• ই-পেপার

সুদ বন্ধ করে জাকাতভিত্তিক অর্থনীতি চালু করতে হবে : জামায়াত এমপি মুজিবুর

তুরাগ নদে মরদেহ উদ্ধার নিয়ে ছড়ানো তথ্য ভুয়া : ডিএমপি

নিজস্ব প্রতিবেদক
তুরাগ নদে মরদেহ উদ্ধার নিয়ে ছড়ানো তথ্য ভুয়া : ডিএমপি
সংগৃহীত ছবি

তুরাগ নদে মরদেহ উদ্ধার নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্য ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। রবিবার (২৮ জুন) এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান ডিএমপি ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস বিভাগের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার ফারুক হোসেন।
 
তিনি বলেন, জনমনে ভয় ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপতথ্য ছড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। ডিএমপি এলাকার মধ্যে এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

এদিকে বিকেলে এক ব্রিফিংয়ে ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনও একই কথা বলেছেন।
 
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের মিছিল থেকে সাতজন নিখোঁজ হওয়ার দাবি ভিত্তিহীন। এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
 
জনগণকে এ ধরনের বিভান্তিকর সংবাদে বিশ্বাস না করা অনুরোধ জানিয়ে ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার বলেন, রাজনৈতিক রঙ জড়িয়ে কতিপয় স্বার্থন্বেষী মহল বিভিন্নভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তবে অপপ্রচারকারীদের আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে পুলিশ।

শামীমা পারভীন বলেন, আওয়ামী লীগের মিছিল থেকে ৭ জন নিখোঁজের কোনো ঘটনা জানে না পুলিশ। সুমন ও রনি নামে দুইজনের মরদেহের সঙ্গে আওয়ামী লীগের মিছিল থেকে নিখোঁজের ঘটনা এক নয়। সুমন ও রনির মৃত্যু অন্যভাবে হয়েছে।
 
এর আগে শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পুলিশ সদর দপ্তর জানায়, তুরাগ নদে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ ভাসছে শিরোনামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে, এ ধরনের কোনো ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

রূপপুরের বিদ্যুৎ কবে মিলবে, জানালেন মন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
রূপপুরের বিদ্যুৎ কবে মিলবে, জানালেন মন্ত্রী
পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মীয়মান রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। ছবি : সংগৃহীত

নির্মীয়মাণ পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে আগস্টের শেষ নাগাদ জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।

রবিবার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান।

প্রযুক্তিমন্ত্রী বলেন, প্রকল্পটি দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা, নির্মাণ ও প্রস্তুতিমূলক কাজ শেষে বর্তমানে চূড়ান্ত কমিশনিং ও স্টার্টআপ পর্যায়ে রয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করার ঠিক পূর্ববর্তী ধাপটি অত্যন্ত জটিল ও সংবেদনশীল। সব ধরনের কারিগরি ও নিরাপত্তা পরীক্ষা সফলভাবে শেষ হওয়ার পরই মূলত জাতীয় গ্রিডে এই বিদ্যুৎ সঞ্চালন করা হবে।

তিনি জানান, চলতি বছরের আগস্ট মাসের শেষের দিকে এই কেন্দ্র থেকে প্রথমবারের মতো জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের আশা করা হচ্ছে। প্রাথমিক পর্যায়ে কেন্দ্রটি থেকে প্রায় ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে।

তিনি বলেন, ‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু হলে দেশের সার্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা আরো সুসংহত হবে। বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতের ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।’

বাংলাদেশি জনশক্তিকে দক্ষ করতে কাজ করবে সুইজারল্যান্ড : রাষ্ট্রদূত

অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশি জনশক্তিকে দক্ষ করতে কাজ করবে সুইজারল্যান্ড : রাষ্ট্রদূত

সুইজারল্যান্ড নিজেদের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের জনশক্তিকে দক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানের করে গড়ে তুলতে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন দেশটির রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলি।

রবিবার (২৮ জুন) প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রদূত বিগত ১৫ বছর ধরে বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ডের মধ্যকার বিদ্যমান সুসম্পর্ক ও নিবিড় সহযোগিতার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। বাংলাদেশি যেসব কর্মী বিদেশে অবস্থান করে আবার দেশে ফিরে আসেন, তাদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পুনর্বাসনের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের সম্ভাবনাকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, এই বিপুল সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে বৈদেশিক অভিবাসন যেমন গুরুত্বপূর্ণ, ঠিক তেমনি নিজ দেশে পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা এর চেয়েও বেশি কার্যকর ও গুরুত্বপূর্ণ।

এ সময় মন্ত্রী আরিফুল হক বলেন, বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ডের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক রয়েছে। বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নিরাপদ অভিবাসন ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করতে সুইজারল্যান্ড ধারাবাহিক সহযোগিতা দিয়ে আসছে।

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, এই সংকটের কারণে অনেক বাংলাদেশি কর্মী ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এবং দেশে ফিরে আসতে বাধ্য হচ্ছেন। এ অবস্থায় প্রত্যাবর্তনকারী কর্মীদের পুনর্বাসন, কর্মসংস্থান এবং সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

জামায়াতকে প্রশ্ন স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

প্রতিটি জিনিসকে কেন নিজেদের দলীয় আদর্শের সঙ্গে একীভূত করেন?

অনলাইন ডেস্ক
প্রতিটি জিনিসকে কেন নিজেদের দলীয় আদর্শের সঙ্গে একীভূত করেন?

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স স্থগিত নিয়ে সংসদে বিরোধী দলের সমালোচনার জবাব দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, ‘আপনারা প্রতিটি জিনিসকে কেন নিজেদের দলীয় আদর্শের সঙ্গে একীভূত করেন? দলীয় আদর্শ দিয়ে দেশের বিরোধিতা করা যায় না, যা করেছেন ৭১ সালে।’

রবিবার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে মন্ত্রী এ কথা বলেন। 

তিনি বলেন, ‘আজকে অনেক সংসদ সদস্য আদ্-দ্বীন নিয়ে কথা বলেছেন। বলেছেন, ২০০ থেকে ২৫০ টাকায় তারা ডায়ালাইসিস করায়, সত্য। মাথাব্যথায় কি মাথা কেটে ফেলা যায়? না, কাটা যায় না। তবে যারা মাথা কাটে, তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে, নাকি অস্বীকার করবেন? করতে পারেন না। আনতে হবে।’

সম্প্রতি হাসপাতালটিতে চিকিৎসকদের গাফিলতি, সেন্ট্রাল এসি বন্ধ থাকা এবং পর্যাপ্ত অক্সিজেনের অভাবে একই দিনে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনার বিবরণ দেন স্বাস্থমন্ত্রী। একই সঙ্গে একটি পূর্ণাঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ভেতরে সব নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে কিভাবে বাণিজ্যিক বেকারি কারখানা ও বিপজ্জনক প্লাস্টিক বর্জ্যের স্তূপ গড়ে তোলা হয়েছে, তা সংসদের সামনে তুলে ধরেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গত মে মাসে আদ্-দ্বীন হাসপাতালে চরম অবহেলা এবং অসতর্কতার কারণে ছয়টি মায়ের বুক খালি হয়েছে। হাইপারক্যাপনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে যখন শিশুগুলোর হাত-পা কাঁপছিল, তখন সেখানে এসি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, কোনো সচল জানালা ছিল না এবং ছিল না কোনো জরুরি অক্সিজেন সাপোর্ট। ১৬ থেকে ১৭ জন মা যখন তাদের সন্তানদের বাঁচানোর জন্য চত্বরে কাঁদতে কাঁদতে ছোটাছুটি করছিলেন, তখন সেখানে কোনো অন-ডিউটি ডাক্তার পাওয়া যায়নি, এমনকি নার্সরাও ডাকলে সাড়া দেননি।’

তিনি বলেন, ‘কার্বন ডাই-অক্সাইডের বিষক্রিয়ায় ছটফট করতে করতে নিরীহ শিশুগুলো মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।’ ঘটনার পরদিনই নিজে হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে এই গুরুতর অবহেলার প্রমাণ পেয়েছেন বলে সংসদকে অবহিত করেন মন্ত্রী।

তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, এমন নির্মম ঘটনার পরও হাসপাতালের মালিকপক্ষ ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো বা সান্ত্বনা দেওয়ার ন্যূনতম নৈতিক সৌজন্যতা দেখায়নি।