• ই-পেপার

জুনে মূল্যস্ফীতি কমে ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ

বুধবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ

অনলাইন ডেস্ক
বুধবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ

বাসা থেকে বের হয়ে যদি গিয়ে দেখেন মার্কেট বন্ধ, তখন কেমন লাগবে। তাই যাওয়ার আগে জেনে নেয়া উচিত রাজধানীর কোন এলাকায় কোন দিন দোকানপাট বন্ধ থাকবে। জেনে নেই বুধবার (৮ জুলাই) মার্কেট বন্ধ থাকবে।

পাবলিক ওয়ার্কস সেন্টার, ইউনিটি প্লাজা, যমুনা ফিউচার পার্ক, নুরুনবী সুপার মার্কেট, ইউনাইটেড প্লাজা, কুশল সেন্টার, এবি সুপার মার্কেট, আমির কমপ্লেক্স, উত্তরার মাসকট প্লাজা।

এ ছাড়াও বারিধারা, সাঁতারকুল, শাহাজাদপুর, নিকুঞ্জ-১, ২, কুড়িল, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, মধ্য ও উত্তর বাড্ডা, জগন্নাথপুর, খিলক্ষেত, উত্তরখান, দক্ষিণখান, জোয়ার সাহারা, আশকোনা, বিমানবন্দর সড়ক ও উত্তরা থেকে টঙ্গী সেতু পর্যন্ত এলাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক পদে পদোন্নতি নাহিদ রহমানের

অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক পদে পদোন্নতি নাহিদ রহমানের

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক (ইডি) হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন নাহিদ রহমান। সম্প্রতি তিনি এ পদে পদোন্নতি পান।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। পদোন্নতির আগে তিনি প্রেষণে দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন (বাংলাদেশ) লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক (ফাইন্যান্স অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

নাহিদ রহমান ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের জেনারেল সাইডে সহকারী পরিচালক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। এর আগে তিনি সাউথইস্ট ব্যাংকে প্রবেশনারি কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেছিলেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকে দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ, ফরেক্স রিজার্ভ অ্যান্ড ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমি এবং ক্রেডিট গ্যারান্টি বিভাগসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে দায়িত্ব পালন করেছেন।

শিক্ষাজীবনে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগ থেকে ফাইন্যান্সে এম.কম ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে প্রেষণে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট থেকে এমবিএম ডিগ্রি লাভ করেন। এ ছাড়া জাপান সরকারের জেডিএস স্কলারশিপের আওতায় রিৎসুমেইকান এশিয়া প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটি থেকে ডেভেলপমেন্ট ইকোনমিক্সে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

তিনি ইনস্টিটিউট অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের একজন ডিপ্লোমেইড অ্যাসোসিয়েট। এ ছাড়া ডিএফআই ও দ্য ফ্লেচার স্কুল, টাফটস ইউনিভার্সিটি-র যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত সিডিএফপি বিষয়ে উচ্চতর পেশাগত সার্টিফিকেশন কোর্স সম্পন্ন করেছেন। ব্যাংকিং খাতে তার একাধিক গবেষণাপত্র ও প্রবন্ধ বিভিন্ন পেশাগত সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।

খুলনার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম নেওয়া নাহিদ রহমানের বাবা আতিকুর রহমান অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংকার এবং মা সেলিমা রহমান গৃহিণী। তার স্বামী মো. আলমগীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের একজন অধ্যাপক।

বিসিক শিল্পে রপ্তানি নেমেছে অর্ধেকে

বাড়ছে খালি প্লটের সংখ্যা

অনলাইন ডেস্ক
বিসিক শিল্পে রপ্তানি নেমেছে অর্ধেকে

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) শিল্পনগরীগুলোতে গত চার বছরে রপ্তানি প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। একই সময়ে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ বাড়লেও রপ্তানি আয় কমেছে উল্লেখযোগ্য হারে। পাশাপাশি শিল্পনগরীগুলোতে খালি প্লটের সংখ্যাও ক্রমেই বাড়ছে, যা নতুন বিনিয়োগ ও শিল্পায়ন নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রতিদিন।

বিসিকের তথ্যানুযায়ী, ২০২১-২২ অর্থবছরে বিসিকের আওতাধীন ৮৮৭টি রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠান ৪৬ হাজার ২৯৩ কোটি টাকার পণ্য রপ্তানি করে। তখন এসব প্রতিষ্ঠানে মোট বিনিয়োগ ছিল ৪৩ হাজার ২৫৯ কোটি টাকা এবং দেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ১০ শতাংশ আসে বিসিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান থেকে। তবে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিনিয়োগ প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা বেড়ে গেলেও রপ্তানি কমে দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার ৯৪৭ কোটি টাকায়। ফলে জাতীয় রপ্তানি আয়ে বিসিক শিল্পের অবদান ১০ শতাংশ থেকে কমে ৫ শতাংশে নেমে এসেছে। বিসিক শিল্পনগরীর উদ্যোক্তারা হালকা প্রকৌশল, খাদ্য ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, বস্ত্র, পাট ও পাটজাত পণ্য, কাচ ও সিরামিক, কাগজ, চামড়া, ওষুধসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য উৎপাদন ও রপ্তানি করেন। বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সমিতির সাবেক সভাপতি মির্জা নূরুল গণি শোভনের মতে রপ্তানিমুখী ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা নানান ধরনের প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়ছেন, যা তাঁদের আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে দিচ্ছে। এদিকে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত বিসিকের ১৩ হাজার ৩৬৪টি শিল্প প্লটের মধ্যে ১ হাজার ৬৬৭টি খালি রয়েছে। এক বছর আগে, ২০২৫ সালের জুলাইয়ে খালি প্লট ছিল ১ হাজার ৭৭৬টি। এ সময়ে মাত্র ৩৭৩টি প্লট নতুন উদ্যোক্তাদের মধ্যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ২০২৪ সালের জুনে খালি প্লটের সংখ্যা ছিল ১ হাজার ১৩৯টি, আর ২০২৩ সালের এপ্রিলে ছিল ১ হাজার ৩টি।

সবচেয়ে বেশি ২৩৭টি খালি প্লট রয়েছে সিরাজগঞ্জ শিল্পনগরীতে। এ ছাড়া রাজশাহী শিল্পনগরী-২-এ ১৯, চুয়াডাঙ্গায় ১৮ ও বরগুনা শিল্পনগরীতে ১৫টি প্লট খালি রয়েছে।

বিসিক চেয়ারম্যান মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘প্রকৃত উদ্যোক্তার অভাব এবং নতুন শিল্প প্লট যুক্ত হওয়ায় খালি প্লটের সংখ্যা বাড়ছে। তবে যেসব প্লট খালি রয়েছে, সেগুলো দ্রুত বরাদ্দের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।’ এদিকে রবিবার শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বিসিক কর্মকর্তাদের এক সপ্তাহের মধ্যে খালি প্লটের তথ্য প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন।

অর্থনীতিবিদ সেলিম রায়হান বলেন, ‘কুটির, অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি (সিএমএসএমই) উদ্যোক্তাদের অনেকেই রপ্তানির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও আনুষ্ঠানিকতা সময়মতো সম্পন্ন করতে পারেন না। ফলে বিদেশি ক্রেতাদের কাছে নির্ধারিত সময়ে পণ্য সরবরাহে ব্যর্থ হন। এতে রপ্তানি বাজারে প্রবেশ বা সম্প্রসারণে অনীহা তৈরি হয়।’ তাঁর মতে রপ্তানির জটিল ও দীর্ঘ প্রশাসনিক প্রক্রিয়া এড়িয়ে অনেক উদ্যোক্তা দেশি বাজারেই পণ্য বিক্রি করতে বেশি আগ্রহী। তাই ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের রপ্তানিতে উৎসাহিত করতে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমিয়ে রপ্তানি প্রক্রিয়া আরও সহজ, কার্যকর ও ব্যবসাবান্ধব করা প্রয়োজন।’

১৬৮ কনটেইনার পণ্য অনলাইন নিলামে তুলছে চট্টগ্রাম কাস্টমস

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৬৮ কনটেইনার পণ্য অনলাইন নিলামে তুলছে চট্টগ্রাম কাস্টমস

বন্দরের কনটেইনার জট কমানো ও দীর্ঘদিন পড়ে থাকা অখালাস পণ্য দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ১৬৮ কনটেইনার পণ্য অনলাইন নিলামে তুলছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) জানিয়েছে, জুলাইয়ে দুটি ই-অকশনের মাধ্যমে এসব পণ্য বিক্রি করা হবে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) এনবিআরের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশেষ ই-অকশন নং-০৮/২০২৬-এর আওতায় ৭৬টি লটে ৯৩ কনটেইনার এবং ই-অকশন নং-০৭/২০২৬-এর আওতায় ৫৫টি লটে ৭৫ কনটেইনার পণ্য বিক্রি হবে। এতে কেমিক্যাল, বিটুমিন, যন্ত্রপাতি, কাপড়, কাগজ, গৃহস্থালি সামগ্রীসহ বিভিন্ন শিল্প ও ভোগ্যপণ্য রয়েছে।

এনবিআর জানায়, নিলাম প্রক্রিয়া ডিজিটাল পদ্ধতিতে হবে। আগ্রহী বিডাররা পণ্য পরিদর্শন করতে পারবেন—ই-অকশন নং-০৭/২০২৬-এর পণ্য ১৩ থেকে ২০ জুলাই এবং বিশেষ ই-অকশন নং-০৮/২০২৬-এর পণ্য ১৬ থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত দেখা যাবে।

অনলাইনে দরপত্র জমার শেষ সময় ই-অকশন নং-০৭/২০২৬-এর জন্য ২২ জুলাই বিকেল ৩টা এবং বিশেষ ই-অকশন নং-০৮/২০২৬-এর জন্য ২৬ জুলাই বিকেল ৩টা। দরপত্র ২২ জুলাই বিকেল সাড়ে ৩টায় এবং ২৭ জুলাই সকাল ১১টায় উন্মুক্ত করা হবে।

এনবিআরের মতে, এ উদ্যোগ চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানো, কনটেইনার জট কমানো এবং জাতীয় সম্পদের কার্যকর ব্যবস্থাপনায় সহায়ক হবে।