সাভারের ভার্কুতা পুলিশ ফাঁড়ি পুলিশ হেফাজত থেকে ছাত্র হত্যা মামলার আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় ২ এএসআই ও একজন কনস্টবেলকে প্রত্যাহার করা হয়ছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে ভার্কুতা পুলশি ফাঁড়ির ইনর্চাজ আনোয়ারুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তারা হলেন সাভার মডলে থানার ভার্কুতা ফাঁড়ির সহকারী উপপরির্দশক (এএসআই) রবিউল ইসলাম, খায়রুল আলম ও কনস্টবেল তোফায়েল।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ছাত্র হত্যা মামলার অন্যতম এজাহারনামীয় আসামি এবং ভার্কুতা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি আশাব উদ্দনিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ভার্কুতা ফাঁড়ি নিয়ে আসা হয়। পরে দুপুরের দিকে ফাঁড়ির দায়িত্বরত র্কমর্কতাদের চরম গাফিলতি ও উদাসীনতার সুযোগ নিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যান আশাব উদ্দিন। মাত্র কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে পুলিশের চোখের সামনে দিয়েই হাওয়া হয়ে যায় এই হত্যা মামলার আসামি। এরপর চারদিকে শোরগোল পড়লেও ততক্ষণে আসামি উধাও।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভার্কুতা পুলশি ফাঁড়ির ইনচার্জ আনোয়ারুল ইসলাম জানান, কর্তব্যের অবহেলা আসামির পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তে গাফিলতির প্রমাণ মেলায় দুই এএসআই এবং একজন কনস্টবেলকে ফাঁড়ি থেকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনসে ক্লোজ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘পলাতক আসামি আশাব উদ্দিনকে পুনরায় গ্রেপ্তার করতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে খুব দ্রুতই তাকে আবার গ্রেপ্তার করা হবে।





