• ই-পেপার

আমরা ন্যায্যতার ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্ব চাই : হাসান হাফিজ

সীমান্তে ‘পুশ ইনের’ প্রতিবাদে মুক্তিযোদ্ধা দলের মানববন্ধন

অনলাইন ডেস্ক
সীমান্তে ‘পুশ ইনের’ প্রতিবাদে মুক্তিযোদ্ধা দলের মানববন্ধন
ভারতের পুশ ইনের প্রতিবাদে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে প্রতিবাদে মানববন্ধন করেন মুক্তিযোদ্ধা দল। ছবি : সংগৃহীত।

বাংলাদেশের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে ভারতের ‘পুশ ইনের’  প্রতিবাদে রাজধানীতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল। আজ রবিবার সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত। তিনি বলেন, ভারত যেন অবিলম্বে ‘পুশ ইন’ কার্যক্রম বন্ধ করে এবং ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনাসহ পলাতক আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠাতে সহযোগিতা করে। অন্যথায় এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্র হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে উভয় দেশের সরকারের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হওয়া উচিত।’

সমাবেশের শেষদিকে ইশতিয়াক আজিজ উলফাত বলেন, ‘এ কর্মসূচিতে অংশ নিতে এসে ৭৮ বছর বয়সী বীর মুক্তিযোদ্ধা আমির হোসেন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তিনি স্ট্রোক করে মারা যান।’ এ সময় উপস্থিত নেতাকর্মীরা মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান তিনি।

এতে আরো বক্তব্য দেন গণফ্রন্টের সভাপতি কমরেড টিপু বিশ্বাস, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বিএনপির মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক কর্নেল (অব.) জয়নাল আবেদীন, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, উপজাতিবিষয়ক সহ-সম্পাদক কর্নেল (অব.) মনীষ দেওয়ান, সিনিয়র সাংবাদিক এম এ আজিজ, ভাষানী জনশক্তি পার্টির চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বাবলু, মুক্তিযোদ্ধা দলের সহসভাপতি মোবারক হোসেন এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের সাধারণ সম্পাদক ড. কে এম আই মন্টিসহ অনেকে।

বক্তারা অভিযোগ করেন, ভারত সীমান্তজুড়ে ‘পুশ ইন’-এর মাধ্যমে অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে বাংলাদেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। তারা এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের ওপর হস্তক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন।

ক্ষুধার্তদের মুখে খাবার তুলে দিতে সায়েম সোবহান আনভীরের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

অনলাইন ডেস্ক
ক্ষুধার্তদের মুখে খাবার তুলে দিতে সায়েম সোবহান আনভীরের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

দিনের কোলাহল শেষে নগরীতে যখন রাতের নিস্তব্ধতা নামে ব্যস্ত শহর তখন আশ্রয় খোঁজে ঘুমের প্রশান্তিতে। কিন্তু ঠিক এই সময়ও কিছু মানুষের রাত কাটে আগামীকালের একমুঠো খাবারের অনিশ্চয়তায়। খোলা আকাশ, কংক্রিটের ফুটপাত কিংবা জরাজীর্ণ কুঁড়েঘরে রাত পার করায় ছিন্নমূল মানুষগুলোর জীবন আটকে আছে বেঁচে থাকার এক অনুচ্চারিত সংগ্রামে। যেখানে স্বপ্নের আগেই আসে ক্ষুধা আর প্রয়োজনের হিসাব। তবে এই অসহায় মানুষগুলোর মলিন মুখে হাসি ফোটাতে রাতের অন্ধকার মুছে শুরু হয়েছে এক পবিত্র কর্মযজ্ঞ। 

বিশাল সব চুলায় জ্বলে উঠছে দাউদাউ আগুন। কয়েক হাজার মানুষের খাবার তৈরির নিবিড় প্রস্তুতি চলে রাত থেকে একেবারে ভোর পর্যন্ত। যেখানে আলো ছড়ায় মানবতার প্রদীপ। বিরামহীন হাতে চলে ধারালো ছুরি আর বিশাল আকারের খুন্তি-হাতার একটানা ছন্দ আর জ্বলন্ত চুলার গনগনে আঁচে টকবক করে ফুটতে থাকে বিশাল সব পাত্র। তেল নুন মসলার ঘ্রাণে ভরে ওঠে আকাশ। কারো কোনো ক্লান্তি নেই, আছে শুধু প্রার্থনার মতো এক ঐকান্তিক নিবেদন যেন আহারের প্রতিটি দানায় মসলা নয়, মিশছে এক অদেখা ভালোবাসা। এ যেন শুধু খাবার তৈরি নয়, হাজারো মানুষের জীবনযুদ্ধের ক্লান্তি ভোলানোর মহৌষধ তৈরির এক পবিত্র পরিবেশনা। ভোরের স্নিগ্ধ আলো ফোটার পর রান্নার পাট চুকিয়ে শুরু হয় পরিচ্ছন্ন প্যাকেজিংয়ের কাজ। পরম যত্নে আর সর্বোচ্চ স্বাস্থ্যবিধি মেনে সুশৃঙ্খলভাবে প্রতিটি প্যাকেট প্রস্তুত করা হয়। এই প্যাকেটগুলোতে শুধু খাবারই মোড়ানো থাকে না। মোড়ানো থাকে তীব্র ক্ষুধার মাঝে একচিলতে স্বস্তির প্রতিশ্রুতি। 

এরপর সকালের উজ্জ্বল আলোতে পরম সাবধানে খাবারের এই প্যাকেটগুলোকে নিয়ে যাওয়া হয় এবিজি স্পোর্টস গ্রাউন্ডের নির্ধারিত স্থানে। সারি সারি প্যাকেটগুলো যেন একেকটি ভালোবাসার সওগাত যা ক্ষুধার্থদের মুখে জগৎ ভুলানো হাসি ফোটাতে অধীর অপেক্ষায় প্রহর গুনছে। পবিত্র জুমা পড়ে মানুষ যখন বের হয় মসজিদ থেকে, তখন শুরু হয় বিতরণ। দুস্থ-নিঃস্ব পথ-ঘাটের বাসিন্দাদের হাতে হাতে তুলে দেওয়া হয় গরম খাবার। কেউ জিজ্ঞেস করে না, তুমি কে বা কোথা থেকে এলে? এখানে শুধু এক হাত বাড়িয়ে দেওয়া হয়। যেন আকাশ নিজেই নামিয়ে দেয় অন্যের ঝুলি। নিশ্চয়ই মানুষগুলো তুষ্টির হাসির পেছনে যিনি কাজ করছেন তিনি আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপের (এবিজি) চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীর। 

সম্পূর্ণ নিভৃতে শুধু মানুষের প্রতি গভীর দায়বদ্ধতা আর ঐশ্বরিক অনুকম্পা থেকেই এই মানবিক আয়োজন পরিচালনা করে আসছেন তিনি। তার ধর্ম ক্ষুধার্তের পাতে খাবার তুলে দেওয়া। ক্লান্তমুখে প্রশান্তির হাসি ফোটানো। 

খাবার পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এক বৃদ্ধ বলেন, ‘যার উছিলায় আমাগো খাবারটা দিছে আল্লাহ যেন তারে ভালো রাখেন।’

অপর আরেক ব্যক্তি বলেন, ‘আমাদের গরিবের খাবারটা দেওয়ার তৌফিক আল্লাহ তার দিক আর আল্লাহ তার সুস্থ রাখুক, ভালো রাখুক—এই কামনাই করি।’ 

যাদের পেটের ক্ষুধার জ্বালা এই আহারে জুড়ায়, তারা হয়তো নেপথ্যের এই কারিগরকে চেনেনও না; কিন্তু তৃপ্ত মানুষের অন্তরের গভীর দোয়ায় এই নিঃস্বার্থ হৃদয় আর মহৎ উদ্যোগ বেঁচে থাকবে অনন্তকাল আর্ত মানবতার সেবায় আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ।

রবিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

অনলাইন ডেস্ক
রবিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

নানা প্রয়োজনে ঢাকার বাসিন্দারা দোকানপাট ও মার্কেট যান। কিন্তু তীব্র যানজট পেরিয়ে গিয়ে যদি দেখতে পান সব দোকানপাট বন্ধ, তাহলে বিফলে যাবে সব। তাই চলুন জেনে নেওয়া যাক রবিবার রাজধানীর কোন কোন এলাকায় দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকবে।

যেসব এলাকার দোকানপাট বন্ধ

আগারগাঁও, তালতলা, শেরেবাংলা নগর, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, পল্লবী, মিরপুর-১০, মিরপুর-১১, মিরপুর-১২, মিরপুর-১৩, মিরপুর-১৪, ইব্রাহীমপুর, কচুক্ষেত, কাফরুল, মহাখালী, নিউ ডিওএইচএস, ওল্ড ডিওএইচএস, কাকলী, তেজগাঁও ওল্ড এয়ারপোর্ট অঞ্চল, তেজগাঁও শিল্প অঞ্চল, ক্যান্টনমেন্ট, গুলশান-১, ২, বনানী, মহাখালী বাণিজ্যিক অঞ্চল, নাখালপাড়া, মহাখালী ইন্টারসিটি বাস টার্মিনাল অঞ্চল, রামপুরা, বনশ্রী, খিলগাঁও, গোড়ান, মালিবাগের একাংশ, বাসাবো, ধলপুর, সায়েদাবাদ, মাদারটেক, মুগদা, কমলাপুরের একাংশ, যাত্রাবাড়ীর একাংশ, শনির আখড়া, দনিয়া, রায়েরবাগ।

বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট
বিসিএস কম্পিউটার সিটি (আইডিবি), পল্লবী সুপার মার্কেট, মিরপুর বেনারসী পল্লী, ইব্রাহীমপুর বাজার, রজনীগন্ধা মার্কেট, ইউএই মৈত্রী কমপ্লেক্স, বনানী সুপার মার্কেট, ডিসিসি মার্কেট গুলশান-১ এবং ২, গুলশান পিংক সিটি, মোল্লা টাওয়ার, আল-আমিন সুপার মার্কেট, রামপুরা সুপার মার্কেট, মালিবাগ সুপার মার্কেট, তালতলা সিটি করপোরেশন মার্কেট, কমলাপুর স্টেডিয়াম মার্কেট, গোড়ান বাজার, আবেদিন টাওয়ার, ঢাকা শপিং সেন্টার, আয়েশা মোশারফ শপিং কমপ্লেক্স, মিতালী অ্যান্ড ফ্রেন্ডস সুপার মার্কেট।

ঢাকায় আজ বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

অনলাইন ডেস্ক
ঢাকায় আজ বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় দুপুরের মধ্যে বজ্রসহ বৃষ্টি ঝরতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। রবিবার সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

এতে বলা হয়েছে, আকাশ আংশিক মেঘলা হতে অস্থায়ীভাবে মেঘলা থাকতে পারে। অস্থায়ীভাবে বজ্র বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে প্রবাহিত হতে পারে। এ ছাড়া দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

এদিকে সকাল ৬টায় ঢাকায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৮ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৮৮ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।