• ই-পেপার

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা

তিন কারণে ভেস্তে যাওয়ার শঙ্কা

  • সমঝোতা স্মারক-আলোচনার কাঠামো, কোনো চূড়ান্ত সমাধান নয়

সাংস্কৃতিক যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে মার্কিনরা

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
সাংস্কৃতিক যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে মার্কিনরা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সাংস্কৃতিক যুদ্ধ শুরু হয়েছে। উদারপন্থী ও রক্ষণশীল সামাজিক মূল্যবোধের দ্বন্দ্বে দেশটির নাগরিকরা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। আগামী মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে ভোটারদের নিজেদের পক্ষে টানতে রিপাবলিকান প্রার্থীরা এই বিভাজনকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে। সিএনএনের জরিপ অনুযায়ী, প্রায় অর্ধেক মার্কিন মনে করে, বর্তমান সমাজ ভিন্ন সংস্কৃতি, লিঙ্গ পরিচয় ও যৌন অভিমুখিতাকে অতিরিক্ত মাত্রায় গ্রহণ বা প্রশ্রয় দিয়ে ফেলেছে। বাকি অর্ধেক অবশ্য এই ধারণাকে প্রত্যাখ্যান করেছে। সূত্র : সিএনএন

 

 

ইসরায়েলে তেল-কয়লা রপ্তানি করছে দক্ষিণ আফ্রিকা ও ব্রাজিল

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
ইসরায়েলে তেল-কয়লা রপ্তানি করছে দক্ষিণ আফ্রিকা ও ব্রাজিল

দক্ষিণ আফ্রিকা ও ব্রাজিল গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যার প্রকাশ্য নিন্দা জানায়। দেশ দুটি দ্য হেগ গ্রুপ’-এর চুক্তিতেও স্বাক্ষর করেছে। তবু ইসরায়েলে কয়লা ও অপরিশোধিত তেল সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে। যেখানে কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো ২০২৫ সালের আগস্টে নিষেধাজ্ঞা জারি করে ইসরায়েলে কয়লা রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছেন। কলম্বিয়া রপ্তানি বন্ধ করার পর হেগ গ্রুপের অন্যতম স্থপতি দক্ষিণ আফ্রিকা সেই বাণিজ্য কবজা করে। বর্তমানে ইসরায়েলে দেশটির কয়লা রপ্তানি ৮৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ইসরায়েলি সামরিক ঘাঁটি ও অবৈধ বসতিগুলোর বিদ্যুৎ গ্রিড সচল রাখছে।
সূত্র : মিডল ইস্ট আই

 

 

রাশিয়ার ওপর সবচেয়ে বড় হামলা চালাল ইউক্রেন

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
রাশিয়ার ওপর সবচেয়ে বড় হামলা চালাল ইউক্রেন
রাশিয়ার মস্কোতে একটি তেল শোধনাগারে গতকাল ইউক্রেনের ড্রোন হামলার পর কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায়। ছবি : রয়টার্স

গত দুই বছরের মধ্যে রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর ওপর সবচেয়ে বড় ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। হামলায় বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, আগুন লেগেছে এবং রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে পড়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত মস্কোগামী অন্তত ১৯৪টি ড্রোন ভূপাতিত করেছে রুশ আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা। সাম্প্রতিক মাসগুলোর তুলনায় এটি অনেক বড় হামলা, যেখানে সাধারণত ড্রোনের সংখ্যা দুই অঙ্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকত। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মস্কো ছাড়াও দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে চালানো হামলায় মোট ৫৫৫টি ড্রোন প্রতিহত করা হয়েছে। ড্রোন হামলার কারণে মস্কোর প্রধান বিমানবন্দরগুলোতে সাময়িকভাবে উড়োজাহাজ চলাচল বন্ধ রাখা হয়।
সূত্র : সিএনএন

 

সামরিক শক্তি বাড়ানোর দিকে নজর জাপানের

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
সামরিক শক্তি বাড়ানোর দিকে নজর জাপানের

আঞ্চলিক শান্তি বজায় রাখতে এবং যুদ্ধ প্রতিরোধে জাপানের সামরিক সক্ষমতা জোরদার করা অত্যন্ত জরুরি বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি। বিবিসিকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকরে তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী দীর্ঘদিনের শান্তিবাদী নীতি পুনর্বিবেচনা করার ওপর জোর দিয়েছেন।

কোইজুমি জানান, সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রতিরক্ষা জোট সুদৃঢ় করা এবং সমমনা দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা সম্প্রসারণের মাধ্যমে একটি বহুমাত্রিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলাই টোকিওর মূল লক্ষ্য। সাম্প্রতিক নীতি পরিবর্তনের ফলে জাপান গত ৫০ বছরে প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যসহ ১৭টি চুক্তিবদ্ধ দেশে অস্ত্র সামরিক সরঞ্জাম রপ্তানির অনুমতি পেয়েছে। এরই মধ্যে অস্ট্রেলিয়া জাপানি যুদ্ধজাহাজ কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। ফিলিপিন্স, ইন্দোনেশিয়া ও নিউজিল্যান্ডও জাপানি ডেস্ট্রয়ার কিনতে চেয়েছে।

২০২৫ সালের অক্টোবরে ক্ষমতায় আসা প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির প্রশাসন জাপানি সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯ সংশোধনের পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়েছে। অনুচ্ছেদটি আন্তর্জাতিক বিরোধ নিষ্পত্তিতে যুদ্ধ বা শক্তি প্রয়োগের অধিকারকে বর্জন করে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে নয়, বরং একজন সংসদ সদস্য হিসেবে কোইজুমি এই সংশোধনের সমর্থন করে বলেন, বিগত আট দশকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নাটকীয়ভাবে বদলে গেছে। শান্তি বজায় রাখতে আমাদের এই পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে হবে।

বিশেষ করে চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক তৎপরতা এবং উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা জাপানের জন্য বড় কৌশলগত চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই তাকাইচি সরকার প্রতিরক্ষা বাজেট দ্বিগুণ করে জিডিপির ২ শতাংশে উন্নীত করেছে, যা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে ব্যয় হবে। সূত্র : বিবিসি