‘আমার বাবা ছিলেন সম্মুখযোদ্ধা, তিনি একাত্তরের যুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছেন। তার মরদেহও আমরা খুঁজে পাইনি। সান্ত্বনা এটুকুই, তিনি দেশের জন্য এবং এ দেশের মানুষের জন্য প্রাণ দিয়েছেন।’
সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ অম্বিকাচরনলাহা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে মেজর জেনারেল মাহবুব হায়দার খান (অব.) এসব কথা বলেন।
মাহবুব হায়দার খান বলেন, এই বিদ্যালয় শুধু আমার শিক্ষার ভিত্তি নয়, আমার চরিত্র ও জীবনবোধ গঠনের অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠান। ৬০ বছর পর এখানে ফিরে এসে মনে হচ্ছে আমি আবার আমার শৈশবে ফিরে গেছি। জীবনের নানা সাফল্য ও অর্জনের পেছনে যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির অবদান রয়েছে।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সততা, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেমের চেতনায় নিজেদের গড়ে তুলতে হবে। কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে যেকোনো লক্ষ্য অর্জন সম্ভব বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন নেপালের আর্মির মেজর জেনারেল ঝংকার কায়াত, বিশিষ্ট পাখি বিশেষজ্ঞ কাজী আহমেদ হোসাইন ও তার ছেলে মানসিব খান।




