• ই-পেপার

বিকাশ অ্যাপে যুক্ত হলো ‘গেম জোন’

  • এক প্ল্যাটফর্মেই গেমিংয়ের নতুন অভিজ্ঞতা

এসিবিএসপি সাউথ এশিয়া রিজিওনাল কাউন্সিলের কোষাধ্যক্ষ বেনজীর আহমেদ

অনলাইন ডেস্ক
এসিবিএসপি সাউথ এশিয়া রিজিওনাল কাউন্সিলের কোষাধ্যক্ষ বেনজীর আহমেদ
বেনজীর আহমেদ। সংগৃহীত ছবি

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির (এনএসইউ) বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ও সাবেক চেয়ারম্যান বেনজীর আহমেদ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল ফর বিজনেস স্কুলস অ্যান্ড প্রোগ্রামস (এসিবিএসপি)-এর সাউথ এশিয়া রিজিওনাল কাউন্সিলের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে ২০২৬-২০২৭ মেয়াদের জন্য পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন।

গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনার ফিনিক্সে অনুষ্ঠিত এসিবিএসপি সাউথ এশিয়া অঞ্চলের বার্ষিক সাধারণ সভায় এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

এসিবিএসপি সাউথ এশিয়া রিজিওনাল কাউন্সিলে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তানসহ ১৬টি দেশের সদস্য প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এ কাউন্সিল ব্যবসায় শিক্ষায় মানোন্নয়ন, স্বীকৃতি প্রদান এবং অ্যাকাডেমিক সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এসিবিএসপি বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত একটি অ্যাক্রেডিটেশন সংস্থা, যা ব্যবসায় শিক্ষায় উৎকর্ষ ও ধারাবাহিক উন্নয়নকে উৎসাহিত করে। দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে ব্যবসায় শিক্ষার মানোন্নয়নে রিজিওনাল কাউন্সিলটির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। বেনজীর আহমেদের এই পুনর্নির্বাচন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অ্যাকাডেমিক নেতৃত্বের ক্রমবর্ধমান প্রভাবকে তুলে ধরে।

পুনর্নির্বাচিত হওয়ায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘এসিবিএসপি সাউথ এশিয়া রিজিওনাল কাউন্সিলের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হতে পেরে আমি সম্মানিত বোধ করছি। এটি সম্মিলিতভাবে এ অঞ্চলে মানসম্মত ব্যবসায় শিক্ষা এগিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। সহকর্মীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে অ্যাকাডেমিক মানোন্নয়ন, পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং প্রতিষ্ঠানগুলোকে বৈশ্বিক মানদণ্ড অর্জনে সহায়তা করতে চাই।’

বেনজীর আহমেদ একজন স্বনামধন্য ব্যবসায়ী ও শিক্ষানুরাগী। তিনি এনএসইউ ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা আজীবন সদস্য এবং বর্তমানে অ্যাসোসিয়েশন অব প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিজ অব বাংলাদেশের (এপিইউবি) সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি রেমন্ড গ্রুপের চেয়ারম্যানও।

তিনি এর আগে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)-এর সভাপতি এবং ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বারস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)-এর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তার এই পুনর্নির্বাচন দক্ষিণ এশিয়ায় ব্যবসায় শিক্ষা ও প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নে তার অব্যাহত নেতৃত্ব ও অবদানের স্বীকৃতি।

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি এ সাফল্যের জন্য বেনজীর আহমেদকে অভিনন্দন জানিয়েছে। তাঁর এ অর্জন বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈশ্বিক সম্পৃক্ততা ও সুনাম আরও সুদৃঢ় করবে।

গরমে এসি কেনায় বিশেষ অফার নিয়ে এলো পিকাবু

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
গরমে এসি কেনায় বিশেষ অফার নিয়ে এলো পিকাবু
সংগৃহীত ছবি

দেশজুড়ে তাপমাত্রা বৃদ্ধির মধ্যে এয়ার কন্ডিশনার (এসি) কেনায় বিশেষ ক্যাম্পেইন চালু করেছে পিকাবু (Pickaboo)। এ ক্যাম্পেইনে গ্রাহকদের জন্য থাকছে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়, ৩৬ মাস পর্যন্ত শূন্য শতাংশ ইএমআই সুবিধা, ঢাকার ভেতরে ফ্রি বা একই দিনে ডেলিভারি এবং ফ্রি ইনস্টলেশন সুবিধা।

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ক্যাম্পেইনের আওতায় ওয়ালটন, হায়ার বাংলাদেশ, হিসেন্স, গ্রি, স্যামসাং এবং মিডিয়া ব্র্যান্ডের বিভিন্ন ইনভার্টার ও নন-ইনভার্টার এসি পাওয়া যাচ্ছে। এ ছাড়া নির্দিষ্ট ব্যাংক কার্ড ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে পেমেন্টে অতিরিক্ত ছাড় ও ক্যাশব্যাক সুবিধাও রয়েছে।

পিকাবুর এক মুখপাত্র বলেন, গরমের সঙ্গে সঙ্গে এসির চাহিদাও বাড়ছে। অনেক সময় গ্রাহকরা সঠিক মূল্য, পণ্যের অথেনটিসিটি এবং নির্ভরযোগ্য ডেলিভারি নিয়ে সমস্যায় পড়েন।

সেই অভিজ্ঞতাকে সহজ করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে গ্রাহকরা দ্রুত ও নিশ্চিন্তে সঠিক পণ্য হাতে পান।
প্রতিষ্ঠানটি জানায়, গ্রাহকদের জন্য অথেনটিক পণ্য, অফিসিয়াল ব্র্যান্ড ওয়ারেন্টি, নিজস্ব কোয়ালিটি চেক এবং দ্রুত ডেলিভারি নেটওয়ার্ক নিশ্চিত করা হচ্ছে।

ঢাকার ভেতরে অনেক ক্ষেত্রে একই দিনে ডেলিভারি ও ইনস্টলেশন সুবিধাও দেওয়া হবে।

এছাড়া রুমের আকার, ব্যবহার ও বাজেট অনুযায়ী উপযুক্ত এসি বেছে নিতে গ্রাহকদের জন্য বিশেষজ্ঞ পরামর্শ ও ক্যাটাগরিভিত্তিক সাজেশনও থাকবে। এর মাধ্যমে পিকাবু নিজেকে একটি পূর্ণাঙ্গ ‘হোম সল্যুশন পার্টনার’ হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।

হায়ার বাংলাদেশের এক প্রতিনিধি বলেন, অনলাইন মার্কেটের প্রসার দ্রুত বাড়ছে এবং পিকাবুর মতো প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছে সহজে জেনুইন পণ্য, ওয়ারেন্টি ও নির্ভরযোগ্য বিক্রয়োত্তর সেবা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে।

অন্যদিকে ওয়ালটনের এক প্রতিনিধি জানান, বাংলাদেশের আবহাওয়া ও গ্রাহকদের চাহিদা বিবেচনায় এনার্জি-সাশ্রয়ী ও আধুনিক কুলিং সল্যুশন তৈরি করা হচ্ছে। পিকাবুর মতো প্ল্যাটফর্ম দ্রুত ডেলিভারি ও প্রতিযোগিতামূলক মূল্যের মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছে আরও সহজে পৌঁছাতে সহায়তা করছে।

অথেনটিক পণ্য, দ্রুত ডেলিভারি এবং গ্রাহককেন্দ্রিক সেবার মাধ্যমে দেশের ইলেকট্রনিক্স বাজারে অনলাইন কেনাকাটার প্রবণতা আরও শক্তিশালী করতে কাজ করছে পিকাবু।

উচ্চশিক্ষায় এআইভিত্তিক ভবিষ্যৎ তুলে ধরল ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
উচ্চশিক্ষায় এআইভিত্তিক ভবিষ্যৎ তুলে ধরল ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়
সংগৃহীত ছবি

উচ্চশিক্ষায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) কার্যকর ব্যবহার এবং ভবিষ্যৎমুখী বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার অভিজ্ঞতা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ)। কাজাখস্তানের আলমাটিতে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব ইউনিভার্সিটি প্রেসিডেন্টস (আইএইউপি) আঞ্চলিক সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়টিকে একটি এআই-এনাবলড ইউনিভার্সিটি থেকে এআই-নেটিভ ইউনিভার্সিটিতে রূপান্তরের যাত্রা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান। 

বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান এবং আইএইউপির ট্রেজারার-ইলেক্ট ড. মো. সবুর খান। সম্মেলনে তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয় প্রধান, শিক্ষাবিদ, নীতিনির্ধারক এবং উচ্চশিক্ষা বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে উচ্চশিক্ষায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল রূপান্তর, উদ্ভাবন এবং ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে মতবিনিময় করেন।

সম্মেলনে ‘আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন ইন হায়ার এডুকেশন” শীর্ষক বিশেষ অধিবেশনে ড. মো. সবুর খান ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষা, মূল্যায়ন, প্রশাসন, কর্মসংস্থান উন্নয়ন এবং উদ্যোক্তা তৈরির বিভিন্ন ক্ষেত্রে এআই সংযুক্তির অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ডিআইইউ এমন একটি এআই-নেটিভ ইউনিভার্সিটি গড়ে তুলতে কাজ করছে, যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শুধু একটি প্রযুক্তি নয়, বরং শিক্ষা ও প্রশাসনের প্রতিটি স্তরের সঙ্গে সমন্বিতভাবে যুক্ত রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ‘ভবিষ্যতের উচ্চশিক্ষা শুধু এআই টুল ব্যবহারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। যে প্রতিষ্ঠানগুলো শেখানো, মূল্যায়ন, নেতৃত্ব এবং মানবসম্পদ উন্নয়নকে এআই-চালিত বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পুনর্গঠন করতে পারবে, তারাই আগামী দিনের নেতৃত্ব দেবে। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি সেই ভবিষ্যতের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করছে।’

সম্মেলনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল আইএইউপির নতুন প্রকাশনা ‘ইউনিভার্সিটিজ আফটার এআই: ভয়েসেস ফ্রম দ্য গ্লোবাল ফ্রন্টিয়ার’ বইয়ের আনুষ্ঠানিক মোড়ক উন্মোচন। বইটিতে একটি অধ্যায় লিখেছেন ড. মো. সবুর খান। বই প্রকাশনা অনুষ্ঠানে তিনি বিশেষ বক্তা হিসেবে অংশ নিয়ে বিশ্বের প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কীভাবে উদ্ভাবন এবং এআই সমন্বিত শিক্ষা-ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার মাধ্যমে ডিজিটাল প্রতিষ্ঠান থেকে এআই-নেটিভ প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হতে পারে, সে বিষয়ে নিজের অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন।

সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিরা উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং টেকসই উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন। তাদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা উচ্চশিক্ষা খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করছে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে প্রস্তুত করতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আরও উদ্ভাবনী ও বহুমুখী হতে হবে।

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি দীর্ঘদিন ধরে প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা, উদ্ভাবন, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে কাজ করে যাচ্ছে। আইএইউপি আঞ্চলিক সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়টির সক্রিয় অংশগ্রহণ বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষাকে বৈশ্বিক অঙ্গনে আরও শক্তিশালীভাবে তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আশা ইউনিভার্সিটিতে বেসিক লাইফ সাপোর্ট (CPR) প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
আশা ইউনিভার্সিটিতে বেসিক লাইফ সাপোর্ট (CPR) প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
সংগৃহীত ছবি

আশা ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য বিভাগের (Public Health) উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য এক বিশেষ ‘বেসিক লাইফ সাপোর্ট' বা ‘কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন (CPR)’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রবিবার সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইকিউএসি (IQAC)-এর ৫ম তলায় (৪র্থ ফ্লোর) এই গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সম্পন্ন হয়।

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল (NICVD)-এর একটি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও প্রশিক্ষক দল এই কর্মশালাটি পরিচালনা করেন। NICVD-এর পরিচালক ও অধ্যাপক ডা. মীর জামাল উদ্দিনের নির্দেশনায় এবং কার্ডিওলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মো. তৌফিকুর রহমানসহ মোট ৯ জন অভিজ্ঞ ট্রেইনার ও ১ জন সহযোগী স্টাফ এই সেশনে সরাসরি অংশ নেন এবং হাতে-কলমে জীবন রক্ষাকারী এই পদ্ধতি প্রদর্শন করেন।

জরুরি মুহূর্তে হৃদরোগে আক্রান্ত বা অচেতন কোনো মানুষের জীবন বাঁচাতে কিভাবে দ্রুত প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে সঠিক নিয়মে CPR প্রদান করতে হয়, তা অত্যন্ত চমৎকারভাবে ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে এই কর্মশালায় শেখানো হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মোছা. জিনাত তারা এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আগেই এই আয়োজনে অংশ নিতে সকলকে বিশেষভাবে আহ্বান জানিয়েছিলেন।

কর্মশালায় অংশ নেয়া ডাক্তারবৃন্দকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য প্রফেসর ড. এস. এম. রেজাউল করিম মহোদয়। কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডীন, চেয়ারম্যানবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীরা জানান, এই ধরনের বাস্তবমুখী ও জীবন রক্ষাকারী প্রশিক্ষণ কর্মশালা যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে।