• ই-পেপার

ড. ইউনূস আমেরিকার দালাল হয়ে এসেছিলেন : আনিস আলমগীর

আমি কেন তারেক রহমানের সঙ্গে রাজনীতি করতে পারব না? প্রশ্ন রাশেদের

অনলাইন ডেস্ক
আমি কেন তারেক রহমানের সঙ্গে রাজনীতি করতে পারব না? প্রশ্ন রাশেদের
রাশেদ খাঁন।

রাজনৈতিক বাস্তবতার কারণে গণ অধিকার পরিষদ থেকে পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন বলে দাবি করেছেন রাশেদ খান। তিনি দলটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। জামায়াত-এনসিপির সর্বোচ্চ নেতারাও পূর্বে ভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ছিলেন, সেখান থেকে এসে তারা রাজনীতি করতে পারলে তিনি কেন তারেক রহমানের সঙ্গে রাজনীতি করতে পারবেন না? এমন প্রশ্ন রেখেছেন রাশেদ খান।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে আজ শুক্রবার দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন তিনি। বলেন, ‘ব্যক্তি আক্রমণ করে আমাকে থামানো যাবে না।’

গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর ও সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) হাসান আল মামুনসহ দলটির নেতকর্মীদের সঙ্গে এখনো ভালো সম্পর্ক বলে জানিয়েছেন রাশেদ খান। তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক বাস্তবতার কারণে আমি আলোচনা সাপেক্ষে দল থেকে পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগদান করেছি। এমন না যে আমি আলোচনা না করেই চলে গিয়েছি।’

তিনি জানান, বিএনপির সঙ্গে গণ অধিকার পরিষদের ২০২২ সাল থেকে যুগপৎ আন্দোলনের সম্পর্ক ও একসঙ্গে নির্বাচনী জোট হয়েছে। নুরুল হক নুর বিএনপি সরকারের প্রতিমন্ত্রী। সুতরাং গণ অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের সঙ্গে আমার সম্পর্কের টানাপোড়েন সৃষ্টি হওয়ার সুযোগ কোথায়? এমন প্রশ্ন রাশেদ খানের।

তিনি বলেন, ‘আমি এমন কোনো দলে যোগদান করি নাই, যে দলের বিরুদ্ধে আমি অতীতে বিষোদগার করেছি। বরং বিএনপির সঙ্গে গণ অধিকার পরিষদের যথেষ্ট আদর্শিক ও মতাদর্শের মিল রয়েছে। জীবনে যেখানেই থাকি না কেন, গণ অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের সঙ্গে আমার পার্থিব ও সামাজিক সম্পর্ক থাকবে। এখনো অনেকের সঙ্গে নিয়মিত দেখা-সাক্ষাৎ, আলোচনাও হয়। আমার বন্ধুত্বের সার্কেল বলতে এখনো পর্যন্ত অধিকাংশ এই দলের নেতাকর্মীরাই। কারণ রাজপথ থেকে তাদের সঙ্গে যে রক্তের সম্পর্ক তৈরি করেছে, মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সেই সম্পর্ক বিনষ্টের সুযোগ নেই।’

বিভিন্ন টক শোতে তার সহআলোচকরা তাকে ‘নব্য বিএনপি’ বলে দমিয়ে রাখতে চান দাবি করে রাশেদ খান বলেন, ‘টক শো বা আলোচনার টেবিলে যখন কেউ তথ্য বা যুক্তিতে পারে না, তাদের একটাই বক্তব্য রাশেদ খান নব্য বিএনপি। অথচ জামায়াতের বর্তমান আমিরও জাসদ ছাত্রলীগের নেতা। এনসিপির আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব দুজনেই ছাত্র অধিকার পরিষদের সাবেক নেতা। তাহলে আমি কেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে রাজনীতি করতে পারব না?’

তিনি বলেন, ‘আমার অপরাধ আমার ব্রেন, আমার স্মৃতিশক্তি, আমার যুক্তিতর্ক? গালিগালাজ ও ব্যক্তি আক্রমণ করে আমাকে থামানো যাবে না। আমাকে থামাতে হলে রাজনৈতিক প্রতারণা বন্ধ করে দেশ ও জনগণের জন্য ইতিবাচক রাজনীতি করতে হবে।’

‘আমি আওয়ামী দোসর—আওয়ামী মানে জনগণ, আমি জনগণের দোসর’

অনলাইন ডেস্ক
‘আমি আওয়ামী দোসর—আওয়ামী মানে জনগণ, আমি জনগণের দোসর’

নিজেকে জনগণের দোসর আখ্যা দিয়ে সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী বলেছেন, ‘আমি স্পষ্ট করে বলি, আমি আওয়ামী দোসর—আওয়ামী মানে জনগণ, আমি জনগণের দোসর।’

সম্প্রতি এক বেসরকারি টেলিভিশনের টক শো অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে এই মন্তব্য করেন সাবেক এই সংসদ সদস্য।

আবদুল লতিফ সিদ্দিকী বলেন, ২০১৫ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর পার্লামেন্টে আমার বক্তৃতার প্রথম লাইনটা শোনেন—আমি মুসলমান, আমি আওয়ামী লীগার, সেই আওয়ামী লীগ মাওলানা ভাসানি ও শেখ মুজিবের নয়, সে আওয়ামী লীগ শেখ হাসিনার নয়, সে আওয়ামী লীগ আমার, সেই আওয়ামী লীগ জনগণের।

নূর জাহান বেগমের মেয়ের সুচিকিৎসা ও মানসিক সমর্থন প্রয়োজন : আনিস আলমগীর

অনলাইন ডেস্ক
নূর জাহান বেগমের মেয়ের সুচিকিৎসা ও মানসিক সমর্থন প্রয়োজন : আনিস আলমগীর
ফাইল ছবি

সম্প্রতি মিরপুরের একটি ফ্ল্যাট থেকে ৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় আলোড়ন তৈরি হয়েছে দেশজুড়ে। অভিযোগ উঠেছে উচ্চশিক্ষিত সন্তানদের চরম অবহেলার শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন এই নারী। তবে ঘটনার বিস্তারিত জেনে নূর জাহান বেগমের মেয়েকে নিয়ে সাংবাদিক আনিস আলমগীর বলেছেন, গত দু-দিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই স্কুলশিক্ষিকা মেয়ের আচরণ ও সামগ্রিক পরিস্থিতি দেখে উপলব্ধি করছি, তিনি নিজেই মানসিকভাবে প্রচণ্ড বিধ্বস্ত। স্বামী ও সন্তানহীন এই ভদ্রমহিলার আসলে নিজেরই এখন সুচিকিৎসা ও মানসিক সমর্থন প্রয়োজন।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন তিনি।

আনিস আলমগীর লেখেন, মিরপুরের সেই হতভাগ্য মা নূর জাহান বেগমের মৃত্যুতে বিস্মিত ও আবেগতাড়িত হয়ে একটা স্ট্যাটাস দিয়েছিলাম। ভেবেছিলাম, ছেলেরা দূরে থাকলেও অন্তত কন্যাসন্তান মায়ের পাশে থাকেন। কিন্তু গত দু-দিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই স্কুলশিক্ষিকা মেয়ের আচরণ ও সামগ্রিক পরিস্থিতি দেখে উপলব্ধি করছি, তিনি নিজেই মানসিকভাবে প্রচণ্ড বিধ্বস্ত। স্বামী ও সন্তানহীন এই ভদ্রমহিলার আসলে নিজেরই এখন সুচিকিৎসা ও মানসিক সমর্থন প্রয়োজন।

আরো পড়ুন
ওই দিনই মারা যান বৃদ্ধা নূর জাহান, পচন নয়—পিঠে ছিল ‘শয্যাক্ষত’

ওই দিনই মারা যান বৃদ্ধা নূর জাহান, পচন নয়—পিঠে ছিল ‘শয্যাক্ষত’

 

তিনি লেখেন, একটা ঘটনার আদ্যোপান্ত না জেনে আমাদের কারও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে হুট করে মন্তব্য করা উচিত নয়। আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত (স্যরি)। তবে তার ছেলেদেরকে উনার দায়িত্বে অবহেলা থেকে পুরোপুরি অব্যাহতি দিচ্ছি না।

এ সাংবাদিক লেখেন, একই সঙ্গে এই ঘটনা থেকে আরেকটি জরুরি বিষয়ে আমাদের দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন। আমাদের সমাজে ‘বৃদ্ধাশ্রম’ মানেই ধরে নেওয়া হয় একটা চরম নেতিবাচক বা অবহেলার জায়গা। কিন্তু বাস্তবতা হলো, জীবনের নানা জটিল সমীকরণে অনেকের শেষ ঠিকানা বৃদ্ধাশ্রম হতেই পারে। আমাদের মানসিকতা বদলানোর সময় এসেছে। বৃদ্ধাশ্রমকে ‘লিল্লাহ বোর্ডিং’ বা করুণার পাত্র ভাবার দিন শেষ। আমাদের ভাবা উচিত- কীভাবে এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন, নিরাপদ এবং 'ফাইভ স্টার' মানের করে গড়ে তোলা যায়।

তিনি আরো লেখেন, শেষ বয়সে কোনো সংসারে অবহেলা আর নিগ্রহের শিকার হয়ে বেঁচে থাকার চেয়ে, নিজের উপার্জিত সম্পদে কিংবা পরিবারের সম্মতিতে একটি আনন্দময়, সুশৃঙ্খল ও মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশে শেষ জীবন কাটানো অনেক বেশি জরুরি। আসুন, ট্যাবু ভেঙে বাস্তবতাকে মেনে নিতে শিখি।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে এনসিপির বিক্ষোভ

অনলাইন ডেস্ক
বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে এনসিপির বিক্ষোভ

বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ঢাকা মহানগর উত্তর শাখা।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাতে রাজধানীর বাংলামোটর থেকে শাহবাগ সড়কে এই মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। 

বিক্ষোভে অংশ নেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, ঢাকা মহানগর উত্তর এনসিপির আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব এবং জাতীয় যুবশক্তির সভাপতি তারিকুল ইসলামসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

বিক্ষোভ মিছিলে দলীয় নেতাকর্মীরা বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং তা প্রত্যাহারের দাবি জানান।

এ সময় বক্তারা বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বেড়ে যাবে। অবিলম্বে মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা এবং জনস্বার্থে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন এবং শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করেন।