• ই-পেপার

হজ শেষে ফিরেছেন ৭৩০৭৬  বাংলাদেশি

গবাদিপশু সুরক্ষায় ৪ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন আমদানির উদ্যোগ সরকারের

বাসস
গবাদিপশু সুরক্ষায় ৪ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন আমদানির উদ্যোগ সরকারের
সংগৃহীত ছবি

গবাদিপশুর রোগবালাই সুরক্ষায় ভ্যাকসিন আমদানির বড় উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ইতোমধ্যে লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) এবং ফুট অ্যান্ড মাউথ ডিজিস (এফএমডি) রোগের জন্য প্রায় ২ (দুই) কোটি করে ৪ (চার) কোটি ডোজ ভ্যাকসিন বেসরকারিভাবে আমদানির উদ্যোগ গ্রহণ করেছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর। পাশাপাশি দেশেও ভ্যাকসিনের উৎপাদন বাড়ানো হচ্ছে। গত বছর যেখানে উৎপাদন ছিল ৫ লাখ, এবার তা বাড়িয়ে ২০ লাখ করা হচ্ছে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান বলেন, মূলত ফুট অ্যান্ড মাউথ ডিজিস (এফএমডি) এবং এলএসডি রোগ নির্মূলের লক্ষ্যে প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তর বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এরই অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে এলএসডি রোগের জন্য প্রায় দুই কোটি এবং এফএমডির জন্য দুই কোটি ডোজ ভ্যাকসিন বেসরকারিভাবে আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি উৎপাদন বাড়িয়ে ২০ লাখ করা হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, দেশের চাহিদা অনুযায়ী অভ্যন্তরীণ উৎপাদন পর্যাপ্ত না হওয়ায় বেসরকারি কোম্পানিগুলোকে ভ্যাকসিন আমদানির অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। ঘাটতি মোকাবেলায় চাহিদা অনুপাতে তারা এই ভ্যাকসিন আমদানি করবে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশে সরবরাহকৃত ভ্যাকসিনের পরিমাণ পর্যাপ্ত না থাকায় ২ কোটি ডোজ ট্রাইভ্যালিন এফএমডি ভ্যাকসিন এবং ২ কোটি ডোজ এলএসডি ভ্যাকসিন আমদানির উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

এছাড়া বাণিজ্যিক মুরগী উৎপাদনের ক্ষেত্রে তেলোপ্যাথোজনিক একটি প্রাণঘাতী রোগ। এ রোগে আক্রান্ত হলে খামারিদের ব্যাপক অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়। তাই বাণিজ্যিক মুরগীতে লোপ্যাথোজনিক প্রতিরোধে এইচ৯এন২ এর বিভিন্ন কম্বিনেশন ভ্যাকসিন আমদানি করা হবে। বাজারে এই ভ্যাকসিনের ঘাটতি থাকার কারণে, ৫০ কোটি ডোজ এইচ৯এন২ এবং এর বিভিন্ন কম্বিনেশন ভ্যাকসিন আমদানির বিষয়ে অনুমোদনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলেন, জলবায়ুর পরিবর্তনের কারণে দুনিয়াজুড়ে তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে পৃথিবীর উষ্ণায়ন বাড়ছে। তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় মশা, মাছি এবং এঁটুলির বংশবৃদ্ধি ও তৎপরতা অনেক বেড়েছে, এর ফলে গবাদি পশুর লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) এবং ক্ষুরা রোগ বা এফএমডি এর মতো ভাইরাসজনিত রোগের প্রকোপ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এসব সংক্রামক রোগের হাত থেকে দেশের প্রাণিসম্পদ ও পোলট্রি খাতকে রক্ষা করতে চলতি বছরে বড় পরিসরে ভ্যাকসিন আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. তারেক হোসেন বলেন, গরমের কারণে সারাদেশের বিভিন্ন এলাকায় গবাদিপশুর ভাইরাসজনিত ‘লাম্পি স্কিন ডিজিজ’ (এলএসডি) উদ্বেগজনক হারে ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে গ্রীষ্মকাল ও অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারণে এ রোগের প্রকোপ বেড়ে যায়। প্রাণীরক্ষায় এফএমডি (ক্ষুরারোগ) ও এলএসডি গবাদিপশুর গুরুত্বপূর্ণ রোগ। এ রোগ ২টির কারণে খামারিদের অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি হয়।

তিনি এলএসডি ও এফএমডি রোগ সম্পর্কে জানান, এলএসডি একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা মূলত গরু, মহিষ ও ছাগলকে আক্রান্ত করে। মশা-মাছি, মুখের লালা ও খামারে অব্যবস্থাপনার কারণে এ রোগ ছড়ায়। এ রোগে প্রাথমিক লক্ষণগুলোর মধ্যে আক্রান্ত গরুর শরীরের তাপমাত্রা ১০৩-১০৫ ডিগ্রিতে পর্যন্ত হয়ে থাকে। গরু খাওয়াদাওয়া বন্ধ করে দেয়। শরীরে খুবই ব্যথা হয়। তার দুদিন পর গরুর শরীরের বসন্তের মতো গুটি গুটি চাকা দেখা দেয়। পরে সেখান থেকে পুঁজ জমে ফেটে মাংস খসে পড়ে। এতে গরুর প্রজনন কমে যায়, গরুর ওজন ও দুধ উৎপাদনও কমে যায়।

তারেক হোসেন আরো বলেন, জুন, জুলাই ও আগস্ট এই তিন মাস এলএসডির জন্য পিক টাইম। এ রোগে গবাদিপশুর মৃতের হার ১০ শতাংশ। সময়মত চিকিৎসা না করালে পশু দুর্বল হয়ে পড়ে এবং উৎপাদনশীলতা কমে যায়।

প্রাণিসম্পদ দপ্তর সূত্রে জানা যায়, ১৯২৯ সালে আফ্রিকার জাম্বিয়ায় প্রথম এ রোগ শনাক্ত হয়। পরে ধীরে ধীরে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে। বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ২০১৯ সালে চট্টগ্রাম অঞ্চলে লাম্পি স্কিন ডিজিজ শনাক্ত হয়। এরপর দেশের বিভিন্ন জেলায় রোগটি বিস্তার লাভ করে। বর্তমানে এটিকে গবাদিপশু খাতের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।

জুলাইয়ে মিলতে পারে পে স্কেলের সম্পূর্ণ বেতন

অনলাইন ডেস্ক
জুলাইয়ে মিলতে পারে পে স্কেলের সম্পূর্ণ বেতন

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর আসতে পারে জুলাইতে। নবম পে স্কেলের আওতায় সম্পূর্ণ মূল বেতন আগামী মাস থেকে কার্যকর করার পরিকল্পনা করছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন মিললে জুলাইয়ের মাঝামাঝি গেজেট প্রকাশের পর শুরু হতে পারে নতুন বেতন কাঠামোর বাস্তবায়ন।

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য দুই ধাপে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন করতে পারে সরকার। এর মধ্যে আগামী জুলাই থেকে নতুন স্কেলে সম্পূর্ণ মূল বেতন কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে ডেইলি স্টার এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করে।

চলতি সপ্তাহেই পে কমিশনের সুপারিশ মূল্যায়ন ও বাস্তবায়নের রোডম্যাপ অর্থ মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়ার কথা রয়েছে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বাধীন কমিটির।

বেসামরিক প্রশাসন, বিচার বিভাগ ও সশস্ত্র বাহিনী নিয়ে গঠিত তিনটি পৃথক পে কমিশনের প্রতিবেদনের পর্যালোচনা শেষে এই কমিটি তাদের সুপারিশ চূড়ান্ত করেছে।

প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করতে পারে অর্থ মন্ত্রণালয়। প্রাথমিকভাবে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নে তিন ও দুই বছর মেয়াদি—দুটি বিকল্প বিবেচনা করেছিল সরকার।

তিন বছরের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী দুই অর্থবছরে ধাপে ধাপে মূল বেতনের ৫০ শতাংশ কার্যকর করা হতো এবং তৃতীয় বছরে ভাতাগুলো কার্যকর করা হতো।

তবে অর্থ বিভাগ জানায়, দুই ধাপে মূল বেতন বাস্তবায়ন করা হলে সরকারের ইন্টিগ্রেটেড বাজেট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টিং সিস্টেমে (আইবিএএসপ্লাসপ্লাস) কারিগরি জটিলতা তৈরি হতে পারে। এ কারণে তারা একবারেই মূল বেতন পুরোটা কার্যকর করার সুপারিশ করে। সামগ্রিকভাবে দুই ধাপে পে স্কেল বাস্তবায়নের দিকেই এগোচ্ছে কমিটি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের ওপর নির্ভর করছে। আমরা আশা করছি, জুলাইয়ের মাঝামাঝি বা তার পরের সপ্তাহে গেজেট প্রকাশ করা হবে।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বাজেট বক্তব্যে ১ জুলাই থেকে নতুন পে স্কেল কার্যকর হওয়ার ঘোষণা দেন। তবে এটি কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ধাপে ধাপে সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের ঘোষণা দিচ্ছি। গত ১১ বছর ধরে সরকারি কর্মচারীরা একই কাঠামোর আওতায় বেতন-ভাতা পাচ্ছেন, অথচ মূল্যস্ফীতির কারণে জীবনযাত্রার ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

২০১৫ সালে দুই ধাপে অষ্টম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়ন করা হয়েছিল। ওই বছর সংশোধিত মূল বেতন এবং পরের বছর সংশোধিত ভাতা কার্যকর করা হয়।

বাজেট পাস কাল, আসছে যেসব পরিবর্তন

নিজস্ব প্রতিবেদক
বাজেট পাস কাল, আসছে যেসব পরিবর্তন

ভ্যাট ও করব্যবস্থার ওপর প্রস্তাবিত বিষয়গুলোর কয়েকটি সংশোধনী আনা হচ্ছে, আবার কয়েকটি প্রত্যাহার হতে পারে। এ ছাড়া ব্যাংক হিসাব খুলতে কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) বাধ্যতামূলক করা ও সঞ্চয়পত্রের ওপর করারোপে সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে পারে সরকার।

পাশাপাশি ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়িয়ে চার লাখ টাকা করা হতে পারে। এসব সংশোধনী এনে প্রস্তাবিত অর্থ বিল ২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস করা হচ্ছে আজ সোমবার। এরপর কাল মঙ্গলবার (৩০ জুন) সংসদে পাস করা হবে বাজেট ২০২৬-২৭, যা আগামী ১ জুলাই থেকেই কার্যকর করা হবে। অর্থ বিভাগ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

এদিকে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর তীব্র আপত্তি, অর্থনীতিবিদদের পরামর্শ এবং বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্নের মুখে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রস্তাবিত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কর ও ভ্যাটব্যবস্থা পুনর্বিবেচনা করছে সরকার। এর মধ্যে খুচরা ব্যবসায় প্যাকেজভিত্তিক ভ্যাট, ব্যাংক হিসাব খুলতে টিআইএন বাধ্যতামূলক করা, ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা, আয়কর স্ল্যাব এবং জমির মূলধনী মুনাফা কর—এই পাঁচটি বিষয় বিশেষভাবে আলোচনায় রয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সংসদে বাজেট পাসের আগে এবং অর্থ বিলের চূড়ান্ত অনুমোদনের সময় এসব প্রস্তাবে সংশোধন আনা হতে পারে।

বাজেটে প্রস্তাব করা হয়েছিল, বছরে ৫০ লাখ টাকার কম বিক্রয় বা টার্নওভার রয়েছে এমন খুচরা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের জন্য একটি নির্দিষ্ট বা ‘স্পেসিফিক’ ভ্যাট ব্যবস্থা চালু করা হবে।

ব্যবসার অবস্থান ও ধরন অনুযায়ী মাসিক এক হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ভ্যাট নির্ধারণের পরিকল্পনা ছিল।

তবে এ প্রস্তাব বাস্তবায়নে পর্যাপ্ত প্রস্তুতির অভাব, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের হয়রানির আশঙ্কা এবং বাজারে পণ্যমূল্য বৃদ্ধির আশঙ্কার কারণে সরকার আপাতত এ সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে পারে বলে জানা গেছে।

অর্থ বিলে নতুন ব্যাংক হিসাব খোলার ক্ষেত্রে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাবও পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন, দেশে বিপুলসংখ্যক মানুষের করযোগ্য আয় না থাকলেও তাদের ব্যাংকিং সেবা প্রয়োজন। ফলে টিআইএন বাধ্যতামূলক করা হলে সাধারণ গ্রাহকদের ওপর অপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক চাপ তৈরি হতে পারে।

বাড়তে পারে করমুক্ত আয়সীমা : করদাতাদের জন্য স্বস্তির খবর হচ্ছে, ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা বর্তমান তিন লাখ ৭৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে চার লাখ টাকা করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

সূত্র জানায়, করমুক্ত আয়সীমা চার লাখ টাকা হতে পারে এবং তা ২০২৭-২৮ অর্থবছরেও বহাল থাকতে পারে।

আয়কর স্ল্যাবে আসতে পারে পরিবর্তন : করমুক্ত সীমা বৃদ্ধির পাশাপাশি আয়করের বিভিন্ন স্তর বা স্ল্যাবেও পরিবর্তন আনার আলোচনা চলছে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের করদাতাদের ওপর করের চাপ কমাতে কিছু সমন্বয় আনা হতে পারে।

জমির মূলধনী মুনাফা কর কমানোর চিন্তা : জমি উন্নয়ন প্রকল্পে ভূমির মালিকদের জন্য প্রস্তাবিত ১৫ শতাংশ মূলধনী মুনাফা করও সংশোধনের পথে রয়েছে। ব্যবসায়ী ও আবাসন খাতের প্রতিনিধিদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এ হার কমিয়ে ৫ শতাংশ করার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, উচ্চ করহার বহাল থাকলে ভূমি উন্নয়ন ও আবাসন খাতে বিনিয়োগ নিরুৎসাহ হতে পারে।

ব্যবসায়ীদের স্বস্তি, আরো পর্যালোচনার দাবি : ব্যবসায়ী নেতারা বলছেন, হঠাৎ করে নতুন কর ও ভ্যাট ব্যবস্থা চালু করা হলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। অন্যদিকে অর্থনীতিবিদরা কর ও ভ্যাটের আওতা সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তার কথা বললেও বাস্তবায়নের আগে পর্যাপ্ত গবেষণা ও প্রস্তুতির ওপর জোর দিয়েছেন।

সামগ্রিকভাবে বাজেটের বিতর্কিত কয়েকটি প্রস্তাব নিয়ে সরকারের নমনীয় অবস্থান ব্যবসায়ী ও করদাতাদের মধ্যে স্বস্তি তৈরি করেছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কী হবে, তা নির্ভর করবে সংসদে অর্থ বিল পাস এবং সরকারের শেষ মুহূর্তের পর্যালোচনার ওপর।

বায়ুদূষণে শীর্ষে কাম্পালা, ঢাকার বাতাস কতটা দূষিত

অনলাইন ডেস্ক
বায়ুদূষণে শীর্ষে কাম্পালা, ঢাকার বাতাস কতটা দূষিত

বিশ্বের বিভিন্ন শহরের বায়ুদূষণ দিন দিন বাড়ছে। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাও দীর্ঘদিন ধরে ছিল বায়ুদূষণের কবলে। সবশেষ বায়ুরমান সূচকে শহরটির বাতাসের মানে কিছুটা উন্নতির ইঙ্গিত মিললেও দূষণের চাপ পুরোপুরি কাটেনি।

আজ সোমবার (২৯ জুন) সকালে আইকিউএয়ারের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (এএকিউআই) অনুযায়ী, ঢাকার স্কোর ৮০। এই স্কোরে বায়ুরমান ‘মাঝারি’ হিসেবে বিবেচিত হয়। এ সময় বিশ্বের দূষিত শহরগুলোর তালিকায় ঢাকার অবস্থান ১৯তম।

এদিকে, একই সময়ে দূষিত শহরের তালিকায় ১৭৬ স্কোর নিয়ে শীর্ষে রয়েছে উগান্ডার রাজধানী কাম্পালা। এ ছাড়া ১৬৪ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর শহর। ১৫৯ স্কোর নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা। ১৪৩ স্কোর নিয়ে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে ভারতের কলকাতা শহর, ১৩৯ স্কোর নিয়ে পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে চীনের উহান শহরের।

আইকিউএয়ারের স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়, আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে মনে করা হয়।

এ ছাড়া, ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে থাকা স্কোর ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।