• ই-পেপার

মেঘনা থেকে বালু উত্তোলনের প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ

ভূমি অফিসে দালালির অভিযোগে এনসিপি নেতার কারাদণ্ড

ফরিদপুর প্রতিনিধি
ভূমি অফিসে দালালির অভিযোগে এনসিপি নেতার কারাদণ্ড
এনসিপি নেতা মো. মিলন মোল্লা। ছবি : সংগৃহীত

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় ভূমি অফিসে দালালির অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এক নেতাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ছাড়া তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত ৩০ জুন আলফাডাঙ্গা উপজেলা ভূমি অফিসে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন আলফাডাঙ্গা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ কে এম রায়হানুর রহমান। 

দণ্ডপ্রাপ্ত নেতার নাম মো. মিলন মোল্লা (২৯) । তিনি এনসিপির আলফাডাঙ্গা উপজেলা আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব। 

আলফাডাঙ্গা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ কে এম রায়হানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আইন অনুযায়ী ওই ব্যক্তিকে সাজা দেওয়া হয়েছে। তবে এ ঘটনার পর থেকে বিভিন্ন মহল থেকে চাপ দেওয়া হচ্ছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, আলফাডাঙ্গা পৌরসভার কুসুমদী গ্রামের বাসিন্দা মিলন দীর্ঘদিন ধরে আলফাডাঙ্গা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের বাইরে একটি কম্পিউটারের দোকান পরিচালনা করে ভূমি অফিসের বিভিন্ন সেবা-নামজারি, খাজনা ও অন্যান্য কাজ করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ আদায় করতেন। এসব কাজে তিনি নিয়মিত উপজেলা ও পৌর ভূমি অফিসে যাতায়াত করতেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিকবার তাকে মৌখিকভাবে সতর্ক করা হলেও তিনি তা উপেক্ষা করে একই কার্যক্রম চালিয়ে যান। অভিযানের সময় মিলন অভিযোগ স্বীকার করেন। একই সঙ্গে তার প্রতিষ্ঠানে সেবামূল্যের তালিকা না থাকায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৩৯ ধারায় তাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, আদালতের কার্যক্রম চলাকালে আলফাডাঙ্গা উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক আব্দুল জলিল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে ফোন করে বলেন, ‘মিলন আমাদের দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক। তাকে একবার শুধরে নেওয়ার সুযোগ দিন।’ কিন্তু নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আইনের বাধ্যবাধকতার কথা জানিয়ে এতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এরপর আব্দুল জলিলকে বলতে শোনা যায়, ‘ঠিক আছে, এমপি স্যারকে বলি।’ এ মন্তব্যের পর ঘটনাস্থলে উপস্থিত ব্যক্তিদের মধ্যে নানা আলোচনা শুরু হয়।

আলফাডাঙ্গা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ কে এম রায়হানুর রহমান বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন। তার বিরুদ্ধে ভূমি অফিসে নিয়মিত দালালির কার্যক্রমের একাধিক তথ্য ও ভিডিও ফুটেজ রয়েছে। তাকে অনেকবার সতর্ক করেও তিনি তা কর্ণপাত করেননি। এ ছাড়া তার প্রতিষ্ঠানে সেবামূল্যের তালিকাও ছিল না। ভোক্তা অধিকার আইন অনুযায়ী তাকে সাজা দেওয়া হয়েছে। 

আপনাকে রাজনৈতিক কোনো দলের নেতা ফোন করেছিলেন কি না জানতে চাইলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, এনসিপির আলফাডাঙ্গা উপজেলা আহ্বায়ক আব্দুল জলিল নামের এক ব্যক্তি অভিযুক্তের ব্যাপারে ফোন দিয়েছিলেন। বিচারিক কার্যক্রমে কোনো সুপারিশ বা তদবিরের সুযোগ নেই।

তবে উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক আব্দুল জলিল বলেন, আমি ঢাকায় থাকি। মিলন নামে এনসিপির কোনো সদস্য আমার কমিটিতে আছে কি না, সেটাও আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে আপনাকে জানাব। তবে এসিল্যান্ডকে আমি ফোন করিনি।

ফরিদপুর জেলা এনসিপির আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান অপু ঠাকুর বলেন, কোনো অপরাধীর পক্ষে সুপারিশ করা দলের নীতিমালার পরিপন্থী। এমন ঘটনা ঘটে থাকলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে বহিষ্কারও করা হবে।


 

গত ১৭ বছরে ফ্যাসিবাদী সরকার দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে : নিপুণ রায়

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা)  প্রতিনিধি
গত ১৭ বছরে ফ্যাসিবাদী সরকার দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে : নিপুণ রায়
কেরানীগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছেন সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী।

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ও ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী বলেছেন, গত ১৭ বছরে ফ্যাসিবাদী সরকার দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করে জাতিকে মেধাশূন্য করার অপচেষ্টা চালিয়েছিল। শিক্ষার্থীদের অটো পাসের সুযোগ দিয়ে শিক্ষার মান ও প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতাকে দুর্বল করা হয়েছে।

আজ বুধবার (১ জুলাই) কামুচান শাহ স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে কেরানীগঞ্জ উপজেলা দক্ষিণ শাখার উদ্যোগে ঢাকা-৩ আসানের অন্তর্ভুক্ত পাঁচটি ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে এক হাজারটি করে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের প্রতিপাদ্য ছিল—‘একটি শিশু একটি গাছ, আগামী দিনের ভবিষ্যৎ’।

নিপুণ রায় চৌধুরী বলেন, ‘এবারের বাজেটে  বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেছে এবং বাজেটে শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ নিশ্চিত করেছে।’

তিনি জানান, মেয়েদের জন্য স্নাতক পর্যন্ত বিনা বেতনে পড়াশোনার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে শিক্ষা কারিকুলামে ইংরেজির পাশাপাশি আরো একটি বিদেশি ভাষা অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে দেশের শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক কর্মক্ষেত্রে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করতে পারে।

জিডিপির ২ শতাংশ শিক্ষা খাতে বরাদ্দের বিষয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত মাল্টিমিডিয়া শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তথ্য-প্রযুক্তির যুগে নিজেদের আরো দক্ষ ও যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে পারবে।’

মাদকবিরোধী অবস্থান তুলে ধরে নিপুন রায় চৌধুরী বলেন, ‘সমাজ থেকে মাদক নির্মূল করতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় এ সমস্যা দূর করা সম্ভব হবে না। তাই আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।’

বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘গাছ শুধু পরিবেশকে সবুজ করে না, এটি বিশুদ্ধ বাতাস, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং আগামী প্রজন্মের নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করে।’ তিনি বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তাপমাত্রা বৃদ্ধি, বায়ুদূষণ ও পরিবেশগত ঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি প্রতিটি নাগরিককে বৃক্ষরোপণকে সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। শুধু গাছ লাগালেই দায়িত্ব শেষ হয় না, রোপণ করা প্রতিটি গাছের পরিচর্যাও নিশ্চিত করতে হবে।’ এ সময় তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি -বেসরকারি অফিস, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, আবাসিক এলাকা এবং খালি জায়গাগুলোতে পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণের আহ্বান জানান এবং পরিবেশ সংরক্ষণে সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠান শেষে অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী কামুচান শাহ স্কুল  অ্যান্ড কলেজ এ নবনির্মিত আইসিটি ক্লাসের উদ্বোধন করেন। এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

আদালত অবমাননা করায় চিকিৎসকের ৬ মাসের কারাদণ্ড

জামালপুর প্রতিনিধি
আদালত অবমাননা করায় চিকিৎসকের ৬ মাসের কারাদণ্ড
প্রতীকী ছবি

জামালপুরে আদালত অবমাননা করায় সানজিদা ইসলাম নামের এক নারী চিকিৎসককে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুানাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই আদেশ দেন।

ডা. সানজিদা ইসলাম জামালপুর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের সহকারী সার্জন (গাইনি) হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, একটি সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় ভুক্তভোগীর মেডিক্যাল পরীক্ষা করে আদালতে প্রতিবেদন দেন চিকিৎসক সানজিদা ইসলাম। পরে আদালত তাকে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য‌ হাসপাতালের সহকারী পরিচালকের মাধ্যমে ও ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপে আদেশ পাঠান এবং মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করেন। এরপরও তিনি নির্ধারিত দিনে আদালতে হাজির হননি। পরে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও ১ জুলাই পুনর্নির্ধারিত তারিখেও কোনো কারণ না দেখিয়ে অনুপস্থিত থাকেন। এতে আদালত তাকে ২৫০ টাকা জরিমানা করেন এবং তাৎক্ষণিক পরিশোধের আদেশ দেন। এতে জরিমানা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত।

জামালপুর আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আইনজীবী ফজলুল হক জানান, সাক্ষ্য দিতে আদালতে হাজির না হওয়ায় চিকিৎসককে ২৫০ টাকা অর্থদণ্ড দেন আদালত। তবে নির্ধারিত অর্থদণ্ড পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় তাকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

সাভার ল্যান্ডফিলে ২০২৮ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হবে : স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি
সাভার ল্যান্ডফিলে ২০২৮ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হবে : স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী
সাভারের আমিনবাজার ল্যান্ডফিলে পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, সাভারের আমিনবাজার ল্যান্ডফিলের বর্জ্য থেকে আগামী ২০২৮ সালের নভেম্বর থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হবে। আজ বুধবার বিকেলে প্রকল্পটির বাস্তবায়নকারী চীনা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ল্যান্ডফিল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান। এ সময় তাদের সঙ্গে আমিনবাজার ল্যান্ডফিলের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পের প্রস্তুতি পরিদর্শনে যান সরকারের একাধিক নীতিনির্ধারক।

পরিদর্শন শেষে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, প্রকল্পটির জন্য ইতিমধ্যে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র পাওয়া গেছে। আগামী ২০২৮ সালের নভেম্বর থেকে এখানে পুরোদমে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি এ সময় আরো বলেন, ‘যেহেতু প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান ৩ বছর সময় লস করেছে এই কারণে এই সময়টা আমরা তাদেরকে দিয়েছি। এখানে আমাদের সরকারের সুবিধাটা হচ্ছে পুরো বিনিয়োগটাই তারা করছে। এখানে আমাদের কোনো বিনিয়োগ নেই।’

ল্যান্ডফিল পরিদর্শনের সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বন পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

প্রসঙ্গত, সাভারের আমিনবাজার ল্যান্ডফিলের বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ সরকার, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এবং চীনের প্রতিষ্ঠান চায়না মেশিনারি ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন (সিএমইসি)। ৪২৫ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন এই ‘ওয়েস্ট টু এনার্জি’ বা বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বাস্তবায়নের চুক্তি অনুযায়ী চীনের কম্পানি সিএমইসি প্ল্যান্টটি নির্মাণ ও পরিচালনা করছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য জায়গা ও প্রতিদিনের ময়লা সরবরাহ করছে। উৎপাদিত সম্পূর্ণ বিদ্যুৎ কিনে নেবে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)।