সুদানে চলমান গৃহযুদ্ধে গত ছয় মাসে অন্তত ৩০০-এর বেশি শিশু নিহত বা আহত হয়েছে। এর বেশির ভাগই ড্রোন হামলার শিকার। সোমবার জাতিসংঘের শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) এই তথ্য জানিয়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটিতে শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। জাতিসংঘের তথ্যানুযায়ী, এ পর্যন্ত সুদানের সংঘাতে অন্তত ৫৯ হাজার মানুষ নিহত হয়েছে। বাস্তুচ্যুত হয়েছে প্রায় এক কোটি ৩০ লাখ মানুষ এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চল ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের মুখে পড়েছে। বর্তমানে তিন কোটিরও বেশি মানুষের জরুরি মানবিক সহায়তা প্রয়োজন। ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সুদানের সেনাবাহিনী এবং আধাসামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) মধ্যে সংঘাত চলছে। বর্তমানে উত্তর ও দক্ষিণ করদোফান, দারফুর এবং ব্লু নাইল অঞ্চলে লড়াই সবচেয়ে তীব্র। সূত্র : এপি নিউজ
ম্যাখোঁর সফর চলাকালে দামেস্কে বিস্ফোরণ
সুদানে গৃহযুদ্ধে তিন শতাধিক শিশু হতাহত

পাকিস্তানে পুলিশ চৌকিতে হামলা, নিহত ৯

পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ বেলুচিস্তানের একটি প্রত্যন্ত পুলিশ চৌকিতে সোমবার রাতে একদল উগ্রপন্থী বন্দুকধারী অতর্কিত হামলা চালিয়েছে। এই ঘটনায় উগ্রপন্থীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর তীব্র বন্দুকযুদ্ধের জেরে অন্তত ৯ পুলিশ কর্মকর্তা নিহত এবং বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। বেলুচিস্তান পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হামলার এই ঘটনাটি প্রদেশের জিয়ারত জেলার একটি দুর্গম এলাকায় সংঘটিত হয়েছে। হামলার প্রথম পর্যায়ে উগ্রপন্থীরা ওই চৌকি থেকে আট পুলিশ কর্মকর্তাকে অপহরণ করে নিয়ে গিয়েছিল। তবে ঘটনার পরপরই নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা একটি বিশেষ উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে অপহৃত সব কর্মকর্তাকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হন বলে বেলুচিস্তান সরকারের মুখপাত্র শাহিদ রিন্দ নিশ্চিত করেছেন।
সূত্র : এপি
ইসরায়েলি বিমান হামলার পর আতঙ্কিত ও কান্নারত ফিলিস্তিনি শিশুরা

বিভিন্ন দেশে কৌশলে গুপ্তচর বানাত সিআইএ

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (সিআইএ) বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গুপ্তচর নিয়োগে শুধু অর্থের প্রলোভনের ওপর নির্ভর করত না। বরং ব্যক্তির প্রয়োজন ও মানসিক অবস্থার ভিত্তিতে নানা ধরনের সহায়তা ও উপহার দিয়ে তাদের সহযোগিতায় রাজি করানোর কৌশল গ্রহণ করত বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিআইএর কর্মকর্তারা সম্ভাব্য তথ্যদাতাদের ভরণ-পোষণ (অ্যালিমনি) পরিশোধে সহায়তা, ফ্রিজ কেনা, মদ সরবরাহ কিংবা শিক্ষা ব্যয় বহনের প্রতিশ্রুতির মতো নানা সুবিধা দিতেন। সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই অর্থ সহযোগিতার প্রধান কারণ ছিল না।
তাঁদের মতে, ব্যক্তিগত ক্ষোভ, ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের প্রতি হতাশা কিংবা নিজ দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থার সঙ্গে মতবিরোধ—এসব কারণেই অনেক মানুষ গুপ্তচরবৃত্তিতে জড়াতে আগ্রহী হতো। প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিআইএর নিয়োগ কৌশলের মূল ভিত্তি ছিল সম্ভাব্য ব্যক্তির প্রয়োজন ও মানসিক অবস্থা গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা। এ প্রসঙ্গে ২০০৮ সালের একটি ঘটনার উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়, প্রায় ৬০ বছর বয়সী এক আফগান ফিল্ড কমান্ডারকে অর্থ দিয়ে নয়, মাত্র চারটি ভায়াগ্রা ট্যাবলেট দিয়ে নিজের পক্ষে আনতে সক্ষম হন এক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা।
সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের দাবি, বড় অঙ্কের অর্থ বা অস্ত্র দিয়ে কাউকে নিয়োগের প্রচলিত পদ্ধতি অনেক সময় কার্যকর হতো না। সূত্র : ওয়ান নিউজ
