• ই-পেপার

রিয়ালের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় প্রস্তাব, কে সেই পরবর্তী সুপারস্টার

আর্জেন্টিনার সামনে সেই পুরোনো অভিশাপ

ক্রীড়া ডেস্ক
আর্জেন্টিনার সামনে সেই পুরোনো অভিশাপ
সংগৃহীত ছবি

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক আগে সুখবর পেয়েছে আর্জেন্টিনা। ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থান পুনরুদ্ধার করেছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। তবে এই অর্জনের সঙ্গে সামনে চলে এসেছে একটি পুরোনো এবং অস্বস্তিকর পরিসংখ্যান, যা নতুন করে ভাবাচ্ছে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের।

আইভরি কোস্টের কাছে ফ্রান্সের ২-১ গোলের পরাজয়ের ফলে ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর স্থানে উঠে এসেছে লিওনেল মেসির দল। স্পেন রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে, আর ফ্রান্স নেমে গেছে তৃতীয় স্থানে।

কিন্তু ইতিহাস বলছে, ১৯৯২ সালে ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিং চালু হওয়ার পর থেকে বিশ্বকাপ শুরুর আগে এক নম্বরে থাকা কোনো দলই শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ জিততে পারেনি। অর্থাৎ, বিশ্বকাপের আগে শীর্ষ র‌্যাঙ্কধারী দলগুলোর জন্য যেন এক অদৃশ্য অভিশাপ কাজ করেছে।

এই পরিসংখ্যান আর্জেন্টিনার জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপ জয়ের সময় তাদের অবস্থান ছিল ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ের তিন নম্বরে। এবার তারা বিশ্বকাপে যাচ্ছে বিশ্বের এক নম্বর দল হিসেবে।

অবশ্য আর্জেন্টিনার আত্মবিশ্বাসের জায়গাও কম নয়। কোচ লিওনেল স্কালোনির অধীনে দলটি গত কয়েক বছরে অসাধারণ ধারাবাহিকতা দেখিয়েছে। বিশ্বকাপের পাশাপাশি দুটি কোপা আমেরিকাও জিতেছে তারা। দলের নেতৃত্বে আছেন বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক লিওনেল মেসি। 

উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপে গ্রুপ ‘জে’-তে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ আলজেরিয়া, অস্ট্রিয়া ও জর্ডান। কাগজে-কলমে গ্রুপের সবচেয়ে শক্তিশালী দল হওয়ায় সহজেই নকআউট পর্বে ওঠার আশা করছে তারা।

তবে শিরোপা ধরে রাখার মিশনে আর্জেন্টিনাকে শুধু প্রতিপক্ষের সঙ্গেই নয়, লড়তে হবে ইতিহাসের সঙ্গেও। এখন দেখার বিষয়, মেসিদের দল ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে থাকা দলগুলোর দীর্ঘদিনের সেই অভিশাপ ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়তে পারে কি না।
 

মেসি কি হন্ডুরাসের বিপক্ষে খেলবেন, যা জানালেন কোচ

ক্রীড়া ডেস্ক
মেসি কি হন্ডুরাসের বিপক্ষে খেলবেন, যা জানালেন কোচ
লিওনেল মেসি। ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনা শিবিরে স্বস্তির খবর। দলের অধিনায়ক লিওনেল মেসি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন এবং হন্ডুরাসের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে মাঠে নামার সম্ভাবনাও রয়েছে বলে জানিয়েছেন আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি।

হন্ডুরাসের বিপক্ষে ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে স্কালোনি বলেন, ‘লিও (মেসি) ভালো আছে এবং আংশিকভাবে দলের সঙ্গে অনুশীলন শুরু করেছে। সে আর আলাদা করে অনুশীলন করছে না। এই প্রীতি ম্যাচগুলোতে কিছু সময় মাঠে দেখা যেতে পারে তাকে। সে এখন অনেক ভালো অবস্থায় আছে, যা আমাদের জন্য স্বস্তির।’

বিশ্বকাপের আগে কয়েকজন খেলোয়াড়ের চোট নিয়ে উদ্বেগ থাকলেও স্কালোনি জানিয়েছেন, সবাই ধীরে ধীরে উন্নতি করছে।

তিনি বলেন, ‘যারা আলাদাভাবে অনুশীলন করছে তাদের অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। তারা ভালো আছে। তবে আমরা এই প্রীতি ম্যাচগুলোতে কোনো ঝুঁকি নিতে চাই না। তাদের অগ্রগতি আমরা পর্যবেক্ষণ করছি।’

এদিকে হন্ডুরাস ম্যাচে গোলপোস্টের নিচে থাকবেন হোয়ান মুসো। স্কালোনি নিশ্চিত করেছেন যে এই ম্যাচে মুসোকে সুযোগ দেওয়া হবে, আর পরের ম্যাচে খেলতে পারেন হেরোনিমো রুলি। 

বিশ্বকাপ স্কোয়াড নিয়ে এখনো পুরোপুরি সিদ্ধান্ত হয়নি বলেও জানান আর্জেন্টাইন কোচ। তার মতে, চূড়ান্ত ২৬ সদস্যের দলে জায়গা পাওয়ার জন্য সবাইকে ফিট থাকতে হবে।

হেক্সা মিশন

অপ্টার মতে যেভাবে বিশ্বকাপ জিততে পারে ব্রাজিল

ক্রীড়া ডেস্ক
অপ্টার মতে যেভাবে বিশ্বকাপ জিততে পারে ব্রাজিল
ছবি : রয়টার্স

ব্রাজিল নামটা শুনলেই চোখে ভেসে ওঠে ফিফা বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফিটা। ফুটবল বিশ্বকাপের সমার্থক হয়ে যাওয়া এই লাতিন পরাশক্তিরা বিশ্বমঞ্চের ইতিহাসের সবচেয়ে সফল দল। রেকর্ড পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন তো বটেই, একমাত্র দল হিসেবে এ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হওয়া ২২টি বিশ্বকাপের প্রতিটিতেই অংশ নিয়েছে সেলেসাওরা।

অথচ এই আকাশচুম্বী সাফল্যের পিঠেও আছে এক দীর্ঘ হতাশার গল্প। ২০০২ সালে জাপানের ইয়োকোহামায় পঞ্চম তারকা (পেন্টা) জয়ের পর কেটে গেছে দীর্ঘ ২৪টি বছর। এর পর থেকে গত পাঁচটি বিশ্বকাপের চারটিতেই কোয়ার্টার ফাইনালের বৈতরণী পার হতে পারেনি সাম্বার দেশ।

তবে এবার ডাগআউটে বসেছেন ফুটবলের চতুর জাদুকর এবং সিরিয়াল উইনার কার্লো আনচেলত্তি। তার অধীনেই ব্রাজিল হারাতে বসা সিংহাসন পুনরুদ্ধারে মরিয়া। বিখ্যাত ‘অপটা সুপারকম্পিউটার’ ২৫ হাজার বার টুর্নামেন্টের সিমুলেশন চালিয়ে বের করেছে, কিভাবে এবং কোন পথ ধরে এবার ‘হেক্সা’ বা ষষ্ঠ বিশ্বকাপ ঘরে তুলতে পারে ব্রাজিল।

চলুন দেখে নেওয়া যাক সুপারকম্পিউটারের চোখে ব্রাজিলের সেই সম্ভাব্য রোডম্যাপ :

গ্রুপ পর্ব

গ্রুপ ‘সি’ : মরক্কো, হাইতি এবং স্কটল্যান্ড

গ্রুপ ‘সি’-তে ব্রাজিলের সঙ্গী মরক্কো, হাইতি এবং স্কটল্যান্ড। এই গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ক্ষেত্রে সেলেসাওদের দেওয়া হয়েছে ৬০.৮ শতাংশ সম্ভাবনা। আর শেষ ৩২-এ যাওয়ার সম্ভাবনা ৯৬.৯ শতাংশ। পুরো টুর্নামেন্টে শুধু স্পেনের গ্রুপ পর্ব পার হওয়ার সম্ভাবনা (৯৮.৬ শতাংশ) ব্রাজিলের চেয়ে বেশি।

পরিসংখ্যান বলছে, ১৯৮২ সালের পর থেকে প্রতিবারই গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে গেছে ব্রাজিল। মরক্কো হয়তো কিছুটা প্রতিরোধ গড়তে পারে, তবে আনচেলত্তির দলের জন্য গ্রুপ পর্ব পার হওয়া কোনো কঠিন পরীক্ষা হওয়ার কথা নয়।

শেষ ৩২ (সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ : জাপান)

গ্রুপ ‘এফ’-এর রানার্স-আপ হওয়ার দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে আছে জাপান। ফলে শেষ ৩২-এ ব্রাজিলের সামনে পড়তে পারে ‘সামুরাই ব্লু’রা। এই বাধা টপকে শেষ ১৬-তে যাওয়ার জন্য ব্রাজিলকে ৬২.১ শতাংশ ফেভারিট ধরা হয়েছে।

অতীত ইতিহাসও ব্রাজিলের পক্ষে গান গাইছে। জাপানের বিপক্ষে খেলা ১৪ ম্যাচের ১১টিতেই জিতেছে ব্রাজিল (ড্র ২টি, হার ১টি)। 

শেষ ১৬ (সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ : নরওয়ে)

১৯৯৮ সালের পর প্রথমবার বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জন করেছে নরওয়ে। আর তাদের আক্রমণভাগের নেতৃত্বে আছেন আর্লিং হালান্ড। শেষ ১৬-তে এই নরওয়েই হতে পারে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ।

বিশ্বকাপের মঞ্চে এটি হবে দুই দলের মাত্র দ্বিতীয় সাক্ষাৎ। এর আগে ১৯৯৮ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে নরওয়ে ২-১ গোলে হারিয়েছিল ব্রাজিলকে। অবশ্য সেই ম্যাচে ব্রাজিল আগেই নকআউট নিশ্চিত করে ফেলায় কিছুটা গা-ছাড়া ভাব ছিল, অন্যদিকে নরওয়ের জন্য ওটা ছিল বাঁচা-মরার লড়াই।

তবে বিশ্বকাপের শেষ ১৬-তে ব্রাজিলের রেকর্ড এককথায় অনবদ্য। এই পর্বে খেলা ১০টি ম্যাচের ৯টিতেই তারা পরের রাউন্ডে গেছে, যার মধ্যে রয়েছে টানা শেষ আটটি জয়। ইউরোপীয় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে এই রাউন্ডে ব্রাজিলের রেকর্ড শতভাগ—১৯৮৬ সালে পোল্যান্ডকে ৪-০ এবং ২০০২ সালে বেলজিয়ামকে ২-০ গোলে হারিয়েছিল তারা।

কোয়ার্টার ফাইনাল (সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ : ইংল্যান্ড)

আগের দুই রাউন্ডের প্রতিপক্ষকে সম্মান জানিয়েই বলা যায়, আসরটি আসল রূপ নেবে ঠিক এই জায়গায় এসে। কার্লো আনচেলত্তির দলের জন্য এটি হবে এক অগ্নিপরীক্ষা।

ব্রাজিলকে সেমিফাইনালে যেতে হলে রুখতে হবে ইংল্যান্ডকে, যাদের টুর্নামেন্ট জেতার সম্ভাবনা ধরা হয়েছে ১১.৪ শতাংশ (স্পেন ও ফ্রান্সের পরই তৃতীয় সর্বোচ্চ)। তবে থ্রি লায়ন্সদের সামনে পেয়ে ব্রাজিল ভয় পাওয়ার চেয়ে আত্মবিশ্বাসীই হবে বেশি। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে শেষ ১২ ম্যাচের মাত্র একটিতে হেরেছে ব্রাজিল (৫ জয়, ৬ ড্র)। আর বিশ্বকাপে চারবারের দেখায় কখনোই ইংল্যান্ডের কাছে হারেনি সেলেসাওরা, জিতেছে শেষ তিনটি ম্যাচই। ২০০২ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে রোনালদিনহোর সেই আইকনিক ফ্রি-কিকের কল্যাণে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারানোর স্মৃতি এখনো ফুটবলপ্রেমীদের মনে অমলিন।

ইংল্যান্ড সাম্প্রতিক সময়ে ২০১৮ বিশ্বকাপে তৃতীয় এবং পরপর দুটি ইউরোতে (২০২০, ২০২৪) রানার্স আপ হয়ে বেশ উন্নতি করলেও, ১৯৬৬ সালের পর তাদের দীর্ঘ ৬০ বছরের বিশ্বকাপ খরা ব্রাজিলের ২৪ বছরের খরাকে অনেকটাই ম্লান করে দেয়।

সেমিফাইনাল (সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ : ফ্রান্স)

ইংল্যান্ডের বাধা টপকাতে পারলে ব্রাজিলের সামনে আসবে আরো বড় পাহাড়—দুবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স। সুপারকম্পিউটারের মতে, দিদিয়ের দেশমের দলের সেমিফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা ৩৩.৫ শতাংশ।

বিশ্বকাপের মঞ্চে এই দুই পরাশক্তি চারবার মুখোমুখি হয়েছে এবং এখানে ইতিহাস কথা বলছে ফরাসিদের পক্ষে। ১৯৫৮ সালের সেমিফাইনালে ফ্রান্সকে ৫-২ গোলে হারিয়ে প্রথম ট্রফির দিকে এগিয়ে ছিল পেলে-ভাভাদের ব্রাজিল। কিন্তু এর পর থেকে প্রতিবারই ফরাসিদের কাছে স্বপ্নভঙ্গ হতে হয়েছে লাতিনদের। ১৯৮৬ ও ২০০৬ সালের কোয়ার্টার ফাইনালে বিদায় করার পাশাপাশি ১৯৯৮ সালের ফাইনালে ব্রাজিলকে ৩-০ গোলে গুঁড়িয়ে দিয়েছিল ফ্রান্স।

তা ছাড়া সেমিফাইনালে ফ্রান্সের রেকর্ড অবিশ্বাস্য—তারা তাদের শেষ চারটি সেমিফাইনালই জিতেছে, যার শেষ তিনটিতে কোনো গোলই হজম করেনি। তবে ব্রাজিলও কম যায় না; নিজেদের শেষ সাতটি সেমিফাইনালের মাত্র একটিতে তারা ফাইনালের টিকিট কাটতে ব্যর্থ হয়েছে। আর ইউরোপীয় দলগুলোর বিরুদ্ধে শেষ পাঁচ সেমির চারটিতেই জিতেছে ব্রাজিল।

ফাইনাল (সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ : স্পেন)

সব বাধা পেরিয়ে ব্রাজিল যদি ফাইনালে উঠতে পারে, তবে শিরোপার মহালড়াইতে তাদের সবচেয়ে সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হবে টুর্নামেন্টের হট ফেভারিট স্পেন (সুপারকম্পিউটারের চোখে যাদের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি, ১৬.৫ শতাংশ)।

লুইস দে লা ফুয়েন্তের স্পেন বর্তমান ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন হতে পারে, কিন্তু বিশ্বকাপে তাদের সাম্প্রতিক অতীত একেবারেই সুখকর নয়। ২০১০ চ্যাম্পিয়নদের শেষ তিনটি বিশ্বকাপ মিশন ছিল হতাশাজনক—২০১৪ সালে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায়, আর ২০১৮ ও ২০২২ আসরে বিদায় নিতে হয়েছে শেষ ১৬ থেকেই।

ইতিহাসের পাতায় স্পেনের বিরুদ্ধে ব্রাজিলের পাল্লাটাই ভারী। ১০ বারের দেখায় মাত্র দুটিতে হেরেছে ব্রাজিল (৫ জয়, ৩ ড্র)। বিশ্বকাপে স্পেনের বিরুদ্ধে শেষ চার ম্যাচে অপরাজিত সেলেসাওরা (৩ জয়, ১ ড্র)। তবে সেই ম্যাচগুলো ছিল গ্রুপ পর্বের, আর বিশ্বকাপের ফাইনালের চাপ সম্পূর্ণ ভিন্ন এক গোলকধাঁধা।

টুর্নামেন্টের প্রথম বাঁশি বাজার আগে, অপটা সুপারকম্পিউটারের ২৫,০০০ সিমুলেশনে ব্রাজিল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে মাত্র ৬.৭ শতাংশ সময়ে। সম্ভাবনার দিক থেকে ব্রাজিলের চেয়ে এগিয়ে আছে আরো পাঁচটি দেশ।

তবে পরিসংখ্যান এবং সুপারকম্পিউটার যা-ই বলুক, ফুটবল মাঠের রোমাঞ্চ কখনো কোনো চিপ বা অ্যালগরিদমে বন্দি করা যায় না। কার্লো আনচেলত্তির চাণক্য মস্তিস্ক আর ভিনিসিয়ুস-নেইমারদের পায়ের জাদু কি পারবে ২৪ বছরের অপেক্ষা ফুরিয়ে ব্রাজিলের জার্সিতে ষষ্ঠ সোনালি তারকাটা খোদাই করতে? উত্তরটা তোলা রইল সময়ের খেরোখাতায়।

যে শর্তে বিশ্বকাপ খেলতে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পেল ইরান

ক্রীড়া ডেস্ক
যে শর্তে বিশ্বকাপ খেলতে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পেল ইরান
ছবি : রয়টার্স

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ শুরুর মাত্র কয়েক দিন আগে বড় স্বস্তির খবর পেয়েছে ইরান। দীর্ঘ অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে দলটির খেলোয়াড় ও প্রয়োজনীয় কর্মকর্তাদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ভিসা অনুমোদন করেছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ।

মার্কিন কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন, বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় সব ভিসা ইতিমধ্যে ইস্যু করা হয়েছে। ফলে আগামী ১৫ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলতে কোনো বাধা থাকছে না ইরানের।

তবে ভিসা অনুমোদনের পাশাপাশি মার্কিন প্রশাসন কড়া বার্তাও দিয়েছে। তাদের ভাষ্য, ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সুযোগ নিয়ে কেউ যেন ভিন্ন উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে না পারে, সেদিকে কঠোর নজর রাখা হবে।

বিশ্বকাপের আয়োজক দেশগুলোর একটি যুক্তরাষ্ট্র। চলতি বছর প্রথমবারের মতো এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সামরিক উত্তেজনায় থাকা একটি দেশের জাতীয় দল বিশ্বকাপ খেলতে দেশটিতে প্রবেশ করছে।

ভিসা জটিলতার কারণে গত মাসে ইরান তাদের প্রস্তুতি ক্যাম্প যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা থেকে সরিয়ে মেক্সিকোতে নিয়ে যায়। ইরান ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি মেহেদি তাজ তখন জানিয়েছিলেন, ভিসা-সংক্রান্ত সমস্যাই ছিল এ সিদ্ধান্তের মূল কারণ।

কয়েক দিন আগেও ইরানের কোচিং ও প্রশাসনিক দলের কিছু সদস্য ভিসা না পাওয়ায় শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সেই জটিলতা কাটিয়ে বিশ্বকাপ যাত্রার সবুজ সংকেত পেল দলটি।

আগামী ১১ জুন শুরু হতে যাওয়া ২০২৬ বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকোতে।