• ই-পেপার

সুনামগঞ্জে

হাসপাতালে যাওয়ার পথে অটোরিকশা উল্টে প্রাণ গেল বৃদ্ধের

সাভারে বিশেষ অভিযানে ১১ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি
সাভারে বিশেষ অভিযানে ১১ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর সাভারে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১১ জন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। এ সময় তাদের কাছ থেকে ইয়াবা, গাঁজা, হেরোইন এবং মাদক বিক্রির নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার (৮ জুন) দুপুরে থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) থেকে পৃথক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন— আশুলিয়ার কুমকুমারী এলাকার মো. রাসেল (৩৯), কাইচাবাড়ী এলাকার মো. সজিব হোসেন (৩০), মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার শ্রাবনী আক্তার ওরফে আলিফা (২২), চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার মো. জাহিদ হাসান ওরফে শুভ (২৯), জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার মো. ওয়াজেদ শেখ (২৮), ধামরাইয়ের সুয়াপুর গ্রামের মো. ইব্রাহিম (৫০), নান্না গ্রামের মো. হুকুম আলী (৫০), উত্তর হাত কোড়া গ্রামের মো. জহিরুল ইসলাম (৪০), জালসা গ্রামের মো. জাহিদুল ইসলাম শিবলু (৩৬), সাভারের বাগ্নিবাড়ি গ্রামের পাখি বেগম (৪২) এবং আকরান গ্রামের মো. আরিফ মিয়া (২৫)।

পুলিশ জানায়, ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভিনের নির্দেশনায় জেলা ডিবির (উত্তর) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইদুল ইসলামের নেতৃত্বে মাদকের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় সাভার, আশুলিয়া ও ধামরাই থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১১ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা পেশাদার মাদক কারবারি এবং দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদকের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল।

এ বিষয়ে সাইদুল ইসলাম বলেন, ‘গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চলমান থাকবে।’

ধামরাই

যাত্রীছাউনি এখন পলাতক চেয়ারম্যানের বৈঠকখানা

ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি
যাত্রীছাউনি এখন পলাতক চেয়ারম্যানের বৈঠকখানা
ঢাকার ধামরাইয়ের সোমভাগ ইউনিয়নের গোয়ালদী গ্রামে ধামরাই বাজার-কালামপুর বাজার সড়কে নির্মাণ করা যাত্রীছাউনি যা এখন ব্যবহার করা হচ্ছে স্থানীয় চেয়ারম্যানের বৈঠকখানা হিসেবে। ছবি ; কালের কণ্ঠ

সড়কটিতে তিন চাকার অটোরিকশার দাপট। চলে না যাত্রীবাহী বাস। অথচ নির্মাণ করা হয় যাত্রীছাউনি। সরকারের দুই লাখ টাকা খরচ করে নির্মাণ করা অপরিকল্পিত যাত্রীছাউনিটি এখন ব্যবহার করা হচ্ছে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের বৈঠকখানা হিসেবে। 

ঘটনাটি ঢাকার ধামরাইয়ের সোমভাগ ইউনিয়নের গোয়ালদী গ্রামের। আট মাস আগে ওই গ্রামের ধামরাই বাজার-কালামপুর বাজার সড়কে যাত্রীছাউনি নির্মাণ করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। 

স্থানীয়দের অভিযোগ, সোমভাগ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আওলাদ হোসেন প্রভাব খাটিয়ে প্রশাসনকে দিয়ে তার বাড়ির সামনে যাত্রীছাউনি নির্মাণের ব্যবস্থা করেন। অথচ সড়কটিতে কোনো যাত্রীবাহী যান চলে না। তা ছাড়া স্থানটি কোনো সড়কের মোড়ও নয়। ফলে যাত্রীছাউনিটি যাত্রীদের কোনো কাজেই আসছে না। 

স্থানীয়রা জানায়, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আওলাদ হোসেন যাত্রীছাউনিটি নিজের বৈঠকখানা হিসেবে ব্যবহার করছেন। প্রশাসনের  তদারকির অভাবে এমনটি হয়েছে বলে অভিযোগ তাদের। 

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, সাবেক চেয়ারম্যান আওলাদ হোসেনের বাড়ির সামনে পুকুর। সেই পুকুরের কোনায় পাশ দিয়ে যাওয়া সড়কের পাশে নির্মাণ করা হয়েছে যাত্রীছাউনি। সামনে ‘যাত্রীছাউনি’ লেখা কোনো সাইন বোর্ড নেই। তা ছাড়া ছাউনিটি সড়কের দিকসহ তিন পাশ পাকা ইটের গাঁথুনিতে বন্ধ। খোলা রাখা হয়েছে বাড়ির পাশ। ফলে যাত্রীছাউনিটি সড়কের পাশে হলেও তা যাত্রীদের কোনো কাজেই আসছে না। অথচ এর প্রায় ১০০ গজ দূরে অবস্থিত তিন রাস্তার মোড়ে প্রায়ই ভিড় থাকে যাত্রীদের। 

এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আওলাদ হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়। ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর হত্যা মামলার আসামি হওয়ায় তিনি পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে। এ কারণে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আল মামুন বলেন, ‘বিষয়টি জেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

চকরিয়ায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশু নিহত, আহত অন্তত ৩০

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
চকরিয়ায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশু নিহত, আহত অন্তত ৩০
ছবি: কালের কণ্ঠ

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়ায় যাত্রীবাহী দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে বাস দুটি দুমড়ে-মুচড়ে গিয়ে ঘটনাস্থলেই এক শিশু নিহত হয়েছে। আহত হয়েছেন দুই বাসের অন্তত ৩০ জন যাত্রী।

তন্মধ্যে এক নারীসহ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এদিকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের মধ্যে সংঘটিত এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার পর মহাসড়কের দুই পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে ব্যাপক দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়।

আজ সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে মহাসড়কের চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের মেদাকচ্ছপিয়া জাতীয় উদ্যান এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

তবে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের নাম-পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। চিরিঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যায়।

আরো পড়ুন

ঠাকুরগাঁও সীমান্তের শূন্যরেখায় থাকা ১১ জনকে সরিয়ে নিল বিএসএফ

ঠাকুরগাঁও সীমান্তের শূন্যরেখায় থাকা ১১ জনকে সরিয়ে নিল বিএসএফ

 

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে কক্সবাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসা একটি এসি বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা আরেকটি যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় বাসই দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই এক শিশু নিহত হয়। আহত হন অন্তত ৩০ জন যাত্রী। এ সময় মহাসড়কের উভয় পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে।

খবর পেয়ে হাইওয়ে থানা পুলিশ দুর্ঘটনাকবলিত বাস দুটি মহাসড়ক থেকে সরিয়ে নিলে প্রায় দুই ঘণ্টা পর যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

এ ব্যাপারে মহাসড়কের চকরিয়ার ডুলাহাজারাস্থ মালুমঘাট হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুব আলম বলেন, দুটি যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়েছে। এতে এক শিশু নিহত হয়েছে। বাস দুটি সরিয়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে। ঘটনার পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

ঠাকুরগাঁও সীমান্তের শূন্যরেখায় থাকা ১১ জনকে সরিয়ে নিল বিএসএফ

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
ঠাকুরগাঁও সীমান্তের শূন্যরেখায় থাকা ১১ জনকে সরিয়ে নিল বিএসএফ
ছবি : কালের কণ্ঠ

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার মশালগাঁও সীমান্তের শূন্যরেখায় প্রায় ৪৮ ঘণ্টা অবস্থানের পর অন্তঃসত্ত্বা নারী ও শিশুসহ ১১ জনকে ভারতের অভ্যন্তরে সরিয়ে নিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

সোমবার (৮ জুন) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসান।

বিজিবি সূত্র জানায়, সোমবার ভোররাত আনুমানিক ৩টার পর বিএসএফ শূন্যরেখায় অবস্থানরত তিনজন পুরুষ, চারজন নারী এবং চারজন শিশুসহ মোট ১১ জনকে ভারতের অভ্যন্তরে নিয়ে যায়। এর ফলে বর্তমানে তারা আর সীমান্তের শূন্যরেখা এলাকায় অবস্থান করছেন না।

এর আগে গত শুক্রবার (৬ জুন) ভোর সাড়ে ৩টার দিকে বিএসএফের পুশ ইনের চেষ্টার পর ওই ১১ জন মশালগাঁও সীমান্তের শূন্যরেখায় আটকা পড়েন। তাদের মধ্যে একজন অন্তঃসত্ত্বা নারী ও কয়েকজন শিশু থাকায় বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। কয়েকদিন ধরে তারা সীমান্ত এলাকায় মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসান বলেন, ‘সীমান্তে যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবেলায় টহল ও নজরদারি কার্যক্রম আরো জোরদার করা হয়েছে। সীমান্ত এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পুশ ইনের চেষ্টা করা ১১ জনকে বিএসএফ সরিয়ে নিয়েছে।’