• ই-পেপার

শিল্পকারখানায় ছাঁটাই আতঙ্ক

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
সংগৃহীত ছবি

বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য ক্রমাগত বিস্তৃত হচ্ছে। এই বর্ধিত বাণিজ্যিক লেনদেনকে সচল রাখতে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার ও এর প্রয়োজনিয়তা।

লেনদেনের সুবিধার্থে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার সঙ্গে বাংলাদেশি টাকার শনিবার (১৩ জুন, ২০২৬) বিনিময় হার—

মুদ্রার নাম বাংলাদেশি টাকা

ইউএস ডলার : ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা
ইউরো : ১৪১ টাকা ৫৯ পয়সা
পাউন্ড : ১৬৪ টাকা ০৬ পয়সা
কানাডিয়ান ডলার : ৮৮ টাকা ০১ পয়সা
চাইনিজ ইয়েন : ১৮ টাকা ০৯ পয়সা
ভারতীয় রুপি : ১ টাকা ২৮ পয়সা
মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত : ৩০ টাকা ৩১ পয়সা
সিঙ্গাপুরি ডলার : ৯৫ টাকা ২৮ পয়সা
সৌদি রিয়াল : ৩২ টাকা ৭৬ পয়সা
কাতারি রিয়াল : ৩৩ টাকা ৭৩ পয়সা
কুয়েতি দিনার : ৩৯৮ টাকা ৬৮ পয়সা
অস্ট্রেলিয়ান ডলার : ৮৫ টাকা ৯৪ পয়সা

*মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।

প্রসঙ্গত, বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসীরা নিয়মিত বৈদেশিক মুদ্রা পাঠাচ্ছেন।

চার দফা কমার পর সোনার দামে বড় লাফ

অনলাইন ডেস্ক
চার দফা কমার পর সোনার দামে বড় লাফ
সংগৃহীত ছবি

টানা চার দফা কমানোর পর এবার সোনার দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ৯৪০ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।

শনিবার (১৩ জুন) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। আজ সকাল ১০টা থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিশ্ববাজারে কমেছে সোনা-রুপার দাম

অনলাইন ডেস্ক
বিশ্ববাজারে কমেছে সোনা-রুপার দাম
সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার আরও বাড়তে পারে—এমন প্রত্যাশার মধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম কমেছে। ফলে টানা দ্বিতীয় সপ্তাহের মতো সাপ্তাহিক লোকসানের পথে রয়েছে মূল্যবান ধাতুটি। আগামী সপ্তাহে অনুষ্ঠিতব্য যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের (ফেড) নীতিনির্ধারণী বৈঠকের আগে বিনিয়োগকারীরা সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন। খবর রয়টার্স

শুক্রবার (১২ জুন) স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স সোনার দাম ০ দশমিক ২ শতাংশ কমে ৪ হাজার ২০৫ দশমিক ৩৯ ডলারে নেমে আসে। সপ্তাহজুড়ে ধাতুটির দাম কমেছে প্রায় ২ দশমিক ৯ শতাংশ। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সোনা ফিউচারের দাম ২ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ২২৬ দশমিক ১০ ডলারে ওঠে।

বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক তথ্য যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতির চাপ পুরোপুরি কমেনি বলে ইঙ্গিত দিচ্ছে। এর ফলে ফেড সুদের হার দীর্ঘ সময় উচ্চ পর্যায়ে রাখতে পারে বলে ধারণা জোরালো হয়েছে।

ধাতুবাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান জ্যানার মেটালসের জ্যেষ্ঠ কৌশলবিদ পিটার গ্রান্ট বলেন, মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও তা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসবে—এমন বিশ্বাস এখনো বাজারে তৈরি হয়নি। ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সতর্কতা দেখা যাচ্ছে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উপসাগরীয় অঞ্চলের সংঘাত বন্ধে একটি সমঝোতা হতে পারে—এমন খবরে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ২ শতাংশের বেশি কমেছে। রয়টার্সকে দেওয়া এক পশ্চিমা সূত্রের তথ্যমতে, এ বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক রবিবারের মধ্যেই স্বাক্ষর হতে পারে এবং সম্ভাব্য স্থান হিসেবে সুইজারল্যান্ডের জেনেভার নাম আলোচনায় রয়েছে।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে সংঘাত শুরুর পর তেলের দামের ঊর্ধ্বগতির কারণে মূল্যস্ফীতি বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। সেই প্রেক্ষাপটে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো সুদের হার কমাতে অনাগ্রহী হতে পারে, যা সোনা বাজারের জন্য নেতিবাচক।

অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে রুপার দাম ০ দশমিক ৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৬৬ দশমিক ৮৮ ডলারে নেমেছে। প্লাটিনামের দাম কমেছে ০ দশমিক ৪ শতাংশ। তবে প্যালাডিয়ামের দাম ১ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে সাপ্তাহিক ভিত্তিতে লাভের পথে রয়েছে।

ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীরা যেকোনো সময় টাকা তুলতে পারবেন : গভর্নর

অনলাইন ডেস্ক
ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীরা যেকোনো সময় টাকা তুলতে পারবেন : গভর্নর

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের আশ্বস্ত করে বলেছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের কিছু টুলস আছে, যা আমরা আগামী কয়েক দিনের মধ্যে প্রয়োগ করব। আমানতকারীদের কোনো অসুবিধা হবে না, তারা যেকোনো সময় টাকা তুলতে পারবেন।

তিনি বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংকের জন্য ইমার্জেন্সি লিকুইডিটি সাপোর্ট (জরুরি তারল্য সহায়তা), যা দেওয়ার প্রয়োজন, তা আমরা দেব।’

শুক্রবার (১২ জুন) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে ব্যাংকিং খাত নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

গভর্নর বলেন, ‘ঈদের আগে ইসলামী ব্যাংকের তৎকালীন চেয়ারম্যান পদত্যাগ করেন। যেহেতু একটি সিস্টেমিক ব্যাংকে ন্যূনতম পাঁচজন সদস্য ছাড়া বোর্ড চলে না, তাই আমাদের তাৎক্ষণিকভাবে একজনকে নিয়োগ দিতে হয়েছে।’

ইসলামী ব্যাংকে অবৈধ হস্তক্ষেপের অভিযোগ নাকচ করে গভর্নর বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংকে আমরা এসে একটি বোর্ড পাই, যা অন্তর্বর্তী সরকার কর্তৃক গঠিত। পাঁচজনের এই বোর্ডের মধ্যে একজনের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ থাকায় তাকে ১৬ মার্চ পরিবর্তন করা হয়। এর বাইরে আমাদের কোনো কার্যক্রম ছিল না। আমরা কোনো বোনাস, বদলি বা পদোন্নতির জন্য কোনো হস্তক্ষেপ করিনি।’

ব্যাংকের আর্থিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘জুলাই ২০২৪-এ ইসলামী ব্যাংকের এডিআর (ঋণ-আমানত অনুপাত) ছিল ৯৩, যা বর্তমানে ৯৭-৯৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। আমাদের নির্ধারিত সীমা হলো ৯২। আমরা ম্যানেজমেন্টকে এটি কমাতে বলেছি।’

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক প্রসঙ্গে গভর্নর বলেন, ‘আমি এমন অবস্থায় গভর্নর হিসেবে কাজ শুরু করেছি, যখন দেখতে পাই ব্যাংকিং সেক্টরে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ টাকা চুরি হয়ে গেছে। ৩৫ শতাংশ থেকে ৩৬ শতাংশ এনপিএল (খেলাপি ঋণ) নিয়ে আমাদের যাত্রা শুরু হয়। শুরু থেকে আমাদের চেষ্টা ছিল সেক্টরটাকে প্রথমে স্থিতিশীল করা এবং তারপর ক্যাপিটালাইজ করা।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ডিপোজিট চুরি হয়ে গেছে। এইরকম একটি ব্যাংকিং সিস্টেমকে স্থিতিশীল করতে সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে।’

গভর্নর বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছিল, এই সরকার আসার পর সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর দেখলাম সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদত্যাগ করেছেন এবং মনোনীত এমডি দায়িত্ব নিতে অপরাগতা প্রকাশ করেছেন। নতুন এমডি নিয়োগের জন্য ২৫ মার্চ পর্যন্ত আবেদনের সময় দিয়ে বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়।’

তিনি যোগ করেন, ‘বিভিন্ন সংস্থা থেকে রিপোর্ট সংগ্রহ এবং ৬ ও ১০ মে ইন্টারভিউ নেওয়ার পর ১২ বা ১৩ মে এমডি নির্বাচন করা হয়। মাননীয় অর্থমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের প্রক্রিয়া শেষ করে মে মাসের শেষে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।’

তিনি জানান, বর্তমানে বোর্ডের কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলছে এবং গত মঙ্গলবার বা বুধবার নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান প্রথম সভা করেছেন।

বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, পাঁচটি ইসলামী ব্যাংকের সিবিএস (কোর ব্যাংকিং সফটওয়্যার) সমন্বয়ের অভাবের কথা, যা নিয়ে বর্তমানে কাজ চলছে বলে জানান তিনি।

এনবিএফআই নিয়ে সুখবর দিয়ে গভর্নর বলেন, ‘আগামী এক বা দুই সপ্তাহের মধ্যে কয়েকটি এনবিএফআই (আর্থিক প্রতিষ্ঠান) নিয়ে যে সমস্যা রয়েছে, তার সমাধান প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। ১২ বছর ধরে যেসব আমানতকারী টাকা পাচ্ছিলেন না, আমাদের কার্যক্রমের ফলে তারা তাদের টাকা ফেরত পাবেন।’