• ই-পেপার

দীর্ঘ ১১ বছরের অপেক্ষা, নবম পে স্কেলের সিদ্ধান্ত কোন দিকে?

এসএসসি ও এইচএসসিতে বিষয় ও দিন কমানোর পরিকল্পনা সরকারের

অনলাইন ডেস্ক
এসএসসি ও এইচএসসিতে বিষয় ও দিন কমানোর পরিকল্পনা সরকারের
সংগৃহীত ছবি

দেশের সবচেয়ে বড় দুটি পাবলিক পরীক্ষা— এসএসসি ও এইচএসসির সময় কমিয়ে আনা এবং শিক্ষার্থীদের ওপর থেকে পড়াশোনার মানসিক চাপ কমাতে পরীক্ষা পদ্ধতিতে বড় ধরনের সংস্কারের পরিকল্পনা করছে সরকার। বিদ্যমান শিক্ষাক্রমের আওতায় পরীক্ষার বিষয় সংখ্যা যৌক্তিকীকরণ এবং পরীক্ষা গ্রহণের কর্মদিবস উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস করতে একটি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা ও ধারণাপত্র তৈরি করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। 

আরো পড়ুন
কমিশন না বাড়ালে বড় কর্মসূচির হুঁশিয়ারি সিএনজি স্টেশন মালিকদের

কমিশন না বাড়ালে বড় কর্মসূচির হুঁশিয়ারি সিএনজি স্টেশন মালিকদের

 

সম্প্রতি প্রস্তাবিত এই কর্মপরিকল্পনা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। 

এই উদ্যোগের বিষয়ে এনসিটিবি চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক পাটওয়ারী জানান, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার আলোকে একটি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রস্তুত করে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা মিললে দেশের প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ, কারিকুলাম ও মূল্যায়ন বিশেষজ্ঞ, অভিভাবক, শিক্ষার্থী এবং শিক্ষা বোর্ডের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি কর্মশালার আয়োজন করা হবে। সেখানে আসা মতামতগুলো পর্যালোচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, যা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।

এনসিটিবির ধারণাপত্রে বলা হয়েছে, বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা সম্পন্ন করতে প্রায় ২৫-৩০ কর্মদিবস এবং এইচএসসি পরীক্ষায় ৩০-৩৫ কর্মদিবস বা তার চেয়েও বেশি সময় লেগে যায়। এই দীর্ঘ সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো পরীক্ষা কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় হাজার হাজার স্কুলে স্বাভাবিক পাঠদান বন্ধ থাকে। ফলে অন্যান্য শ্রেণির শিক্ষার্থীদের শিখন ঘণ্টা (লার্নিং আওয়ার্স) আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাচ্ছে। 

এ ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি পরীক্ষার কারণে পরীক্ষার্থীদের ওপর অসহনীয় মানসিক চাপ তৈরি হয়। একই সঙ্গে পরীক্ষা পরিচালনায় বিপুলসংখ্যক শিক্ষককে পাঠদান থেকে বিরত থাকতে হয়। পরবর্তীতে উত্তরপত্র মূল্যায়ন, ফলাফল প্রকাশ ও উচ্চশিক্ষায় ভর্তি প্রক্রিয়া বিলম্বিত হওয়ায় সেশনজটের ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে। 

আরো পড়ুন
টেকনাফে মালয়েশিয়াগামী নৌকা থেকে ৫০ জন উদ্ধার, আটক ৯

টেকনাফে মালয়েশিয়াগামী নৌকা থেকে ৫০ জন উদ্ধার, আটক ৯

 

মন্ত্রণালয়ের সবুজ সংকেত পেলে এ বিষয়ে দুই দিনব্যাপী একটি বিশেষ কর্মশালা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে এনসিটিবির। যার মূল উদ্দেশ্য—এসএসসি ও এইচএসসির বিদ্যমান বিষয় কাঠামো পর্যালোচনা, পরীক্ষার ব্যাপ্তি কমানোর কার্যকর কৌশল নির্ধারণ, প্রতিবছর ডিসেম্বরের মধ্যে এসএসসি পরীক্ষা গ্রহণের সম্ভাব্যতা যাচাই, ধারাবাহিক ও সামষ্টিক মূল্যায়নের অনুপাত নির্ধারণ এবং সুপারিশমালা বাস্তবায়নের রোডম্যাপ তৈরি করা।

সংস্থাটি আরো জানায়, ভারত, শ্রীলঙ্কা, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও তুলনামূলক বিশ্লেষণ করে ন্যূনতম কতটি বিষয়ে পরীক্ষা নেওয়া যৌক্তিক তা নির্ধারণ করা হবে। বর্তমান বিষয়গুলোর মধ্যে কোনগুলো একীভূত বা সমন্বিত করা যায়, আবশ্যিক ও ঐচ্ছিক বিষয়ের পুনর্বিন্যাস কিভাবে হবে এবং বিদ্যালয়ভিত্তিক মূল্যায়নের নির্ভরযোগ্যতার মতো বিষয়গুলো নিয়ে সেখানে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

প্রস্তাবিত এই কর্মশালায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মাউশি, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর এবং সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা অংশ নেবেন। এ ছাড়া ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. মনজুর আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইইআর-এর পরিচালক অধ্যাপক হোসনে আরা বেগমসহ প্রায় ৯০ জন বিশেষজ্ঞ ও অংশীজন এই সুপারিশমালা প্রণয়নে যুক্ত থাকবেন। কর্মশালার ৬টি পৃথক দল সাধারণ সিলেবাসের সাথে মাদ্রাসা ও কারিগরি সিলেবাসের সামঞ্জস্য রক্ষা এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন নিয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দেবে।

এনসিটিবি’র সদস্য (শিক্ষাক্রম) অধ্যাপক ড. এ কে এম মাসুদুল হক বলেন, ‘পরীক্ষার বিষয় সংখ্যা এবং কর্মদিবস কিভাবে কমানো যায়, সে বিষয়ে আমরা মন্ত্রণালয়ে একটি প্রাথমিক ধারণাপত্র দিয়েছি। তবে বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত নয়। পরীক্ষা সংক্রান্ত মূল বিষয়গুলো আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে নির্ধারিত হবে।’

প্রক্রিয়াটির বর্তমান অগ্রগতি প্রসঙ্গে এনসিটিবির প্রধান সম্পাদক মুহাম্মদ ফাতিহুল কাদীর জানান, প্রাথমিক রূপরেখা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হলেও এই মুহূর্তে এ বিষয়ে নতুন কোনো কার্যক্রম নেই। কারণ, এনসিটিবির পুরো টিম এখন আগামী শিক্ষাবর্ষের বইগুলোর জরুরি পরিমার্জন (কারেকশন) এবং সেগুলো পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করার মতো বিশাল কর্মযজ্ঞ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক এই উদ্যোগের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সম্প্রতি একটি সভায় এ বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের মতামতের ভিত্তিতেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত ও প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

দীর্ঘ ছুটি শেষে স্কুল-কলেজ খুলছে রবিবার

অনলাইন ডেস্ক
দীর্ঘ ছুটি শেষে স্কুল-কলেজ খুলছে রবিবার

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশে টানা ছুটি শেষ হচ্ছে। দীর্ঘ ছুটি কাটিয়ে রবিবার (৭ জুন) দেশের সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আবার পাঠদান শুরু হবে। দুই সপ্তাহের বেশি সময় পর শ্রেণিকক্ষে ফিরবে লাখো শিক্ষার্থী।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত ২০২৬ সালের শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশ উপলক্ষে গত ২৪ মে (২১ মে, বৃহস্পতিবারের ক্লাস শেষে শুরু হয় এ ছুটি, এরপর ২২ ও ২৩ মে সাপ্তাহিক ছুটি ছিল) থেকে ছুটি শুরু হয় এসব প্রতিষ্ঠানে। নির্ধারিত ছুটি শেষ হয় গত বৃহস্পতিবার (৪ জুন)। এরপর ৫ ও ৬ জুন সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় প্রতিষ্ঠানগুলো খুলছে ৭ জুন ২০২৬ অর্থাৎ, রবিবার। এতে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সাপ্তাহিক ছুটিসহ টানা ১৬ দিনের ছুটি পেয়েছে।

অপর দিকে মাদরাসা শিক্ষার্থীরা আরো দীর্ঘ ছুটি পেয়েছে। আলিয়া, দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল স্তরের মাদরাসাগুলোয় ২৪ মে শুরু হওয়া এ ছুটি চলবে ১১ জুন পর্যন্ত। পরে ১২ ও ১৩ জুন সাপ্তাহিক ছুটি শেষে ১৪ জুন রবিবার ক্লাস শুরু হবে। ফলে মাদরাসা শিক্ষার্থীরা প্রায় ২৩ দিনের ছুটি পেয়েছে।

বেসরকারি কলেজের অনার্স কোর্স বন্ধ হয়ে যেতে পারে : জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য

অনলাইন ডেস্ক
বেসরকারি কলেজের অনার্স কোর্স বন্ধ হয়ে যেতে পারে : জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম আমানুল্লাহ বলেছেন, যেসব কলেজ অনার্স কোর্স চালানোর মতো উপযুক্ত না, সেসব বেসরকারি কলেজের ব্যাপারে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নতুন সিদ্ধান্ত আসতে পারে। যদি কলেজগুলো কোয়ালিটি এডুকেশন দিতে না পারে, তাহলে সেসব কলেজের অনার্স কোর্স হয়তো বন্ধ হয়ে যেতে।

শুক্রবার (৫ জুন) রাজধানীর ধানমন্ডিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর কার্যালয়ে ‘কারিকুলামে দক্ষতাভিত্তিক ও কর্মমুখী শিক্ষা অন্তর্ভুক্তকরণ বিষয়ে শিক্ষক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

অধ্যাপক ড. এস এম আমানুল্লাহ বলেন, ‘অনার্স অধিভুক্তি এই মুহূর্তে বন্ধ আছে, ২০১৬ সালে পার্লামেন্টের একটা পার্লামেন্টারি কমিটির সংসদীয় কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তা বন্ধ রয়েছে। আমরা সেটা এখনো চালু করিনি। অনার্স-মাস্টার্স খোলা থাকা সরকারি কলেজগুলার এক ধরনের বাস্তবতা, আর বেসরকারি কলেজগুলার এক ধরনের বাস্তবতা। জেলা ও ঢাকা শহরে অবস্থিত কলেজগুলোতে আরেক ধরনের বাস্তবতা রয়েছে।
 
উপজেলা অথবা আরো প্রত্যন্ত অঞ্চলের যেসব এলাকায় অনার্স কোর্স খোলা হয়েছে, সেখানে আরেক ধরনের বাস্তবতা। এই অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা কলেজগুলার র‌্যাংকিংয়ে  হাত দিয়েছি এবং কলেজগুলো কিভাবে পরিচালিত হচ্ছে এবং অনার্স কোর্সগুলার আমরা একটা ইভালুয়েশন চলছে।’ 

তিনি বলেন, ‘আমরা আগেও বলেছি মাঠ পর্যায়ের সমস্ত তথ্য আমাদের হাতে এসে পৌঁছে গেছে। প্রায় ৯০ শতাংশ তথ্য আমাদের হাতে এসে পৌঁছে গেছে। সেসব তথ্য আমরা ইভালুয়েট করছি। আমরা ইনসপেকশন করছি, যেসব কলেজ অনার্স কোর্স চালানোর মত উপযুক্ত না, বিশেষত বেসরকারি কলেজগুলোতে সেগুলার ব্যাপারে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নতুন সিদ্ধান্ত আসতে পারে। যদি তারা সেটাকে কোয়ালিটি এডুকেশন না দিতে পারে। তাহলে সেই সমস্ত কলেজগুলোতে অনার্স কোর্স হয়তো বন্ধ হয়ে যেতে পারে।’

১২ হাজার শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

অনলাইন ডেস্ক
১২ হাজার শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দক্ষতাভিত্তিক ও কর্মমুখী শিক্ষায় যুক্ত করতে সারা দেশের ১২ হাজার শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। 

আগামী ৭ জুন (রবিবার) বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শুক্রবার (৫ জুন) রাজধানীর ধানমন্ডিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর কার্যালয়ে ‘কারিকুলামে দক্ষতাভিত্তিক ও কর্মমুখী শিক্ষা অন্তর্ভুক্তিকরণ বিষয়ে শিক্ষক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ।

উপাচার্য বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন প্রায় আড়াই হাজার কলেজে প্রায় ৪০ লাখ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, উচ্চশিক্ষা শেষ করার পর উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিক্ষার্থী শ্রমবাজারের প্রয়োজনীয় দক্ষতার অভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এ বাস্তবতা বিবেচনায় সরকার, আইসিটি বিভাগ, এটুআই ও ইউনিসেফের সহযোগিতায় দক্ষতাভিত্তিক পাঠ্যক্রম চালু করা হয়েছে।

তিনি বলেন, নতুন পাঠ্যক্রমে শিক্ষার্থীরা ফ্রিল্যান্সিং, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, ডিজিটাল মার্কেটিং, সাইবার নিরাপত্তা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং ও ডাটা সায়েন্স বিষয়ে প্রশিক্ষণ পাবে। এসব বিষয়ে পাঠদান নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যে ৯০০ মাস্টার ট্রেইনার তৈরি করা হয়েছে। তাদের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে ১২ হাজার শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

ড. আমানুল্লাহ বলেন, উচ্চশিক্ষাকে শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ উপযোগী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি, উদ্যোক্তা তৈরি এবং আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের মানবসম্পদের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়ানোই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সংস্কার পরিকল্পনার বিভিন্ন দিকও তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে শিক্ষার্থীদের জন্য তৃতীয় ভাষা শিক্ষা চালু, শিল্প-একাডেমি সংযোগ বৃদ্ধি, নৈতিক শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ এবং পরিবেশ সুরক্ষায় ‘ওয়ান স্টুডেন্ট, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন।

উপাচার্য জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে একটি ভাষা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এর আওতায় কলেজগুলোতে ভাষা ক্লাব গড়ে তুলে শিক্ষার্থীদের চীনা, জাপানি, কোরীয়, স্প্যানিশ, ইতালীয় ও আরবি ভাষা শেখানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ৪০ লাখ শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। আমাদের আশা, এ কর্মসূচির মাধ্যমে আগামী পাঁচ বছরে দুই কোটির বেশি গাছ রোপণ সম্ভব হবে।

তিনি আরও বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিল্প-একাডেমি সংযোগের হার বর্তমানে ১০ শতাংশেরও কম। ২০৩০ সালের মধ্যে তা ৫০ থেকে ৬০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, খেলাধুলা, বিতর্ক ও নৈতিক শিক্ষা কার্যক্রম জোরদার করে শিক্ষার্থীদের মানবিক ও মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এসময় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. নূরুল ইসলামসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।