• ই-পেপার

মতিঝিলে ব্যাংকের সামনে গুলি চালিয়ে টাকার ব্যাগ ছিনতাই

মগবাজারে বাস চাপায় নিহত পথচারীর পরিচয় শনাক্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
মগবাজারে বাস চাপায় নিহত পথচারীর পরিচয় শনাক্ত
ফাইল ছবি

রাজধানীর মগবাজার ওয়্যারলেস গেট এলাকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় ছিটকে পড়ে বাসের চাপায় নিহত পথচারীর পরিচয় পাওয়া গেছে। নিহত ব্যক্তি হলেন, পিরোজপুর জেলার কাউখালি উপজেলার বেকুটিয়া গ্রামের মৃত ইউসুফ মল্লিকের ছেলে এ আর আকতারুল আলম (৬৫)।

আকতারুল আলম ওষুধের ব্যবসা করতেন। মেরুল বাড্ডার ডিআইডি প্রজেক্টের ৯ নম্বর রোডের ১৫ নম্বর বাসায় পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন। তার ইমাম মাহাদী নামের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ররিবার (৭ জুন) সন্ধ্যা সোয়া ছয়টার দিকে মগবাজার ওয়্যারলেস গেট মোড়ে এক মোটরসাইকেল চালকের সঙ্গে আকতারুল আলমের কথা-কাটাকাটি হয়। তর্কাতর্কির একপর্যায়ে ওই চালক তাকে সজোরে ধাক্কা দিলে তিনি সড়কের ওপর ছিটকে পড়েন। ঠিক সেই মুহূর্তে আজীমের গ্লোরী পরিবহন নামের একটি দ্রুতগতির বাস তাকে চাপা দেয়।

গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ তাকে উদ্ধার করে দ্রুত  সিরাজুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে হাতিরঝিল থানার উপপরিদর্শক মো. আল-আমিন জানান, নিহতের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে রাত সোয়া নয়টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

মগবাজারে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় ছিটকে পড়ে বাসের চাপায় পথচারী নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক
মগবাজারে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় ছিটকে পড়ে বাসের চাপায় পথচারী নিহত
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর মগবাজার ওয়ারলেস গেট এলাকায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় ছিটকে পড়ে বাসের চাপায় এক পথচারী নিহত হয়েছেন। রবিবার (৭ জুন) বিকেলে এই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর পুলিশ মোটরবাইক চালককে আটক করেছে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহত ব্যক্তির নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ বিকেলে মগবাজার ওয়ারলেস গেট এলাকায় রাস্তা পার হওয়ার সময় একটি দ্রুতগামী মোটরসাইকেল ওই পথচারীকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি ছিটকে রাস্তায় পড়ে যান। ঠিক ওই সময়ই আজীমের গ্লোরী পরিবহনের একটি বাস তাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তিনি গুরুতর আহত হন। পরে আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে মালিবাগ সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

জানতে চাইলে হাতিরঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আল-আমিন বলেন, ‘নিহতের মরদেহ সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রাখা হয়েছে। আমরা তার স্বজনদের খবর দিয়েছি। স্বজনেরা এলে তার বিস্তারিত পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যাবে।’

এসআই আল-আমিন আরও জানান, এ ঘটনায় জাহিদ নামের ওই মোটরসাইকেল চালককে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে।

ধানমণ্ডিতে মিছিলের প্রস্তুতিকালে ছাত্রলীগের ৩ কর্মী গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক
ধানমণ্ডিতে মিছিলের প্রস্তুতিকালে ছাত্রলীগের ৩ কর্মী গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর ধানমণ্ডি ৩২ নম্বর সেতুর কাছে মিছিলের প্রস্তুতিকালে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের তিন কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার (৭ জুন) সকালে ধানমণ্ডি থানা-পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মো. মাইনুল হাসান (২৩), ইব্রাহিম খলিল (৩১) ও সোরহাব হোসেন (২৯)। পুলিশ জানিয়েছে, তারা ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী এবং ঢাকার বাইরে থেকে এখানে মিছিল করতে এসেছিলেন।

ধানমণ্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা ধানমণ্ডি এলাকায় মিছিল করার জন্য জড়ো হওয়ার চেষ্টা করছিলেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান করে তারা এখানে এসে জড়ো হন। পরে তাদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

রাজধানীতে পাগলকে মারধরের প্রতিবাদ করতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীতে পাগলকে মারধরের প্রতিবাদ করতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

রাজধানীর গেণ্ডারিয়ায় ভাসমান এক পাগলকে মারধরের প্রতিবাদ করতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে আব্দুল মান্নান (২৮) নামের যুবক নিহত হয়েছেন।

রবিবার (৭ জুন) দুপুর পৌনে ১টার দিকে গেণ্ডারিয়ার দয়াগঞ্জ নতুন রাস্তার ঢালে ঘটনাটি ঘটে। ছুরিকাঘাতে গুরতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসক বিকেল সোয়া ৩টায় তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মান্নান শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার সূর্যমনি বাজার গ্রামের মৃত আব্দুল হাইয়ের ছেলে। তিনি দয়াগঞ্জ এলাকায় থাকতেন।

গেণ্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান খান জানান, দয়াগঞ্জ নতুন রাস্তার ঢালে এক ভাসমান পাগলকে রাজন ওরফে বাঘা নামের এক যুবক মারধর করতে যায়। আব্দুল মান্নান বিষয়টি দেখে প্রতিবাদ করেন। এ নিয়ে তাদের দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। এ সময় রাজনের ভাই মহসিন এসে মান্নানকে ছুরি মারার ভয় দেখান।

ওসি আরো জানান, এক পর্যায়ে ছুরি দিয়ে মান্নানের বাঁ ঊরুতে আঘাত করে তারা পালিয়ে যান। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। ঘাতককে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

নিহতের ভগ্নিপতি আমির হোসেন জানান, মান্নান রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করতেন। দুপুরে ওই এলাকার রাজন ওরফে বাঘা ও তার ভাই মহসিন দয়াগঞ্জ নতুন রাস্তার ঢালে তাকে মারধর ও ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছেন।