• ই-পেপার

মরণোত্তর জাতিসংঘ পদক পেলেন ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী

অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হবে বে অব বেঙ্গল সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক
অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হবে বে অব বেঙ্গল সম্মেলন

সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত আন্তর্জাতিক সংলাপ প্ল্যাটফর্ম বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন (বিওবিসি)-এর পঞ্চম আসর আগামী ৩-৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। রাজাধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত এ আসরে উদ্বোধনী বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (৬ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আয়োজক সংস্থা সিজিএস এ তথ্য জানিয়েছে। 

বর্তমান বিশ্বের দ্রুত পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা, প্রযুক্তিগত রূপান্তর, অর্থনৈতিক পুনর্বিন্যাস, জলবায়ু সংকট, এবং রাষ্ট্র ও সমাজে আস্থার ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জকে সামনে রেখেই এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এবারের এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ‘FRAGMENTS FRONTIERS FUTURES’ (ভাঙন, নতুন দিগন্ত, আগামী দিনের বিশ্ব) ও ‘Navigating Power, Technology and Trust in a World Rewritten’ (পুনর্লিখিত এক বিশ্বে ক্ষমতা, প্রযুক্তি ও আস্থার নতুন পথচলা)। 

আয়োজক সংস্থা সিজিএস জানিয়েছে, বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশের প্রায় ১০০০ প্রতিনিধি এবারের সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবেন। ফলে তা বাংলাদেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত অন্যতম বৃহৎ আন্তর্জাতিক কৌশলগত ও নীতিনির্ধারণী সংলাপের আসরে পরিণত হবে।

তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলনে থাকবে উচ্চপর্যায়ের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশন, নেতৃত্ব পর্যায়ের সংলাপ, বিষয়ভিত্তিক আলোচনা, বিশেষ সাক্ষাৎকারভিত্তিক সেশন, ফায়ারসাইড কনভারসেশন এবং একটি বিশেষ ইয়াং লিডার্স ফোরাম।

আলোচনার মূল বিষয়গুলোর মধ্যে থাকবে- আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও নিরাপত্তা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও উদীয়মান প্রযুক্তি, বাণিজ্য ও সংযোগ, জলবায়ু ও মানব নিরাপত্তা, গণতন্ত্র ও সুশাসন, এবং বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বঙ্গোপসাগর অঞ্চলের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত গুরুত্ব।

এবারের সম্মেলন পাঁচটি প্রধান থিম্যাটিক স্তম্ভকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত হবে। তা হলো- এক.  পরিবর্তনশীল ক্ষমতার রাজনীতি: ভূরাজনীতি, নিরাপত্তা ও কৌশলগত প্রতিযোগিতা। দুই. প্রযুক্তির নতুন দিগন্ত: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার স্পেস ও তথ্যের ক্ষমতা। তিন. অর্থনীতির নতুন ভূগোল: বাণিজ্য, সংযোগ ও প্রবৃদ্ধির নতুন বাস্তবতা। চার. জলবায়ু, স্থিতিস্থাপকতা ও মানব নিরাপত্তা। পাঁচ. আস্থা, গণতন্ত্র ও সুশাসনের ভবিষ্যৎ। 

সিজিএস আরো জানিয়েছে, সম্মেলনের বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকবে প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনী ভাষণ, বে অব বেঙ্গল লেকচার, উচ্চপর্যায়ের লিডারশিপ ফোরাম, এবং সম্মেলনের অন্যতম স্বাক্ষরধর্মী অধিবেশন ‘Why the Bay Matters to the World’ (বঙ্গোপসাগর: ভূরাজনীতি, সংযোগ ও ভবিষ্যতের নতুন কেন্দ্র)।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন সরকার, কূটনীতি, নিরাপত্তা, ব্যবসা, গবেষণা, গণমাধ্যম এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংলাপ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের নীতিনির্ধারক, চিন্তাবিদ, গবেষক, উদ্যোক্তা এবং তরুণ নেতারা এই প্ল্যাটফর্মে অংশগ্রহণ করে সমসাময়িক বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে মতবিনিময় করে থাকেন।

বর্তমান সময়ে বঙ্গোপসাগর অঞ্চল আন্তর্জাতিক রাজনীতি, বাণিজ্য, সংযোগ, জ্বালানি নিরাপত্তা, জলবায়ু অভিযোজন এবং ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলগত বাস্তবতায় ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং বৃহত্তর ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের সংযোগস্থল হিসেবে বঙ্গোপসাগরের গুরুত্ব আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি।

আয়োজকদের আশা, বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৬ এই অঞ্চলের ভবিষ্যৎ, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং বৈশ্বিক পরিবর্তনের গতিপ্রকৃতি নিয়ে আরও গভীর ও ফলপ্রসূ আলোচনা এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

৬৫ শতাংশ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বিদ্যুতের দাম বাড়ছে না : তথ্যমন্ত্রী

বাসস
৬৫ শতাংশ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বিদ্যুতের দাম বাড়ছে না : তথ্যমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন জানিয়েছেন, বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানিসংকট ও অভ্যন্তরীণ বাস্তবতা বিবেচনায় দেশের ৬৫ শতাংশ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির রুটিন সিদ্ধান্তের আওতার বাইরে রেখেছে সরকার।

তিনি বলেন, দেশের শতকরা ৬৫ ভাগ সাধারণ ও নিম্নআয়ের বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীকে এই মূল্যবৃদ্ধির বাড়তি চাপ থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত রাখা হয়েছে। এর আগে তারা বিইআরসির মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্তের আওতায় ছিল।

আজ শনিবার (৬ জুন) সকালে সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তর (পিআইডি) সম্মেলনকক্ষে সম্প্রতি সরকারের বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে আয়োজিত জরুরি প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা জানান।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিইআরসি একটি জুডিশিয়াল অথরিটি বা আধাবিচারিক প্রতিষ্ঠান। তারা সুনির্দিষ্ট মাপকাঠির ভিত্তিতে তাদের রুটিন কাজ হিসেবে এই মূল্য সমন্বয় করেছে। তবে সরকারের সংকল্প ছিল প্রান্তিক মানুষকে সুরক্ষা দেওয়া। ফলে এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বিত্তবান গ্রাহকদের ওপর চাপ পড়লেও নিম্নআয়ের ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ এই বৃদ্ধির আওতামুক্ত থাকবে।’

ব্রিফিংয়ে সরকারের পক্ষ থেকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের লিখিত বক্তব্য এবং সার্বিক পরিস্থিতি গণমাধ্যমের সামনে উপস্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

ব্রিফিংয়ে তথ্যমন্ত্রী ও উপদেষ্টা বিদ্যুৎ ও জ্বলানির মূল্যবৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিত, পরিমাণ ও ধরন তুলে ধরেন। এ সময় সেখানে আরো উপস্থিত ছিলেন তথ্য অধিদপ্তরের উপ-প্রধান তথ্য অফিসার মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম।

ব্রিফিয়ে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশসহ সব আমদানিনির্ভর জ্বালানিব্যবস্থার দেশগুলো বড় সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘বিগত ২০ বছর ধরে যদি আমাদের দেশের মাটির নিচে আবিষ্কৃত ও চিহ্নিত নিজস্ব জ্বালানিসম্পদ উত্তোলনের সঠিক নীতিমালা থাকত, তবে এখন আমাদের এতটা আমদানিনির্ভর হতে হতো না। পূর্ববর্তী নীতিমালার ভুলের কারণেই আজ বৈশ্বিক সংকটে আমরা এতটা আঘাতপ্রাপ্ত ও সংকুচিত হয়ে পড়েছি। এখন আমদানিকারক দেশ হিসেবে আন্তর্জাতিক বাজারের বৈশ্বিক মানদণ্ড ও বাধ্যবাধকতা মেনে আমাদের মূল্য নির্ধারণ করতে হচ্ছে।’

আওয়ামী লীগ সরকারের প্রসঙ্গ টেনে তথ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘গত এক থেকে দেড় দশক ধরে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে যে ভয়াবহ দুর্নীতি ও লুটপাটের চক্র তৈরি করা হয়েছে, তা আপনাদের সামনেই ঘটেছে। এই দীর্ঘস্থায়ী অপরাধ ও দুর্নীতির গভীর চক্র থেকে পুরো খাতকে বের করে এনে সুস্থ ধারায় ফেরাতে কিছুটা সময় লাগবে। তবে বর্তমান সরকারের স্পিরিট বা সংকল্প অত্যন্ত পরিষ্কার।’

তিনি আরো জানান, সরকার একদিকে যেমন জ্বালানিতে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন ও মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে, তেমনি বর্তমানের তাৎক্ষণিক সমস্যাগুলোকেও অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হচ্ছে।

কালো টাকার অপরাধের বোঝা বহন করতে হচ্ছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ খাতে সরকারকে এখনো ৪১ হাজার কোটি টাকার বিশাল অঙ্কের ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। অথচ দেশের খেলাপি ঋণ, মানি লন্ডারিং বা ইনফরমাল ইকোনমির (অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতি) বিশাল আকারের দিকে তাকালে এই ৪১ হাজার কোটি টাকা কিছুই না। যারা এই অপরাধগুলো করে বিপুল পরিমাণ কালো টাকার মালিক হয়েছেন, বিদেশে অর্থপাচার করেছেন, মূলত তাদের সেই অপরাধের বোঝাই আজকের এই সংকটময় ব্যবস্থাপনাকে বহন করতে হচ্ছে।

কোনো আনুষ্ঠানিক বা জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন ছাড়াই জনগণের স্বার্থে সরকার, গণমাধ্যম ও জনগণের মধ্যে একটি তথ্য বিনিময়ের স্বাভাবিক ও নিয়মিত প্রক্রিয়া গড়ে তোলার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তথ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘সরকার জনগণকে জানাতে চায়, আবার জনগণও জানতে চায়। সুস্থ গণমাধ্যম সংযোগকারী হিসেবে উভয়কেই সেবা দেবে। আমরা তথ্যপ্রবাহের এই স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার মধ্যে প্রবেশ করতে চাচ্ছি, যেখানে যেকোনো জরুরি বিষয়ে আমরা নিয়মিত আপনাদের সঙ্গে বসব এবং পরামর্শ নেব।’

জনগণকে সচেতন রাখার জন্য গণমাধ্যমকে ধন্যবাদ জানিয়ে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বর্তমান সরকারের প্রতিটি কাজের জবাবদিহি গণমাধ্যমের মাধ্যমে জনগণের কাছে প্রতিনিয়ত পৌঁছে দেওয়া হবে।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বাসস
ডেঙ্গু প্রতিরোধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

ডেঙ্গু প্রতিরোধে দুই থেকে তিন দিন পর মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

তিনি বলেন, ‘ডেঙ্গু মশার লার্ভা যে প্রতিষ্ঠানে পাওয়া যাবে, সেখানকার সংশ্লিষ্টদের জরিমানা করা হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে দুই থেকে তিন দিন পর পর মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।’

আজ শনিবার (৬ জুন) সকালে ধানমণ্ডির রবীন্দ্র সরোবরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসের বিশেষ অভিযানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই কথা জানান তিনি।

এবার ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হওয়া রোগীদের রক্তক্ষরণেরও আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলন, ‘ডাক্তাররা আশঙ্কা করছেন, এবারের ডেঙ্গুর রূপ হবে ভয়াবহ। যার নাম হেমোরেজিক। ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার সঙ্গে হতে পারে রক্তক্ষরণও। সুতরাং আগে থেকেই সচেতন হতে হবে।’

অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আব্দুস সালাম বলেন, ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনগণকে সচেতন হতে হবে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের জরিপে এসেছে ডেঙ্গুর জন্য দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৬৩টি ওয়ার্ড ঝুঁকিপূর্ণ। এ ছাড়া ২৮টি ওয়ার্ড অধিক ঝুঁকিপূর্ণ।’

জনগণের দায়িত্ব ৫০ শতাংশ এবং সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব ৫০ শতাংশ হলেই ডেঙ্গু প্রতিরোধ সম্ভব বলেও জানান প্রশাসক আবদুস সালাম।

৭৫ ইউনিট পর্যন্ত ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে বিদ্যুতের দাম বাড়ছে না : তথ্য উপদেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক
৭৫ ইউনিট পর্যন্ত ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে বিদ্যুতের দাম বাড়ছে না : তথ্য উপদেষ্টা
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। ছবি : সংগৃহীত

শূন্য থেকে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী গ্রাহকদের ক্ষেত্রে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

শনিবার (৬ জুন) সচিবালয়ে বিদ্যুৎ-জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

ডা. জাহেদ বলেন,  এ সিদ্ধান্তের ফলে নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত গ্রাহকরা সরাসরি উপকৃত হবেন।

তিনি জানান, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) শুনানির মাধ্যমে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হলেও সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রায় ৬৫ শতাংশ গ্রাহকের ক্ষেত্রে কোনো দাম বাড়বে না, বরং আগের দামই বহাল থাকবে।
 
একই সংবাদ সম্মেলনে দুর্নীতি ও মানি লন্ডারিংসহ বিগত সরকারের সময়কার নানা অপরাধের বোঝা বর্তমান সরকারকে বহন করতে হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

মন্ত্রী বলেন, দুর্নীতির চক্র থেকে দেশকে বের করে আনার পাশাপাশি রাষ্ট্র পরিচালনায় স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে সরকার। আগের সরকারগুলো আমদানিনির্ভর নীতিকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। যদি উৎপাদনমুখী নীতি গ্রহণ করা হতো, তাহলে আজ বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতি তৈরি হতো না।