• ই-পেপার

দামুড়হুদার বিষ্ণুপুর ব্রিজের প্রবেশমুখে সড়ক ধস, ভেঙে পড়ার শঙ্কা

পীরগাছায় অর্থ আত্মসাতের মামলায় গ্রেপ্তার সিএইচসিপি রাজিয়া

পীরগাছা (রংপুর) প্রতিনিধি
পীরগাছায় অর্থ আত্মসাতের মামলায় গ্রেপ্তার সিএইচসিপি রাজিয়া
সংগৃহীত ছবি

রংপুরের পীরগাছার দাদন কমিউনিটি ক্লিনিকের কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) রাজিয়া সুলতানাকে অর্থ আত্মসাতের মামলায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

আজ রবিবার বিকেলে আদালতের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার গ্রেপ্তারের পর দীর্ঘদিন ধরে ওঠা অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দাদন কমিউনিটি ক্লিনিকে দায়িত্ব পালনকালে রাজিয়া সুলতানা সরকারি ওষুধ বিতরণে অনিয়ম, রোগীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, দায়িত্বে অবহেলা, বিভিন্ন সেবার নামে অর্থ আদায় এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা বণ্টনে অনিয়ম করে আসছিলেন। এসব অভিযোগ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত আবেদনও করা হয়েছে।

সম্প্রতি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কাছে দেওয়া এক লিখিত অভিযোগে তার বিরুদ্ধে সরকারি ওষুধ আত্মসাৎ, রোগীদের কাছ থেকে অবৈধভাবে অর্থ গ্রহণ, গর্ভবতী নারীদের সঙ্গে অসদাচরণ, ভাতার নামে অর্থ আদায়, নিয়মিত দায়িত্ব পালন না করা এবং দীর্ঘ সময় কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ রাখার অভিযোগ আনা হয়।

এদিকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে রাজিয়া সুলতানার দায়ের করা একটি মামলায় গ্রামের ২৬ জনকে আসামি করা হয়। মামলার এক নম্বর আসামি সুজন খান অভিযোগ করে বলেন, 'দাদন কমিউনিটি ক্লিনিকে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদ করায় আমিসহ নিরীহ গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা দেওয়া হয়েছে। আমরা তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলেছিলাম। এর জের ধরেই আমাদের আসামি করা হয়েছে।'

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ ওঠার পরও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তারা রাজিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষ প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম মুহিব্বুল ইসলাম বলেন, 'তার বিরুদ্ধে আদালতের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

নেত্রকোণায় বজ্রাঘাতে নিহত ১

অনলাইন ডেস্ক
নেত্রকোণায় বজ্রাঘাতে নিহত ১
সংগৃহীত ছবি

নেত্রকোণার বারহাট্টায় বজ্রাঘাতে জাহাঙ্গীর আলম (৩৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। রবিবার (২১ জুন) বিকেলে উপজেলার বারহাট্টা ইউনিয়নে মাঠ থেকে গরু আনতে গিয়ে নিহত হন তিনি। 

নিহত জাহাঙ্গীর আলম জেলার উপজেলার বারহাট্টা উপজেলার সদর ইউনিয়নের বড়গাঁও গ্রামের মৃত আব্দুর রাশিদের ছেলে। 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার বিকেলে বৃষ্টির সময় বাড়ির পেছনের মাঠে থাকা গরু আনতে যান জাহাঙ্গীর আলম। এ সময় আকস্মিক বজ্রাঘাতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। পরে গুরুতর অবস্থায় জাহাঙ্গীর আলমকে উদ্ধার করে বারহাট্টা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বারহাট্টা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিনা আক্তার জানান, খবর পাওয়ার পর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থলে লোক পাঠানো হয়েছে। নিহতের পরিবারকে সরকারি বিধি মোতাবেক আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা চম্পক দাস জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

লক্ষ্মীপুরে সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি
লক্ষ্মীপুরে সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার
আওয়ামী লীগ নেতা ইউছুফ হোসেন। সংগৃহীত ছবি

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় ইউছুফ হোসেন নামের আওয়ামী লীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার (২১ জুন) সন্ধ্যায় পৌর শহরের মরগ বাজার এলাকার একটি কাঁচামালের আড়ৎ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ইউছুফ হোসেন রায়পুর পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর এবং পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।

রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘ইউছুফ হোসেনকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে সোমবার লক্ষ্মীপুর আদালতে সোপর্দ করা হবে।’

অজু করার সময় বজ্রাঘাতে প্রাণ গেল ৩ মাদরাসাছাত্রের

মনোহরদী (নরসিংদী) প্রতিনিধি
অজু করার সময় বজ্রাঘাতে প্রাণ গেল ৩ মাদরাসাছাত্রের
প্রতীকী ছবি

নরসিংদীর মনোহরদীতে অজু করার সময় বজ্রাঘাতে তিন মাদরাসাছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছে আরো এক ছাত্র।

রবিবার (২১ জুন) সন্ধায় গোতাশিয়া ইউনিয়নের পাঁচকান্দী দক্ষিণপাড়া মদিনাতুল উলূম মাদরাসা ও এতিমখানায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলো- কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার চরপাড়া এলাকার বাদল মিয়ার ছেলে জহিরুল ইসলাম (১৫), দেলোয়ার হোসেনের ছেলে আবু রায়হান (১৪) এবং ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলার কালিবাজার এলাকার আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে আবু জাফর (১২)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্ধায় বৃষ্টির মধ্যে মাগরিবের নামাজের জন্য অজু করতে বের হয় মাদরাসার ছাত্ররা। হঠাৎ অজুখানার ওপর বজ্রপাত হলে ৪ জন ছাত্র মারাত্মকভাবে আহত হয়। পরে মাদরাসার শিক্ষকরা তাদের উদ্ধার করে শিবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ৩ জনকে মৃত বলে জানান।

মাদরাসার প্রধান শিক্ষক মাওলানা খোরশেদ আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা বলেন, বজ্রাঘাতে তিন মাদরাসাছাত্রের মৃত্যুর বিষয়টি শুনেছি। তবে এখনো বিস্তারিত জানতে পারিনি।

শিবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোসতানশির বিল্লাহ বলেন, বজ্রাঘাতে আহত ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত একজন ছাত্রের চিকিৎসা চলছে।