• ই-পেপার

আগস্টে রূপপুরের বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে : প্রযুক্তিমন্ত্রী

শিক্ষার্থীদের তৈরি কৃত্রিম রোবটিক হাত দেখে মুগ্ধ জুবাইদা রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
শিক্ষার্থীদের তৈরি কৃত্রিম রোবটিক হাত দেখে মুগ্ধ জুবাইদা রহমান
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীতে আয়োজিত এক বিজ্ঞান প্রদর্শনীতে শিক্ষার্থীদের তৈরি কণ্ঠস্বর ও শারীরিক ইশারায় (জেসচার) নিয়ন্ত্রণযোগ্য কৃত্রিম রোবটিক হাত দেখে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জুবাইদা রহমান।

রবিবার (১৪ জুন) বিকেলে তেজগাঁওয়ের বিএএফ শাহীন কলেজের শাহীন হল মিলনায়তনে ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং’ (ঢাকা জেলা পর্যায়) প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়ে তিনি শিক্ষার্থীদের এই উদ্ভাবন ঘুরে দেখেন।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং ঢাকা জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম।

প্রদর্শনীতে একদল শিক্ষার্থী তাদের তৈরি কৃত্রিম রোবটিক হাতটি (প্রোসথেসিস) প্রধান অতিথির সামনে উপস্থাপন করে। প্রচলিত কৃত্রিম হাতের সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে সম্পূর্ণ নতুন প্রযুক্তির এই উদ্ভাবন দেখে ডা. জুবাইদা রহমান শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কথা বলেন এবং এর বিভিন্ন কার্যকারিতা সম্পর্কে খোঁজ নেন।

748

শিক্ষার্থীরা প্রধান অতিথিকে জানায়, বাজারে প্রচলিত কৃত্রিম হাতগুলো সাধারণত অপরিবর্তনশীল (ফিক্সড) ও অত্যন্ত ব্যয়বহুল হয়ে থাকে। তবে তাদের তৈরি হাতটি সম্পূর্ণ থ্রিডি প্রিন্টারে তৈরি ও বিশেষভাবে প্রোগ্রাম করা, যা কণ্ঠস্বর বা শারীরিক ইশারার মাধ্যমে অনায়াসেই যেকোনো জিনিস ধরতে ও ছাড়তে পারে। এটি শুধু হাত কাটা ব্যক্তিদের জন্যই নয়, বরং যাদের কবজি থেকে হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে, তাদের শারীরিক গঠন অনুযায়ীও কাস্টমাইজ বা পরিবর্তন করে নেওয়া সম্ভব। একই সঙ্গে এটি সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে সাশ্রয়ী মূল্যে তৈরি করা সম্ভব। শিক্ষার্থীদের এই প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ও আত্মবিশ্বাস দেখে ডা. জুবাইদা রহমান উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, ‘চমৎকার প্রজেক্ট, তোমাদের অভিনন্দন।’

পরে মূল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. জুবাইদা রহমান শিক্ষার্থীদের এই উদ্ভাবনী মেধার প্রশংসা করে বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা, দক্ষতা ও মূল্যবোধ বিকাশে সপ্তম শ্রেণি থেকেই দলগত কাজ, বাস্তবভিত্তিক শিক্ষা এবং নৈতিক শিক্ষার ওপর জোর দেওয়া প্রয়োজন। ধনী-গরিব নির্বিশেষে অনগ্রসর এলাকায় উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে আগামী দিনের শিক্ষাকে আরও আনন্দময় করে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেন, ‘সরকার আর জিপিএ ৫-এর মতো সোনার হরিণের পেছনে ছুটবে না। শিক্ষার্থীদের জন্য একটি কর্মমুখী ও বাস্তবমুখী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।’ অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

বিরোধী দলের নারীদের ইঙ্গিত করে বক্তব্য, সংসদে হট্টগোল

অনলাইন ডেস্ক
বিরোধী দলের নারীদের ইঙ্গিত করে বক্তব্য, সংসদে হট্টগোল

জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনায় জামায়াতে ইসলামী এবং নারী সংসদ সদস্যদের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে মন্তব্য করে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। তার বক্তব্যের কারণে সংসদ অধিবেশনে ব্যাপক হট্টগোল ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। 

পরিস্থিতি সামাল দিতে এক পর্যায়ে স্পিকার তার বক্তব্যের আপত্তিকর অংশটুকু সংসদীয় কার্যবিবরণী থেকে এক্সপাঞ্জ (বাদ) ঘোষণা করেন এবং তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে সব সংসদ সদস্যকে আত্মমর্যাদা বজায় রাখার আহ্বান জানান। পরে সংসদের পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে আসে।

রবিবার (১৪ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় এবং প্রথম বাজেট অধিবেশনের ষষ্ঠতম দিনে বাজেট আলোচনায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।

মনিরুল হক চৌধুরী রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামীর কঠোর সমালোচনা শুরু করেন এবং ২০০৪ সালের একটি পারিবারিক দাওয়াতের গল্প টেনে আনেন। তিনি নারী সংসদ সদস্যদের ইঙ্গিত করে তাদের পোশাক ও পর্দা নিয়ে অত্যন্ত ব্যক্তিগত মন্তব্য করেন। তার মুখে এমন মন্তব্য শোনার সঙ্গে সঙ্গেই সরকারি ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা আসন ছেড়ে দাঁড়িয়ে তীব্র প্রতিবাদ ও চিৎকার শুরু করেন। তখন পুরো অধিবেশন কক্ষ জুড়ে চরম হট্টগোল শুরু হয়। ওই সময় স্পিকার বারবার সংসদ সদস্যদের শান্ত হওয়ার অনুরোধ জানালেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

মনিরুল হক চৌধুরীর এই আচরণের মুখে স্পিকার তাকে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা নিয়ে কথা না বলার জন্য কঠোরভাবে সতর্ক করেন। স্পিকার অত্যন্ত ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, আমরা সবাই জনগণের ভোটে নির্বাচিত সংসদ সদস্য। আমরা যদি নিজেদের ডিসেন্সি এবং ডিগনিটি ধরে রাখতে না পারি, তবে দেশের মানুষের কাছে আমাদের লজ্জিত হতে হবে। এই মহান সংসদ কোনো ব্যক্তিগত আক্রমণ বা কারো ব্যক্তিগত স্বাধীনতা নিয়ে কথা বলার চারণক্ষেত্র নয়। 

এই তীব্র সমালোচনার মুখে মনিরুল হক চৌধুরী সংসদে দুঃখ প্রকাশ করতে বাধ্য হন এবং তার কোনো শব্দে কারো আত্মসম্মানে আঘাত লেগে থাকলে, তা এক্সপাঞ্জ করার অনুরোধ জানান।

নরসিংদীতে নতুন সরকারি মেডিক্যাল কলেজ অনুমোদন

বাসস
নরসিংদীতে নতুন সরকারি মেডিক্যাল কলেজ অনুমোদন

নরসিংদী জেলায় সরকারি মেডিক্যাল কলেজ নির্মাণের অনুমোদন দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।

আজ রবিবার স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

জানা গেছে, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর নরসিংদী জেলায় নতুন মেডিক্যাল কলেজ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। 
সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল নরসিংদী-৪ মনোহরদী-বেলাবো থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য। তিনি চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। পরে তিনি নিজ জেলায় সরকারি মেডিক্যাল কলেজ নির্মাণের উদ্যোগ নেন।

বিআরটি প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে সভা করলেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
বিআরটি প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে সভা করলেন প্রধানমন্ত্রী

বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্প নিয়ে সভা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রবিবার (১৪ জুন) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সভা হয়। 

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গাজীপুরের জয়দেবপুর পর্যন্ত বিস্তৃত বিআরটি প্রকল্পের অগ্রগতি, বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া ও সম্ভাব্য সুফল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সভায় বিশেষজ্ঞরা প্রকল্পটির বিভিন্ন দিক নিয়ে মতামত দেন। বিশেষ করে বিআরটির নকশা, স্টেশন ব্যবস্থাপনা, যাত্রীসেবা, পরিচালন কাঠামো এবং সামগ্রিক কার্যকারিতা নিয়ে তারা নিজেদের পর্যবেক্ষণ ও পরামর্শ তুলে ধরেন।

সভায় সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ ও নৌ পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, সড়ক পরিবহন ও রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ হাবিব, সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মোহাম্মদ জিয়াউল হক, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষক শামসুল হক, মোসলেহ উদ্দীন হাসান, মো. হাদিউজ্জামান ও রাকিব আহসান, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মঈনুল হাসানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।