• ই-পেপার

মামলার কারণে শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি আটকে আছে : শিক্ষামন্ত্রী

সকালে প্রধানমন্ত্রীর ধমক খেয়ে বিকেলে সংসদে সিলেটের এমপি

অনলাইন ডেস্ক
সকালে প্রধানমন্ত্রীর ধমক খেয়ে বিকেলে সংসদে সিলেটের এমপি
সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী।

সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ধমক খেয়ে বিকেলে সিলেট থেকে সরাসরি সংসদে হাজির হলেন অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী এমপি। আজ বুধবার সকালে মৌলভীবাজার সফরে যোগ দিতে সিলেট এমএজি ওসমানী বিমানবন্দরে নামেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে সিলেটের বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্যরা উপস্থিত হন। 

বিমানবন্দরের লাউঞ্জে সিলেটের এমপিদের দেখে বিরক্তি প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা এখানে কেন? আজকে আপনাদের সংসদ নেই? সংসদে যান।’ প্রধানমন্ত্রী এমন ক্ষোভ প্রকাশ করায় বিকেলে ঢাকায় ফিরে সংসদ অধিবেশনে যোগ দেন সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী। 

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বুধবার সকালে ঢাকা থেকে বিমানে সিলেট পৌঁছে সড়ক পথে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে যান। শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ করেন এবং সেখানে দু’টি গাছের চারা (জাম ও কৃষ্ণচূড়া) রোপন করেন। এরপর মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ‘মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়’ মাঠে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ করেন। মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়’ মাঠের পাশে একটি আম ও একটি নিম গাছের চারা রোপণ করেন।

সংসদ সদস্যদের ফ্ল্যাটে ওয়াশিং মেশিন চাইলেন জামায়াত এমপি

অনলাইন ডেস্ক
সংসদ সদস্যদের ফ্ল্যাটে ওয়াশিং মেশিন চাইলেন জামায়াত এমপি
জাতীয় সংসদে কথা বলছেন জামায়াত ইসলামীর সংসদ সদস্য মু. মিজানুর রহমান। ছবি : সংসগৃহীত।

সংসদ সদস্যদের জন্য বরাদ্দকৃত ফ্ল্যাটগুলোতে ওয়াশিং মেশিন ও মাইক্রোওয়েভ ওভেন চেয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মু. মিজানুর রহমান। আজ বুধবার স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে হওয়া সংসদ অধিবেশনে তিনি এ দাবি করেন।

মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমরা বাজেটের ওপর কথা বলছি। সম্পূরক বাজেটও পাস হয়েছে এই সংসদে। কিন্তু এই সংসদ সদস্যদের আবাসিক ফ্ল্যাটগুলোতে জানালা-দরজার পর্দাগুলো এখনো ঝোলানো হয়নি।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা শুনেছিলাম, আমাদের এই ফ্ল্যাটগুলোতে একটি করে ওয়াশিং মেশিন ও মাইক্রোওভেন দেওয়া হবে। এই পর্দা, ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওভেন পাওয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি।’

গবেষণার ফলাফল ইম্প্যাক্টফুল হতে হবে : বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব

অনলাইন ডেস্ক
গবেষণার ফলাফল ইম্প্যাক্টফুল হতে হবে : বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব
সংগৃহীত ছবি

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন বলেছেন, গবেষণার ফলাফল ইম্প্যাক্টফুল হতে হবে, যা মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন ঘটাতে সক্ষম হয়। 

বুধবার (১৭ জুন) মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে 'লাগসই প্রযুক্তির মানোন্নয়নের চ্যালেঞ্জ ও করণীয়' শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। 

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব বলেন, গবেষণা ফল'কে  প্রোটোটাইপ বা নমুনা আকারে শিল্প/ইন্ডাস্ট্রিতে পৌঁছাতে হবে। যাতে তারা পাইলটিং করে সেবা বা পণ্য আকারে বাজারজাত করে সমাজে এটির ইম্প্যাক্ট বা ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে। 

সচিব বলেন, লাগসই প্রযুক্তি মানে সস্তা প্রযুক্তি বেছে নেওয়া নয়, বরং এটি হলো আরো বেশি সময়োপযোগী প্রযুক্তি বেছে নেওয়া। প্রযুক্তি বাংলাদেশের উপযোগী হওয়া উচিত, বাংলাদেশকে প্রযুক্তির উপযোগী হতে বাধ্য করা উচিত নয়।

আনোয়ার হোসেন বলেন, ইম্প্যাক্ট বা প্রভাবহীন উদ্ভাবন অর্থাৎ এমন গবেষণা যা বাস্তবে মানুষের কোনো কাজে বা পরিবর্তনে ভূমিকা রাখেনা সে রকম গবেষণা থেকে আমাদের সরে আসা উচিত।

সেমিনারে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ বায়োটেকনোলজি (এনআইবি)-এর মহাপরিচালক ড. মো. ছগীর আহমেদ, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান, বিসিএসআইআর-এর চেয়ারম্যান ড. সামিনা আহমদ প্রমুখ বক্তৃতা করেন। 

এ ছাড়া সেমিনারে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থার প্রধানবৃন্দ জুম প্লাটফর্মে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন এবং মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আশরাফ আলী ফারুকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এনজিও বিষয়ক ব্যুরো অফিসকে তামাকমুক্ত ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক
এনজিও বিষয়ক ব্যুরো অফিসকে তামাকমুক্ত ঘোষণা
ছবি: কালের কণ্ঠ

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে অধূমপায়ীদের রক্ষায় এনজিও বিষয়ক ব্যুরো কার্যালয়কে সম্পূর্ণ ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যমুক্ত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এখন থেকে কার্যালয় প্রাঙ্গণে তামাকজাত পণ্যের ব্যবহার, ক্রয়-বিক্রয় ও প্রচার নিষিদ্ধ থাকবে।

বুধবার (১৭ জুন) রাজধানীতে এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর সভাকক্ষে আয়োজিত ‘টেকসই তামাক নিয়ন্ত্রণ উদ্যোগ : এনজিও বিষয়ক ব্যুরো অফিস প্রাঙ্গণকে তামাকমুক্ত ঘোষণা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেন ব্যুরোর মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ জকরিয়া।

অনুষ্ঠানে ড. মোহাম্মদ জকরিয়া বলেন, ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব শুধু ধূমপায়ীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এর কারণে অধূমপায়ীরাও স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েন। তাই কর্মক্ষেত্রে তামাকমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। তিনি বলেন, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) আইন ২০২৬ অনুযায়ী পাবলিক প্লেসে ধূমপান নিষিদ্ধ। সেই বিবেচনায় কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সেবা গ্রহণকারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ব্যুরো এই উদ্যোগ নিয়েছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তামাকবিরোধী মায়েদের ফোরামের আহ্বায়ক শিবানী ভট্টাচার্য বলেন, এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর এ উদ্যোগ জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও তামাক নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, ব্যুরোর আওতাধীন বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাও পর্যায়ক্রমে তামাকমুক্ত কর্মপরিবেশ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেবে।

তামাকবিরোধী শিক্ষক ফোরামের সহআহ্বায়ক তনুশ্রী হালদার বলেন, এ সিদ্ধান্ত দেশের অন্যান্য সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য অনুসরণীয় উদাহরণ হতে পারে। এর মাধ্যমে কর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি সরকারের তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমও আরো শক্তিশালী হবে।

সভাপতির বক্তব্যে নারী মৈত্রীর নির্বাহী পরিচালক শাহীন আকতার ডলি বলেন, তামাক নিয়ন্ত্রণে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তবে ঘোষণার পাশাপাশি এর কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করাও জরুরি। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন বলে তিনি মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর পরিচালক (যুগ্মসচিব) ব্যারিস্টার মো. খলিলুর রহমান খান, এনডিসিসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং তামাকবিরোধী মায়েদের, শিক্ষক ও যুব ফোরামের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা তামাকমুক্ত কর্মপরিবেশ গঠনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান।