• ই-পেপার

সাবেক সচিব ও রাষ্ট্রদূত এম মুনির-উজ-জামানের ইন্তেকাল

নেস্‌লে বাংলাদেশ পিএলসি পরিদর্শনে সুইজারল্যান্ডের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল

গুণগত মান ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের অঙ্গীকার

অনলাইন ডেস্ক
নেস্‌লে বাংলাদেশ পিএলসি পরিদর্শনে সুইজারল্যান্ডের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল
সংগৃহীত ছবি

সুইজারল্যান্ড পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এশিয়া-প্যাসিফিক বিভাগের প্রধান এইচ ই মি মার্কাস লেইটনারের নেতৃত্বে একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল গত ১ জুন গাজীপুরের শ্রীপুরে অবস্থিত নেস্‌লে বাংলাদেশ পিএলসি’র একমাত্র ফ্যাক্টরিটি পরিদর্শন করেন। 

এসময় তার সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত এইচ ই মি রেটো রেংলি এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এই সফরে ১৯৯৪ সাল থেকে বাংলাদেশের শিল্প ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে নেস্‌লে বাংলাদেশের অবদান, বিশেষ করে স্থানীয় দক্ষতা উন্নয়ন, উদ্ভাবন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা তুলে ধরা হয়।

ফ্যাক্টরি পরিদর্শনের সময় প্রতিনিধিদল নেস্‌লের বিশ্বমানের উৎপাদন ও গুণগত মানের প্রশংসা করেন। বিশেষত ইনফ্যান্ট ফর্মুলা উৎপাদন কার্যক্রমের উৎকর্ষতা তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে, যা আন্তর্জাতিক মান, খাদ্য নিরাপত্তা এবং উৎকর্ষতার প্রতি নেস্‌লে’র অঙ্গীকারের প্রতিফলন।

প্রতিনিধিদল উল্লেখ করেন যে, শ্রীপুর ফ্যাক্টরিটি একটি উজ্জ্বল উদাহরণ-যেখানে একটি সুইস প্রতিষ্ঠান বৈশ্বিক মানদণ্ড বজায় রাখার পাশাপাশি স্থানীয় উৎপাদন খাতের উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

নেস্‌লে বাংলাদেশ-এর ‘ক্রিয়েটিং শেয়ার্ড ভ্যালু’ (Creating Shared Value) উদ্যোগের মাধ্যমে পুনরুজ্জীবনমূলক কৃষি (Regenerative Agriculture), পুষ্টি এবং তরুণদের কর্মসংস্থান দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করা হচ্ছে, যা বর্তমানে ২০,০০০-এর বেশি পরিবারের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই প্রবৃদ্ধিকে এগিয়ে নিচ্ছে।

উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ডের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরো গভীর করা এবং বাংলাদেশে অব্যাহত বিনিয়োগ ও টেকসই ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি উৎসাহিত করার বিষয়ে তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

পোর্ট্রেট থেকে ল্যান্ডস্কেপ : টেলিফটো লেন্সে স্মার্টফোন ফটোগ্রাফির অনবদ্য অভিজ্ঞতা

অনলাইন ডেস্ক
পোর্ট্রেট থেকে ল্যান্ডস্কেপ : টেলিফটো লেন্সে স্মার্টফোন ফটোগ্রাফির অনবদ্য অভিজ্ঞতা

হর্সটেইল জলপ্রপাতের সূর্যাস্তের সময়ের ছবি দেখলে মনে হয় যেন এখান থেকে গ্যালনখানেক পানি নয়, বরং লাভা বেয়ে পড়ছে। অনেকে একে ইয়োসেমিটি আগুনপ্রপাতও বলে। প্রতিবছর ফেব্রুয়ারির শেষ কয়েক সপ্তাহে এ দৃশ্য দেখা যায়। অসংখ্য পর্যটক ও ফটোগ্রাফাররা বিভিন্ন অ্যাঙ্গেল থেকে এই দৃশ্য ধারণ করেন। এরকমই কিছু কিছু ছবি কোনো ফিল্টার বা এডিট ছাড়াই মানুষকে মুগ্ধ করে তোলে। ছবির পেছনের দৃষ্টিভঙ্গি, ফ্রেমিং ও স্টোরি টেলিংয়ের ধরন একে অনবদ্য করে তোলে।

বর্তমানে স্মার্টফোনের মাধ্যমে এই ফটোগ্রাফি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। স্মার্টফোন এখন আর বেসিক ওয়াইড অ্যাঙ্গেল ছবির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এখন টেলিফটো লেন্সের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন দৃশ্যপটের ছবি সিনেমাটিক ফোকাস, ন্যাচারাল ফ্রেমিং ও ইমোশনাল ডেপথের সাথে ধারণ করতে পারেন। টেলিফটো জুম অনেক দূরে অবস্থিত কোনো ছবিকে নিখুঁতভাবে ধারণ করার পাশাপাশি, ছবির বাস্তবিক দৃষ্টিভঙ্গি ও মান অক্ষুণ্ন রাখে।

৫এক্স টেলিফটো সিস্টেম ব্যবহার করে স্মার্টফোনেই সিনেমাটিক ক্লোজআপ শট, স্টোরি টেলিং ও ভিজ্যুয়ালি লেয়ার্ড কম্পোজিশনে ছবি তোলা যায়। এই ফটোগ্রাফির মাধ্যমে কোনো বস্তু ও এর ব্যাকগ্রাউন্ডকে একসাথে নিয়ে আসার মাধ্যমে সিনেমাটিক ও প্রফেশনাল ছবির ফিল পাওয়া যায়। টেলিফটো জুম দিয়ে দূরের কোনো পাহাড়ের ছবি তোলার সময় ব্যাকগ্রাউন্ডের নীল সাদা আকাশের মিশ্রণ ছবিটিকে আরও বেশি সিনেমাটিক ও দৃষ্টিনন্দন করে তোলে।

টেলিফটো লেন্সে তোলা কোনো পোর্ট্রেট ছবিতে ন্যাচারাল ফেশিয়াল প্রোপোরশন, প্রফেশনাল ফ্রেমিং, ব্যাকগ্রাউন্ড সিপারেশন, সিনেমাটিক ডেপথ আরও নিখুঁতভাবে ফুটে ওঠে। সাগরপাড়ে গোধূলি বেলায় পোর্ট্রেট ছবি তোলার সময় যেকোনো ফটোগ্রাফার নান্দনিক ছবি পেতে পারেন।

ট্রাভেল ফটোগ্রাফি, নেচার ও ওয়াইল্ড লাইফ ভিজ্যুয়াল, ইভেন্ট কভারেজ (কনসার্ট, বিয়ে বা খেলা), ক্যান্ডিড মোমেন্ট, মুড ফোকাসড স্টোরি টেলিংয়ের জন্য টেলিফটো ক্যামেরা ফটোগ্রাফারদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এর মাধ্যমে কোনো দৃশ্যকে সিনেমাটিকভাবে উপস্থাপন করা যায়। সিংহের তার শাবক সহ শিকার করার দৃশ্য বা মাউন্ট ফুজির সামনে দিয়ে বুলেট ট্রেন যাওয়ার দৃশ্য টেলিফটোগ্রাফিতে সিনেমাটিক মোশনে নিখুঁতভাবে ফুটে ওঠে।

টেলিফটো লেন্সকে আরও বেশি সমৃদ্ধ করেছে জার্মান প্রযুক্তির লাইকা। লাইকার ৫এক্স টেলিফটোর মাধ্যমে ন্যাচারাল ইমেজ কমপ্রেশন, সিনেমাটিক ক্লোজআপ, রিয়েলিস্টিক কালার সায়েন্স, অথেন্টিক কনট্রাস্ট ও শ্যাডো, ইমোশন-ফোকাসড ফ্রেমিং, প্রফেশনাল পোর্ট্রেট রেন্ডারিং সমৃদ্ধ নিখুঁত ও স্পষ্ট ছবি তোলা যায়। লাইকার টেলিফটোগ্রাফি চাঁদের স্পষ্ট ও ডিটেইলড ছবি তুলতে সক্ষম। অ্যাস্ট্রোফটোগ্রাফারদের জন্য লাইকা টেলিফটো লেন্স সমৃদ্ধ স্মার্টফোন অনবদ্য অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে।

বর্তমানে স্মার্টফোন ফটোগ্রাফি স্টোরিটেলিংয়ের জন্য জনপ্রিয় একটি যন্ত্রে পরিণত হয়েছে, যেখানে টেলিফটো ফটোগ্রাফি ব্যবহারকারীদের নিত্যদিনের মুহূর্তগুলোকে আরও স্মরণীয় করে তুলেছে। শাওমি ও লাইকার মেলবন্ধন এই প্রফেশনাল ইমেজিং অভিজ্ঞতাকে ব্যবহারকারীদের জন্য আরও সহজলভ্য করেছে।

ওয়ালটন হাই-টেকের সঙ্গে ডিজি-টেকের একীভূতকরণ চূড়ান্ত পর্যায়ে

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ওয়ালটন হাই-টেকের সঙ্গে ডিজি-টেকের একীভূতকরণ চূড়ান্ত পর্যায়ে
সংগৃহীত ছবি

পুঁজিবাজারে প্রকৌশল খাতে তালিকাভুক্ত ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র সঙ্গে দেশের শীর্ষ প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদন ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের একীভূতকরণ প্রক্রিয়ায় শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন মিলেছে। এর মাধ্যমে প্রযুক্তিপণ্য খাতের শীর্ষ এই দুই প্রতিষ্ঠানের একীভূতকরণ কার্যকর করার পথে আরও একধাপ অগ্রগতি হলো।

বুধবার (৩ জুন) ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আয়োজিত বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম)-এ ওয়ালটন হাই-টেকের শেয়ারহোল্ডাররা সর্বসম্মতিক্রমে ডিজি-টেক একীভূতকরণ প্রস্তাব অনুমোদন করেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র চেয়ারম্যান এস এম শামছুল আলম।

ইজিএমে ভার্চুয়াল মাধ্যমে অংশ নেন কোম্পানির ভাইস-চেয়ারম্যান এস এম আশরাফুল আলম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম, উদ্যোক্তা পরিচালক এস এম নূরুল আলম রেজভী ও এস এম রেজাউল আলম, পরিচালক এস এম মঞ্জুরুল আলম অভী, তাহমিনা আফরোজ, রাইসা সিগমা হিমা এবং সাবিহা জারিন অরনা, স্বতন্ত্র পরিচালক ড. সাদিকুল ইসলাম ও জোহরা বিবি। এছাড়া কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রাতিষ্ঠানিক ও সাধারণ শেয়ারহোল্ডার সভায় অংশ নেন।

সভায় শেয়ারহোল্ডারদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দিতে গিয়ে চেয়ারম্যান এস এম শামছুল আলম বলেন, ওয়ালটন হাই-টেক দেশের শীর্ষ ইলেকট্রনিক্স ও ইলেকট্রিক্যাল পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এবং পুঁজিবাজারে একটি কমপ্লায়েন্সনির্ভর ও মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানি। অন্যদিকে ওয়ালটন ডিজি-টেক ল্যাপটপ, কম্পিউটার, প্রিন্টার, মোবাইল ফোন, প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ড (পিসিবি), ইলেকট্রিক বাইকসহ বিভিন্ন আইসিটি ও প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করছে।

তিনি বলেন, ডিজি-টেক একীভূতকরণের ফলে ওয়ালটন হাই-টেকের পণ্যের পরিধি আরও শক্তিশালী হবে। পাশাপাশি বাজার সম্প্রসারণ, কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পরিচালন ব্যয় হ্রাসে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, যার সুফল ভোগ করবেন কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা।

ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, এই একীভূতকরণ শুধু দুটি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয় নয়, বরং প্রযুক্তি, মানবসম্পদ, গবেষণা ও উন্নয়ন সক্ষমতা এবং বাজার সম্প্রসারণ কৌশলকে একটি অভিন্ন শক্তিতে রূপান্তরের উদ্যোগ। এর ফলে সিদ্ধান্ত গ্রহণের গতি বাড়বে, সম্পদের ব্যবহার আরও দক্ষ হবে এবং দীর্ঘমেয়াদে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য অধিক মূল্য সৃষ্টি হবে।

তিনি আরও বলেন, ওয়ালটনের লক্ষ্য শুধু দেশের বাজারে নেতৃত্ব দেওয়া নয়, বরং ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ প্রযুক্তিপণ্যকে বিশ্ববাজারে শক্তিশালী ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা। এই একীভূতকরণ সেই লক্ষ্য অর্জনের পথকে আরও ত্বরান্বিত করবে।

ইজিএমে অংশ নেওয়া শেয়ারহোল্ডাররা একীভূতকরণ উদ্যোগকে সময়োপযোগী, সুদূরপ্রসারী ও বিচক্ষণ ব্যবসায়িক কৌশল হিসেবে অভিহিত করেন। তারা মনে করেন, এর মাধ্যমে কোম্পানির ব্যবসায়িক পরিধি বৃদ্ধি, সম্পদের দক্ষ ব্যবস্থাপনা এবং পরিচালন ব্যয় হ্রাসের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।

সভায় জানানো হয়, একীভূতকরণ প্রক্রিয়ায় ওয়ালটন ডিজি-টেকের প্রতি ৩৮ দশমিক ৪৫টি শেয়ারের বিপরীতে ওয়ালটন হাই-টেকের একটি শেয়ার ইস্যু করা হবে। সে অনুযায়ী ডিজি-টেকের ৩ কোটি শেয়ারের বিপরীতে ওয়ালটন হাই-টেক মোট ৭ লাখ ৮০ হাজার ২৩৪টি নতুন শেয়ার ইস্যু করবে।

আইইউবির কোষাধ্যক্ষ হিসেবে যোগ দিলেন মো. ওয়াছিম জাব্বার

আইইউবির কোষাধ্যক্ষ হিসেবে যোগ দিলেন মো. ওয়াছিম জাব্বার

ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (আইইউবি)-এর কোষাধ্যক্ষ হিসেবে যোগ দিয়েছেন মো. ওয়াছিম জাব্বার, এমসিআইপিএস। বুধবার (৪ জুন) তিনি এ পদে যোগ দেন। তিনি খন্দকার মো. ইফতেখার হায়দারের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।

আইইউবিতে যোগদানের আগে জনাব জাব্বার বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) প্রশাসন ক্যাডারে ৩২ বছরের বেশি সময় দায়িত্ব পালন করেছেন। এ সময়ে তিনি জনপ্রশাসন, আর্থিক ব্যবস্থাপনা, সরকারি ক্রয়, প্রাতিষ্ঠানিক পরিচালনা ও নীতি বাস্তবায়ন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।

সর্বশেষ তিনি ইতালির তুরিনে ইন্টারন্যাশনাল লেবার অরগানাইজেশনের ইন্টারন্যাশনাল ট্রেনিং সেন্টারে (আইএলও-আইটিসিআইএলও) ডিজিটাইজিং ইমপ্লিমেন্টেশন মনিটরিং অ্যান্ড পাবলিক প্রকিউরমেন্ট প্রজেক্ট-ক্যাপাসিটি ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড প্রফেশনালাইজেশন (ডিআইএমএপিপিপি-সিডিপি)-এর ডেপুটি টিমলিডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এর আগে তিনি জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের অধীন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ইনস্টিটিউটের (বিপিআই) মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব), বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) প্রশাসন ও অর্থ বিভাগের পরিচালক, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিয়াম)-এর পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা), এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

জাব্বার ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি থেকে প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড সাপ্লাই ম্যানেজমেন্টে মাস্টার্স, ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি চিটাগং (ইউএসটিসি) থেকে মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনায় এক্সিকিউটিভ এমবিএ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মার্কেটিংয়ে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি যুক্তরাজ্যের চার্টার্ড ইনস্টিটিউট অব প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড সাপ্লাই (সিআইপিএস) থেকে প্রকিউরমেন্ট ও সাপ্লাই বিষয়ে ডিপ্লোমা, অ্যাডভান্সড ডিপ্লোমা ও প্রফেশনাল ডিপ্লোমা সম্পন্ন করেছেন।

তিনি ২০১৭ সাল থেকে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এ ছাড়াও, বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটির (বিপিপিএ) পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিষয়ক জাতীয় প্রশিক্ষক হিসেবেও তিনি যুক্ত রয়েছেন। তিনি সিআইপিএস ইউকে-এর সদস্য এবং ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট কনসালট্যান্টস বাংলাদেশের আজীবন সদস্য।