• ই-পেপার

যাত্রাবাড়ী থেকে বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ১৯

রাজধানীতে সিএনজি অটোরিকশার ধাক্কায় বাইসাইকেল আরোহী নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীতে সিএনজি অটোরিকশার ধাক্কায় বাইসাইকেল আরোহী নিহত

রাজধানীর কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় মো. ইমন হোসেন (২৪) নামের এক বাইসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। শনিবার (২০ জুন) দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে খিলক্ষেত থানাধীন নিকুঞ্জ-১ সংলগ্ন কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ইমন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার শিমুলকান্দি গ্রামের মো. টিপু সুলতানের ছেলে। তিনি বর্তমানে মোহাম্মদপুরের বসিলা মেট্রো হাউজিং এলাকায় থাকতেন এবং ফার্মগেটের একটি চশমার দোকানে চাকরি করতেন।

জানা গেছে, ইমন বাইসাইকেলে করে বিভিন্ন স্থানে চশমা ডেলিভারি ও টাকা আদায়ের কাজ করতেন। আজ দুপুরে কুড়িল বিশ্বরোড এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় একটি দ্রুতগামী সিএনজি অটোরিকশা তার বাইসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি রাস্তায় ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।

খবর পেয়ে ইমনের স্বজনরা কুর্মিটোলা হাসপাতালে ছুটে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিকেল পৌনে ৩টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ইমনকে মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতালে ইমনের বড় ভাই সাব্বির হোসেন বলেন, ‘মাত্র দেড় মাস আগে বিয়ে করেছিল ইমন। কিন্তু স্ত্রীকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের বাসায় উঠিয়ে আনা হয়নি। তার আগেই ছোট ভাই সবাইকে ছেড়ে চলে গেল।’

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. ফারুক দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহটি বর্তমানে হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট থানাকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।

আওয়ামী লীগ শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছে : গয়েশ্বর

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি
আওয়ামী লীগ শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছে : গয়েশ্বর
সংগৃহীত ছবি

গত ১৭ বছর শিক্ষাব্যবস্থাকে আওয়ামী লীগ বাজে অবস্থায় পরিণত করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেছেন, ‘পাসের হার বাড়ানোর জন্য তাদের কাছে ফেল বলতে কোনো শব্দ ছিল না। মেধাবীদের মেধার বিবেচনা করা হতো না, গড় হারে সবাইকে পাস দিত। বিদেশে গেলে আমাদের ছাত্রদের সার্টিফিকেট ছুড়ে ফেলে দেয়। মূল্যায়ন করা হয় না।’

শনিবার (২০ জুন) সকালে কেরানীগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজ মাঠে এইচএসসি ও ডিগ্রি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘সার্টিফিকেট জোগাড় করে বড় বড় চাকরি জোগাড় করা যায়, কিন্তু প্রকৃত শিক্ষিত হওয়া যায় না। শিক্ষিত তখন হওয়া যায়, যখন তার অর্জিত জ্ঞান মানব কল্যাণে ব্যয় করা যায় এবং মানুষ তাকে দেখে ভালো কাজে আগ্রহী হয়।’

তিনি বলেন, ‘কাজী নজরুল ইসলাম ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বড় সার্টিফিকেট ছিল না। তার পরও তাদের কিন্তু জ্ঞানের ভাণ্ডার ছিল। তাই প্রকৃত শিক্ষা সেটাই, যেটা মানুষের জন্য, দেশের জন্য হয়।’ শিক্ষার্থীদের প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় বলেন, ‘আজকের মেয়েদের ঘর সামলানের সঙ্গে সঙ্গে রাষ্ট্র সামলানোর দায়িত্ব নিতে হবে। প্রচলিত পুরুষশাসিত সমাজ থেকে বের হয়ে নারীদের আগামী সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে। নারী শক্তি হবে কেরানীগঞ্জের সবচেয়ে বড় শক্তি।’

অনুষ্ঠানে কলেজটি সরকারিকরণের জন্য শিক্ষার্থী এবং কলেজ কর্তৃপক্ষের থেকে আহ্বান জানানো হয়। 

বিদায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোযাদ্দেদ আলী বাবু, থানা বিশেষ সদস্য নাজিম উদ্দিন মাস্টার, আগানগর ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি আরসাদ রহমান সপু, হাজি ইমান উল্লাহ মস্তান, সামী উল্লাহসহ প্রমুখ।

ঢামেকে এক কারাবন্দির মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢামেকে এক কারাবন্দির মৃত্যু

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মো. তরিকুল ইসলাম (৬৮) নামের এক কারাবন্দির মৃত্যু হয়েছে। মৃত তরিকুল ইসলামের বাড়ি রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার ধুয়াপাড়া মৌবন লাইনপাড়া এলাকায়। তার বাবার নাম মৃত ইসমাইল।

শনিবার (২০ জুন) অসুস্থ হয়ে পড়লে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার, কেরানীগঞ্জ থেকে কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে কারারক্ষী আতিয়ারসহ কয়েকজন কারারক্ষী তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন। সেখানে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে দুপুর ১১টা ৫৫ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

তরিকুল ইসলাম কোন মামলায় কারাবন্দি ছিলেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

গুলিতে আহত ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ পলাশ মারা গেছেন

অনলাইন ডেস্ক
গুলিতে আহত ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ পলাশ মারা গেছেন

রামপুরায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার এক সপ্তাহ পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন শীর্ষ সন্ত্রাসী ইয়াসিন খান পলাশ ওরফে ‘কাইল্লা পলাশ’।

শুক্রবার (২০ জুন) রাত ১টার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি মারা যান। হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পলাশের বাবার নাম ইউনুস খান। তার বাড়ি রাজধানীর পশ্চিম রামপুরায়। তিনি যুবদল নেতা মিজানুর রহমান মিজান হত্যা মামলায় দণ্ডিত ছিলেন। পলাশ এক মাস আগে কারাগার থেকে মুক্তি পান।

গত ১২ জুন জুমার নামাজের পর রামপুরা ব্রিজ-সংলগ্ন একরামুন্নেছা বালক উচ্চবিদ্যালয়ের পাশে পলাশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। পুলিশের দেওয়া তথ্যমতে, জুমার নামাজ পড়ে নিজ বাসভবনের নিচে দাঁড়িয়ে কথা বলছিলেন পলাশ। এ সময় আগে থেকে অপেক্ষায় থাকা দুর্বৃত্তরা তাকে গুলি করে মোটরসাইকেলে পালিয়ে যায়। পরপর তাকে দুই রাউন্ড গুলি করা হলে এক রাউন্ড গুলি তার মাথা ভেদ করে বের হয়ে যায়।

গুরুতর আহত অবস্থায় পলাশকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।