• ই-পেপার

আইনি লড়াইয়ে জিতে শুটিংয়ে ফিরছেন অভিনেতা কিম সু-হিউন

শাবনূরকে নিয়ে পূর্ণিমার আবেগঘন বার্তা

অনলাইন ডেস্ক
শাবনূরকে নিয়ে পূর্ণিমার আবেগঘন বার্তা
সংগৃহীত ছবি

ঢাকাই চলচ্চিত্রের অন্যতম জনপ্রিয় দুই নায়িকা শাবনূর ও পূর্ণিমা। সম্প্রতি চিত্রনায়িকা পূর্ণিমার শাবনূরকে নিয়ে দেওয়া একটি পোস্ট ফেসবুকে নেটিজেনদের আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

রবিবার (৭ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ওই পোস্টটি করেন পূর্ণিমা। পোস্টে শাবনূরের সঙ্গে কাটানো একটি স্মরণীয় মুহূর্তের ভিডিও প্রকাশ করেন তিনি।

পোস্টের ক্যাপশনে পূর্ণিমা লিখেন, ‘‘কিছু মানুষ শুধু তারকা নন, তারা মানুষের হৃদয়ে চিরকাল বেঁচে থাকেন। বাংলা চলচ্চিত্রের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র ‘শাবনূর’ আপু। পর্দার সাফল্যের বাইরেও তিনি একজন অসাধারণ মনের মানুষ। ২-৩ বছর আগে তার সঙ্গে কাটানো এই মুহূর্তটি আজো আমার জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় স্মৃতিগুলোর একটি।’’

তিনি আরো লিখেন, ‘বাংলা সিনেমায় আপনার অবদান যেমন অবিস্মরণীয়, তেমনি মানুষ হিসেবেও আপনি অসাধারণ। আপনাকে বড় পর্দায় খুব মিস করি। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। অনেক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।’

এদিকে ভিডিওতে দুই তারকাকে হাস্যোজ্জ্বল ও আন্তরিক পরিবেশে একসঙ্গে সময় কাটাতে দেখা যায়। পোস্টটি প্রকাশের পর থেকেই তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

এক ছবিতেই ৩০০ কোটি, পারিশ্রমিকের শীর্ষে কে?

বিনোদন ডেস্ক
এক ছবিতেই ৩০০ কোটি, পারিশ্রমিকের শীর্ষে কে?
পারিশ্রমিকের শীর্ষে কে?

ভারতীয় চলচ্চিত্রে তারকাদের পারিশ্রমিক বরাবরই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। নব্বইয়ের দশকে চিরঞ্জীবী প্রথম ভারতীয় অভিনেতা হিসেবে একটি ছবির জন্য ১ কোটি টাকা পারিশ্রমিক দাবি করেছিলেন, যা সে সময় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে বলিউডের শীর্ষ তারকারাই সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত অভিনেতাদের তালিকায় আধিপত্য বজায় রেখেছেন। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দক্ষিণ ভারতীয় ‘প্যান-ইন্ডিয়া’ চলচ্চিত্রের সাফল্য সেই চিত্র বদলে দিয়েছে।

বর্তমানে বিশ্বের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত ভারতীয় অভিনেতা হলেন তেলুগু সুপারস্টার অল্লু অর্জুন। ২০২৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘পুষ্পা ২: দ্য রুল’ ছবির মাধ্যমে তিনি ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে একক ছবির জন্য সর্বোচ্চ আয় করার নজির গড়েছেন।

জানা গেছে, ছবিটির জন্য অল্লু অর্জুন নির্দিষ্ট পারিশ্রমিকের পাশাপাশি লাভের অংশীদারও ছিলেন। বাণিজ্য বিশ্লেষকদের তথ্য অনুযায়ী, ‘পুষ্পা ২’ বিশ্বজুড়ে ১,৭০০ কোটিরও বেশি টাকা আয় করেছে ও ছবিটির মোট মুনাফা ৬০০ কোটির বেশি। সেই লাভের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ পেয়েছেন অভিনেতা নিজে। সব মিলিয়ে ছবিটি থেকে তার আয় প্রায় ৩০০ কোটি টাকা বা তারও বেশি বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে।

এই অঙ্ক ভারতীয় চলচ্চিত্রের অনেক বড় বাজেটের ছবির মোট নির্মাণ ব্যয়ের চেয়েও বেশি। উদাহরণ হিসেবে, এক সময়ের সর্বোচ্চ আয়কারী ভারতীয় ছবি ‘বাহুবলী ২’-এর নির্মাণ ব্যয় ছিল ২৫০ কোটিরও কম।

দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় সিনেমার সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত অভিনেতাদের তালিকায় শীর্ষে ছিলেন শাহরুখ খান, আমির খান ও সলমন খান। নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি সময়ে অমিতাভ বচ্চন ও সঞ্জয় দত্তের পর তাদের উত্থান ঘটে। ধারাবাহিক সাফল্যের ফলে সময়ের সঙ্গে বেড়েছে তাদের পারিশ্রমিকও।

শাহরুখ খানই মূলত ছবির লাভের অংশ নেওয়ার প্রথাকে জনপ্রিয় করে তোলেন। অন্যদিকে, আমির খান প্রথম ভারতীয় অভিনেতা হিসেবে ১০০ কোটির পারিশ্রমিকের মাইলফলক স্পর্শ করেন। ২০১০-এর দশকের শেষ দিকে তিন খানই ছবিপ্রতি ১০০ কোটির বেশি আয় করতেন। ২০২৩ সালে ‘পাঠান’ ও ‘জওয়ান’–এর সাফল্যের পর শাহরুখের পারিশ্রমিক ২০০ কোটির সীমাও অতিক্রম করে।

আরো পড়ুন
আয়ুষ্মান নন, ‘আন্ধাধুন’ ছবির জন্য প্রথম পছন্দ ছিলেন বরুণ

আয়ুষ্মান নন, ‘আন্ধাধুন’ ছবির জন্য প্রথম পছন্দ ছিলেন বরুণ

 

তবে ২০২৪ সালে তালিকার শীর্ষে বড় পরিবর্তন আসে। তামিল সুপারস্টার রজনীকান্ত তার ব্লকবাস্টার ‘জেলার’ ছবির মাধ্যমে ২৫০ কোটিরও বেশি আয় করে শীর্ষস্থান দখল করেছিলেন। কিন্তু কয়েক মাসের ব্যবধানে তাকে ছাড়িয়ে যান অল্লু অর্জুন।

গত পাঁচ বছরে অল্লু অর্জুনকে দেখা গেছে মূলত ‘পুষ্পা’ সিরিজের দুই ছবিতে। এরপর পরিচালক অ্যাটলির নতুন ছবি ‘রাকা’য় অভিনয় করবেন তিনি। অ্যাকশন-অ্যাডভেঞ্চার ঘরানার এই ছবিতে তার সহশিল্পী হিসেবে থাকবেন দীপিকা পাড়ুকোন। ছবিটি ২০২৭ সালের ডিসেম্বরে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

সূত্র: আনন্দবাজার ডট কম

আয়ুষ্মান নন, ‘আন্ধাধুন’ ছবির জন্য প্রথম পছন্দ ছিলেন বরুণ

অনলাইন ডেস্ক
আয়ুষ্মান নন, ‘আন্ধাধুন’ ছবির জন্য প্রথম পছন্দ ছিলেন বরুণ

হিন্দি সিনেমা জগতের অন্যতম সেরা সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার ‘আন্ধাধুন’ (২০১৮)। শ্রীরাম রাঘবন পরিচালিত এবং জাতীয় পুরস্কারজয়ী এই ছবিতে অভিনয় করে ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছিলেন আয়ুষ্মান খুরানা ও টাবু। তবে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা বরুণ ধাওয়ান জানিয়েছেন, এই ছবির জন্য আয়ুষ্মান বা টাবু নন, বরং প্রথম পছন্দ ছিলেন তিনি নিজে এবং কঙ্গনা রানাউত।

ইউটিউবে কমেডিয়ান তন্ময় ভাটের একটি অনুষ্ঠানে এসে বরুণ ধাওয়ান নিজের ক্যারিয়ারের এই বড় তথ্যটি শেয়ার করেন। তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, এমন কোনো সফল ছবি আছে কি না যা হাতছাড়া করার জন্য তিনি আফসোস করেন? উত্তরে বরুণ জানান, বক্স অফিসের হিসাব বাদ দিলেও ‘আন্ধাধুন’ ছবিটি না করতে পারার জন্য তার মনে বড় অনুশোচনা রয়েছে। তিনি বলেন, আমি তখন অন্য একটি সিনেমার শুটিং নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম, তাই এটি করতে পারিনি। আসলে ছবিটির জন্য প্রথম পছন্দ ছিলাম আমি এবং কঙ্গনা ।

আয়ুষ্মানের চরিত্রের জন্য বরুণ প্রথম পছন্দ ছিলেন—এই তথ্যটি বলিপাড়ায় আগে থেকেই কিছুটা জানা ছিল। তবে ছবিটির প্রধান নারী চরিত্রের জন্য যে কঙ্গনাকে ভাবা হয়েছিল, তা এই প্রথম প্রকাশ্যে এল। তবে ছবিতে কঙ্গনাকে কোন চরিত্রের জন্য ভাবা হয়েছিল—টাবুর খলনায়িকা চরিত্র ‘সিমি’, নাকি রাধিকা আপ্তের চরিত্র, তা অবশ্য বরুণ পরিষ্কার করেননি।

‘আন্ধাধুন’ সিনেমার গল্পটি আবর্তিত হয়েছিল একজন পিয়ানোবাদককে ঘিরে, যিনি আসলে চোখে দেখতে পেলেও সবার সামনে অন্ধ হওয়ার ভান করতেন। একদিন ঘটনাক্রমে তিনি এক প্রভাবশালী নারীর (টাবু) স্বামীর লাশ গুম করার ঘটনা দেখে ফেলেন। এরপর থেকেই তার জীবন পুরোপুরি ওলটপালট হয়ে যায়। ছবিটির শেষ দৃশ্যটিকে বলিউডের অন্যতম সেরা ‘টুইস্ট’ বা রহস্য হিসেবে গণ্য করা হয়।

সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

নার্সদের পোশাকে পরিবর্তন চান কঙ্গনা

অনলাইন ডেস্ক
নার্সদের পোশাকে পরিবর্তন চান কঙ্গনা
সংগৃহীত ছবি

মুম্বাইয়ের ২৬/১১ সন্ত্রাসী হামলার প্রেক্ষাপটে তৈরি ‘ভারত ভাগ্য বিধাতা’ ছবিতে একজন নার্সের চরিত্রে অভিনয় করেছেন বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই ছবির বিষয়বস্তু ও নার্সদের পেশা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তাদের পোশাকে পরিবর্তন আনার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

কঙ্গনার মতে, বর্তমানে চিকিৎসকদের পোশাকের ক্ষেত্রে অনেক বেশি স্বাধীনতা থাকলেও নার্সদের এখনও নির্দিষ্ট ও ঐতিহ্যবাহী ইউনিফর্মই পরতে হয়। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় ব্রিটিশ আমলের নার্সদের ড্রেস কোড আমাদের দেশে এখনও চালু রয়েছে। চিকিৎসকেরা নিজেদের পছন্দমতো পোশাক পরতে পারলেও নার্সদের ক্ষেত্রে গরম বা শীত—সব ঋতুতেই এক ধরনের বিদেশি ধাঁচের ইউনিফর্ম পরতে দেখা যায়।

ইউনিফর্মের ইতিহাস টেনে কঙ্গনা বলেন, এই পোশাকে ব্যবহৃত পিন, ক্যাপ বা বেল্ট মূলত প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার মার্কিন নৌবাহিনীর প্রভাব থেকে এসেছে। তবে তিনি পরিষ্কার জানান, ভবিষ্যতে ইউনিফর্মে কোনো পরিবর্তন এলে তা নার্সদের নিজস্ব প্রয়োজন ও মতামতের ভিত্তিতেই হওয়া উচিত। নার্সদের স্বস্তির কথা মাথায় রেখে যদি ইউনিফর্মে একটি ‘ভারতীয় ছোঁয়া’ আনা যায়, তবে তা অত্যন্ত ইতিবাচক হবে বলে তিনি মনে করেন।

পোশাকের পাশাপাশি নার্সিং পেশাকে কেন্দ্র করে সমাজের কিছু নোংরা মানসিকতারও সমালোচনা করেন কঙ্গনা। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, নার্সদের কাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও এই পেশাকে প্রায়ই ‘যৌনতার’ সঙ্গে যুক্ত করে নানা রকমের মন্তব্য করা হয়। আমার মনে হয় নার্সিং এমন একটি পেশা, যেটিকে সমাজে সবচেয়ে বেশি যৌনতার দৃষ্টিতে দেখা হয়। মানুষের এই ধারণা ও মনোভাব দ্রুত পরিবর্তন হওয়া উচিত।

ছবিতে নিজের চরিত্রটি নিয়ে অভিনেত্রী বলেন, তারা সিনেমাটিতে অত্যন্ত সততা ও মর্যাদার সঙ্গে কাজ করেছেন। হাসপাতালের পুরো ব্যবস্থাকে সচল রাখতে নার্সদের অবদান চিকিৎসকদের চেয়ে কম নয় উল্লেখ করে কঙ্গনা বলেন, হাসপাতালের কথা ভাবলেই আমরা শুধু চিকিৎসকদের কথা ভাবি। তাদের অবদান অপরিসীম ঠিকই, কিন্তু যে লক্ষ লক্ষ নার্স ও কর্মী প্রতিদিন এই পুরো ব্যবস্থাকে সচল রাখছেন, আমাদের তাদের কথাও ভাবা উচিত।

সূত্র : এই সময়