• ই-পেপার

উল্লাসে মুখর জাবি ক্যাম্পাস : ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতেছেন শিক্ষার্থীরা

৪৭তম বিসিএস

টেকনিক্যাল ক্যাডারের ফল নিয়ে শেকৃবির এএসভিএমে উদ্বেগ, তদন্তের দাবি

শেকৃবি প্রতিনিধি
টেকনিক্যাল ক্যাডারের ফল নিয়ে শেকৃবির এএসভিএমে উদ্বেগ, তদন্তের দাবি

৪৭তম বিসিএসের টেকনিক্যাল ক্যাডারের ফলাফল প্রকাশের পর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) এনিমেল সায়েন্স অ্যান্ড ভেটেরিনারি মেডিসিন (এএসভিএম) অনুষদের শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ ও হতাশা দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট অনুষদের বিভিন্ন ব্যাচের ১৮ জন শিক্ষার্থী টেকনিক্যাল ক্যাডারের মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষায় অংশ নিলেও প্রকাশিত ফলাফলে ৭১টি টেকনিক্যাল ক্যাডার পদের মধ্যে একজনও সুপারিশপ্রাপ্ত হননি।

বিভিন্ন তথ্য অনুযায়ী, ৪৭তম বিসিএসে শেকৃবি থেকে প্রায় ৪০ জন বিভিন্ন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। তবে এএসভিএম অনুষদের ১৮ জন শিক্ষার্থী প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চূড়ান্ত ভাইভায় অংশ নিলেও টেকনিক্যাল ক্যাডারে তাদের কেউই সুপারিশপ্রাপ্ত হননি।

ভাইভায় অংশ নেওয়া একাধিক শিক্ষার্থীর দাবি, এত সংখ্যক পরীক্ষার্থী অংশ নেওয়ার পরও একজনও সুপারিশপ্রাপ্ত না হওয়ায় তাদের মধ্যে প্রশ্ন ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তাদের ধারণা, আবেদন কোড বা সংশ্লিষ্ট কোনো কারিগরি (টেকনিক্যাল) জটিলতার কারণে এমনটি হয়ে থাকতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ৪৭তম বিসিএসে আবেদন গ্রহণের সময় ডিগ্রিভিত্তিক সুবিধার কারণে কম্বাইন্ড ডিগ্রিধারীরা একাধিক কোডের মাধ্যমে আবেদন করার সুযোগ পেয়েছিলেন। এ ধরনের সুযোগ পূর্ববর্তী বিসিএসগুলোতে ছিল না। ফলে আবেদন প্রক্রিয়ায় কোনো কারিগরি ত্রুটি ঘটেছে কি না, তা তদন্ত করে দেখার দাবি জানিয়েছেন তারা।

ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থী বলেন, শেকৃবি এএসভিএম অনুষদের কম্বাইন্ড ডিগ্রিধারীদের জন্য ৪৬তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তিতে কোনো পৃথক আবেদন কোড ছিল না। একইভাবে ৪৭তম বিসিএসের প্রাথমিক বিজ্ঞপ্তিতেও এ ধরনের কোনো কোড অন্তর্ভুক্ত ছিল না। পরে সংশোধিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রথমবারের মতো তাদের জন্য পৃথক আবেদন কোড (৬৪৭) চালু করা হয়, যার ফলে তারা উভয় ক্যাডারে আবেদন করার সুযোগ পান। এতে কম্বাইন্ড ডিগ্রিধারীদের স্বীকৃতি ও আবেদন প্রক্রিয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তার আশঙ্কা, এই জটিলতার সঙ্গে ৪৭তম বিসিএসের টেকনিক্যাল ক্যাডারের ফলাফলের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা উচিত।

এ বিষয়ে এএসভিএম অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমার অনুষদের ১৮ জন শিক্ষার্থী ভাইভা দিয়ে একজনও সুপারিশপ্রাপ্ত হননি, এটি বিশ্বাস করা কঠিন। আমরা পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেছি এবং পিএসসিতে গিয়ে সার্বিক বিষয় তুলে ধরে আবেদন করা হয়েছে। পিএসসি বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে। আশা করি সমস্যার সমাধান হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. বেলাল হোসেন বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমরা অবগত হয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ৪৭তম বিসিএসের দায়িত্বপ্রাপ্ত পিএসসি সদস্যকে বিষয়টি জানানো হয়েছে এবং একটি আবেদনও দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের পৃথকভাবে আবেদন করতে বলা হয়েছে। বিষয়টি সময়সাপেক্ষ হলেও আমরা ইতিবাচক সমাধান প্রত্যাশা করছি।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা বিষয়টির দ্রুত তদন্ত, প্রয়োজনে ফলাফলের পুনঃযাচাই এবং ভবিষ্যতে কম্বাইন্ড ডিগ্রিধারীদের জন্য পৃথক আবেদন কোড স্থায়ীভাবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন।

সরকার উৎখাতের পরিকল্পনার অভিযোগে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত

অনলাইন ডেস্ক
সরকার উৎখাতের পরিকল্পনার অভিযোগে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে অংশ নিয়ে সরকার উৎখাতের পরিকল্পনা করার অভিযোগে ময়মনসিংহের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কল্যানাংশু নাহাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার খন্দকার নাজমুল হাসানের সই করা এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়। আজ শনিবার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

সাময়িক বরখাস্তের চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি প্রোগ্রেসিভ টিচার্স সোসাইটি নামের একটি টেলিগ্রাম গ্রুপে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ একটি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে ২৬ জুন অনুষ্ঠিত একটি সভায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বক্তব্য দেন কল্যানাংশু নাহা। ভিডিও/অডিও কর্তৃপক্ষের কাছে সংরক্ষিত আছে। সেখানে তিনি নিজের রাজনৈতিক আদর্শের সরকার প্রতিষ্ঠা করার বিষয়ে করণীয় উল্লেখসহ বর্তমান নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করার পরিকল্পনা ব্যক্ত করেন, যা চাকরিবিধির পরিপন্থী। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০৬-এর ধারা ৪৩ (৪) এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী (দক্ষতা ও শৃঙ্খলা) সংবিধি অনুযায়ী শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তদন্তের স্বার্থে তাকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।’

শিক্ষকদের ইনক্রিমেন্ট নিয়ে বড় খবর দিল মাউশি

নিজস্ব প্রতিবেদক
শিক্ষকদের ইনক্রিমেন্ট নিয়ে বড় খবর দিল মাউশি
সংগৃহীত ছবি

বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ইনক্রিমেন্ট নিয়ে বড় খবর দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর। মাউশি জানিয়েছে, চলতি জুলাই মাস থেকে শিক্ষকরা ইনক্রিমেন্ট পাবেন। ইতোমধ্যে ইনক্রিমেন্ট যুক্ত করার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

শুক্রবার (৩ জুলাই) রাতে এ তথ্য জানিয়েছেন মাউশির এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম সেলের প্রোগ্রামার (এমপিও) মো. জহির উদ্দিন।

ইএমআইএস সেলের এ প্রোগ্রামার জানান, ‘এমপিওভুক্ত জনবলের জুলাই-২০২৬-এর ইনক্রিমেন্ট যুক্ত করাসহ অন্যান্য কাজ শেষ করে অঞ্চল থেকে অনুমোদিত এমপিও আবেদন ডান করা হবে। তাই জুলাই ২০২৬ মাসের অনুমোদিত অনলাইন এমপিও ফাইল ডান হতে কয়েক দিন বিলম্ব হতে পারে। এ বিষয়ে শিক্ষক-কর্মচারীদের ধৈর্য ধারণ করার অনুরোধ রইল।’

এইচএসসির দ্বিতীয় দিনে অনুপস্থিত ২৭ হাজার, বহিষ্কার ১৭ পরীক্ষার্থী

অনলাইন ডেস্ক
এইচএসসির দ্বিতীয় দিনে অনুপস্থিত ২৭ হাজার, বহিষ্কার ১৭ পরীক্ষার্থী
সংগৃহীত ছবি

উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার দ্বিতীয় দিনে শনিবার দেশের বিভিন্ন কেন্দ্রে অনুপস্থিত ছিলেন ২৭ হাজার ৩২৭ জন পরীক্ষার্থী। এ ছাড়া কেন্দ্রে অসদুপায় অবলম্বনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে ১৭ পরীক্ষার্থীকে। শনিবার (৪ জুলাই) বিকেলে আন্ত শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

আজ এইচএসসি (সাধারণ) ‘বাংলা দ্বিতীয় পত্র’, আলিমে ‘আরবি প্রথম পত্র’ ও ‘আরবি সাহিত্য’ এবং এইচএসসি ভোকেশনাল, বিএমটি ও ডিপ্লোমা ইন কমার্সে ‘ইংরেজি-২’ বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আন্ত শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির তথ্য অনুযায়ী, ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি বাংলা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে ১ হাজার ৬২০টি কেন্দ্রে। এই পরীক্ষায় ৮ লাখ ৮৬ হাজার ৭৬৪ পরীক্ষার্থীর অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও অংশ নিয়েছেন ৮ লাখ ৪১ হাজার ১২৫ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ১৯ হাজার ৬৩৯ জন। এর মধ্যে সাতজনকে অসদুপায় অবলম্বনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।

শিক্ষা বোর্ডের হিসাবে বহিষ্কার শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছে রাজশাহী বোর্ডের একজন, কুমিল্লার ২, বরিশালের ২, দিনাজপুরের একজন এবং ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের একজন।

মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আলিমের আরবি প্রথম পত্র ও আরবি সাহিত্য পরীক্ষায় সাত পরীক্ষার্থী বহিষ্কার হয়েছেন।

আন্ত শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির তথ্য অনুযায়ী, আলিমের ৪৬০টি কেন্দ্রে ৮৪ হাজার ২৯৩ পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও অংশ নেন ৭৯ হাজার ৯১ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ৫ হাজার ২০২ পরীক্ষার্থী।

এইচএসসি ভোকেশনাল, বিএমটি ও ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষার দ্বিতীয় দিনে ইংরেজি-২ বিষয়ের পরীক্ষায় ৩ পরীক্ষার্থী বহিষ্কার ও ২ হাজার ৪৮৬ জন অনুপস্থিত থাকার তথ্য দিয়েছে আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৬১১টি কেন্দ্রে এদিন ইংরেজি-২ বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এসব কেন্দ্রে ৮৫ হাজার ৭৪৯ জন পরীক্ষা দেওয়ার কথা থাকলেও পরীক্ষায় বসেছেন ৮৩ হাজার ২৬৩ জন। ২ হাজার ৪৮৬ জন অনুপস্থিত ছিলেন এবং ৩ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।