• ই-পেপার

বগুড়ার সেই ৩ ইউনিয়নের নাম বদলের শুনানি মঙ্গলবার

পর্দা নামল ৩ দিনব্যাপী হারমোনি ফেস্টিভালের

মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি, মৌলভীবাজার
পর্দা নামল ৩ দিনব্যাপী হারমোনি ফেস্টিভালের
ছবি: কালের কণ্ঠ

বাংলাদেশের বহুমাত্রিক সংস্কৃতি, জাতিগত বৈচিত্র্য ও সম্প্রীতির অনন্য বন্ধনকে নতুনভাবে তুলে ধরেছে ৩ দিনব্যাপী ‘হারমোনি ফেস্টিভ্যাল (সিজন-২)’। বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের আয়োজনে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে অনুষ্ঠিত এ উৎসবের পর্দা নেমেছে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে।

তিন দিনের এ জমকালো আয়োজনের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয় রোববার রাত ১১টার দিকে। উৎসবের মূল লক্ষ্য ছিল ক্ষুদ্র জাতিসত্তাগুলোর নিজস্ব সংস্কৃতি সংরক্ষণ এবং পর্যটন শিল্পের বিকাশে ভূমিকা রাখা।

সিলেট অঞ্চলে বসবাসরত ২৭টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও জীবনধারার সমন্বয়ে উৎসবটি আয়োজন করা হয়। নৃ-গোষ্ঠীগুলোর বিলুপ্তপ্রায় সংস্কৃতি, নৃত্য, গান, লোকজ পরিবেশনা, হস্তশিল্প প্রদর্শনী, ঐতিহ্যবাহী খাবার এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের নানা আয়োজন উৎসব প্রাঙ্গণকে পরিণত করে বৈচিত্র্যের এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায়।

অংশগ্রহণকারী নৃ-গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে ছিল খাসিয়া, গারো, মনিপুরি, ত্রিপুরা, সবর, খাড়িয়া, রিকিয়াসন, বাড়াইক, কন্দ, রাজবল্লব, ভূইয়া, সাঁওতাল, ওরাও, লোহার, মুন্ডা, কুর্মী, ভূমিজ, বুনারাজি, গঞ্জু, মৃধা, তেলেগু, গৌড়, রবিদাস, পাইনকা, কৈরী/ভোজপুরী, কালিন্দি ও কড়া সম্প্রদায়।

আয়োজকদের মতে,হারমোনি ফেস্টিভ্যাল শুধু একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নয়; এটি পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহাবস্থান এবং সামাজিক সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার একটি কার্যকর উদ্যোগ। বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষকে একই প্ল্যাটফর্মে এনে তাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে পরিচিত করার পাশাপাশি দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে বাংলাদেশের বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক পরিচয় তুলে ধরাই ছিল উৎসবের অন্যতম লক্ষ্য।

পর্যটন সম্ভাবনায় সমৃদ্ধ শ্রীমঙ্গলকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এ উৎসবের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল টেকসই সাংস্কৃতিক পর্যটনের প্রসার। স্থানীয় পর্যায়ে পর্যটনের বিকাশের মাধ্যমে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের শিল্পীরা তাদের নিজস্ব লোকজ গান, ঐতিহ্যবাহী নৃত্য ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন। পাশাপাশি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের জন্য পৃথক স্টল বরাদ্দ করা হয়। সেখানে হাতে বোনা পোশাক, গহনা, ঐতিহ্যবাহী শিকারের সরঞ্জাম এবং অন্যান্য সাংস্কৃতিক স্মারক প্রদর্শন ও বিক্রি করা হয়। দর্শনার্থীরা আদিবাসী সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী খাবার ও পিঠাপুলির স্বাদ নেওয়ার সুযোগও পান।

উৎসবে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত বিভিন্ন পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রির সুযোগ সৃষ্টি হয়, যা ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করে। বিশেষ করে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নারীদের তৈরি হস্তশিল্প, পোশাক ও ঐতিহ্যবাহী পণ্য দর্শনার্থীদের ব্যাপক আগ্রহ কাড়ে। এর মাধ্যমে নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ও আত্মনির্ভরশীলতার বার্তাও উঠে আসে।

বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের উদ্যোগে ‘কমিউনিটি-বেসড ট্যুরিজম’ বা সম্প্রদায়ভিত্তিক পর্যটন বিকাশের লক্ষ্যও উৎসবের অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ ছিল। এই ধারণার মাধ্যমে স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে পর্যটন কার্যক্রমের অংশীদার করে তাদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও জীবনধারাকে পর্যটন সম্পদ হিসেবে তুলে ধরা হয়। ফলে পর্যটনের সুফল সরাসরি স্থানীয় মানুষের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হয়।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও এমন বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক উৎসব আয়োজন করা হয়। এর মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার ‘হারমনি ডে’ বা ‘হারমনি উইক’, ভারতের নাগাল্যান্ডের ‘হর্নবিল ফেস্টিভ্যাল’ এবং ক্রোয়েশিয়ার ‘হারমনি ফেস্টিভ্যাল’ উল্লেখযোগ্য।

শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমান বলেন, ‘আমরা খুব শিগগিরই হারমোনি ফেস্টিভ্যাল সিজন-৩ দেখতে যাচ্ছি। সিলেট অঞ্চলের অসংখ্য বৈচিত্র্যকে আমরা এক মঞ্চে তুলে ধরতে পেরেছি, যা আমাদের জন্য আনন্দের ও গর্বের বিষয়। এ উৎসবে সব ধর্ম, বর্ণ ও সম্প্রদায়ের মানুষ এক ছাদের নিচে মিলিত হয়ে আনন্দ উপভোগ করেছেন। আগামীতে আরও বড় পরিসরে, আরও সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে এ উৎসব আয়োজন করা হবে।’

সমাপনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের পরিচালক এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব সালেহা বিনতে সিরাজ বলেন, ‘গত তিন দিন ধরে আপনাদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি, সৌহার্দ্য ও ধৈর্য আমাদের এই আয়োজনকে সফল ও অর্থবহ করেছে। হারমোনি ফেস্টিভ্যালের মূল উদ্দেশ্য হলো শ্রীমঙ্গলের ঐতিহ্য এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর সংস্কৃতিকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরা।’

তিনি আরো বলেন, ‘গত বছরের তুলনায় এ বছর উৎসবের সাজসজ্জা ও পরিবেশনায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। ভবিষ্যতে আরও নান্দনিক, বর্ণিল ও ঐতিহ্যনির্ভর আয়োজনের মাধ্যমে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর পোশাক, সংস্কৃতি ও জীবনধারা সবার সামনে তুলে ধরা হবে।’

সালেহা বিনতে সিরাজ জানান, হারমোনি ফেস্টিভ্যাল সিজন-২ মূলত ডিসেম্বর মাসে আয়োজনের পরিকল্পনা ছিল। তবে বিভিন্ন কারণে তা বর্ষাকালে অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগামী বছর, অর্থাৎ ২০২৭ সালের জানুয়ারির দ্বিতীয় বা তৃতীয় সপ্তাহে ‘হারমোনি ফেস্টিভ্যাল সিজন-৩’ আরও বড় পরিসরে আয়োজন করা হবে।

তিন দিনের এ আয়োজন শুধু বিনোদনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং এটি ছিল সংস্কৃতি সংরক্ষণ, সামাজিক সম্প্রীতি জোরদার এবং টেকসই পর্যটন উন্নয়নের একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম। সংশ্লিষ্টদের আশা, হারমোনি ফেস্টিভ্যাল ভবিষ্যতেও দেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও পর্যটন সম্ভাবনাকে বিশ্বদরবারে আরও শক্তভাবে তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

কালিয়াকৈরে পাগলা শিয়ালের কামড়ে নারীসহ আহত ২০

কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি
কালিয়াকৈরে পাগলা শিয়ালের কামড়ে নারীসহ আহত ২০
ছবি : কালের কণ্ঠ

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে পাগলা শিয়ালের কামড়ে নারী ও শিশুসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। সোমবার (২২ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার কুয়ারচালা, বারেক মার্কেট এলাকায় একটি পাগলা শিয়াল হঠাৎ করে এসে গ্রামের বিভিন্ন বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে লোকজনকে কামড়িয়ে আহত করে। পাগলা ওই শিয়ালটি এলাকায় এখনো বিচরণ করায় এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। আহতদের উদ্ধার করে গাজীপুর সদর হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। 

এলাবাসী সূত্রে জানা যায়, কালিয়াকৈর উপজেলার কুয়ারচালা মার্কেট এলাকায় সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে একটি পাগলা শিয়াল দৌড়ে এসে ওই এলাকার হালিমা আক্তারের ঘরে গিয়ে তাকে প্রথমে কামড়িয়ে আহত করে। পরে পাগলা ওই শিয়ালটি একে একে ওই গ্রামের হাসান মিয়া, শাওন, মোরশেদা, বিলকিস, টিপু মিয়াসহ অন্তত ২০ জনকে কামড়িয়ে আহত করে।

এসময় গ্রামের লোকজনের ডাকচিৎকার শুরু করলে শিয়ালটি এদিক সেদিক দৌড়াদৌড়ি করতে থাকে। এদিকে গ্রামের ভেতর পাগলা শিয়াল ঢুকে এভাবে লোকজনকে কামড়িয়ে আহত করার ঘটনায় ওই এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। আহতদের উদ্ধার করে গাজীপুর সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

আহত হাসান মিয়া বলেন, আমি আমার দোকানে বসেছিলাম। হঠাৎ করে একটি শিয়াল দৌড়ে এসে আমাকে কামড়িয়ে চলে যায়।

আহত আরেকজন মোরশেদা আক্তার বলেন, আমি ঘরের ভেতর ফ্রিজ খুলছিলাম। এ সময় একটি শিয়াল ঘরে ঢুকে আমাকে কামড়িয়ে হাতের মাংস ছিড়ে নিয়ে যায়।

এলাকার বাসিন্দা জামিরুল ইসলাম বলেন, সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে একটি পাগলা শিয়াল গ্রামের ভেতর প্রবেশ করে অন্তত ২০ জনকে কামড়িয়ে আহত করেছে। এ ছাড়া শিয়ালটি গ্রামের ভেতর এখনো দৌড়াদৌড়ি করায় লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

মৌচাক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ওসি শামীম আক্তার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আহতদের সরকারি হাসপাতালে গিয়ে ভ্যাকসিন নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

দোহারে গৃহবধূ নির্যাতনের অভিযোগে স্বামী গ্রেপ্তার

দোহার-নবাবগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি
দোহারে গৃহবধূ নির্যাতনের অভিযোগে স্বামী গ্রেপ্তার
প্রতীকী ছবি

ঢাকার দোহারে দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার এক গৃহবধূকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী মুনিবুর রহমান মাসুমকে গ্রেপ্তার করেছে দোহার থানা পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক বছর আগে দোহার উপজেলার উত্তর জয়পাড়া এলাকার মুজিবুর রহমানের ছেলে মুনিবুর রহমান মাসুমের সঙ্গে মাদারীপুর জেলার টেকেরহাট এলাকার সম্পার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয়কে কেন্দ্র করে সম্পার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হতো বলে অভিযোগ রয়েছে।

নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে গেলে ভুক্তভোগী বিষয়টি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করেন। তার অভিযোগের ভিত্তিতে দোহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু বকর সিদ্দিকের নির্দেশনায় পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্ত মুনিবুর রহমান মাসুমকে গ্রেপ্তার করে এবং নির্যাতনের শিকার গৃহবধূকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যায়।

দোহার থানা পুলিশ জানিয়েছে, ভুক্তভোগীর অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি মামলার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নারী নির্যাতনের ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না এবং এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।

ঈশ্বরদীতে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মোটরসাইকেল শোডাউন

ঈশ্বরদী(পাবনা) প্রতিনিধি
ঈশ্বরদীতে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মোটরসাইকেল শোডাউন
ছবি : কালের কণ্ঠ

ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ-২০২৬-এর উল্লাসে গণজোয়ারে পাবনার ঈশ্বরদীতে প্রিয় দল আর্জেন্টিনার সমর্থক ও মেসির ভক্তরা পতাকা নিয়ে বিশাল শোভাযাত্রা করেছে।

সোমবার (২২ জুন) বিকেলে পৌর শহরের রেলগেট এলাকা থেকে জার্সি পরে পতাকা নিয়ে কয়েক শত মোটরসাইকেল নিয়ে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও শোডাউন করেছেন আর্জেন্টিনা সমর্থকরা। 

এর দুই দিন আগে ব্রাজিল সমর্থকরা শহরে মোটরসাইকেল শোডাউনের মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান জানান দেন। ব্রাজিল সমর্থক ভক্তদের মোটরসাইকেল শোডাউন দেখার পর  প্রিয় ফুটবল দল আর্জেন্টিনার প্রতি ভালোবাসা ও সমর্থনের অনন্য বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে এই শোডাউন করা হয়।

বিকেলে রেলগেট থেকে র‍্যালিটি শুরু হয়ে বাজার, পোস্টঅফিস মোড়সহ শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। শোডাউনটি শহর ঘুরে রেলগেটে এসে  শেষ হয়। এ সময় অংশগ্রহণকারী সমর্থকদের গায়ে ছিল আর্জেন্টিনার ঐতিহ্যবাহী আকাশি-সাদা জার্সি। পুরো আয়োজনটি উৎসবমুখর পরিবেশে পরিণত হয়।

র‍্যালিতে ও শোডাউনে ব্যান্ড পার্টির সুরে নেচে-গেয়ে উল্লাস প্রকাশ করেন সমর্থকরা। পাশাপাশি বিভিন্ন স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। শত শত মোটরসাইকেলের সঙ্গে বাঁধা পতাকাগুলো শহরবাসীর বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

আর্জেন্টিনা সমর্থক বিশাল জানান, তাদের বিশ্বাস আর্জেন্টিনা আগের আসরের মতো এবারও শিরোপা জয়ের দৌড়ে শক্ত অবস্থানে থাকবে। প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করতেই এই ব্যতিক্রমী আয়োজন করা হয়েছে।

শোডাউনে অংশ নেওয়া অমিত, রঞ্জন কুমার, শাহিনুর রহমান বাঁধন জানান  ঈশ্বরদীর মাটি, আর্জেন্টিনার ঘাঁটি। তাদের বিশ্বাস, প্রিয় দল এবারও সেরা পারফরম্যান্স উপহার দিয়ে সমর্থকদের প্রত্যাশা পূরণ করবে। আকাশি-সাদা প্রতিক সম্বলিত পতাকা আর্জেন্টিনার প্রতি তাদের ভালোবাসা ও আবেগের অনন্য প্রতীক।