• ই-পেপার

প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ

এবার ৬৫ হাজারের বেশি স্কুল অংশগ্রহণ করেছে : মাহদী আমিন

অল্পের জন্য ডি ভিলিয়ার্সের দ্রুততম সেঞ্চুরির বিশ্বরেকর্ড ভাঙা হলো না সূর্যবংশীর

ক্রীড়া ডেস্ক
অল্পের জন্য ডি ভিলিয়ার্সের দ্রুততম সেঞ্চুরির বিশ্বরেকর্ড ভাঙা হলো না সূর্যবংশীর
সংগৃহীত ছবি

মহাকাব্যিক এক ইনিংস খেললেন বৈভব সূর্যবংশী। প্রতিপক্ষ বোলারদের ওপর রীতিমতো তাণ্ডব চালিয়ে মাত্র ১১ বলে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন ভারতের এই ১৫ বছর বয়সী তরুণ তুর্কি। আর তাতেই ভেঙে গেছে লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটের দীর্ঘ ২০ বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড। রোববার শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলের বিপক্ষে অনূর্ধ্ব-১৯ ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে এই অবিশ্বাস্য কীর্তি গড়েন তিনি।

তবে অল্পের জন্য হাতছাড়া হয়েছে সেঞ্চুরির বিশ্বরেকর্ড। ২৯ বলে ৯৪ রান করে আউট হন তিনি। আর এতেই কিংবদন্তি ব্যাটার এবি ডি ভিলিয়ার্সের রেকর্ড অধরা রয়ে গেল তার। ২০১৫ সালে জোহানেসবার্গে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে ম্যাচে মাত্র ৩১ বলে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে এই অবিশ্বাস্য কীর্তি গড়েছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকান কিংবদন্তি। 

ডাম্বুলার রঙ্গিরি আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টস জিতে ভারতকে প্রথমে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দল। ইনিংসের প্রথম বল থেকেই চড়াও হন বৈভব। লংকান পেসার মোহাম্মদ শিরাজকে বাউন্ডারি মেরে শুরু করা এই বাঁহাতি ব্যাটার এরপর ক্রিজে রীতিমতো ঝড় তোলেন। চলতি সপ্তাহে লঙ্কান ক্রিকেটারদের সাথে অনাকাঙ্ক্ষিত এক ধাক্কাধাক্কির ঘটনা এবং টানা অফ-ফর্মের কারণে বেশ চাপে ছিলেন বৈভব। তবে ফাইনালের মঞ্চে সব সমালোচনা যেন ব্যাটের হাতুড়িপেটায় উড়িয়ে দিলেন তিনি।

শিরাজের করা দ্বিতীয় ওভারে রুদ্রমূর্তি ধারণ করেন বৈভব। সেই ওভারে তিনটি ছক্কা ও দুটি চারের সাহায্যে তুলে নেন ২৬ রান। এরপর ইনিংসের পঞ্চম ছক্কাটি লং-অনের ওপর দিয়ে সীমানা পার করে মাত্র ১১ বলে পৌঁছে যান অর্ধশতকের মাইলফলকে।

তাতেই ইতিহাস নতুন করে লিখলেন এই কিশোর। এর আগে লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে দ্রুততম ফিফটির রেকর্ডটি ছিল শ্রীলঙ্কার কৌশল্য বীরা রত্নের। ২০০৫ সালে রাগামা ক্রিকেট ক্লাবের হয়ে মাত্র ১২ বলে ফিফটি করেছিলেন তিনি। দুই দশক পর বীরা রত্নের সেই রেকর্ড ভেঙে নিজের করে নিলেন বৈভব। একই সাথে ভেঙে গেছে ভারতের ঘরোয়া ক্রিকেটের রেকর্ডও। গত মরশুমে বিজয় হাজারে ট্রফিতে পাঞ্জাবের বিপক্ষে মুম্বাইয়ের সরফরাজ খানের ১৫ বলের ফিফটিই ছিল এত দিন ভারতীয়দের মধ্যে দ্রুততম।

২০২৪ সালের ডিসেম্বরে অভিষেকের পর এখন পর্যন্ত মাত্র ১২টি লিস্ট ‘এ’ ম্যাচ খেলেছেন ১৫ বছর বয়সী এই বিস্ময় বালক। বিহারের হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে ১৯০ রানের একটি বিধ্বংসী ইনিংসও রয়েছে তার নামের পাশে। 
 

সবচেয়ে কম বলে ফিফটির বিশ্বরেকর্ড গড়লেন সূর্যবংশী

ক্রীড়া ডেস্ক
সবচেয়ে কম বলে ফিফটির বিশ্বরেকর্ড গড়লেন সূর্যবংশী
সংগৃহীত ছবি

মহাকাব্যিক এক ইনিংস খেললেন বৈভব সূর্যবংশী। প্রতিপক্ষ বোলারদের ওপর রীতিমতো তাণ্ডব চালিয়ে মাত্র ১১ বলে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন ভারতের এই ১৫ বছর বয়সী তরুণ তুর্কি। আর তাতেই ভেঙে গেছে লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটের দীর্ঘ ২০ বছরের পুরোনো বিশ্বরেকর্ড। রবিবার শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলের বিপক্ষে অনূর্ধ্ব-১৯ ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে এই অবিশ্বাস্য কীর্তি গড়েন তিনি।

ডাম্বুলার রঙ্গিরি আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টস জিতে ভারতকে প্রথমে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দল। ইনিংসের প্রথম বল থেকেই চড়াও হন বৈভব। লংকান পেসার মোহাম্মদ শিরাজকে বাউন্ডারি মেরে শুরু করা এই বাঁহাতি ব্যাটার এরপর ক্রিজে রীতিমতো ঝড় তোলেন। চলতি সপ্তাহে লঙ্কান ক্রিকেটারদের সাথে অনাকাঙ্ক্ষিত এক ধাক্কাধাক্কির ঘটনা এবং টানা অফ-ফর্মের কারণে বেশ চাপে ছিলেন বৈভব। তবে ফাইনালের মঞ্চে সব সমালোচনা যেন ব্যাটের হাতুড়িপেটায় উড়িয়ে দিলেন তিনি।

শিরাজের করা দ্বিতীয় ওভারে রুদ্রমূর্তি ধারণ করেন বৈভব। সেই ওভারে তিনটি ছক্কা ও দুটি চারের সাহায্যে তুলে নেন ২৬ রান। এরপর ইনিংসের পঞ্চম ছক্কাটি লং-অনের ওপর দিয়ে সীমানা পার করে মাত্র ১১ বলে পৌঁছে যান অর্ধশতকের মাইলফলকে।

তাতেই ইতিহাস নতুন করে লিখলেন এই কিশোর। এর আগে লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে দ্রুততম ফিফটির রেকর্ডটি ছিল শ্রীলঙ্কার কৌশল্য বীরা রত্নের। ২০০৫ সালে রাগামা ক্রিকেট ক্লাবের হয়ে মাত্র ১২ বলে ফিফটি করেছিলেন তিনি। দুই দশক পর বীরা রত্নের সেই রেকর্ড ভেঙে নিজের করে নিলেন বৈভব। একই সাথে ভেঙে গেছে ভারতের ঘরোয়া ক্রিকেটের রেকর্ডও। গত মরশুমে বিজয় হাজারে ট্রফিতে পাঞ্জাবের বিপক্ষে মুম্বাইয়ের সরফরাজ খানের ১৫ বলের ফিফটিই ছিল এতদিন ভারতীয়দের মধ্যে দ্রুততম।

২০২৪ সালের ডিসেম্বরে অভিষেকের পর এখন পর্যন্ত মাত্র ১২টি লিস্ট ‘এ’ ম্যাচ খেলেছেন ১৫ বছর বয়সী এই বিস্ময় বালক। বিহারের হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে ১৯০ রানের একটি বিধ্বংসী ইনিংসও রয়েছে তার নামের পাশে। 
 

বিশ্বকাপের মাঝেই মেসির সতীর্থ কাসেমিরো!

বিশ্বকাপের মাঝেই মেসির সতীর্থ কাসেমিরো!
সংগৃহীত ছবি

লিওনেল মেসি, লুইস সুয়ারেজদের নিয়ে গড়া ইন্টার মায়ামি যেন আক্ষরিক অর্থেই এক চাঁদের হাট। এবার সেই চাঁদের হাটে যুক্ত হতে যাচ্ছে আরো একটি বড় নাম। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ব্রাজিলিয়ান তারকা মিডফিল্ডার কাসেমিরোকে দলে ভেড়ানোর সব প্রক্রিয়া নাকি সম্পন্ন করে ফেলেছে ডেভিড বেকহ্যামের ক্লাবটি। নির্ভরযোগ্য দলবদল বিশেষজ্ঞ সাংবাদিক ফ্যাব্রিজিও রোমানো এক এক্স বার্তায় এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

রোমানোর দাবি, অভিজ্ঞ এই ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারকে দলে নেওয়ার ব্যাপারে ইতিমধ্যেই সব ধরনের সমঝোতায় পৌঁছেছে মায়ামি। ফ্রি এজেন্ট হিসেবেই মায়ামিতে যোগ দিচ্ছেন এই সেলেসাও তারকা। সদ্যঃসমাপ্ত ২০২৫-২৬ মৌসুমেও ওল্ড ট্রাফোর্ড কাঁপিয়েছেন তিনি।

রেড ডেভিলদের জার্সিতে কাসেমিরোর সাম্প্রতিক ফর্ম ছিল চোখধাঁধানো। কাসেমিরো যেন আরো এক বছর ওল্ড ট্রাফোর্ডে থেকে যান, সে জন্য গ্যালারি থেকে আকুল আবেদন জানিয়েছিলেন ইউনাইটেড সমর্থকরা। গ্যালারিতে সমস্বরে স্লোগান উঠেছিল, ‘আরো একটি বছর, আরো একটি বছর, কাসেমিরো!’ কিন্তু সমর্থকদের সেই আবেগে জল ঢেলে ৩৪ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার পাড়ি জমাচ্ছেন দক্ষিণ ফ্লোরিডায়, মেসিদের ড্রেসিংরুমে। সব পক্ষের মধ্যে মৌখিক চুক্তি সম্পন্ন হয়ে গেছে বলেই খবর।

বর্তমানে বিশ্বকাপ খেলতে কাসেমিরো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেই অবস্থান করছেন। ব্রাজিলের হয়ে প্রথম দুই ম্যাচেই শুরুর একাদশে ছিলেন তিনি। রোমানোর তথ্য অনুযায়ী, চুক্তির কাগজে কাসেমিরোর সই করাটাই এখন শুধু আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। এরপরই হয়তো রাজকীয়ভাবে তার নাম ঘোষণা করবে ইন্টার মায়ামি।

বেলজিয়াম শিবিরে বড় ধাক্কা, ‘সবার আগে পরিবার’ জানালেন তারকা

ক্রীড়া ডেস্ক
বেলজিয়াম শিবিরে বড় ধাক্কা, ‘সবার আগে পরিবার’ জানালেন তারকা
ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচের আগেই বড়সড় ধাক্কা খেল বেলজিয়াম শিবির। অসুস্থতার কারণে রবিবার ইরানের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মাঠে নামা হচ্ছে না ম্যানচেস্টার সিটির তারকা উইঙ্গার জেরেমি ডোকুর। লস অ্যাঞ্জেলেসের সোফি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠেয় এই ম্যাচের আগের দিন ডাচদের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। 

ইএসপিএনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত দুই সপ্তাহ ধরেই শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় ভুগছেন ডোকু। তবে শিষ্যের শারীরিক অবস্থা নিয়ে খুব বেশি মুখ খোলেননি বেলজিয়ামের কোচ রুডি গার্সিয়া। 

ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে দোভাষীর সহায়তায় তিনি বলেন, ‘সে খেলতে পারছে না, তাই তাকে ছাড়াই আমাদের মাঠে নামতে হচ্ছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় আমি নিশ্চিত হয়েছিলাম যে সে থাকছে না।’

খেলোয়াড়দের ফিটনেস নিয়ে কোনো রকম ঝুঁকি নিতে নারাজ গার্সিয়া। তার সাফ কথা, ‘শতভাগ মেডিক্যাল ক্লিয়ারেন্স না থাকলে আমি কোনো খেলোয়াড়কে মাঠে নামানোর পক্ষপাতী নই। শারীরিক ঘাটতি থাকলেও খেলা যায়, কিন্তু চিকিৎসাগতভাবে পুরোপুরি ফিট থাকাটা জরুরি। তবে আমি শতভাগ আত্মবিশ্বাসী যে আমাদের দল ভালো করবে এবং কালকের ম্যাচে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়বে।’

এর আগে মিসরের বিপক্ষে বেলজিয়ামের উদ্বোধনী ম্যাচে শুরুর একাদশে ছিলেন এই উইঙ্গার, খেলেছিলেন ৮৬ মিনিট পর্যন্ত। টুর্নামেন্ট শুরুর আগের সপ্তাহেও অনুশীলনের মাঝে শ্বাসকষ্টের কারণে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল তাকে। কোচ অবশ্য জানালেন, ‘মিসরের বিপক্ষে ও ঠিকঠাকই খেলেছিল। কিন্তু এরপরই সমস্যাটা আবার বাড়ে। জীবনের মতো শরীর বা পারফরম্যান্সেও চড়াই-উতরাই থাকে। তাই মেডিক্যাল টিমই তাকে বিশ্রামে রেখে পুরোপুরি সুস্থ করে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

মাঠের সমস্যার পাশাপাশি মাঠের বাইরেও অবশ্য আলোচনায় আছেন ডোকু। আগামী জুলাইয়ের শুরুতে, অর্থাৎ নকআউট পর্বের সময় তার প্রথম সন্তানের জন্ম দেওয়ার কথা রয়েছে স্ত্রীর। সন্তান জন্মের সময় স্ত্রীর পাশে থাকতে প্রয়োজনে বিশ্বকাপ ছেড়েই চলে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে রেখেছেন এই উইঙ্গার।

ডোকুর জায়গায় একাদশে কে আসছেন, তা খোলাসা না করলেও স্ট্রাইকার রোমেলু লুকাকুকে নিয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন কোচ। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে গত মৌসুমে নাপোলির হয়ে প্রায় পুরোটা সময় মাঠের বাইরে থাকা ৩৩ বছর বয়সী এই তারকাকে এখনই শুরুর একাদশে ভাবছেন না গার্সিয়া। ইরানের বিপক্ষেও তিনি থাকছেন বদলি বেঞ্চেই।