• ই-পেপার

টেকনাফে মালয়েশিয়াগামী নৌকা থেকে ৫০ জন উদ্ধার, আটক ৯

বাঞ্ছারামপুর

দখল দূষণ আবর্জনায় নাকাল ঢোলভাঙ্গা নদী

ফয়সল আহমেদ খান, বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)
দখল দূষণ আবর্জনায় নাকাল ঢোলভাঙ্গা নদী
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর পৌর এলাকায় উপজেলা প্রশাসনের পাশে ঢোলভাঙ্গা নদীতে। সম্প্রতি তোলা। -কালের কণ্ঠ

মেঘনার শাখা নদী তিতাস অববাহিকায় ঢোলভাঙ্গা নদী ছিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরের প্রাণ। সামাজিক সম্পর্ক, কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি, এমনকি শিল্পকারখানা বা পরিবহনের জন্যও এ নদীর গুরুত্ব ছিল অপরিহার্য। তবে নদীটি হারিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, দখল, দূষণ আর আবর্জনায় একসময়ের খরস্রোতা নদী  ঢোলভাঙ্গা এখন সরু বদ্ধ নালায় পরিণত হয়েছে। শুকনো মৌসুমে এ নদীর অধিকাংশ স্থানে কোনোরকমে নৌকা চলাচলের মতোও পানি থাকে না। কোথাও কোথাও একেবারেই শুকিয়ে যায়। ফলে একসময় এ নদী ব্যবসায়ীদের পণ্য পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হিসেবে ব্যবহার করা হলেও এখন তা একেবারেই বন্ধ। 

স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলা ও পৌর এলাকার প্রধান বাজারের সব বর্জ্য ফেলা হচ্ছে ঢোলভাঙ্গা নদীতে। এতে দুর্গন্ধে নাকে রুমাল চেপে নদী এলাকা পার হতে হয়। এ ছাড়া উপজেলা পরিষদ, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন হাট-বাজারের নোংরা ও দূষিত পানি নদীতে পড়ছে। তারা জানান, পৌর এলাকার প্রতাবগঞ্জ বাজারের মাংসপট্টি এবং মুরগি ও শাক-সবজির দোকান রয়েছে, যার বর্জ্য ফেলা হয় নদীতে।

পরিবেশ নিয়ে কাজ করা বেসরকারি সংস্থা তরী বাংলাদেশ-এর মূখ্য সমন্বয়ক শামীম আহমেদের ভাষ্য, ‘ঢোলভাঙ্গা নদীটি বাঁচাতে হলে আগে দূষণ, দখল ও  আবর্জনা বন্ধ করতে হবে। এরপর ড্রেজিং করতে হবে। নইলে একদিন এই নদীর জন্য মানুষ আপসোস করবে।’

পৌর শহরের চক বাজারের প্রবীণ ব্যবসায়ী মুরতুজ মিয়া বলেন, ‘আগে বাজারের ব্যবসায়ীরা নৌপথে নারায়ণগঞ্জ-নরসিংদী থেকে চাল, ডাল-আটা ময়দা, তেল-লবণ আনতেন। নদীর গতিপথ বন্ধ হওয়ায় সড়কপথে পণ্য পরিবহন করতে হচ্ছে। এতে বাড়তি খরচ হচ্ছে, যার চাপ পড়ছে সাধারণ মানুষের ওপর। 

সম্প্রতি সরেজমিনে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ঢোলভাঙ্গা নদীতে গিয়ে দেখা যায়, নদীর তীর দখল করে নির্মাণ করা হয়েছে মার্কেট ও বাড়ি। এ ছাড়া নদীর কাছাকাছি গড়ে ওঠা সব বাজার ও ভবনের বর্জ্য ফেলা হচ্ছে নদীতে। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ ওয়ালীউল্লাহ বলেন, ‘ঢোলভাঙ্গা নদী আগে খনন করা জরুরি। নদীর অনেক জায়গায় প্রায় ভরাট হয়ে গেছে। নদীটি খননের জন্য আমরা লিখিত আবেদন জমা দেব।’

এ ব্যাপারে বাঞ্ছারামপুরের বাসিন্দা ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব প্রকৌশলী  আল আমীন বলেন, ‘সম্প্রতি  তিতাস নদী ড্রেজিং করার সময় ঢোলভাঙ্গা নদী খনন করা যায় কিনা- সেই  চেষ্টা‌ করা হয়েছিল।‌ দুর্ভাগ্যের বিষয়, ততদিনে তিতাস নদী খননের সংশোধিত ডিপিপি অনুমোদিত হয়ে যায়। ফলে তিতাস নদী খননের  কাজটির সঙ্গে ঢোলভাঙ্গা নদী খননের কাজটি আর এগিয়ে নিতে পারিনি।‌ 

বিআইডাব্লিউটিএ-এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আব্দুর রহমান বলেন, স্থানীয় এলাকাবাসী ও ইউএনও নদীখননের চাহিদাপত্র দিলে বিষয়টি নিয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তারিকুল ইসলাম বলেন, ‘ঢোলভাঙ্গা নদীর ড্রেজিংয়ের বিষয়ে ইতোমধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডের  সঙ্গে কথা বলেছি। জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নদী খননের তালিকায় এ নদীর নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এবং খননের সুপারিশ পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে  সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে। এ ছাড়া দখল ও দূষণ প্রতিরোধে অভিযান চলমান থাকবে।’

গোপালগঞ্জে ট্রেনের ধাক্কায় শিশু নিহত

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
গোপালগঞ্জে ট্রেনের ধাক্কায় শিশু নিহত
প্রতীকী ছবি

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে ট্রেনের ধাক্কায় ছাবিহা খানম নামে ৫ বছর বয়সের এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার (৬ জুন) সকালে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার ব্যাসপুর দক্ষিণপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। 

নিহত ছাবিহা উপজেলার মহেশপুর ইউনিয়নের ব্যাসপুর দক্ষিণপাড়া গ্রামের শিপন ফকিরের মেয়ে।

আরো পড়ুন
‘কাট’ বলার পরও থামেননি সহ-অভিনেতা, হেনস্তার অভিযোগ অভিনেত্রীর

‘কাট’ বলার পরও থামেননি সহ-অভিনেতা, হেনস্তার অভিযোগ অভিনেত্রীর

 

স্থানীয়রা জানায়, সাবিহা খেলতে খেলতে রেললাইনের পাশে গেলে গোপালগঞ্জ থেকে ছেড়ে যাওয়া রাজশাহীগামী টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই সে নিহত হয়।

কাশিয়ানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহফুজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

কেন্দুয়ায় চর্চা সাহিত্য আড্ডার ১০ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
কেন্দুয়ায় চর্চা সাহিত্য আড্ডার ১০ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

‘সাহিত্য হোক মননের মুক্তি, চর্চায় হোক সুজনের বিকাশ’— এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় উদযাপিত হয়েছে চর্চা সাহিত্য আড্ডার ১০ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে আলোকিত সমাজ বিনির্মাণের প্রত্যয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে অংশ নেন সংগঠনের সদস্য, সাহিত্যপ্রেমী, কবি-লেখক ও সংস্কৃতিকর্মীরা।

শুক্রবার (৫ জুন) সন্ধ্যার পর চর্চা সাহিত্য আড্ডার উদ্যোগে কেন্দুয়া রিপোর্টার্স ক্লাব কার্যালয়ে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কেক কাটা, কবিকণ্ঠে স্বরচিত কবিতা পাঠ, আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আয়োজনটি সাজানো হয়।

চর্চা সাহিত্য আড্ডার উপদেষ্টা মির্জা রফিকুল ইসলাম ভান্ডারির সভাপতিত্বে সমন্বয়ক রহমান জীবনের সঞ্চালনায় মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন– কেন্দুয়া পৌর বিএনপির সভাপতি খোকন আহমেদ ডিলার।

এ সময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আলোচনায় অংশ নেন– উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা মো. নুরুল হক ভূইয়া, বিশিষ্ট সংস্কৃতিজন জহিরুল আলম ভূঁইয়া স্বপন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মজনুর রহমান খন্দকার, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন আহমেদ খোকন, উপজেলা জামায়াতের আমির সাদেকুর রহমান, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন খান, কেন্দুয়া রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. লাইমুন হোসেন ভূঁইয়া, উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি মো. খায়রুল ইসলাম, উপজেলা নাগরিক পার্টির সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান কাদেরী প্রমুখ।

মুখ্য আলোচক তার বক্তব্যে সমাজ বিনির্মাণে সৌন্দর্য ও জ্ঞানের চর্চাকে গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, বৈষম্যহীন মানবতাবোধ সম্পন্ন সমাজ বিনির্মাণে সৃজনশীল সাহিত্য চর্চা ও সংস্কৃতির বিকল্প নেই। মানুষের সৃষ্টিশীলতার বিকাশ সাধনের মাধ্যমে জনসাধারণের মধ্যে দেশপ্রেমের বিস্তার ঘটাতে পারলেই আলোকিত সুন্দর সমাজ বিনির্মাণ সহজ হবে।

উপস্থিত অতিথিরা তাদের বক্তব্যে চর্চা সাহিত্য আড্ডা সংগঠনের কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন। মননশীল ও শুদ্ধ সমাজ বিনির্মাণে চর্চা সাহিত্য আড্ডার এই পথচলা আরো গতিশীল হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করে।

এ সময় কেন্দুয়া রিপোর্টার্সের সাবেক সভাপতি কবি সাংবাদিক আবুল কাশেম আকন্দ, মামুনুর রশীদ মামুন, আনোয়ার উদ্দিন হীরন, মনিরুজ্জামান রাফি, সাংবাদিক সালাহ উদ্দিন, শিক্ষক কবি মাহবুবা খান দ্বীপান্বতা, কেন্দুয়া উপজেলা বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা চর্চা সাহিত্য আড্ডার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

শেষে এক মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান করেন বাউল মুকুল সরকার, আনিছুল ইসলাম সাগর, বাউল আলেয়া সরকার, বাউল কবি নূর মিয়া, সংগীত শিল্পী আকাশ পন্ডিত, বাউল শিল্পী হৃদয় হাসান প্রমুখ। 

বেনাপোলে ব্যবসায়ীর বাড়ি লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি দুর্বৃত্তদের

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি
বেনাপোলে ব্যবসায়ীর বাড়ি লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি দুর্বৃত্তদের
সংগৃহীত ছবি

যশোরের বেনাপোলে লেনদেন-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ব্যবসায়ী সোহাগ হোসেনের (৩৬) বাড়ি লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুঁড়েছেন দুর্বৃত্তরা। ঘটনার ওই ব্যবসায়ীর  বাড়ির দরজা এবং জানালায় একাধিক গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করেছে। 

শুক্রবার রাত ১০টার দিকে শার্শা উপজেলার বেনাপোল পৌরসভার বড়আচড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সংঘটিত এ ঘটনায় অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান সোহাগ হোসেন (৩৬) নামে ওই ব্যবসায়ী।

সোহাগ হোসেন বড়আচড়া গ্রামের মৃত হায়দার আলীর ছেলে। তিনি বর্তমানে নিজ বাড়িতে না থেকে একই গ্রামের চেকপোস্ট এলাকার মশিয়ারের বাড়ির নিচতলায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন। 

স্থানীয় ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, সোহাগ শুক্রবার রাত ১০টার দিকে অফিস থেকে বাসায় ফেরেন। এ সময় ১০-১২ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল তার বাসার সামনে এসে অবস্থান নেয়। প্রথমে তারা উচ্চস্বরে গালিগালাজ ও হুমকি দেন। পরে একপর্যায়ে দুর্বৃত্তরা ঘরের জানালা ও দরজা লক্ষ্য করে পরপর কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তারা ঘরের জানালার কাচ ভাঙা, দরজায় গুলির চিহ্ন এবং আশপাশে পড়ে থাকা গুলির খোসা দেখতে পান। খবর পেয়ে  বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের একটি দল রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে গুলির খোসাসহ আলামত সংগ্রহ করেছে। পাশাপাশি আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, গুলির শব্দে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই প্রথমে শব্দটিকে ককটেল বিস্ফোরণ মনে করলেও পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে গুলির চিহ্ন দেখতে পান। হামলাকারীরা কয়েক মিনিটের মধ্যেই ঘটনাস্থল ত্যাগ করে পালিয়ে যান।

সোহাগ হোসেন জানান, তিনি ঘরের ভেতরে অবস্থান করছিলেন। হামলাকারীরা বাইরে থেকে তাকে ডাকাডাকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করতে থাকে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা গুলি চালায়। একটি গুলি জানালার কাচ ভেঙে ঘরের ভেতরে ঢুকে দেয়ালে আঘাত করে এবং পরে দরজার অংশ ভেদ করে বাইরে চলে যায়। আরও কয়েকটি গুলি জানালা ও ঘরের বিভিন্ন অংশে আঘাত করে।

তিনি বলেন, আমি যদি ওই সময় জানালার পাশে বা দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকতাম তাহলে হয়তো আজ বেঁচে থাকতাম না। কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে প্রাণে রক্ষা পেয়েছি।

হামলাকারীদের উদ্দেশ্য ছিল আমাকে হত্যা করা মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘কিছুদিন আগে একটি ব্যবসায়িক লেনদেন নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছিল। সেই বিরোধের জের ধরেই এ হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে আমি মনে করি। এলাকায় একাধিক সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। পুলিশ সেগুলো পর্যালোচনা করলে হামলাকারীদের শনাক্ত করতে পারবে।’

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বড়আচড়া গ্রাম বেনাপোলের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা। সেখানে রাতের বেলায় প্রকাশ্যে গুলিবর্ষণের ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। হামলার সময় আশপাশে নারী, শিশু ও বয়স্ক লোকজন অবস্থান করছিলেন। গুলিগুলো অন্য কোনো বাসা বা পথচারীর গায়ে লাগলে বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারত।

একাধিক স্থানীয় ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে এলাকায় ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা দেখা যাচ্ছে। প্রকাশ্যে গুলি ছোড়ার ঘটনায় সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার না করা হলে অপরাধীরা আরো বেপরোয়া হয়ে উঠতে পারে।

বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফ হোসেন বলেন, ঘটনাস্থল থেকে গুলির খোসাসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও পর্যালোচনার কাজ চলছে। প্রাথমিকভাবে ব্যবসায়িক লেনদেন-সংক্রান্ত বিরোধের বিষয়টি সামনে এসেছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।