• ই-পেপার

এইচএসসি

বিশেষ ব্যবস্থায় রেজিস্ট্রেশন, শনিবার পরীক্ষায় বসছে ১৮ শিক্ষার্থী

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা বাজেট নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করতে ইউজিসির ব্যাখ্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা বাজেট নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করতে ইউজিসির ব্যাখ্যা
সংগৃহীত ছবি

দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা খাতের বাজেট বরাদ্দ নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু সংবাদকে ‘অসম্পূর্ণ’ বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। শুক্রবার (৩ জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে কমিশনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।

ইউজিসি জানিয়েছে, গবেষণা খাতে কোনো বাজেট রাখা হয়নি বলে যে তথ্য প্রচার হয়েছে, তা সঠিক নয়। প্রকৃতপক্ষে, ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা খাতের জন্য ইউজিসি ২২৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছে, যা গত অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ১৩ শতাংশ বেশি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গবেষণা খাতে দ্বৈততা (একই কাজের পুনরাবৃত্তি) পরিহারের লক্ষ্যে সরকার কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেই অনুযায়ী গবেষণা প্রকল্পে অর্থায়ন পদ্ধতিকে আরো সহজ, স্বচ্ছ ও গবেষক-বান্ধব করা হয়েছে। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একাডেমিক স্বাধীনতা, প্রাতিষ্ঠানিক স্বকীয়তা, গবেষণার অগ্রাধিকার ও বিষয়ভিত্তিক বৈচিত্র্য কোনোভাবেই ক্ষুণ্ণ হবে না।

ইউজিসি আরো জানায়, ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের গবেষণা খাতের অর্থ ছাড়ের জন্য বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে তাদের নিজস্ব গবেষণা পরিকল্পনা, উপ-খাতভিত্তিক অর্থের চাহিদা এবং বাজেটের প্রাক্কলন দ্রুত কমিশনে পাঠাতে অনুরোধ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে চাহিদাপত্র পাওয়ার পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে অর্থ ছাড়ের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে ইউজিসি।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে পাঠানো নির্দেশনায় বাজেট প্রণয়নের ক্ষেত্রে বিশেষ তিনটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দিতে অনুরোধ জানিয়েছে ইউজিসি।

  • আন্ডারগ্র্যাজুয়েট, মাস্টার্স ও পিএইচডি পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের গবেষণায় অধিকতর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।
  • বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ গবেষকদের সঙ্গে উদীয়মান তরুণ গবেষক ও শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে একটি শক্তিশালী গবেষণা পরিবেশ বা ইকোসিস্টেম তৈরি করা।
  • গবেষণা প্রকল্প প্রণয়নের ক্ষেত্রে দেশের সার্বিক প্রয়োজনীয়তা ও সরকারের অগ্রাধিকারের বিষয়গুলোকে বিবেচনায় রাখা।

নোবিপ্রবিতে শিক্ষক দম্পতির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি
নোবিপ্রবিতে শিক্ষক দম্পতির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) পরিসংখ্যান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. ইফতেখার পারভেজ পুইয়ানের বিরুদ্ধে সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত নয় এমন ফিল্ড ট্রিপের বিল উত্তোলন এবং শিক্ষার্থীদের নম্বর পরিবর্তনের (মার্ক টেম্পারিং) অভিযোগ উঠেছে। একই বিভাগের শিক্ষক তার স্ত্রী মীম্মা তাবাসসুমের বিরুদ্ধেও নম্বর মূল্যায়ন, শ্রেণিকক্ষে আক্রমণাত্মক আচরণ এবং মানসিক হয়রানিসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের তদন্তে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের বর্ষ-২, টার্ম-২-এর ফিল্ড ট্রিপের অনুমতি চেয়ে রেজিস্ট্রার বরাবর আবেদন করা হয়। সে সময় বিভাগের তৎকালীন চেয়ারম্যান মো. মামুন মিয়ার অনুপস্থিতিতে তাঁর পক্ষে আবেদনপত্রে স্বাক্ষর করেন বর্তমান বিভাগীয় চেয়ারম্যান ড. নাজমা বেগম। একই নথিতে তৎকালীন চেয়ারম্যান মো. মামুন মিয়ার স্বাক্ষরও পাওয়া যায়।

তবে আবেদনপত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট টার্মের পরিবর্তে বর্ষ-১, টার্ম-২-এর সিলেবাস সংযুক্ত করা হয়। ওই সিলেবাসে হাতে লেখা ছিল, ‘এই ট্যুর সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত’। কিন্তু বিভাগীয় সূত্র ও পরবর্তী একাডেমিক কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের বর্ষ-২, টার্ম-২-এর সিলেবাসে কোনো ফিল্ড ট্রিপের বিধান ছিল না। ফলে ওই সফরের বিপরীতে আর্থিক সুবিধা পাওয়ার সুযোগ ছিল না।

ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার তামজীদ হোসাইন চৌধুরী বলেন, চেয়ারম্যান স্বাক্ষরিত নথি হলে আমরা সাধারণত সংযুক্তি আলাদাভাবে যাচাই করি না। এক্ষেত্রেও সেটিই হয়েছে।

তৎকালীন বিভাগীয় চেয়ারম্যান মো. মামুন মিয়ার দাবি, তার স্বাক্ষর নকল করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমি এমন কিছু দেখলে কখনোই ভুল সিলেবাস সংযুক্ত করতে দিতাম না।

বর্তমান বিভাগীয় চেয়ারম্যান ড. নাজমা বেগম বলেন, আমি চেয়ারম্যানের পক্ষে স্বাক্ষর করেছি তার জানার মধ্যেই। হাতে লেখা সংযুক্তি থাকলে আমি স্বাক্ষর করতাম না।

ওই অনুমোদনের ভিত্তিতেই প্রশাসন ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ শিক্ষা সফরের অনুমতি দেয়। পরে ২২ থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি সফরটি অনুষ্ঠিত হয়। তবে ৫ মার্চ বিভাগের একাডেমিক কমিটি সিদ্ধান্ত দেয়, যেহেতু ফিল্ড ট্রিপটি সিলেবাসভুক্ত নয়, তাই এ বাবদ কোনো বিল করা যাবে না। এরপর ১০ মার্চ ১৩ হাজার ৭৪৯ টাকার বিল দাখিল করেন সহকারী অধ্যাপক মো. ইফতেখার পারভেজ, যা ১৬ মার্চ অনুমোদিত হয়।

একই সফরে অংশ নিয়েও ড. নাজমা বেগম কোনো বিল করেননি। তিনি বলেন, সিলেবাস ও একাডেমিক কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমার আর্থিক সুবিধার সুযোগ ছিল না, তাই আমি বিল দিইনি।

অভিযোগ প্রসঙ্গে মো. ইফতেখার পারভেজ বলেন, প্রশাসনের চিঠির ভিত্তিতেই বিল করেছি। সিলেবাসে ট্যুর নেই জানতাম, তবে এতে বিল করা যাবে না—এটা জানা ছিল না।

এদিকে প্রতিবেদকের হাতে আসা নথিতে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ভাইভা পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের নম্বর পরিবর্তনের অভিযোগও উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, কয়েকজন শিক্ষার্থীর নম্বর কেটে নতুনভাবে পরিবর্তন করা হয়, যার ফলে তাদের গ্রেড উন্নীত হয়।

এ বিষয়ে মো. ইফতেখার পারভেজ বলেন, পরীক্ষার শুরুতে দেওয়া নম্বর পরে পুনর্মূল্যায়নের মাধ্যমে সংশোধন করা হয়েছে। এতে অনিয়ম হয়নি।

তিনি আরো বলেন, পরীক্ষা কমিটির প্রধান হিসেবে মূল নম্বরপত্র আমার কাছেই থাকে, সেখানে প্রয়োজন অনুযায়ী সংশোধন করা যায়।

আরো অভিযোগ রয়েছে, ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের বর্ষ-৩, টার্ম-১ এর ২০২৫ সালের ৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত ভাইভা পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের পরিবর্তে ৮৫ নম্বর স্কেলে মূল্যায়ন করা হয়, যা লিখিত প্রশাসনিক অনুমোদন ছাড়া করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এতে মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় বৈষম্য তৈরি হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

পরীক্ষা কমিটির বহিস্থ সদস্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম জাহাঙ্গীর বলেন, ভাইভা পরীক্ষায় ৮৫ নম্বর স্কেলেই মূল্যায়ন করা হয়েছিল।

এ বিষয়ে মো. ইফতেখার পারভেজ বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে নম্বরের পার্থক্য কমানোর উদ্দেশ্যেই কমিটির সিদ্ধান্তে এ পদ্ধতি গ্রহণ করা হয়।

অন্যদিকে একই বিভাগের শিক্ষক ও তার স্ত্রী মীম্মা তাবাসসুমের বিরুদ্ধে ২০২২ সালে মাস্টার্স শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে নম্বর পরিবর্তন, শ্রেণিকক্ষে আক্রমণাত্মক আচরণ এবং মানসিক হয়রানিসহ ১০ দফা অভিযোগে লিখিত আবেদন দেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষক অভিযোগ করেন, একই পরিবারের দুই শিক্ষক একাডেমিক কমিটিতে থাকলে সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রভাব বিস্তারের সুযোগ তৈরি হয়।

একাধিক শিক্ষার্থী জানান, বিভাগের ভেতরে নম্বর পরিবর্তনের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। পূর্বে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১১ মে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটিকে দ্রুত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে মূল্যায়নসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কমিটিতে একই পরিবারের একাধিক শিক্ষককে একসঙ্গে দায়িত্ব না দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, এতে মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বাড়বে।

ঢা‌বি সাদা দলের নাম ব্যবহার করে তদবিরের চেষ্টা, সতর্ক থাকার আহ্বান

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ঢা‌বি সাদা দলের নাম ব্যবহার করে তদবিরের চেষ্টা, সতর্ক থাকার আহ্বান

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দলের নাম ব্যবহার করে ব্যক্তিগত তদবির, সুপারিশ ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা আদায়ের অপচেষ্টা থেকে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি। একই সঙ্গে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও স্পষ্ট করেছে সাদা দল।

আজ শুক্রবার (৩ জুলাই) ঢাবি সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান এবং যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম ও অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম সরকার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, সম্প্রতি লক্ষ করা যাচ্ছে যে কিছু ব্যক্তি সাদা দল ও দলের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দের নাম ব্যবহার করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরের বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে ব্যক্তিগত তদবির ও সুপারিশ আদায়ের চেষ্টা করছেন। এ প্রেক্ষাপটে সাদা দল স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, এসবের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই এবং সাদা দল কখনও কোনো অনৈতিক আবদার বা সুপারিশ করেনি, ভবিষ্যতেও করবে না।

তারা বলেন, প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই সাদা দল নিয়োগ, পদায়ন, পদোন্নতি, গবেষণার সুযোগ, বৃত্তি ও অন্যান্য প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে একমাত্র মেধা, যোগ্যতা, সততা, স্বচ্ছতা ও প্রচলিত বিধিবিধানকে মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনার পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছে। দলীয় পরিচয়, ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে কারো জন্য বিশেষ সুবিধা আদায়ের যেকোনো প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে সাদা দলের অবস্থান সুস্পষ্ট বলে তারা উল্লেখ করেন।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি নেতৃবৃন্দ অনুরোধ জানান, ভবিষ্যতে সাদা দল বা এর কোনো নেতার নাম ব্যবহার করে কোনো সুপারিশ বা তদবির উপস্থাপিত হলে তা গ্রহণ না করে সরাসরি সাদা দলের দায়িত্বশীল নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য। সাদা দলের নাম ব্যবহার করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি বা ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের যেকোনো প্রচেষ্টা রোধে সবার সতর্ক ও সহযোগিতামূলক ভূমিকাও কামনা করেছে সংগঠনটি।

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অভিভাবকদের ঘিরে বোর্ডের জরুরি নির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অভিভাবকদের ঘিরে বোর্ডের জরুরি নির্দেশনা
ছবি: কালের কণ্ঠ

এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রের বাইরে অভিভাবকদের জন্য শেড ও বসার চেয়ার স্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেয়।

বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর জেসমিন তাসলিমা বানুর সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এইচএসসি পরীক্ষা ২০২৬-এর বিভিন্ন পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শনকালে লক্ষ্য করা গেছে, পরীক্ষার্থীদের অভিভাবকগণ তাদের সন্তানদের জন্য কেন্দ্রের বাইরে দীর্ঘ সময় অবস্থান করেন। কিন্তু অধিকাংশ কেন্দ্রেই অভিভাবকদের জন্য কোনো নির্ধারিত অপেক্ষমাণ শেড বা বসার স্থান নেই। ফলে বৃষ্টি, রোদ কিংবা প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে তাদেরকে অত্যন্ত কষ্টকর পরিবেশে অবস্থান করতে হয়।

এ ছাড়াও কেন্দ্রের বাইরে অভিভাবকদের অবস্থান ও চলাচল সুশৃঙ্খলভাবে নিয়ন্ত্রণের জন্য কোনো রোভার স্কাউট, গার্লস গাইড বা বিএনসিসি সদস্য নিয়োজিত না থাকায় অনেক ক্ষেত্রে অনাকাঙ্ক্ষিত ভিড়, বিশৃঙ্খলা এবং জনদুর্ভোগের সৃষ্টি হয়।

পরীক্ষার্থীদের অভিভাবকদের সার্বিক সুবিধায় কেন্দ্রের বাইরে নিরাপদ ও উপযুক্ত স্থানে অপেক্ষমাণ শেডসহ বসার জন্য চেয়ার স্থাপন নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো। একই সঙ্গে কেন্দ্রের বাইরের শৃঙ্খলা ও জনসমাগম নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যক রোভার স্কাউট/গার্লস গাইড/বিএনসিসি সদস্য নিয়োগ দিতে বলা হয়েছে।