• ই-পেপার

ঢাবিতে তিতুমীর

এবারের বাজেটকে সংখ্যার দৃষ্টিতে না দেখে মূল দর্শন বোঝা জরুরি

দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম ফাইটোকেমিক্যাল ডেটাবেইস তৈরি করলেন নোবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি
দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম ফাইটোকেমিক্যাল ডেটাবেইস তৈরি করলেন নোবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা
ছবি : কালের কণ্ঠ

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং (বিজিই) বিভাগের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব ও অংশগ্রহণে দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ঔষধি উদ্ভিদ ফাইটোকেমিক্যাল ডেটাবেইস (Medicinal Plant Phytochemical Database) তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশের প্রথম বায়োইনফরম্যাটিক্স প্রতিষ্ঠান Dawn of Bioinformatics (DOB)-এর তত্ত্বাবধানে নির্মিত এই ডেটাবেস গবেষণা ও ওষুধ আবিষ্কারের ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ায় নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে।

এই গবেষণা উদ্যোগের নেতৃত্ব দেন নোবিপ্রবির বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০১৬–১৭ শিক্ষাবর্ষের সাবেক শিক্ষার্থী এস. কে. ফয়সাল আহমেদ। তিনি দেশের প্রথম বায়োইনফরম্যাটিক্স প্রতিষ্ঠান Dawn of Bioinformatics (DOB)-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (Founder & CEO)। তার নেতৃত্বে প্রায় দুই বছরের নিরলস প্রচেষ্টায় তৈরি হয়েছে Bangladesh Medicinal Plants and Phytochemicals Database (BMPPD)।

ডেটাবেসটিতে বাংলাদেশের ৭০০-এরও বেশি ঔষধি উদ্ভিদ প্রজাতির প্রায় ৬৩ হাজার অনন্য (Unique) ফাইটোকেমিক্যাল যৌগের তথ্য সংরক্ষিত হয়েছে। গবেষকদের দাবি, দক্ষিণ এশিয়ায় এ ধরনের এটিই সবচেয়ে বড় এবং সর্বাধিক বিস্তৃত ফাইটোকেমিক্যাল ডেটাবেস।

এই গবেষণা দলে নোবিপ্রবির আরো তিন শিক্ষার্থী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তারা হলেন, বিজিই বিভাগের ২০১৭–১৮ শিক্ষাবর্ষের সাবেক শিক্ষার্থী ইমরানুর রহমান, ২০১৮–১৯ শিক্ষাবর্ষের আমির আলভী এবং ২০২০–২১ শিক্ষাবর্ষের প্রমি চৌধুরী বাঁধন।

গবেষকদের মতে, ডেটাবেসটি কম্পিউটারভিত্তিক ওষুধ আবিষ্কার (Computer-Aided Drug Discovery), ফাইটোকেমিক্যাল স্ক্রিনিং এবং এথনোফার্মাকোলজি গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। আধুনিক বায়োইনফরম্যাটিক্স প্রযুক্তি ব্যবহার করে উদ্ভিদজাত রাসায়নিক যৌগের সম্ভাব্য ওষুধি কার্যকারিতা দ্রুত ও স্বল্প ব্যয়ে বিশ্লেষণ করা সম্ভব হবে।

এতদিন দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় ফাইটোকেমিক্যাল ডেটাবেস হিসেবে ভারতের IMPPAT 2.0 পরিচিত ছিল, যেখানে প্রায় ১৭ হাজার ৯৬৭টি ফাইটোকেমিক্যাল যৌগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। নতুন BMPPD ডেটাবেসে প্রায় ৬৩ হাজার অনন্য যৌগ সংযোজনের মাধ্যমে সেই সীমা অতিক্রম করে দক্ষিণ এশিয়ায় নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে বাংলাদেশ।

বর্তমানে দেশের ৪৫টিরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ও শিক্ষার্থীরা এই ওপেন রিসোর্স ব্যবহার করে গবেষণা পরিচালনা করছেন। গবেষণা সংশ্লিষ্টদের মতে, এই উদ্যোগ দেশের বায়োইনফরম্যাটিক্স, ঔষধি উদ্ভিদ গবেষণা এবং নতুন ওষুধ আবিষ্কারের সম্ভাবনাকে আরো এগিয়ে নেবে।

এ প্রসঙ্গে এস. কে. ফয়সাল আহমেদ বলেন, ‘প্রকৃতি শুরু থেকেই যে ভাষায় কথা বলে এসেছে, তারই আধুনিক বৈজ্ঞানিক রূপ হলো বায়োইনফরম্যাটিক্স। বিএমপিপিডি-এর প্রতিটি যৌগের মাঝে লুকিয়ে আছে একেকটি সম্ভাব্য জীবনরক্ষাকারী ওষুধ। দক্ষিণ এশিয়ার ঔষধি ঐতিহ্যকে বায়োইনফরম্যাটিক্সের শক্তিতে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার সময় এসেছে এবং সেই যাত্রা বাংলাদেশ থেকেই শুরু হচ্ছে।"

বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের মতে, নোবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে ও সক্রিয় অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক মানের এই গবেষণা অর্জন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা সক্ষমতা ও সম্ভাবনার আরেকটি উজ্জ্বল স্বীকৃতি।

৩১ লাখ টাকা শিক্ষাবৃত্তি পাবেন কুবির ৪০২ শিক্ষার্থী

কুবি প্রতিনিধি
৩১ লাখ টাকা শিক্ষাবৃত্তি পাবেন কুবির ৪০২ শিক্ষার্থী
সংগৃহীত ছবি

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মেধাবৃত্তি, অসচ্ছল মেধাবী এবং স্পোর্টস ক্যাটাগরিতে ৪০২ জন শিক্ষার্থীকে শিক্ষাবৃত্তি দেওয়া হবে। এ জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে মোট ৩১ লাখ ২৮ হাজার ৫০০ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। রবিবার (২৮ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তরের একাডেমিক শাখা থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

শিক্ষাবৃত্তির জন্য প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষ থেকে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীরা এর আওতায় শিক্ষাবৃত্তি পাবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯টি বিভাগ থেকে মেধাবৃত্তির জন্য নির্বাচিত করা হবে ২০৮ জনকে। এই ক্যাটাগরিতে বরাদ্দ ১৬ লাখ ৬১ হাজার ৫০০ টাকা। তাদের মধ্যে ফলাফলে প্রথম স্থান অধিকারী ৬৮ জন শিক্ষার্থী ৮ হাজার ৫০০ টাকা, দ্বিতীয় স্থান অর্জনকারী ৬৭ জন শিক্ষার্থী ৮ হাজার টাকা এবং তৃতীয় স্থান অর্জনকারী ৭৩ জন শিক্ষার্থী পাবেন ৭ হাজার ৫০০ টাকা।

এর মধ্যে ব্যবস্থাপনা শিক্ষা এবং মার্কেটিং বিভাগে ১৪ জন করে, আইন, ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং এবং ইংরেজি বিভাগে ১৩ জন, গণিত বিভাগে ১২ জন, অ্যাকাউন্টিং, প্রত্নতত্ত্ব, অর্থনীতি ও পরিসংখ্যান বিভাগে ১১ জন, রসায়ন, সিএসই, আইসিটি এবং গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ১০ জন এবং পদার্থ বিজ্ঞান, ফার্মেসি, বাংলা, লোক প্রশাসন ও নৃবিজ্ঞান বিভাগে ৯ জন করে পাবেন মেধাবৃত্তি।

এ ছাড়া আর্থিকভাবে অসচ্ছল মেধাবী ক্যাটাগরিতে ১৮২ জন শিক্ষার্থীর জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১৩ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। এরমধ্যে প্রত্যেকে ৭ হাজার ৫০০ টাকা করে পাবেন। 

এদিকে খেলাধুলায় স্বীকৃতি হিসেবে ১২ জন শিক্ষার্থীকে স্পোর্টস শিক্ষাবৃত্তি দেওয়া হচ্ছে। এদের প্রত্যেকে পাবেন ৮ হাজার ৫০০ টাকা করে মোট এক লাখ দুই হাজার টাকা। এরমধ্যে গণিত, পরিসংখ্যান, রসায়ন, ইংরেজি, বাংলা, অর্থনীতি, লোক প্রশাসন, নৃবিজ্ঞান, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা, এআইএস, ব্যবস্থাপনা শিক্ষা, মার্কেটিং, ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং এবং আইন বিভাগে ১০ জন করে। পদার্থ বিজ্ঞান ও সিএসই বিভাগে ৯ জন, ফার্মেসি, প্রত্নতত্ত্ব ও আইসিটি বিভাগে ৮ জন করে পাবেন অসচ্ছল মেধাবৃত্তি।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) নুরুল করিম চৌধুরী বলেন, শিক্ষার্থীদের কল্যাণের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মেধাবৃত্তি, অসচ্ছল মেধাবী, স্টাইপেন্ড এবং স্পোর্টস স্কলারশিপ ক্যাটাগরিতে বৃত্তি দেওয়া হবে। বৃত্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য আর্থিক অসচ্ছলতাকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বাকি শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে তাদের একাডেমিক ফলাফল ও সিজিপিএকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষাছুটির পরও কর্মস্থলে যোগদান না করায়

গোবিপ্রবির ১৭ শিক্ষককে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করল প্রশাসন

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
গোবিপ্রবির ১৭ শিক্ষককে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করল প্রশাসন
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

শিক্ষাছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর্মস্থলে যোগদান না করায় গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) বিভিন্ন বিভাগের ১৬ জন শিক্ষককে এবং সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘনসহ নৈতিক স্খলনের অভিযোগে আরো একজনসহ ১৭ জন শিক্ষককে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

আজ রবিবার (২৮ জুন) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. এনামউজ্জামান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

অফিস আদেশে বলা হয়, ২৩ জুন অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৩তম রিজেন্ট বোর্ড সভার ৪৩/১০ নম্বর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অননুমোদিতভাবে শিক্ষাছুটিতে বিদেশে অবস্থান করা এবং এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একাধিকবার পত্রের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হলেও কর্মস্থলে যোগদান না করায় তাদের স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

চাকরিচ্যুত শিক্ষকরা হলেন ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আমিরুল ইসলাম ও আশরাফুল হোসেন হাওলাদার, সহকারী অধ্যাপক পান্থ প্রতিম সরকার এবং প্রভাষক মো. আহসানউল্লাহ, মো. খায়রুল বাশার ও উপমা দাস, পরিসংখ্যান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কাকলী খাতুন, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক ময়মুনা বেগম কলি, রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. দেবব্রত পাল, আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ রুবাইয়াৎ রহমান, লোকপ্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মিজানুর রহমান, ফার্মেসি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসনিয়া নাহিয়ান জুলফিকার, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক অধরা তাহসিন, অ্যাপ্লাইড কেমিস্ট্রি অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফারজানা ইয়াসমিন, ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. উজ্জ্বল হুসাইন এবং ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাবিয়া খাতুন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, শিক্ষাছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর কর্মস্থলে যোগদানের জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বারবার লিখিতভাবে জানানো হয়। কিন্তু তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আহ্বানে সাড়া না দেওয়ায় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তাদের স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। একই সঙ্গে অফিস আদেশে চাকরিচ্যুত শিক্ষকদের ছুটিকালীন আহরিত সমুদয় অর্থ বিধি মোতাবেক বিশ্ববিদ্যালয়কে ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফাতেমা খাতুনকে সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘনসহ নৈতিক স্খলনের অভিযোগে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

গোবিপ্রবির উপপরিচালক (জনসংযোগ) মো. মাহবুবুল আলমের দেওয়া এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

নৈতিক স্খলনের অভিযোগে গোবিপ্রবির শিক্ষককে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুতি

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
নৈতিক স্খলনের অভিযোগে গোবিপ্রবির শিক্ষককে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুতি
চাকরিচ্যুত সহকারী অধ্যাপক ফাতেমা খাতুন। সংগৃহীত ছবি

সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘন ও নৈতিক স্খলনের অভিযোগে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফাতেমা খাতুনকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

রবিবার (২৮ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. এনামুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

অফিস আদেশে বলা হয়, রিজেন্ট বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সহকারী অধ্যাপক ফাতেমা খাতুনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক পদ থেকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গৃহীত অর্থও তাকে ফেরত দিতে হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত ২৩ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত ৪৩তম রিজেন্ট বোর্ড সভার ৪৩/৬ নম্বর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে গঠিত সত্যানুসন্ধান কমিটির প্রতিবেদন ও শৃঙ্খলা বোর্ডের সুপারিশ পর্যালোচনা করা হয়। পরে রিজেন্ট বোর্ডের সদস্যরা সর্বসম্মতিক্রমে মত দেন যে, সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘনসহ নৈতিক স্খলনজনিত অভিযোগে তিনি সন্দেহাতীতভাবে অভিযুক্ত।

এ বিষয়ে ফাতেমা খাতুনের বক্তব্য জানতে তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।