• ই-পেপার

আইফোনপ্রেমীদের জন্য বড় দুঃসংবাদ

হংকং কর্মীদের জন্য ক্লড এআই বন্ধ করল জেপিমরগান

অনলাইন ডেস্ক
হংকং কর্মীদের জন্য ক্লড এআই বন্ধ করল জেপিমরগান
ছবিঃ রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম ব্যাংকগুলোর একটি জে-পি-মর্গ্যান চেইস হংকংয়ে কর্মরত তাদের কর্মীদের জন্য এআই প্রতিষ্ঠান অ্যানথ্রোপইক-এর ক্লড মডেল ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বলে জানিয়েছে ফিন্যান্সিয়াল টাইমস।

১৮ জুন (বৃহস্পতিবার) রয়টার্স- এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য দেয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অ্যানথ্রপিকের লাইসেন্সিং চুক্তির কিছু শর্ত নিয়ে উদ্বেগের কারণে ব্যাংকটি কর্মীদের অনুমোদিত এআই টুলের তালিকা থেকে ক্লড মডেল সরিয়ে দিয়েছে।

এর আগে গত এপ্রিলে আরেকটি মার্কিন বিনিয়োগ ব্যাংক গোল্ডম্যান স্যাক্স-ও হংকংভিত্তিক কর্মীদের জন্য ক্লড ব্যবহারের অনুমোদন প্রত্যাহার করেছিল।

বিশ্লেষকদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, তথ্য নিরাপত্তা এবং উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনার প্রভাবেই এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

মূল ভূখণ্ড চীনে যুক্তরাষ্ট্রের অনেক এআই মডেল ব্যবহার করা না গেলেও হংকংয়ে এখনো কিছু মডেল সীমিত আকারে চালু রয়েছে।

এদিকে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক অ্যানথ্রপিককে তাদের উন্নত এআই মডেল ‘মাইথোস’ ও ‘ফেবল’ বিদেশি নাগরিকদের কাছে সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন। তার দাবি, এসব প্রযুক্তি চীন, রাশিয়া বা অন্যান্য দেশের সামরিক ও গোয়েন্দা কাজে ব্যবহৃত হতে পারে।

তবে এ বিষয়ে জেপিমরগান ও অ্যানথ্রপিক আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

এআই সাইবার হামলার শঙ্কায় ব্যাংক সেবা বন্ধের প্রস্তুতি

অনলাইন ডেস্ক
এআই সাইবার হামলার শঙ্কায় ব্যাংক সেবা বন্ধের প্রস্তুতি
ছবিঃ রয়টার্স

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)  ব্যবহার করে হ্যাকাররা বড় সাইবার হামলা চালাতে পার, তাই গ্রাহকদের টাকা বাঁচাতে প্রয়োজনে এটিএম ও অনলাইন ব্যাংকিং সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হতে পারে বলে জানিয়েছে জাপানের ব্যাংক খাতের শীর্ষ সংগঠন।

জাপান ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান ও মিজুহো ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট মাসাহিকো কাতো বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন। 

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এ তথ্য দেয়।

জাপান ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান ও মিজুহো ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট মাসাহিকো কাতো জানান, নতুন প্রজন্মের শক্তিশালী এআই মডেলগুলো সফটওয়্যার ব্যবস্থার দুর্বলতা খুব দ্রুত শনাক্ত করতে সক্ষম। ফলে আগের তুলনায় আরো জটিল ও বড় ধরনের সাইবার হামলার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

মাসাহিকো কাতো বলেন, “যদি গ্রাহকদের সম্পদ ঝুঁকিতে পড়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়, তাহলে নিরাপত্তার স্বার্থে এটিএম বা অন্যান্য কিছু ব্যাংকিং সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হতে পারে।”

চলতি বছরের এপ্রিলে এআই প্রতিষ্ঠান অ্যানথ্রোপিক তাদের নতুন এআই মডেল ‘মাইথোস’ উন্মুক্ত করেন। এ সময় তিনি জানায়, এটি হাজার হাজার সফটওয়্যার দুর্বলতা শনাক্ত করেছে। এসব দুর্বলতার মধ্যে বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেম ও ওয়েব ব্রাউজারের ত্রুটিও রয়েছে। 

তবে সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করেন, বিষয়টি নিয়ে অতিরিক্ত উদ্বেগের প্রয়োজন নেই। তাদের মতে, শুধু উন্নত এআই মডেলের প্রবেশাধিকার পেলেই সাইবার অপরাধীরা এমন কোনো নতুন হামলা চালাতে পারবে না, যা আগে সম্ভব ছিল না।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র সরকার সম্প্রতি জাতীয় নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে বিদেশি নাগরিকদের জন্য অ্যানথ্রপিকের উন্নত এআই মডেল ব্যবহারে কিছু সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছে।

ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপ চালাতে দিতে হবে টাকা, হঠাৎ কেন সাবস্ক্রিপশন চালু করল মেটা

অনলাইন ডেস্ক
ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপ চালাতে দিতে হবে টাকা, হঠাৎ কেন সাবস্ক্রিপশন চালু করল মেটা
সংগৃহীত ছবি

নিখরচায় হাতের মুঠোয় ছিল পৃথিবী। অপরিচিত মানুষকে চেনার সুযোগ। আবার ব্যক্তিগত কথোপকথন থেকে অফিসের গুরুত্বপূর্ণ কথা-মিটিং। এই সবকিছুই সহজ হয়ে উঠেছিল ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপের দৌলতে। খবর এনডিটিভি

একই সঙ্গে বৈশ্বিক নাগরিক হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছিল ইনস্টাগ্রাম। পছন্দের তারকাকে ফলো করা থেকে ছবি ও ভিডিও দেখার আনন্দ। ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই এতদিন ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করা যেত। কিন্তু এখন থেকে এই প্লাটফর্মগুলো ব্যবহার করতে চাইলে গুনতে হবে টাকা।

মার্কিন ধনকুবের মার্ক জাকারবার্গের সংস্থা মেটা এই ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইনস্টাগ্রামের মালিক। সম্প্রতি প্ল্যাটফর্মগুলোতে ব্যবহারকারীদের জন্য সাবস্ক্রিপশন প্ল্যান চালু করেছে তারা। চালু হয়েছে ফেসবুক প্লাস, ইনস্টাগ্রাম প্লাস ও হোয়াটসঅ্যাপ প্লাস পরিষেবা। প্রত্যেকটি সেবা বাবদ মাসে ৯৯ টাকা দিতে হচ্ছে।
 
পাশাপাশি বিজনেসেস, ক্রিয়েটর্স এবং মেটা আই ব্যবহারকারীদের জন্য এআই চ্যাটবটও আনা হয়েছে। পাওয়ার ইউজার্সদের জন্য আপগ্রেডেট টিয়ার্স নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছে তারা।
 
বিশ্লেষকরা বলছেন, এআই খাতে ক্রমবর্ধমান ব্যয় মেটাতে এ ধরনের পদক্ষেপ জরুরি হয়ে পড়েছে। জাকারবার্গ অন্যদের তুলনায় এআই জগতে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছেন। বর্তমানে তিনি সেই জায়গাটি পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছেন।

টেক আর্কের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান বিশ্লেষক ফয়সাল কাওসা এনডিটিভিকে বলেন, মেটা এআই অবকাঠামোতে ১২৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছে। এই বিনিয়োগের সার্থকতা প্রমাণের জন্য তাদের একটি পূর্বাভাসযোগ্য এবং সামঞ্জস্যপূর্ণ আয়ের উৎস প্রয়োজন। শুধু বিজ্ঞাপন থেকে প্রাপ্ত আয় দিয়ে এটি পূরণ করা সম্ভব নয়। এআই আসার পর কনটেন্ট খোঁজ করার এবং ব্যবহারের ধরন বদলে যাচ্ছে।
 
তিনি বলেন, মেটা মাইক্রোসফট বা গুগলের মতো বড় বড় কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর আস্থা অর্জন করতে পারেনি। ফলে তাদের বাণিজ্যিক উপস্থিতিও তেমন সাড়া ফেলতে পারেনি। বিনা মূল্যে ব্যবহারকারীদের জন্য এটি নেতিবাচক মনে হতে পারে।
 
ট্রুইস্ট সিকিউরিটিজ বলছে, ২০৩০ সাল নাগাদ সাবস্ক্রিপশন থেকে বছরে মেটার ২০ বিলিয়ন ডলার বাড়তি আয় হতে পারে। ডয়চে ব্যাংকের বরাত দিয়ে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল বলেছে, আগামী বছর সাবস্ক্রিপশন থেকে ১৫ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার আয় হতে পারে। যদিও অনেক বিশ্লেষক এমন উচ্চাভিলাষী হিসাব নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন।

মেটা বলছে, গত বছর সংস্থাটির মোট আয়ের ৯৭.৬ শতাংশ বিজ্ঞাপন থেকে এসেছিল। প্রতিষ্ঠানটি দুই দশকেও বিজ্ঞাপনের বাইরে ব্যবসা বিস্তৃত করতে পারেনি। অন্যদিকে গুগল বিজ্ঞপননির্ভর হলেও ১০ বছর আগে বিজ্ঞাপনের বাইরে যা আয় করত, মেটা গত বছরও সেই পরিমাণ আয় করতে পারেনি। এসব কারণে জাকারবার্গ এ ধরনের তৎপরতার দিকে ঝুঁকতে পারেন।
 
এআই বিশেষজ্ঞ এবং এআইএনসিউর্ডের সিটিও শ্রীনিবাস পদ্মনাভুনী বলেন, মেটার এ ধরনের পদক্ষেপ মূলত সাময়িক জোড়াতালি দেওয়ার শামিল। তিনি বলেন, মেটার পেইড প্ল্যানগুলো দেখে মনে হচ্ছে তারা এআইতে নিজেদের বিশাল বিনিয়োগ তুলে আনতে চেষ্টা করছে। এজন্য কেবল নিয়মিত ব্যবহারকারীদের আরো বাড়তি কিছু সুবিধা দিয়ে টাকা আদায়ে মরিয়া হয়ে উঠেছে।

স্মার্ট চশমা ও সামরিক এআই নিয়ে নতুন বিতর্ক

পেন্টাগনের চাপেও নতি স্বীকার করেনি অ্যানথ্রপিক

অনলাইন ডেস্ক
পেন্টাগনের চাপেও নতি স্বীকার করেনি অ্যানথ্রপিক
ছবি : রয়টার্স

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন করে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। একদিকে মেটার স্মার্ট চশমায় মুখ শনাক্তকরণ প্রযুক্তি যুক্ত করার গোপন উদ্যোগের তথ্য সামনে এসেছে, অন্যদিকে সামরিক কাজে এআই ব্যবহারের সীমাবদ্ধতা শিথিল করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে পেন্টাগনের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়েছে এআই প্রতিষ্ঠান অ্যানথ্রপিক।

প্রযুক্তিবিষয়ক সাময়িকী ওয়্যার্ড-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, মেটা পেন্টাগনের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান র‍্যাংক ওয়ান কম্পিউটিং-এর প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাদের রে-ব্যান ও ওকলি স্মার্ট গ্লাসে মুখ শনাক্তকরণ প্রযুক্তির একটি প্রোটোটাইপ বা ডেমো তৈরি করেছিল।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘নেমট্যাগ’ নামে একটি অভ্যন্তরীণ প্রকল্পের আওতায় স্মার্ট গ্লাসের ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিও থেকে মানুষের পরিচয় শনাক্ত করার প্রযুক্তি নিয়ে কাজ চলছিল। এ উদ্দেশ্যে মেটার অ্যাপে প্রয়োজনীয় কোডও যুক্ত করা হয়েছিল, যদিও তা কখনো সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়নি।

বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর গোপনীয়তা ও নাগরিক অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করে। তাদের মতে, এ ধরনের প্রযুক্তি মানুষের অজান্তে নজরদারির ঝুঁকি বাড়াতে পারে। সমালোচনার মুখে পরে মেটা সংশ্লিষ্ট কোড অপসারণ করে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এদিকে সামরিক ক্ষেত্রে এআই ব্যবহারের নীতি নিয়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছে অ্যানথ্রপিক। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি তাদের এআই প্রযুক্তি স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র পরিচালনা বা যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নজরদারিতে ব্যবহারের ওপর থাকা নিরাপত্তা সীমাবদ্ধতা তুলে দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

অ্যানথ্রপিকের প্রধান নির্বাহী ডারিও অ্যামোডেই বলেছেন, জাতীয় নিরাপত্তা কার্যক্রমে সহযোগিতা করা সম্ভব হলেও প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। পেন্টাগনের চাপ থাকা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানটি তাদের নিরাপত্তা নীতিতে পরিবর্তন আনতে রাজি হয়নি।

এরই ধারাবাহিকতায় অ্যানথ্রপিক ও ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যে আইনি বিরোধও সামনে এসেছে। কম্পানিটি অভিযোগ করেছে, সামরিক কাজে তাদের ক্লাউড চ্যাটবট ব্যবহারের নিয়ম শিথিল করতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণে সরকারি সংস্থাগুলো তাদের পণ্য ব্যবহার সীমিত করার উদ্যোগ নেয়।

চলতি বছরের ৯ মার্চ অ্যানথ্রপিক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ-এর বিরুদ্ধে মামলা করে। কোম্পানিটির দাবি, তাদের প্রযুক্তিকে স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র বা অভ্যন্তরীণ নজরদারিতে ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ায় সরকার তাদের কার্যত কালো তালিকাভুক্ত করার চেষ্টা করেছে।

গত ৯ জুন (মঙ্গলবার) রয়টার্স এর এক প্রতিবেদন এ তথ্য দেয়।

তবে ট্রাম্প প্রশাসন আদালতে দাখিল করা নথিতে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। সরকারের দাবি, অ্যানথ্রপিকের বিরুদ্ধে কোনো বেআইনি বা প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি এবং বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত সরকারি সিদ্ধান্তের পর্যায়ে পৌঁছেনি।

বিশ্লেষকদের মতে, মেটার স্মার্ট গ্লাস বিতর্ক এবং অ্যানথ্রপিক-পেন্টাগন বিরোধ দেখিয়ে দিচ্ছে এআই প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে গোপনীয়তা, নাগরিক অধিকার ও সামরিক ব্যবহারের নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন আরো তীব্র হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রযুক্তি কোম্পানি ও সরকারের মধ্যে নিয়ন্ত্রণের সীমা নিয়েও নতুন বিতর্কের সূচনা হয়েছে।