• ই-পেপার

রামগতি

যেখানে সড়ক ছিল, সেখানে এখন খাল

  • দুই ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের দুর্ভোগ
  • দ্রুত মেরামতের দাবি স্থানীয়দের

আয়াতের পছন্দের দল ছিল আর্জেন্টিনা

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
আয়াতের পছন্দের দল ছিল আর্জেন্টিনা
সংগৃহীত ছবি

চট্টগ্রামে পাঁচ বছর বয়সী শিশু আলিনা ইসলাম আয়াতকে হত্যা মামলার রায়ে আসামি আবীর আলীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুন) চট্টগ্রামের ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মুহাম্মদ আলী আক্কাস এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণার পর নিহত আয়াতের বাবা সোহেল রানা বলেন, ‘আদালত আয়াত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় যে রায় দিয়েছেন, তাতে আমরা সন্তুষ্ট। উচ্চ আদালতেও যেন আবীরের মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকে। তার মৃত্যুদণ্ডের রায় যেন দ্রুত কার্যকর করা হয়। একই সঙ্গে এক মাসের মধ্যে যেন বাকি বিচারকাজ শেষ করা হয়।’

আর্জেন্টিনার জার্সি পরিহিত ছবিটির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আয়াত আর্জেন্টিনা ও মেসিকে পছন্দ করত। কিন্তু মেসির খেলা দেখা হয়ে ওঠেনি। তার আগেই ঘাতক তাকে হত্যা করেছে। বেঁচে থাকলে আজও হয়তো মেসিদের খেলা দেখত।’

বুধবার দুপুরে চট্টগ্রামের ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মুহাম্মদ আলী আক্কাসের আদালতে আয়াত হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। রায়ে একমাত্র আসামি আবীর আলীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৪ নভেম্বর নগরের ইপিজেড থানার নয়ারহাট ওয়াছমুন্সীবাড়ি এলাকার বাসিন্দা পাঁচ বছর বয়সী আলিনা ইসলাম আয়াত নিখোঁজ হয়। পরে তদন্তে উঠে আসে, প্রতিবেশী আবীর আলী তাকে হত্যা করে মরদেহ ছয় টুকরো করে সাগরে ভাসিয়ে দেয়। তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ৯ অক্টোবর পিবিআই আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। অভিযোগপত্রে আবীর আলীকে আসামি করা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি জালাল উদ্দিন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আয়াত হত্যা মামলায় আসামি আবীর আলীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত উল্লেখ করেন, ঘটনাটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত, নিষ্ঠুর, নৃশংস, নির্মম এবং সমাজে আতঙ্ক সৃষ্টিকারী। ৩৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দেন।’

সাভারে মাদরাসাশিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে প্রিন্সিপাল গ্রেপ্তার

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি
সাভারে মাদরাসাশিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে প্রিন্সিপাল গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

সাভারের তেঁতুলঝোড়া এলাকায় এক মাদরাসাশিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির প্রিন্সিপাল মাওলানা গোলাম রাব্বানীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে ওই শিক্ষককে আদালতে পাঠিয়েছে সাভার মডেল থানা পুলিশ।‌

এর আগে মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাতে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পরিবারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে সাভার মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় একটি মামলা (মামলা নম্বর-৭৩) দায়ের করা হয়। মামলার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে তেঁতুলঝোড়া এলাকা থেকে অভিযুক্ত প্রিন্সিপালকে গ্রেপ্তার করে।

থানা পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করে তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সাভার মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) নুর মোহাম্মদ জানান, ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে মাওলানা গোলাম রাব্বানীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বুধবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে। 

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৭০ লাখ টাকার মাদক জব্দ, গ্রেপ্তার ২

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৭০ লাখ টাকার মাদক জব্দ, গ্রেপ্তার ২
ছবি: কালের কণ্ঠ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির পৃথক দুটি অভিযানে একটি ট্রাক, ভারতীয় ২ হাজার ৮৫ বোতল এস্কাফ সিরাপ ও ৫৮৫ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে। এ সময় দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। জব্দকৃত মালামালের আনুমানিক মূল্য ৭০ লাখ ৩৫ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি।

গ্রেপ্তাররা হলেন কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার মোজাফফরগঞ্জ পাশাপুর গ্রামের আলমগীর হোসেনের ছেলে রিয়াদ হোসেন (২০) এবং শিবগঞ্জ উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের জমিনপুর গ্রামের মামলত আলীর ছেলে নাঈম ইসলাম (১৮)।

বিজিবি সূত্র জানায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে সোনামসজিদ বিওপির একটি টহল দল আন্তর্জাতিক সীমান্তের পিলার ১৮৫/১৫-এস থেকে প্রায় ১৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সোনামসজিদ বন্দরসংলগ্ন শাহাবাজপুর ইউনিয়নের বালিয়াদিঘী এলাকায় একটি ট্রাকে অভিযান চালায়। এ সময় ট্রাকে থাকা সাতটি প্লাস্টিকের বস্তা থেকে ২ হাজার ৮৫ বোতল ভারতীয় এস্কাফ সিরাপ উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে ট্রাকচালক রিয়াদ হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এর আগে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে চৌকা বিওপির একটি টহল দল আন্তর্জাতিক সীমান্তের পিলার ১৭৭/৩-এস থেকে প্রায় চার কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিনোদপুর ইউনিয়নের খাসেরহাট এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে ৫৮৫ পিস ভারতীয় ইয়াবাসহ নাঈম ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বুধবার সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানগুলো পরিচালনা করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শিবগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

পাচার বন্ধ করতে পারলে অর্থের কোনো অভাব হবে না : প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
পাচার বন্ধ করতে পারলে অর্থের কোনো অভাব হবে না : প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি : পিএমও

রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় ও পাচার বন্ধ করতে পারলে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড কর্মসূচি পরিচালনায় অর্থের কোনো সংকট হবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে মৌলভীবাজার শ্রীমঙ্গলের ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, আমরা দেখেছি কিভাবে জনগণের অর্থ বিগত এক যুগ ধরে, ১৭ বছর ধরে এই দেশ থেকে পাচার হয়ে গেছে। জনগণের অর্থ জনগণকে না দিয়ে একটি দল বিদেশে পাচার করে দিয়েছিল। এই জনগণের টাকা আর পাচার হতে দেব না আমরা।

ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড কর্মসূচির অর্থের উৎস নিয়ে বিভিন্ন মহলের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার অঙ্গীকার অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করছে। নারীরা স্বাবলম্বী না হলে দেশের উন্নয়ন সম্ভব না। তাই সরকার নির্বাচিত হয়ে নারীদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দিচ্ছে। যারা বিভ্রান্তি ছড়াতে চায়, তারা বলে ফ্যামিলি কার্ডের টাকা কোথা থেকে আসবে। জনগণের টাকা আর পাচার হতে দেওয়া হবে না। রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় ও পাচার বন্ধ করতে পারলে এই কার্যক্রম পরিচালনায় অর্থের কোনো অভাব হবে না।

চলতি বাজেটকে ‘গণবিরোধী’ আখ্যা দেওয়ার সমালোচনা করে তিনি বলেন, যে বাজেটে নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড, শিক্ষা খাতে বরাদ্দ এবং ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর থেকে শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়েছে, সেই বাজেটকে যাঁরা জনবিরোধী বলছেন, তাঁরা কখনো জনগণের বন্ধু হতে পারেন না।

তিনি বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের ৪০ লাখ পরিবারের কাছে ফ্যামিলি কার্ড এবং ৪০ লাখ কৃষকের কাছে কৃষক কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য এবং সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।