এবারের দলটিকে বলা হচ্ছিল তুরস্কের সোনালি প্রজন্ম। বিশ্বকাপে বড় কিছুর আশা নিয়েই গিয়েছে তারা। কিন্তু গ্রুপ পর্বের এক ম্যাচ বাকি থাকতেই বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে।
অস্ট্রেলিয়ার পর আজ প্যারাগুয়ের কাছেও হেরেছে তুরস্ক। টানা দুই হারে নকআউট পর্বে ওঠার আশা শেষ হয়ে গেছে তাদের। এর চেয়েও বড় হতাশার ব্যাপার, দুই ম্যাচ মিলিয়ে প্রায় ২০০ মিনিট (যোগ করা সময়সহ) খেলেও কোনো গোল করতে পারেননি তুর্কি ফুটবলাররা।
২৪ বছর পর বিশ্বকাপে ফেরা তুরস্কের তরুণ প্রতিভা আর্দা গুলেরকে নিয়ে সমর্থকদের প্রত্যাশা ছিল সবচেয়ে বেশি। কিন্তু রিয়াল মাদ্রিদের এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার সবাইকে হতাশ করেছেন।
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব নিশ্চিত হওয়ার পর তাই দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চেয়েছেন গুলের। ২১ বছর বয়সী তারকা আবেগঘন কণ্ঠে বলেছেন, ‘আমরা লজ্জিত, আমরা ক্ষমা চাইছি। আমরা সবাই বিশ্বের শীর্ষ ক্লাবের খেলোয়াড়। তাই বিশ্বকাপে আরো ভালো করা উচিত ছিল। দুই ম্যাচে আমরা একটি গোলও করতে পারিনি। এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’
গুলের আরো বলেছেন, ‘দলের সবাই কাঁদছে। আমরা সমর্থকদের খুশি করতে চেয়েছিলাম; কিন্তু তা পারিনি। এ জন্য খুবই দুঃখিত। এই বিশ্বকাপ ভুলে যেতে আমি সম্ভাব্য সব ধরনের চেষ্টা করব।’
তুরস্কের কোচ ভিনসেঞ্জো মনতেল্লাও হতাশ। তবে তিনি খেলোয়াড়দের লড়াই ও প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছেন। মনতেল্লার মতে, তার দল সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। কিন্তু ভাগ্য তাদের পক্ষে ছিল না।
এবারের বিশ্বকাপে তুরস্কের শেষ ম্যাচ আগামী শুক্রবার (২৬ জুন) সহ-আয়োজক যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে। প্রথম দুই ম্যাচ জিতে ‘ডি’ গ্রুপ থেকে সবার আগে নকআউট পর্বে উঠে গেছে মার্কিনরা।




