ্গে নতুন গানে আবারও সঞ্জয়

বিনোদন প্রতিবেদক
নোরা ফাতেহির সঙ্গে নতুন গানে আবারও সঞ্জয়
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ‘সির সির’ গান দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিলেন বাংলাদেশি-আমেরিকান ডিজে, গায়ক ও সংগীত পরিচালক সঞ্জয় দেব এবং বলিউড তারকা নোরা ফাতেহি। 

সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় আবারও একসঙ্গে নতুন গান নিয়ে হাজির হচ্ছেন এই দুই তারকা। আগামী ২৯ জুন প্রকাশ পাবে তাদের নতুন গান ‘চ্যাম্পিয়ন’।

ডালাস থেকে সঞ্জয় দেব গণমাধ্যমে জানিয়েছেন, ‘চ্যাম্পিয়ন’ শুধু একটি খেলার গান নয়; এটি বিজয়, আত্মবিশ্বাস এবং জীবনের প্রতিটি অর্জনকে উদযাপনের বার্তা বহন করবে।

সঞ্জয় বলেন, ‘এটা শুধু কোনো খেলায় জয়ের গান নয়। জীবনের যেকোনো অর্জন, যেকোনো সংগ্রাম শেষে পাওয়া সাফল্য উদযাপনের গান। আমরা চাই, মানুষ গানটি শুনে অনুপ্রাণিত হোক, ইতিবাচক শক্তি পাক। চ্যাম্পিয়ন সবাইকে বিজয়ী হওয়ার অনুভূতি দেবে।’

গানটিতে কণ্ঠ দেওয়ার পাশাপাশি এর কথা, সুর এবং সংগীত পরিচালনার দায়িত্বও সামলেছেন সঞ্জয় দেব। তিনি জানান, প্রায় দুই মাস ধরে চলেছে ‘চ্যাম্পিয়ন’-এর কাজ। বিশ্বকাপের আবহকে ঘিরেই গানটি প্রকাশের পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি ও নোরা।

তানজানিয়ার জানজিবারে সঞ্জয় দেব ও নোরা ফাতেহীর ‘চ্যাম্পিয়ান’ গানের শুটিংয়ের একটি দৃশ্য

গানটির মিউজিক ভিডিও ধারণ করা হয়েছে পূর্ব আফ্রিকার দেশ তানজানিয়ার জানজিবারে। মাত্র দুই দিনের সফরে সেখানে গিয়ে এক দিনেই ভিডিওর পুরো শুটিং শেষ করেন সঞ্জয় ও নোরা। 

সঞ্জয়ের মতে, জানজিবারের নৈসর্গিক সমুদ্রসৈকত ও মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ভিডিওটিকে দিয়েছে ভিন্ন মাত্রা।

গান প্রকাশের আগেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয়েছে প্রচারণা। সম্প্রতি নোরা ফাতেহি নিজের ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘বন্ধুরা, তোমরা সবাই চ্যাম্পিয়নের জন্য প্রস্তুত তো?’ তার এই পোস্টের পর থেকেই ভক্তদের মধ্যে গানটি নিয়ে বাড়ছে আগ্রহ।

একই দিনে বাবা-ছেলের জন্মদিন, ভালোবাসায় সিক্ত অপূর্ব

বিনোদন প্রতিবেদক
একই দিনে বাবা-ছেলের জন্মদিন, ভালোবাসায় সিক্ত অপূর্ব
সংগৃহীত ছবি

২৭ জুন দিনটি অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্বর জীবনে অন্যরকম এক আনন্দের দিন। কারণ, এটি শুধু তার জন্মদিনই নয়, একই দিনে জন্মদিন তার একমাত্র ছেলে জায়ান ফারুক আয়াশেরও। তাই প্রতিবছরের মতো এবারও বাবা-ছেলের জন্মদিন ঘিরে দ্বিগুণ উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে তাদের পরিবারে।

১৯৮৫ সালের ২৭ জুন জন্ম নেওয়া অপূর্ব এবার ৪১ বছর পূর্ণ করে ৪২ বছরে পা রাখলেন। বিশেষ এই দিনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভক্ত, সহশিল্পী, নির্মাতা ও শুভানুধ্যায়ীদের শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় সিক্ত হচ্ছেন জনপ্রিয় এই অভিনেতা। অনেকে তার সঙ্গে তোলা পুরোনো ছবি শেয়ার করে সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সাফল্য কামনা করেছেন।

জন্মদিন উপলক্ষে বাবা-ছেলের একটি ছবি প্রকাশ করে অপূর্ব লিখেছেন, ‘জন্মদিনের সুন্দর শুভেচ্ছাগুলোর জন্য আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ।’

May be an image of one or more people, beard and people smiling

অপূর্বর শোবিজে যাত্রা শুরু হয় ২০০২ সালে ‘ইউ গট দ্য লুকস’ প্রতিযোগিতায় ‘মি. বাংলাদেশ’ নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে। এরপর অমিতাভ রেজা চৌধুরীর পরিচালনায় একটি বিজ্ঞাপনে অভিনয় করে দর্শকদের নজরে আসেন। ২০০৬ সালে গাজী রাকায়েত পরিচালিত ‘বৈবাহিক’ নাটকের মাধ্যমে অভিনয়ে আনুষ্ঠানিক অভিষেক হয় তার।

দীর্ঘ দুই দশকের ক্যারিয়ারে অসংখ্য জনপ্রিয় নাটক ও টেলিফিল্মে অভিনয় করেছেন অপূর্ব। বিশেষ করে ২০১৭ সালে মিজানুর রহমান আরিয়ান পরিচালিত ‘বড় ছেলে’ নাটকে মধ্যবিত্ত এক তরুণের চরিত্রে তার অভিনয় দর্শকদের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নেয়। ছোট পর্দার পাশাপাশি ওটিটি, সিনেমা এবং কলকাতার চলচ্চিত্রেও কাজ করে নিজের অভিনয় দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছেন তিনি।

সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে অপূর্বর নতুন ওয়েবফিল্ম ‘হেডলাইন’। রহস্য-থ্রিলার ঘরানার এই ওয়েবফিল্মে তার সঙ্গে অভিনয় করেছেন ইয়াশ রোহান, সারিকা সাবরিন ও চঞ্চল চৌধুরী। মুক্তির পর থেকেই দর্শকদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছে ওয়েবফিল্মটি।