• ই-পেপার

ময়মনসিংহ

ঘরে ঢুকে যুবককে জবাই করে হত্যার অভিযোগ

ব্যবসায়ীকে মারধর করে ৭০ লাখ টাকার চেক ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর, আটক ১

নিজস্ব প্রতি‌বেদক, ব‌রিশাল
ব্যবসায়ীকে মারধর করে ৭০ লাখ টাকার চেক ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর, আটক ১
ছবি: কালের কণ্ঠ

বরিশালে এক ব্যবসায়ীকে মারধর করে ৭০ লাখ টাকার চেক ও স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত মোস্তাফিজুর রহমান লিটুকে আটক করেছে পুলিশ। রবিবার (৫ জুলাই) দুপুরে নগরীর চকবাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম।

অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, ব্যবসায়িক বিরোধকে কেন্দ্র করে অগ্রণী (আবাসন) হাউজিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আব্দুল আজিজ হাওলাদারের সদর রোডের কার্যালয়ে শনিবার রাতে তাকে মারধর করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন (অণ্ডকোষ চেপে ধরে) করে ৭০ লাখ টাকার একটি চেক ও স্ট্যাম্পে জোর করে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। ঘটনার একটি ভিডিও শনিবার রাত থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

অভিযুক্ত মোস্তাফিজুর রহমান লিটু বরিশাল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি মাহবুবুর রহমান পিন্টুর ছোট ভাই। তবে তিনি যুবদলের সঙ্গে সম্পৃক্ত—এমন একটি দাবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রবিবার দুপুরে বরিশাল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন বরিশাল জেলা ও মহানগর যুবদলের নেতারা। সেখানে জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এএইচএম তছলিম বলেন, মোস্তাফিজুর রহমান লিটু যুবদলের কেউ নন। একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ঘটনাটি যুবদলের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এ কারণেই বিষয়টি সারা দেশে ভাইরাল হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, লিটু কখনোই যুবদলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না।

যুবদলের সংবাদ সম্মেলনের পরপরই অভিযান চালিয়ে মোস্তাফিজুর রহমান লিটুকে গ্রেপ্তার করে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ।

এ বিষয়ে কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম বলেন, রোববার দুপুরে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হামলার শিকার ওই ব্যবসায়ীর করা আগের একটি মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় নতুন করেও মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

মুহুরী নদীতে নিখোঁজ হওয়ার ১ দিন পর যুবকের মরদেহ উদ্ধার

ফেনী প্রতিনিধি
মুহুরী নদীতে নিখোঁজ হওয়ার ১ দিন পর যুবকের মরদেহ উদ্ধার
সংগৃহীত ছবি

ফেনীর পরশুরামে নানাবাড়িতে বেড়াতে এসে মুহুরী নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ যুবক মো. সাকিবের (২৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজের একদিন পর রবিবার (৫ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে ফুলগাজী উপজেলার মধ্যম শ্রী চন্দ্রপুর গ্রাম সংলগ্ন মুহুরী নদীর ভাটি অঞ্চল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহত কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার অলিপুর গ্রামের আলী মিয়ার ছেলে। তার পরিবার দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামে বসবাস করছে।

পারিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার (৪ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে পরশুরাম উপজেলার চিথলিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম অলকা জঙ্গলঘোনা গ্রামে নানি বেগম নেছার বাড়িতে বেড়াতে আসেন সাকিব। তিনি কিছুটা মানসিক ও শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন এবং সাঁতার জানতেন না। শনিবার দুপুর ১টার দিকে স্থানীয় বাসিন্দা মায়া আক্তারসহ দুই নারীর সঙ্গে বাড়ির পাশে মুহুরী নদীতে গোসল করতে নামেন তিনি। নদীতে নেমে ডুব দেওয়ার পর তিনি আর ওঠেননি। তার ডুবে যাওয়ার বিষয়টি দেখে সঙ্গে থাকা নারীরা আতঙ্কিত হয়ে গ্রামবাসীকে জানান।

ঘটনার পরপরই স্থানীয় লোকজন পরশুরাম মডেল থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। পরশুরাম ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিক উদ্ধারকাজ শুরু করে। তবে স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল না থাকায় প্রাথমিক তল্লাশিতে তার সন্ধান মেলেনি।

পরে চট্টগ্রাম থেকে ফায়ার সার্ভিসের বিশেষ ডুবুরি দলকে খবর দেওয়া হয়। শনিবার সন্ধ্যার পর চট্টগ্রামের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাত ৮টা পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চালালেও সাকিবের কোনো খোঁজ পায়নি। রাতে উদ্ধার কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়।

রবিবার (৫ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে দুর্ঘটনাস্থল থেকে নদীর ভাটির দিকে ফুলগাজী উপজেলার মধ্যম শ্রী চন্দ্রপুর এলাকায় একটি মরদেহ ভেসে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে জানানো হলে ফুলগাজী ও পরশুরাম থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুলিশ নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। খবর পেয়ে সাকিবের পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি শনাক্ত করেন।

ফেনীর ফুলগাজী থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমরা স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার করি। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

ভোলায় মায়ানমারে পাচারের সময় সার-সিমেন্ট বোঝাই ট্রলার জব্দ, আটক ১

ভোলা প্রতিনিধি
ভোলায় মায়ানমারে পাচারের সময় সার-সিমেন্ট বোঝাই ট্রলার জব্দ, আটক ১
সংগৃহীত ছবি

ভোলার মনপুরা উপজেলা থেকে মায়ানমারে পাচারের সময় সার ও সিমেন্টবোঝাই একটি মাছ ধরার ট্রলার জব্দ করা হয়েছে। এ সময় মো. জুয়েল (২২) নামের এক পাচারকারীকে আটক করা হয়েছে। আটক জুয়েল উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মো. জহিরের ছেলে।

রবিবার (৫ জুলাই) দুপুরে আটক জুয়েলসহ তিন জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ৮-১০ জনের নামে মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার বাকি দুই আসামি ট্রলার মালিক মো. ইদ্রিস মাঝি ও মো. রিয়াজ। এর আগে শনিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে কোস্ট গার্ড ও পুলিশের যৌথ অভিযানে মনপুরার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের লতাখালী ঘাট থেকে মালামালসহ জুয়েলকে আটক করা হয়। এ সময় ট্রলার মালিক ইদ্রিস ও রিয়াজ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান। 
 
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের লতাখালী ঘাটে সমুদ্রগামী ট্রলারে করে সার ও সিমেন্ট মায়ানমারে পাচার করার প্রস্তুতি নেয় একটি পাচারকারী চক্র। এ সংবাদ পেয়ে মনপুরা থানা পুলিশ ও কোস্ট গার্ডের সদস্যরা অভিযান চালিয়ে ট্রলারবোঝাই সিমেন্ট ও সারসহ মো. জুয়েল নামে এক পাচারকারীকে আটক করেন। এ সময় জব্দ ট্রলার থেকে ৪৫০ বস্তা সিমেন্ট, ৪০০ লিটার ডিজেল, ৪ বস্তা সার ও চাউল উদ্ধার করা হয়। পরে আটক পাচারকারীসহ ও পলাতকদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে আদালতে পাঠায় পুলিশ।

মনপুরা থানার ওসি মো. মাজাহারুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে জানান, পুলিশ ও কোস্টগার্ডের যৌথ অভিযানে মায়ানমারে পাচারের সময় সমুদ্রগামী মাছ ধরার ট্রলার বোঝাই সিমেন্ট ও সারসহ এক পাচারকারীকে আটক করা হয়ে। এ ঘটনায় তিন জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ৮-১০ জনের নামে থানায় মামলা হয়েছে। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান চলছে।

সাবেক চেয়ারম্যানসহ আ. লীগের ২ নেতা গ্রেপ্তার

রাঙামাটি সংবাদদাতা
সাবেক চেয়ারম্যানসহ আ. লীগের ২ নেতা গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যানসহ আওয়মী লীগের ২ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার দুপুরে শহরের কোর্টবিল্ডিং এলাকায় ডাক্তারের চেম্বার থেকে বের হওয়ার সময় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। 

গ্রেপ্তাররা হলেন জেলা পরিষেদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বাঘাইছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বৃষ কেতু চাকমা এবং  একই উপজেলার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. গিয়াস উদ্দিন।

কোতোয়ালি থানার ওসি মো. জসীম উদ্দিন জানান, রাঙামটি শহর থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের ডেভিল হান্টের আওতায় আসামি করা হবে।