• ই-পেপার

মানুষের ওপর চাপ আরো বাড়বে : সিপিডি

বিশ্ববাজারে কমছে সোনা-রুপার দাম

অনলাইন ডেস্ক
বিশ্ববাজারে কমছে সোনা-রুপার দাম
স্বর্ণ ও রুপার গয়না। ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের বারুদ এখন বিশ্ব অর্থনীতির গলার কাঁটা। লেবাননে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব ভেস্তে যাওয়া আর ওয়াশিংটন-তেহরান শান্তি আলোচনা থমকে দাঁড়ানোয় বিশ্ববাজারে নতুন করে দানা বাঁধছে মূল্যস্ফীতি ও উচ্চ সুদের হারের শঙ্কা। আর ভূ-রাজনীতির এই উত্তাপেই চড়া দামের বাজার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা, যার সরাসরি ধাক্কা লেগেছে সোনার বাজারে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে বিশ্ববাজারে সোনার দামে বড় পতন লক্ষ করা যাচ্ছে, যা আরো দীর্ঘায়িত হওয়ার আভাস দিচ্ছেন বিশ্লেষকেরা। খবর রয়টার্স

শুক্রবার (৫ জুন) সকাল ৮টা ৪৯ মিনিটে আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ডের দাম শূন্য দশমিক ২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৪৬৩ দশমিক ৭৩ ডলারে। চলতি সপ্তাহে মূল্যবান এই ধাতুর দাম প্রায় ১ দশমিক ৬ শতাংশ কমেছে। অন্যদিকে, আগামী আগস্টে সরবরাহের চুক্তি থাকা মার্কিন গোল্ড ফিউচারের দাম শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ কমে ৪ হাজার ৪৯১ ডলারে নেমে এসেছে।

বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ লেবাননে নতুন যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। অন্যদিকে ইসরায়েলও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে না। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনার মাধ্যমে ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার যে চেষ্টা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প করছিলেন, তা বড় ধাক্কা খেল।

ইনভেস্টমেন্ট ফার্ম উইজডমট্রি-এর কমোডিটি স্ট্র্যাটেজিস্ট নিতেশ শাহ বলেন, ‘যখনই ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়, তখনই জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যায়। তেলের দাম বাড়লে মূল্যস্ফীতির শঙ্কা তীব্র হয়। ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো সুদের হার কমানোর পরিবর্তে তা আরো দীর্ঘ সময় ধরে উঁচুতে রাখতে পারে। আর সুদের হার বেশি থাকার পূর্বাভাস সোনার দামের ওপর চাপ তৈরি করে।’

এদিকে বাণিজ্যিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় চলতি সপ্তাহে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের (অপরিশোধিত তেল) দাম ২ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়েছে। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরান সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে তেলের দাম বাড়ার কারণে বিশ্ববাজারে সোনার দাম প্রায় ১৬ শতাংশ কমেছে। সাধারণত মূল্যস্ফীতি বাড়লে বিনিয়োগকারীরা সোনাকে নিরাপদ মনে করলেও, সুদের হার বেশি থাকলে সোনা জমানোর প্রবণতা কমে যায়, কারণ সোনা থেকে সরাসরি কোনো লভ্যাংশ বা সুদ আসে না।

শিকাগো মার্কেন্টাইল এক্সচেঞ্জের (সিএমই) ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ (ফেড) সুদের হার আরো ২৫ বেসিস পয়েন্ট বাড়াতে পারে—বাজারে এমন আশঙ্কা এখন ৩৭ শতাংশ।

ফেড আসলেই সুদের হার বাড়াবে কি না, তা বোঝার জন্য বিনিয়োগকারীরা এখন আজ রাতের মার্কিন নন-ফার্ম পে-রোল (অ-কৃষি খাতের কর্মসংস্থান) রিপোর্টের দিকে চোখ রাখছেন।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক ব্যাংক ইউবিএস-এর বিশ্লেষক জিওভানি স্টাউনোভো বলেন, ‘সোনার দাম কমার মূল কারণ হলো এই খাতে বিনিয়োগকারীদের অনীহা। মার্কিন অর্থনীতি এখনো শক্তিশালী গতিতে এগোচ্ছে এবং মূল্যস্ফীতি বাড়ছে। ফলে ফেডের পরবর্তী সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে আজ প্রকাশিতব্য কর্মসংস্থানের তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

সোনার পাশাপাশি বিশ্ববাজারে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও নিম্নমুখী। আজ রুপার (স্পট সিলভার) দাম ১ দশমিক ৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৭২ দশমিক ৫৮ ডলারে নেমেছে। এ ছাড়া প্ল্যাটিনামের দাম ১ দশমিক ২ শতাংশ কমে ১ হাজার ৮৭৭ দশমিক ৮২ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১ দশমিক ৫ শতাংশ কমে ১ হাজার ৩০০ দশমিক ৯০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। সবগুলো ধাতুই চলতি সপ্তাহে লোকসানের মুখে রয়েছে।

দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়ছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৮৫৫ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯২ হাজার ১৬৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৫৬ হাজার ৪৭৩ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৬৫৭ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৬০৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৪৪১ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

বন্ধ শিল্প চালু করতে কম সুদে ২০০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ, যারা পাবে

অনলাইন ডেস্ক
বন্ধ শিল্প চালু করতে কম সুদে ২০০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ, যারা পাবে
সংগৃহীত ছবি

বন্ধ শিল্প ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের জন্য ২০ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ তহবিল থেকে অর্থ নিয়ে ব্যাংকগুলো গ্রাহক পর্যায়ে মাত্র ৭ শতাংশ সুদে ঋণ দেবে। একটি কোম্পানি বা গ্রুপ সর্বোচ্চ ২০০ কোটি টাকা ঋণ নিতে পারবে। 

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক এসংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে সব ব্যাংকে পাঠিয়েছে। ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা তহবিলের আওতায় বড় শিল্প ও সেবা খাতের এ তহবিল ঘোষণা করা হয়েছে।

বর্তমানে ব্যাংকগুলো ১২ থেকে ১৪ শতাংশ সুদে ঋণ দিচ্ছে। কম সুদের এ তহবিলের ফলে সামগ্রিকভাবে বাজারে সুদহার কমাতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে গত ২৩ মে বন্ধ কলকারখানা চালুসহ বিভিন্ন খাতের জন্য ৬০ হাজার কোটি টাকার তহবিল ঘোষণা করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান।

নীতিমালা অনুযায়ী, বন্ধ ও আংশিক সচল কারখানা পুরোপুরি চালু করতে একটি কোম্পানি বা গ্রুপ সর্বোচ্চ ২০০ কোটি টাকা চলতি মূলধন ঋণ নিতে পারবে। চলতি মূলধন নেওয়া কোম্পানিতে প্রতিনিধি বসাতে পারবে ব্যাংক। স্কিমের আওতায় ঋণের সদ্ব্যবহারের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখা কোম্পানি ও ব্যাংক পাবে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা।  


যারা ঋণ পাবে
নীতিমালায় বলা হয়েছে, তহবিলের প্রধান লক্ষ্য বৃহৎ শিল্প ও সেবা খাতের এমন প্রতিষ্ঠানগুলোকে সহায়তা করা, যারা প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি থাকা সত্ত্বেও শুধু চলতি মূলধনের অভাবে পূর্ণ ক্ষমতায় উৎপাদন বা সেবা দিতে পারছে না। এই সহায়তার মাধ্যমে রপ্তানি বৃদ্ধি এবং নতুন কর্মসংস্থান তৈরির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। জাতীয় শিল্পনীতি অনুযায়ী সংজ্ঞায়িত বৃহৎ শিল্প ও সেবা খাতের আংশিক বা সম্পূর্ণ বন্ধ যে প্রতিষ্ঠানগুলো আবার চালু হতে সক্ষম, তারা এই সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবে। পাশাপাশি রপ্তানিমুখী ও প্রচ্ছন্ন রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোও ঋণ পাবে। কোনো দক্ষ প্রতিষ্ঠান যদি বন্ধ থাকা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানকে সচল করার উদ্দেশ্যে অধিগ্রহণ করে বা ইজারা নেয়, তবে তারাও এই সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবে। ঋণগ্রহীতাকে অবশ্যই ঋণ তথ্য ব্যুরো (সিআইবি) অনুযায়ী খেলাপি হওয়া যাবে না এবং ইতিপূর্বে অর্থপাচার বা ঋণের অর্থ অপব্যবহারের কোনো রেকর্ড থাকা চলবে না।

দর কমার পর নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা

অনলাইন ডেস্ক
দর কমার পর নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা

দেশের বাজারে ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৮৫৫ টাকা। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

গত মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকেই সোনার নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। আজ শুক্রবারও একই দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার দাম কমায় নতুন এই দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম পড়বে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৮৫৫ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯২ হাজার ১৬৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫৬ হাজার ৪৭৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে, সবশেষ গত ২৫ মে সকালে দেশের বাজারে সোনার দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।

এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৭ হাজার ৩৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।

এদিকে সোনার দাম কমানোর সঙ্গে দেশের বাজারে কমানো হয়েছে রুপার দামও। ভরিতে ১১৭ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৬৫৭ টাকা। 

এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৬০৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৪৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

রপ্তানি আয়ে মন্দা কাটেনি

এক বছরের ব্যবধানে কমেছে ৭ দশমিক ৯ শতাংশ

অনলাইন ডেস্ক
রপ্তানি আয়ে মন্দা কাটেনি
চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর। ফাইল ছবি।

দেশের রপ্তানি আয়ে মন্দা কাটেনি। পোশাক রপ্তানি কমায় দেশের সার্বিক রপ্তানি কমছে। বিশ্ববাজারের অস্থিরতা, অভ্যন্তরীণ গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট এবং উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় দেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি কমছে। প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাকের রপ্তানি কমে যাওয়ায় আগের বছরের একই সময়ের রপ্তানির তুলনায় ৭ দশমিক ৯ শতাংশ কমেছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত মে মাসে বাংলাদেশ বিশ্ববাজারে মোট ৪ বিলিয়ন ডলার সমমূল্যের পণ্য রপ্তানি করেছে। গত বছরের মে মাসে রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ছিল ৪ দশমিক ৭৩ বিলিয়ন ডলার। তবে গত মে মাসের এই আয় আগের মাস এপ্রিলের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ বেশি। এদিকে একক মাসের পাশাপাশি অর্থবছরের সামগ্রিক হিসাবেও রপ্তানি আয়ে নেতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে (জুলাই থেকে মে) আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় পণ্য রপ্তানি কমেছে ২ দশমিক ৫৫ শতাংশ।

ইপিবি জানায়, মে মাসে তৈরি পোশাক রপ্তানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ কমেছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই-মে মাসে তৈরি পোশাক রপ্তানি আগের বছরের ৩৬ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার থেকে ৩ দশমিক ৪১ শতাংশ কমে ৩৫ দশমিক ৩১ বিলিয়ন হয়েছে।

এর আগে, টানা ৮ মাস পতনের পর গত এপ্রিলে রপ্তানি ঘুরে দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু মে মাসে রপ্তানি কমে যাওয়ায় ইতিবাচক ধারা বজায় রাখা সম্ভব হয়নি। চলতি অর্থবছরের জুলাই-মে মাসে নিটওয়্যার খাতে রপ্তানি হয়েছে ১৮ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ১৯ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলারের। অর্থাৎ, বার্ষিক হিসাবে নিটওয়্যার রপ্তানি ৪ দশমিক ২৬ শতাংশ কমেছে। শুধু তা-ই নয়, গত বছরের মে মাসের তুলনায় এ বছরের মে মাসে নিটওয়্যার রপ্তানি ৮ দশমিক ৯১ শতাংশ কমেছে। ওভেন পোশাকে জুলাই-মে মাসে রপ্তানি হয়েছে ১৬ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলারের, যা গত অর্থবছরে ছিল ১৬ দশমিক ৯৪ বিলিয়ন ডলারের। বার্ষিক হিসেবে ওভেনে ২ দশমিক ৪২ শতাংশ রপ্তানি কমেছে। আর গত বছরের মে মাসের তুলনায় চলতি মে মাসে ওভেনের রপ্তানি কমেছে ৭ দশমিক ৫৩ শতাংশ।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, ইউরোপ-আমেরিকার বাজারে মূল্যস্ফীতি এবং দেশের ভিতরে নানামুখী প্রাতিষ্ঠানিক সংকটের কারণে তৈরি পোশাকের দুই প্রধান স্তম্ভ নিটওয়্যার ও ওভেন, কোনোটিই নেতিবাচক প্রবণতা থেকে বের হতে পারছে না।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন