• ই-পেপার

বিগত সরকার শিক্ষকদের ৭ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে : শিক্ষামন্ত্রী

গবেষণায় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী

নিজস্ব প্রতিবেদক
গবেষণায় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী

যুক্তরাষ্ট্রে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী শেখ মো. আকিজ গবেষণায় এবার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করেছেন। তিনি সুইজারল্যান্ডের দাভোসে অনুষ্ঠেয় ওয়ার্ল্ড বায়োডাইভারসিটি ফোরাম (WBF) ২০২৬-এ গবেষণা উপস্থাপনের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।

এর পাশাপাশি তিনি বিশ্ব জীববৈচিত্র্য ফোরামের প্রতিযোগিতামূলক আর্লি ক্যারিয়ার রিসার্চ গ্রান্ট এবং ইউনিভার্সিটি অব বাল্টিমোরের টার্নার রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড লাভ করেছেন। এসব স্বীকৃতির মাধ্যমে তিনি গবেষণা ও ভ্রমণ বাবদ ৫ হাজার মার্কিন ডলারেরও বেশি সহায়তা পেয়েছেন, যা আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বের সুযোগ আরো সুদৃঢ় করেছে।

আগামী ১৪ থেকে ১৯ জুন সুইজারল্যান্ডের দাভোসে অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জীববৈচিত্র্য, পরিবেশ ও টেকসই উন্নয়নভিত্তিক এই আন্তর্জাতিক আয়োজন। এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গবেষক, বিজ্ঞানী, নীতিনির্ধারক, উদ্যোক্তা ও উন্নয়ন বিশেষজ্ঞরা অংশ নেবেন।

শেখ মো. আকিজ বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব বাল্টিমোরের মেরিক স্কুল অব বিজনেসে মার্কেটিং বিষয়ে এমবিএ অধ্যয়ন করছেন। পাশাপাশি তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর এন্টারপ্রেনারশিপ অ্যান্ড ইনোভেশনে (সিইআই) গ্র্যাজুয়েট অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

ফোরামে তিনি ‘প্রাণবৈচিত্র্যের জন্য উদ্যোক্তা উন্নয়ন সার্কুলার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উদ্ভাবনের মাধ্যমে প্রকৃতি, মানুষ ও পুঁজির সংযোগ’ শীর্ষক গবেষণা উপস্থাপন করবেন। গবেষণাটিতে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণকে উদ্যোক্তা উন্নয়ন, উদ্ভাবন ও বিনিয়োগের সঙ্গে যুক্ত করার একটি নতুন কাঠামো তুলে ধরা হয়েছে।

গবেষণার মূল ধারণা হলো, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ শুধু পরিবেশগত দায়িত্ব নয়; এটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক উন্নয়নের একটি সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র। এতে বিজ্ঞানী, উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সহযোগিতার মাধ্যমে টেকসই ও বাস্তবভিত্তিক সমাধান তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

নিজের প্রতিক্রিয়ায় শেখ মো. আকিজ জানান, আন্তর্জাতিক এই প্ল্যাটফর্মে গবেষণা উপস্থাপনের সুযোগ পাওয়া তার জন্য অত্যন্ত সম্মানের। তিনি বিশ্বাস করেন, গবেষণা, উদ্ভাবন ও বিনিয়োগের সমন্বয়ে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে কার্যকর সমাধান তৈরি করা সম্ভব।

এর আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে একাধিক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বৃত্তি এবং সম্মাননা অর্জন করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে ইউপিএস-স্পন্সরড মু কাপা টাও স্কলারশিপ, সিগমা নু টাও ফাউন্ডার্স স্কলারশিপ, টার্নার রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড, ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার ইনস্টিটিউটের অ্যালব্রেখ্ট ফেলোশিপ স্কলারশিপ এবং ইউনিভার্সিটি অব বাল্টিমোর গ্লোবাল ফিল্ড স্টাডি স্কলারশিপ।

তিনি একাধিক আন্তর্জাতিক সম্মানসূচক একাডেমিক ও পেশাগত সংগঠনের আজীবন সদস্য। এর মধ্যে রয়েছে বেটা গামা সিগমা (আন্তর্জাতিক বিজনেস অনার সোসাইটি), ওমিক্রন ডেল্টা কাপা (জাতীয় নেতৃত্ব অনার সোসাইটি), সিগমা নু টাও (জাতীয় উদ্যোক্তা অনার সোসাইটি), মু কাপা টাও (জাতীয় মার্কেটিং অনার সোসাইটি) এবং সিগমা আয়োটা এপসিলন (জাতীয় সম্মানসূচক ও পেশাগত ম্যানেজমেন্ট সোসাইটি)।

দুই দিনব্যাপী বিজ্ঞান উৎসব ‘রাজউক ন্যাশনাল সাইস্পার্ক ৪.০’ অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
দুই দিনব্যাপী বিজ্ঞান উৎসব ‘রাজউক ন্যাশনাল সাইস্পার্ক ৪.০’ অনুষ্ঠিত

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজে অনুষ্ঠিত হলো ‘রাজউক ন্যাশনাল সাইস্পার্ক ৪.০’। গত ১১ ও ১২ জুন দুই দিনব্যাপী এই বিজ্ঞান উৎসবের আয়োজন করা হয়।

উৎসবের প্রথম দিনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত শিক্ষার্থীরা রসায়ন, জীববিজ্ঞানসহ বিভিন্ন অলিম্পিয়াডে অংশ নেয়। দিনটির আয়োজন আরো প্রাণবন্ত হয় অ্যাস্ট্রোফটোগ্রাফার জুবায়ের কাওলিন এবং এসিএস ফিউচার স্কুলের কাজী রাকিব হাসানের অনুপ্রেরণামূলক সেমিনারে।

দ্বিতীয় দিনের মূল আকর্ষণ ছিল ‘সার্চ দ্য ট্রেজার’, ‘কিউব মাস্টার’ এবং ‘প্রজেক্ট ডিসপ্লে’। দিনব্যাপী প্রায় ২০০টিরও বেশি বিজ্ঞানভিত্তিক প্রজেক্ট প্রদর্শন করে ক্ষুদে বিজ্ঞানীরা। এ দিন শিক্ষার্থীদের মাঝে বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে উপস্থিত ছিল ২০২৩ সালের আন্তর্জাতিক রোভার ডিজাইন প্রতিযোগিতায় ১০ম স্থান অর্জনকারী দল ‘আইইউটি মার্স রোভার টিম’, যা শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করে।

দুই দিনের এ আয়োজন শেষ হয় সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. কায়কোবাদ এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন টেন মিনিট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা আয়মান সাদিক। সমাপনী বক্তব্য দেন কলেজের অধ্যক্ষ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইফুল হক আহমেদ, রাজউক কলেজ সায়েন্স ক্লাবের ওআইসি মো. শাহজালাল ও সভাপতি শেখ ফারহানসহ অন্যরা।

উৎসবে মোট ২০টি ইভেন্টে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ১৬২ জনকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। বিজয়ীদের ক্রেস্ট, মেডেল ও সার্টিফিকেট দেওয়া হয়। উৎসবটির মিডিয়া পার্টনার ছিল দৈনিক কালের কণ্ঠ।

শিক্ষকদের উৎসব ভাতা বৃদ্ধি নিয়ে সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
শিক্ষকদের উৎসব ভাতা বৃদ্ধি নিয়ে সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ‘শিক্ষকদের উৎসব ভাতা ৫০ শতাংশ রয়েছে, সেটাকে শতভাগ করার জন্য আমাদের প্রস্তাব রয়েছে। ইতোমধ্যে ১০ শতাংশ চেয়েছিলাম। এটা আগামী দিনে শুরু হবে। বাজেট হওয়ার পরে ক্রমান্বয়ে শতভাগ উৎসব ভাতা পাবেন।’

শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের পঞ্চমীঘাট উচ্চ বিদ্যালয়ের চারতলা ভবনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘প্রাথমিক স্কুলে হেডমাস্টারদের অভাব রয়েছে। ৩২ হাজার ৫০০ হেডমাস্টার নিয়োগের বিষয়টি আদালতে স্থগিত থাকার কারণে আমরা মামলাটি নিষ্পত্তি করার জন্য কাজ শুরু করেছি। বিভিন্ন ক্ষেত্রে মামলা জটিলতার জন্য আমরা দিতে পারছি না। সর্বমোট ৮৩ হাজার ৫০০ মামলা রয়েছে আমাদের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিরুদ্ধে। আমরা অ্যার্টনি জেনারেল ও আইনমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করে মামলা নিষ্পত্তি করতে যাচ্ছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘তোমাদের শিক্ষাব্যবস্থা হতে হবে আনন্দময়। আমরা তোমাদের জন্য খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করেছি। সোনারগাঁওয়ে একটি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপনের কাজ চলছে। আগামীতে শিক্ষার বাজেট জিডিপিরত ৫ শতাংশে উন্নীত করা হবে।’

মাভাবিপ্রবিতে ‘এআই ইন টেক্সটাইল অ্যান্ড ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি’ সেমিনার

মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি
মাভাবিপ্রবিতে ‘এআই ইন টেক্সটাইল অ্যান্ড ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি’ সেমিনার
ছবি: কালের কণ্ঠ

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ ও অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ আয়োজনে ‘এআই ইন টেক্সটাইল অ্যান্ড ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি’ শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৩ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় একাডেমিক ভবনের সেমিনারকক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অ্যালামনাই এবং সংশ্লিষ্ট খাতের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম শহীদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মতিউর রহমান এবং টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন, মাভাবিপ্রবির সভাপতি অমিত সরকার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান ও টেক্সটাইল ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মো. আবু বকর সিদ্দিকী।

সেমিনারের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জার্মানির হকশুলে নিডাররাইন ইউনিভার্সিটি অব অ্যাপ্লাইড সায়েন্সেসে টেকনিক্যাল টেক্সটাইলস বিষয়ে অধ্যয়নরত মো. শরিফুর রহমান রাকেশ। তিনি টেক্সটাইল ও ফ্যাশনশিল্পে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) বর্তমান ব্যবহার, ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা এবং এ খাতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম শহীদুল ইসলাম বলেন, বিশ্ব পরিবর্তনশীল, ফ্যাশনও পরিবর্তনশীল। তাই বৈশ্বিক চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে টেক্সটাইল প্রযুক্তিকেও যুগোপযোগী করতে হবে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের এ যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি টেক্সটাইল ও ফ্যাশনশিল্পে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। উৎপাদন ব্যবস্থাপনা, গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ, বাজার বিশ্লেষণ এবং ফ্যাশন ডিজাইনের ক্ষেত্রে এআইয়ের ব্যবহার শিল্প খাতকে আরো দক্ষ, প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই করে তুলছে।

তিনি আরো বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যপুস্তকভিত্তিক জ্ঞানে সীমাবদ্ধ না থেকে আধুনিক প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী দক্ষতা অর্জন করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় এমন উদ্যোগকে সব সময় উৎসাহিত করবে, যা শিক্ষার্থীদের শিল্প খাতের বাস্তব চাহিদার সঙ্গে সংযুক্ত করবে এবং ভবিষ্যতের প্রযুক্তিনির্ভর কর্মক্ষেত্রের জন্য প্রস্তুত করবে।

টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আবু বকর সিদ্দিকী বলেন, বিভাগটিকে নতুনভাবে ও ভিন্ন আঙ্গিকে সাজানো হচ্ছে। এটি দেশের অন্যতম যুগোপযোগী বিভাগ হিসেবে পরিচিতি লাভ করবে।

অন্যান্য বক্তারা বলেন, বিশ্বব্যাপী টেক্সটাইল ও ফ্যাশনশিল্পে দ্রুত প্রযুক্তিগত পরিবর্তন ঘটছে। উৎপাদন ব্যবস্থাপনা, মার্চেন্ডাইজিং, মান নিয়ন্ত্রণ, সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা এবং ফ্যাশন ডিজাইনে এআইয়ের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। ফলে শিক্ষার্থীদের আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্রের জন্য প্রস্তুত করতে হবে।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা এআইভিত্তিক স্মার্ট ম্যানুফ্যাকচারিং, তথ্য বিশ্লেষণ, অটোমেশন এবং ফ্যাশন উদ্ভাবনের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন। পাশাপাশি টেক্সটাইলশিল্পে প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান প্রভাব এবং আন্তর্জাতিক চাকরির বাজারে এর গুরুত্ব নিয়েও আলোচনা করা হয়।

উল্লেখ্য, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন এবং টেক্সটাইল ক্লাব, মাভাবিপ্রবির যৌথ উদ্যোগে সেমিনারটির আয়োজন করা হয়। আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের শিল্পসংশ্লিষ্ট আধুনিক জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।