• ই-পেপার

একনজরে আজকের কালের কণ্ঠ (২১ জুন)

প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে সই হতে পারে ১৭ চুক্তি : পররাষ্ট্র সচিব

অনলাইন ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে সই হতে পারে ১৭ চুক্তি : পররাষ্ট্র সচিব

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৫ থেকে ১৭টি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে বহুল আলোচিত তিস্তা প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হবে। প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফর উপলক্ষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ), দুটি চুক্তি, একটি অ্যাকশন প্ল্যান এবং একটি প্রটোকলসহ মোট ১৫ থেকে ১৭টি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র সচিব জানান, সফরকালে তিস্তা প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হবে।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রবিবার বিকেলে কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন। এরপর সোমবার বিকেলে তিনি চীনের প্রধানমন্ত্রী লি চিয়াংয়ের আমন্ত্রণে চীন সফরে যাবেন।

সিয়াম বলেন, ‘চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর। মালয়েশিয়া ও চীন সফরে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী প্রতিনিধি দল তুলনামূলকভাবে ছোট রাখা হয়েছে। দুই সফরেই প্রতিনিধি দলের সদস্য সংখ্যা ২৭ থেকে ২৮ জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে।’

পররাষ্ট্র সচিব বলেন, এ সফরকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব জোরদার, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। আগামী ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের প্রধানমন্ত্রী লি চিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন।

এছাড়া ২৬ জুন তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। চীন সফরকালে প্রধানমন্ত্রী লিয়াওনিং প্রদেশের দালিয়ানে ২৩ থেকে ২৫ জুন অনুষ্ঠেয় ‘নিউ চ্যাম্পিয়নস’-এর ১৭তম বার্ষিক সম্মেলনে (সামার দাভোস ফোরাম) অংশ নেবেন।

‘ইনোভেটিং অ্যাট স্কেল’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ ফোরামে ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলের ১ হাজার ৭০০-এর বেশি প্রতিনিধি অংশ নেবেন। সেখানে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবণতা, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এবং উদ্ভাবননির্ভর প্রবৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা হবে।

সফরে মালয়েশিয়া পর্বে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শ্রমবাজারে সহযোগিতা এবং বিনিয়োগের সুযোগ বৃদ্ধির বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। অন্যদিকে, চীন সফরে অবকাঠামো, প্রযুক্তি, সংযোগ এবং উন্নয়ন খাতে সহযোগিতা আরও গভীর করার বিষয়ে বাংলাদেশের অঙ্গীকার তুলে ধরা হবে।

ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (কূটনীতি ও অন্যান্য অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয়) এ কে এম শহিদুল করিমসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তিস্তার পানি বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই, খুলে দেওয়া হয়েছে ৪৪ জলকপাট

বাসস
তিস্তার পানি বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই, খুলে দেওয়া হয়েছে ৪৪ জলকপাট

ধারাবাহিক বৃষ্টি আর উজানের ঢলে হুহু করে বাড়ছে তিস্তা নদীর পানি। অব্যাহতভাবে পানি বাড়ার কারণে তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে পানি বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই করছে। নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চর এলাকাগুলোতে অবিরাম নদীর পানি ঢুকছে। এতে অনেক নিম্নাঞ্চল ও চর এলাকার জমি পানিতে প্লাবিত হয়েছে। 

রংপুর অঞ্চলের ৫ জেলা লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, রংপুর ও গাইবান্ধায় তিস্তাপাড়ে বন্যার আশঙ্কা করছেন নদীপাড়ের মানুষ ও পানি উন্নয়ন বোর্ড। তিস্তার পানি এখনো বিপৎসীমার নিচে রয়েছে, তবে এমন অবস্থা চলমান থাকলে আগামীকাল রোববার সকালের মধ্যে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে বলে জানিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলীরা। এতে নদীর দুই তীর উপচে চরাঞ্চলের আবাদি জমি তলিয়ে যাওয়ার আশংকায় দিশাহারা হয়ে পড়েছেন চরের কৃষকরা।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকাল ৯ টায় লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপচেলার দোয়ানী তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্টে নদীর পানি রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ২ মিটার। এ পয়েন্টে পানির বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার। গতকাল শুক্রবার (১৯ জুন) সকাল ৯ টায় এ পয়েন্টে পানি প্রবাহ রেকর্ড করা হয়েছিল ৫১ দশমিক ৬৪ মিটার। 

পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যারেজের ৪৪ জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, গজলডোবা ব্যারেজের ২০টি গেট ভারত খুলে দেয়ায় তিস্তার পানি বিপদ সীমার কাছাকাছি চলে এসেছে। এতে চরের অনেক কৃষকের আবাদি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে।

লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শুনীল কুমার বলেন, বৃষ্টি ও উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে তিস্তার পানি হুহু করে বাড়ছে। গেল ২৪ ঘন্টায় তিস্তার পানি ৩৮ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। শনিবার সকাল ৯টা থেকে পানি বিপৎসীমার মাত্র ১৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যেকোন সময় পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে তিস্তাপাড়ে বন্যা পরিস্থিতি দেখা দিতে পারে। ‘যেহেতু উজান থেকে পাহাড়ি ঢলের পানি আসছে তাই তিস্তার পানি বাড়তেই থাকবে। আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।

হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী এলাকার কৃষক শামসুল হক বলেন, তিস্তার পানি তাদের এলাকায় ঢুকে পড়েছে। পানি আর একটু বাড়লে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে। যেভাবে নদীর পানি বাড়ছে তাতে যেকোন সময় বন্যা হতে পারে।

কালীগঞ্জ উপজেলার চর শৌলমারী এলাকার কৃষক নজরুল ইসলাম বলেন, তাদের চরটি ইতোমধ্যে নদীর পানিতে ডুবে গেছে। তারা এখনো বাড়িতে অবস্থান করছেন, তবে পানি আরেকটু বাড়লে তাদেরকে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে হবে। গেল কয়েকদিন বৃষ্টি না হলেও প্রত্যেক রাতেই বৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়া উজান থেকে পাহাড়ি ঢলের পানি হুহু করে আসছে।

মহিপুর তিস্তার চর এলাকার কৃষক মকবুল হোসেন বলেন, উজান থেকে পাহাড়ি ঢলের পানি আসার গতি দেখে মনে হচ্ছে এবার তিস্তাপাড়ে বড় ধরনের বন্যা দেখা দিতে পারে। আমন ধানের চারার তৈরিকৃত বীজতলাগুলো পানিতে তলিয়ে গেছে।

রংপুর বিভাগীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আহসান হাবিব বলেন, নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি ও নদীপাড়ে ভাঙন পরিস্থিতি পযর্বেক্ষণ করা হচ্ছে। ব্রহ্মপুত্র, দুধকুমার, ধরলা, গঙ্গাধর, জিনজিরাম ও ঘাঘট নদীপাড়ে আপাতত বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি না হলেও তিস্তাপাড়ে বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।

আগস্টে চালু হচ্ছে পাবনা-ঢাকা ট্রেন চলাচল : রেলমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
আগস্টে চালু হচ্ছে পাবনা-ঢাকা ট্রেন চলাচল : রেলমন্ত্রী

আগস্টে পাবনা-ঢাকা রুটে সরাসরি ট্রেন চলাচল শুরু হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক, রেল ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। শনিবার (২০ জুন) বিকেলে পাবনা সার্কিট হাউস মিলনায়তনে সরকারি কর্মকর্তা ও সুধীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে তিনি এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, ‘ঢাকা-পাবনা রুটে ট্রেন চালুর জন্য প্রয়োজনীয় লোকোমোটিভ ইতোমধ্যে প্রস্তুত রয়েছে। আগামী মাসে (জুলাই) নতুন কিছু কোচ দেশে আসবে। কোচগুলো হাতে পাওয়ার পর অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আগস্টেই পাবনা-ঢাকা সরাসরি ট্রেন চলাচল শুরু করা হবে।’

তিনি জানান, ‘চলতি বছরের আগস্টে নতুন করে দু’টি রুটে ট্রেন সার্ভিস চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে প্রথমে চালু হবে ঢাকা-পাবনা সরাসরি ট্রেন এবং পরে ঢাকা-খুলনা সরাসরি ট্রেন চলাচল শুরু হবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘একে অপরের প্রতিপক্ষ হয়ে নয়, বরং মালিক-শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সঙ্গে নিয়ে সমন্বিত উদ্যোগে পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হবে। কোনো বিশেষ গোষ্ঠীকে প্রাধান্য দেওয়া হবে না; সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে জনস্বার্থ ও জনগণের প্রত্যাশা। খুব শিগগিরই দেশে আন্তর্জাতিক মানের মাল্টি-মোডাল যোগাযোগ ব্যবস্থা দৃশ্যমান হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।’

রবিউল আলম বলেন, ‘প্রকল্পটি বাস্তবায়নের প্রাথমিক কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। ফিজিবিলিটি স্টাডি ও ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রপোজাল (ডিপিপি) প্রণয়নের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। পাবনাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির পাশাপাশি প্রকল্পটির ব্যাপক জনস্বার্থ বিবেচনায় সরকার দ্রুততম সময়ে এটি বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ।’

এ সময় সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, সেলিম রেজা হাবিব, আবু তালেব মন্ডল, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আরিফা সুলতানা রুমা, জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম, পুলিশ সুপার সুফী উল্লাহসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আজ মালয়েশিয়া সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
আজ মালয়েশিয়া সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ রবিবার (২১ জুন) এক সরকারি সফরে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা হবেন। 

প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট বিকেলে ঢাকা থেকে কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে। মালয়েশিয়া সফর শেষে তিনি চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে সরাসরি চীনে যাবেন।

প্রধানমন্ত্রীর দুই দেশ মালয়েশিয়া ও চীন সফর শুরুর আগে পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম গতকাল শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করেন।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন চীন সফরকালে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ), দুটি চুক্তি, একটি কর্মপরিকল্পনা এবং একটি প্রোটোকলসহ ১৫ থেকে ১৭টি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ সময় বহুল প্রতীক্ষিত তিস্তা প্রকল্প নিয়েও আলোচনা করা হবে।’

সিয়াম বলেন, ‘এই বছরের ফেব্রুয়ারিতে সরকার ক্ষমতায় আসার পর এটিই প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর।’

তিনি উল্লেখ করেন, মালয়েশিয়া ও চীনে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী প্রতিনিধিদল তুলনামূলকভাবে ছোট রাখা হয়েছে, এতে ২৭ থেকে ২৮ জন সদস্য রয়েছেন।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা এটিকে একটি যুক্তিসংগত পর্যায়ে রাখার চেষ্টা করেছি।’ তিনি বলেন, এই সফরগুলোকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অংশীদারি শক্তিশালীকরণ, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি বড় কূটনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আগামী ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা করবেন। সরকারি সফরের অংশ হিসেবে তিনি ২৬ জুন চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন।

চীন সফরকালে প্রধানমন্ত্রী লিয়াওনিং প্রদেশের দালিয়ানে ২৩ থেকে ২৫ জুন অনুষ্ঠেয় ‘নিউ চ্যাম্পিয়নস’-এর ১৭তম বার্ষিক সম্মেলনে (সামার দাভোস ফোরাম) অংশ নেবেন।

‘ইনোভেটিং অ্যাট স্কেল’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ ফোরামে ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলের ১ হাজার ৭০০-এর বেশি প্রতিনিধি অংশ নেবেন। সেখানে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবণতা, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এবং উদ্ভাবননির্ভর প্রবৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা করা হবে।

সফরে মালয়েশিয়া পর্বে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শ্রমবাজারে সহযোগিতা এবং বিনিয়োগের সুযোগ বৃদ্ধির বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। অন্যদিকে চীন সফরে অবকাঠামো, প্রযুক্তি, সংযোগ এবং উন্নয়ন খাতে সহযোগিতা আরো গভীর করার বিষয়ে বাংলাদেশের অঙ্গীকার তুলে ধরা হবে।

প্রধানমন্ত্রী আগামী শুক্রবার রাতে দেশে ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (কূটনীতি ও অন্যান্য অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয়) এ কে এম শহিদুল করিমসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।