• ই-পেপার

এইচএসসি

প্রশ্নপ্রত্র বিতরণ, আসন নিশ্চিতসহ কেন্দ্রসচিবদের ৩৫ নির্দেশনা

শিগগিরই এনটিআরসির গণবিজ্ঞপ্তি, জানা গেল শূন্য পদের সংখ্যা

অনলাইন ডেস্ক
শিগগিরই এনটিআরসির গণবিজ্ঞপ্তি, জানা গেল শূন্য পদের সংখ্যা
সংগৃহীত ছবি

দেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক সংকট নিরসনে নতুন গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে সারা দেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শূন্যপদের তালিকা সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।

রবিবার (১৪ জুন) রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ তথ্য জানান।

সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক নিয়োগের জন্য ই-রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে মোট ৭৭ হাজার ৭৯৯টি শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এসব শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যে শিগগিরই নতুন গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। নতুন গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তালিকাভুক্ত শূন্যপদগুলো পূরণের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শুরু করা হবে।

এর আগে, রবিবার (১৪ জুন) রাজধানীতে ইউনিসেফ আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের প্রাথমিক শিক্ষাখাত অত্যন্ত বড় একটি সেক্টর। বর্তমানে প্রায় ১ লাখ ১৮ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে এবং মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ। এর মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা প্রায় ৬৫ হাজার ৫০০। প্রতিটি বিদ্যালয়ে ওয়াশরুম থাকলেও সেগুলোর মানোন্নয়নে কাজ চলছে।

শিক্ষক নিয়োগ প্রসঙ্গে এহছানুল হক মিলন বলেন, বিচারাধীন মামলার কারণে প্রায় ৩২ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষক নিয়োগ তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে আটকে আছে। এছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়-সংশ্লিষ্ট প্রায় ৮৩ হাজার মামলা বর্তমানে বিচারাধীন থাকায় অনেক বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ সম্ভব হচ্ছে না।

এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষার চূড়ান্ত কেন্দ্র তালিকা প্রকাশ

অনলাইন ডেস্ক
এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষার চূড়ান্ত কেন্দ্র তালিকা প্রকাশ

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা এবং বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড আসন্ন উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) এবং আলিম পরীক্ষার চূড়ান্ত কেন্দ্র তালিকা ও আসনবিন্যাস প্রকাশ করেছে। পৃথক দুটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড ও মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড নিজ নিজ পরীক্ষাকেন্দ্রের কোড, কেন্দ্রের নাম, ভেন্যু এবং আওতাধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিস্তারিত বিবরণ শিক্ষার্থীদের ও পরীক্ষা সংশ্লিষ্টদের জন্য উন্মুক্ত করেছে।

মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২৬ সালের আলিম পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। এই তালিকায় ঢাকা জেলা ও মহানগরের অন্তর্গত বিভিন্ন পরীক্ষাকেন্দ্র যেমন— ঢাকা (মূল কেন্দ্র), মোহাম্মদপুর, যাত্রাবাড়ী, ডেমরা-১ (আমুলিয়া), ডেমরা-২ (দারুন্নাজাত), উত্তরা, সাভার ও ধামরাইসহ বিভিন্ন অঞ্চলের মাদরাসাগুলোকে সুনির্দিষ্ট কোড নম্বরসহ পরীক্ষাকেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

এ ছাড়া ঢাকার বাইরে মানিকগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, নরসিংদী, ফরিদপুর, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ, রাজশাহীসহ বিভিন্ন জেলার আলিম পরীক্ষাকেন্দ্রের নাম ও কোড তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

অন্যদিকে, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি পরীক্ষা ২০২৬ পরিচালনার জন্য একটি বিস্তারিত আসনবিন্যাস ও বিশেষ দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বোর্ডের সংশোধিত ও প্রতিস্থাপিত চিঠিতে বলা হয়েছে, পরীক্ষাকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট কলেজের অধ্যক্ষের কাছ থেকে কেন্দ্র ফির টাকা গ্রহণ করবেন। এরপর জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে অলিখিত উত্তরপত্রসহ অন্যান্য গোপনীয় কাগজপত্র ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে সংগ্রহ করে পরীক্ষা পরিচালনা করবেন। পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে জেলা সদরে জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) পরীক্ষাকেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত কর্মকর্তাদের জন্য কঠোর নীতিমালার কথা উল্লেখ করেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতিদিনের পরীক্ষা শেষে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে ডাকযোগে ওএমআরের প্রথম অংশ ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কম্পিউটার কেন্দ্রে পাঠাতে হবে। একই সঙ্গে উত্তরপত্রসমূহ পরীক্ষা পরিচালনা নীতিমালা মোতাবেক সরাসরি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বরাবর পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভেন্যুকেন্দ্রসমূহ মূল কেন্দ্র থেকে প্রয়োজনীয় টাকা ও কাগজপত্র গ্রহণ করে পরীক্ষা পরিচালনা করবে এবং পরীক্ষা শেষে যাবতীয় নথিপত্র মূল কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে জমা দেবে। নির্বাচিত কলেজের অধ্যক্ষ বা সিনিয়র কোনো অধ্যাপক এই পরীক্ষার কেন্দ্র প্রধান বা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র তালিকায় এবার বেশ কিছু নতুন কেন্দ্র যুক্ত করা হয়েছে। যার মধ্যে ঢাকা মহানগরীর উত্তরা অঞ্চলের ‘ঢাকা উইমেন্স কলেজ’ এবং খিলক্ষেতের ‘মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ’। এ ছাড়া রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, মাইলস্টোন কলেজ, ক্যামব্রিয়ান কলেজ, নটর ডেম কলেজ, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো বড় বড় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখার শিক্ষার্থীদের জন্য নির্দিষ্ট কেন্দ্র ও আসনবিন্যাস নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

জকসুর উদ্যোগে জায়ান্ট স্ক্রিনে বিশ্বকাপ দেখার আয়োজন

জবি প্রতিনিধি
জকসুর উদ্যোগে জায়ান্ট স্ক্রিনে বিশ্বকাপ দেখার আয়োজন
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ফুটবল উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দিতে জায়ান্ট স্ক্রিনে বিশ্বকাপ দেখার আয়োজন করেছে জকসু। ছবি : কালের কণ্ঠ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ফুটবল উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দিতে নানা আয়োজন হাতে নিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু)। এই আয়োজনের প্রধান স্পন্সর হিসেবে সহযোগিতা করছে X Force Group।

বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলো সরাসরি উপভোগের জন্য ক্যাম্পাসে স্থাপন করা হয়েছে জায়ান্ট এলইডি স্ক্রিন। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা একসঙ্গে প্রিয় দলের খেলা উপভোগ করার পাশাপাশি বিশ্বকাপের বৈশ্বিক উৎসবের অংশ হতে পারবেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, শিক্ষার্থীদের মধ্যে সম্প্রীতি, বিনোদন ও ফুটবলপ্রেমকে আরও উজ্জীবিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশ্বকাপ চলাকালীন পুরো ক্যাম্পাসজুড়ে থাকবে উৎসবমুখর পরিবেশ।

এ বিষয়ে জকসুর ক্রিড়া সম্পাদক মোঃ জর্জিস আনোয়ার নাইম বলেন, “জায়ান্ট স্ক্রিনে বিশ্বকাপ প্রদর্শনের বিষয়টি আমার ব্যক্তিগত নির্বাচনী ইশতেহারের অন্যতম প্রতিশ্রুতি ছিল। বিশ্বকাপকে আরও আকর্ষণীয়ভাবে শিক্ষার্থীদের সামনে উপস্থাপন করার লক্ষ্য থেকেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”

তিনি X Force Group-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, ‘তাদের সহযোগিতার কারণেই আমরা শিক্ষার্থীদের জন্য এমন আয়োজন করতে পেরেছি। তারা আমাদের আশ্বস্ত করেছেন, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি সন্তোষজনক হলে এবং ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় থাকলে স্ক্রিনের আকার আরও বড় করা হবে।’

এ সময় তিনি জকসুর সকল নেতৃবৃন্দকেও ধন্যবাদ জানান এবং আয়োজন সফল করতে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

আয়োজকদের প্রত্যাশা, বিশ্বকাপ চলাকালে এই আয়োজন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এক স্মরণীয় অভিজ্ঞতায় পরিণত হবে এবং ক্যাম্পাসে ফুটবলপ্রেমীদের মিলনমেলায় রূপ নেবে।

মাদরাসা শিক্ষার্থীদের সফল ক্যারিয়ার গঠনের কার্যকর পথ

আধুনিক দক্ষতা, ভাষাজ্ঞান, প্রযুক্তি শিক্ষা এবং ইসলামী মূল্যবোধের সমন্বয়

মো: আবদুল হান্নান
আধুনিক দক্ষতা, ভাষাজ্ঞান, প্রযুক্তি শিক্ষা এবং ইসলামী মূল্যবোধের সমন্বয়
সংগৃহীত ছবি

বর্তমান বিশ্ব দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। প্রযুক্তির অগ্রগতি, বিশ্বায়ন এবং কর্মক্ষেত্রের ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতার কারণে শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা অর্জনই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন আধুনিক দক্ষতা, ভাষাজ্ঞান, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং শক্তিশালী নৈতিক ভিত্তি। মাদরাসা শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও এই বাস্তবতা সমানভাবে প্রযোজ্য। ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক জ্ঞান ও দক্ষতার সমন্বয় তাদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করতে পারে।

মাদরাসা শিক্ষা বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই শিক্ষাব্যবস্থা শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় জ্ঞান, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ করে। তবে বর্তমান যুগের চাহিদা পূরণে শিক্ষার্থীদেরকে আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার জন্য অতিরিক্ত দক্ষতা অর্জন করতে হবে। বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি, যোগাযোগ দক্ষতা, ভাষাজ্ঞান এবং পেশাগত দক্ষতা অর্জন তাদের ক্যারিয়ার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ভাষাজ্ঞান বর্তমান বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা। বাংলা ও আরবির পাশাপাশি ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা অর্জন মাদরাসা শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ইংরেজি আন্তর্জাতিক যোগাযোগ, উচ্চশিক্ষা, গবেষণা এবং কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ সৃষ্টি করে। একজন শিক্ষার্থী যদি ধর্মীয় জ্ঞানের পাশাপাশি ইংরেজিতে দক্ষ হন, তাহলে তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজের যোগ্যতা আরও কার্যকরভাবে উপস্থাপন করতে পারবেন।

প্রযুক্তি শিক্ষা বর্তমান যুগের অপরিহার্য অংশ। কম্পিউটার পরিচালনা, ইন্টারনেট ব্যবহার, অফিস অ্যাপ্লিকেশন, ডিজিটাল যোগাযোগ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) সম্পর্কিত মৌলিক জ্ঞান এখন প্রায় সব পেশাতেই প্রয়োজন। মাদরাসা শিক্ষার্থীরা যদি প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন করেন, তাহলে তারা শুধু চাকরির ক্ষেত্রেই নয়, ফ্রিল্যান্সিং, অনলাইন ব্যবসা এবং ডিজিটাল উদ্যোক্তা হিসেবেও সফল হতে পারবেন।

একই সঙ্গে আধুনিক দক্ষতা যেমন যোগাযোগ দক্ষতা, নেতৃত্বের গুণাবলি, সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা, সময় ব্যবস্থাপনা এবং দলগতভাবে কাজ করার সক্ষমতা একজন শিক্ষার্থীকে পেশাগত জীবনে এগিয়ে যেতে সহায়তা করে। এসব দক্ষতা আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে এবং কর্মক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

তবে আধুনিক শিক্ষা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি ইসলামী মূল্যবোধের গুরুত্ব কোনোভাবেই কমে যায় না। সততা, ন্যায়পরায়ণতা, দায়িত্ববোধ, মানবিকতা এবং পরোপকারিতা ইসলামের মৌলিক শিক্ষা। একজন মাদরাসা শিক্ষার্থী যদি আধুনিক জ্ঞান ও দক্ষতার সঙ্গে এসব মূল্যবোধ ধারণ করেন, তাহলে তিনি শুধু একজন সফল পেশাজীবীই নন, বরং একজন আদর্শ নাগরিক হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত হতে পারবেন।

বর্তমানে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের জন্য কর্মক্ষেত্রের পরিধি অনেক বিস্তৃত। শিক্ষকতা, গবেষণা, ইসলামিক ফাইন্যান্স, প্রশাসন, সাংবাদিকতা, তথ্যপ্রযুক্তি, অনুবাদ, ফ্রিল্যান্সিং, উদ্যোক্তা কার্যক্রমসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের জন্য সুযোগ রয়েছে। এসব ক্ষেত্রে সফল হতে হলে ধর্মীয় জ্ঞানের পাশাপাশি আধুনিক দক্ষতা অর্জন অপরিহার্য।

পরিশেষে বলা যায়, আধুনিক দক্ষতা, ভাষাজ্ঞান, প্রযুক্তি শিক্ষা এবং ইসলামী মূল্যবোধের সমন্বয়ই মাদরাসা শিক্ষার্থীদের সফল ক্যারিয়ার গঠনের সবচেয়ে কার্যকর পথ। এই সমন্বিত প্রস্তুতি তাদেরকে আত্মবিশ্বাসী, দক্ষ এবং যুগোপযোগী নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলবে, যা ব্যক্তিগত উন্নয়ন, সামাজিক অগ্রগতি এবং জাতীয় উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

লেখক : সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।