• ই-পেপার

রবিন হুডকে আশ্রয় দেওয়া মেজর ওক গাছের মৃত্যু

ইরান চুক্তির সময়সীমা শুরু : জেডি ভ্যান্স

অনলাইন ডেস্ক
ইরান চুক্তির সময়সীমা শুরু : জেডি ভ্যান্স
সংগৃহীত ছবি

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানি নেতাদের মধ্যে অনুমোদিত সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) উল্লেখিত ৬০ দিনের সময়সীমা বৃহস্পতিবার থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।

হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ভ্যান্স বলেন, ‘৬০ দিনের সময়সীমা আনুষ্ঠানিকভাবে আজ থেকেই শুরু হয়েছে।’

তবে ৬০ দিনের এই সময়সীমার মধ্যে উভয় পক্ষের কাছ থেকে কী ধরনের পদক্ষেপ প্রত্যাশা করা হচ্ছে, সে বিষয়ে ভ্যান্স বিস্তারিত কিছু জানাননি।

হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা বলছেন, নির্ধারিত সময়সীমা কূটনৈতিক প্রচেষ্টার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করবে এবং এই সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে অগ্রগতি অর্জনের চেষ্টা করা হবে।
 

‘আমাকে এখানে চুমু দাও’— তরুণের আবদারে বিব্রত পর্যটক

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
‘আমাকে এখানে চুমু দাও’— তরুণের আবদারে বিব্রত পর্যটক
ছবি : ইনস্টাগ্রাম/মার্কো রোমস

কলকাতার রাস্তায় হাঁটতে গিয়ে বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছেন এক অস্ট্রেলিয়ান পর্যটক। মার্কো রোমস নামের অস্ট্রেলিয়ান পর্যটক তার ইনস্টাগ্রামে অস্বস্তিকর সে ঘটনার ভিডিও পোস্ট করেছেন। মুহূর্তেই ভাইরাল সেই ভিডিও। সৃষ্টি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার। 

ভিডিওতে দেখা যায়, অস্ট্রেলিয়ান যুবক মার্কো কলকাতার একটি ঘিঞ্জি এলাকায় হেঁটে যাচ্ছেন। তাকে দেখেই বন্ধুদের সঙ্গে রিকশায় বসে থাকা এক তরুণ এগিয়ে আসে। পর্যটকের দিকে নিজের গাল বাড়িয়ে দিয়ে সেখানে আঙুল দিয়ে বলছিল, ‘আমাকে চুমু দাও, এখানে চুমু দাও।’ এই আবদারে স্পষ্টতই বিব্রত অস্ট্রেলিয়ান বলতে থাকেন, ‘দুঃখিত, আমি তোমাকে চুমু দেব না। আমি সমকামী নই, আমি স্ট্রেইট।’ 

কিন্তু তাতেও নিবৃত হয়নি সেই তরুণ। সে চুমুর জন্য বারবার ঘ্যানঘ্যান করতে থাকে, ‘একটা চুমু দাও।’ মার্কো এগিয়ে যেতে চাইলে এক পর্যায়ে সেই তরুণ হাত ধরে তাকে থামানোর চেষ্টা করে। কোনোরকমে সেখান থেকে রক্ষা পাওয়ার পর অস্ট্রেলিয়া পর্যটককে বলতে শোনা যায়, ‘হায়! আমার চেয়ে কম বয়সী একটা ছেলের হাতে আমাকে চরম হেনস্তার শিকার হতে হলো।’ ভিডিওটির ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘ভারতীয় ছেলেরা কেন সব সময় চায় আপনি তাদের চুমু দিন?’

ইনস্টাগ্রামে শেয়ারের পর নেটিজেনদের দৃষ্টি কাড়ে ভিডিওটি। সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী, সাড়ে ৮ লাখেরও বেশি  ভিডিওটি দেখেছেন, মন্তব্য করেছেন কয়েক হাজার মানুষ। বেশিরভাগ মানুষই কলকাতার তরুণটির আচরণের তীব্র সমালোচনা করেছেন, লজ্জিত হওয়ার কথা বলেছেন। অনেকে পর্যটকের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। একজন কলকাতা পুলিশকে ট্যাগ করে, তরুণটিকে উচিত শিক্ষা দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। 

তবে কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন, সাধারণ ভারতীয়রাও এড়িয়ে চলে, এমন ঘিঞ্জি এলাকায় কেন গেলেন সেই পর্যটক। একজন লিখেছেন, ‘আমার মনে হয় আপনি ভুল ভারতে এসে পড়েছেন।’ 

একজন লিখেছেন, ‘ভারতের ভালো জায়গাগুলোতে যাওয়ার পরিবর্তে, আপনারা কেবল কনটেন্টের ভিউ পাওয়ার জন্য ইচ্ছে করেই এই ধরনের ঘিঞ্জি এলাকায় যান, তারপর অদ্ভুত ক্যাপশন দিয়ে রিল আপলোড করেন।’ আরেকজনের ক্ষোভ আরো বেশি, ‘আপনার যদি ভারতের আসল পর্যটন এলাকায় যাওয়ার সামর্থ্য না থাকে, তবে কনটেন্ট আর ভিউর জন্য যত্রতত্র ঘুরে বেড়ানোর পর ভারতের দোষ দেবেন না।’

ক্ষুব্ধ ভারতীয়রা যাই বলুন, একজন পর্যটকের যে কোনো জায়গায় যাওয়ার অধিকার আছে। তিনি ‍যাতে ভারতের যে কোনো স্থানে নিশ্চিন্তে, নিরাপদে ঘুরতে পারেন, সেটা নিশ্চিত করা কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। কলকাতার এই তরুণের আচরণ ভারতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে।

চীনের হয়ে যুক্তরাজ্যে গুপ্তচরবৃত্তি, ২ জনের কারাদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক
চীনের হয়ে যুক্তরাজ্যে গুপ্তচরবৃত্তি, ২ জনের কারাদণ্ড
রয়টার্স ছবি

যুক্তরাজ্যে বসবাসরত গণতন্ত্রপন্থী হংকং কর্মীদের ওপর নজরদারি চালানোর অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে কারাদণ্ড দিয়েছেন ব্রিটিশ আদালত। তাদের একজন ব্রিটিশ সীমান্ত বাহিনীর কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন বলে জানা গেছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, বৃহস্পতিবার লন্ডনের ওল্ড বেইলি আদালত ৬৬ বছর বয়সী চুং বিউ ওরপে বিল ইউয়েনকে ৮ বছরের এবং ৪১ বছর বয়সী চি লেউং ওয়াই ওরপে পিটার ওয়াইকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন। তারা দুই জনেই ব্রিটিশ ও চীনা নাগরিকত্বধারী।

গত মাসে তারা বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থাকে সহায়তা করার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হন। আদালতের তথ্যমতে, ২০২৩ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের মে পর্যন্ত তারা যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত প্রভাবশালী গণতন্ত্রপন্থী হংকং ভিন্নমতাবলম্বীদের ওপর নজরদারি চালিয়েছিলেন।

ব্রিটিশ গণমাধ্যমের মতে, যুক্তরাজ্যে চীনের পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়া প্রথম ব্যক্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন ইউয়েন ও ওয়াই।

ওয়াইয়ের বিরুদ্ধে আরো অভিযোগ ছিল যে তিনি সীমান্ত বাহিনীর কর্মকর্তা হিসেবে নিজের দায়িত্বের অপব্যবহার করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডাটাবেসে প্রবেশ করেন এবং নজরদারির লক্ষ্যবস্তু ব্যক্তিদের তথ্য সংগ্রহ করেন।

রায় ঘোষণার সময় বিচারক ববি চিমা-গ্রাব বলেন, ‘বর্তমানে যুক্তরাজ্য বিদেশি রাষ্ট্রীয় শক্তির অবিরাম, অভিযোজনক্ষম এবং প্রায়ই গোপন হস্তক্ষেপের মুখোমুখি। ফলে আধুনিক গোয়েন্দা কর্মকাণ্ড শুধু সামরিক বা সরকারি গোপন তথ্য চুরির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং এটি নজরদারি, তথ্য সংগ্রহ, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং ভিন্নমতাবলম্বীদের লক্ষ্যবস্তু করার মাধ্যমেও পরিচালিত হতে পারে।’

লন্ডন কাউন্টার টেররিজম পুলিশের প্রধান কমান্ডার হেলেন ফ্লানাগান বলেন, অভিযুক্তদের কর্মকাণ্ড ছিল সত্যিই ‘শীতল আতঙ্ক’ সৃষ্টি করার মতো।

তার ভাষায়, ‘তারা যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত গণতন্ত্রপন্থী কর্মীদের ওপর গুপ্তচরবৃত্তি করছিল। এসব ব্যক্তি কেবল হংকং ও চীনা সরকারের নীতির বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করছিলেন।’

লন্ডনে অবস্থিত চীনা দূতাবাস মামলাটিকে ‘আইনের অপব্যবহার’ করে পরিচালিত একটি রাজনৈতিক পদক্ষেপ বলে আখ্যা দিয়েছে। জবাবে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ বলছে, বিদেশি প্রভাব ও গুপ্তচরবৃত্তির বিরুদ্ধে জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় তারা কঠোর অবস্থান বজায় রাখবে।

ইইউ পররাষ্ট্রনীতি প্রধানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করল ইসরায়েল

অনলাইন ডেস্ক
ইইউ পররাষ্ট্রনীতি প্রধানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করল ইসরায়েল
সংগৃহীত ছবি

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান কাজা কালাসের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সার। তার অভিযোগ, কালাস ইসরায়েলকে দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক বর্ণবাদী (অ্যাপার্টহাইড) শাসনের সঙ্গে তুলনা করেছেন।

সম্প্রতি বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে যে মেক্সিকো সফরের সময় গিদিওন সার ইসরায়েলকে দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদী শাসনের সঙ্গে তুলনা করেছেন।

এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে গিদিওন সার বলেন, ‘বিশ্বের একমাত্র ইহুদি রাষ্ট্র এবং মধ্যপ্রাচ্যের একমাত্র গণতান্ত্রিক দেশ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে করা এই অপবাদ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত তার (কাজা কালাস) সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ রাখা ছাড়া আমার আর কোনো বিকল্প নেই।’

প্রসঙ্গত, কাজা কালাসের মে মাসে মেক্সিকো সফরকে ঘিরে প্রকাশিত বিভিন্ন গণমাধ্যম প্রতিবেদনের পর এই বিতর্কের সূত্রপাত  হয়। এসব প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, তিনি ফিলিস্তিনিদের প্রতি ইসরায়েলের আচরণের সঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অ্যাপার্টহাইড ব্যবস্থার তুলনা করেছিলেন।

সার বলেন, কয়েকজন ইউরোপীয় কর্মকর্তা প্রকাশ্যে ওই মন্তব্যের সমালোচনা করেছেন। তবে কালাস এখন পর্যন্ত এসব প্রতিবেদনের সত্যতা অস্বীকার বা ব্যাখ্যা করেননি।

তিনি বলেন, ‘আমি যা বলেছি, সেটাই করছি। তিনি এই অপবাদ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত আমি তার সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন করছি।’